সান্তা ক্লোজের সাজে রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার
সকাল সকাল ডেস্ক সোমনাথ গুপ্ত, দুর্গাপুর বড়দিনের সকালে একেবারে ব্যতিক্রমী ছবি ধরা পড়ল দুর্গাপুরে। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল সান্তা ক্লোজের পোশাক পরে, কোনও রকম প্রচার বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। সকাল হতেই তিনি পৌঁছে যান দুর্গাপুরের তালতলা বস্তিতে।কাঁধে ঝোলা, মুখে আন্তরিক হাসি, যেন রূপকথার গল্পের সেই পরিচিত সান্তা ক্লোজই।মন্ত্রী পরিচয় আড়াল করে তিনি একে একে শিশুদের হাতে তুলে দেন খেলনা, চকোলেট, খাবার আর নানা উপহার। হঠাৎ এমন উপহার পেয়ে খুদেরা আনন্দে আত্মহারা কারও চোখে বিস্ময়, কারও মুখে হাসি, আবার কেউ কেউ খুশিতে চিৎকার করে ওঠে। বড়দিনের সকালে তালতলা বস্তির অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রোশনাই, ভালোবাসার উষ্ণতা। এই মানবিক উদ্যোগ শুধু উপহার বিলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী, তাদের পড়াশোনা ও স্বপ্নের কথা শোনেন। বড়দিনের দিনে তাঁর এই নীরব উপস্থিতি যেন মনে করিয়ে দেয় উৎসবের আসল মানে শুধু আলো-সাজে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোতেই।বৃহস্পতিবার বড়দিনে প্রদীপ মজুমদারের এই শান্ত, নিঃশব্দ উদ্যোগ দুর্গাপুরবাসীর কাছে হয়ে উঠল এক আলাদা বার্তা সহানুভূতি আর ভালোবাসাই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি।
তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল দল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : দলবিরোধী কাজের অভিযোগ। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন ফিরহাদ হাকিম। জানালেন, হুমায়ুনের সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখবে না দল। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানেই হুমায়ুনকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করেন তিনি। বলেন, “দল হুমায়ুনের সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখবে না।” ফিরহাদ বলেন, “বাবরি মসজিদ করার কথা বলে বাবরি ধ্বংসের স্মৃতি উসকে দিতে চাইছেন উনি। এর পিছনে আমরা মনে করি বিজেপি রয়েছে। ওরা হুমায়ুনকে সামনে রেখে হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি করছে।” দলবিরোধী মন্তব্য করে বহুবার বিতর্কে জড়িয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের তরফে তাঁকে একাধিকবার সতর্কও করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি সংক্রান্ত মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। তার জেরেই এবার কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল দল।
“দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে”, প্রকাশ্য মঞ্চে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক মুর্শিদাবাদ : বহরমপুর স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবারের সভা যেন পরিণত হল কঠোর বার্তার মঞ্চে। জেলার মানুষকে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে নতুন করে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তা, “নতুন করে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা হচ্ছে। তারপর এএনআই-এর হাতে কেস তুলে দিতে চাইছে। সব দলেই কিছু বেইমান থাকে। কুলাঙ্গার থাকে। আমাদেরও কেউ কেউ টাকা খেয়ে ইলেকশনের আগে বিজেপির তাঁবেদারি করে। এরা দেশের শত্রু। নির্বাচনের দু’মাস আগে যারা বিজেপির পাল্লায় পড়ে এসব কাজ করে তারা দেশের শত্রু।” তীব্র শ্লেষের সুরে বলেন, “কিছু পোকা-মাকড় থাকবেই, তারাও তো প্রকৃতির জীব। ওদের সরিয়ে দিয়ে নিজের কাজটা করুন। আমার ওপর বিশ্বাস আছে তো? মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হতে দেবেন না। মনে রাখবেন, আমি আপনাদের পাহারাদার। আপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার। কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না।”
উত্তর প্রদেশে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ঝলসে মৃত্যু ৩ জনের, আহত ২৪
সকাল সকাল ডেস্ক বলরামপুর : ফের যাত্রিবাহী বাসে আগুন লেগে ঝলসে মৃত্যু। রাজস্থানের পরে এ বার উত্তর প্রদেশের বলরামপুরে। মঙ্গলবার ভোররাত ২.১৫ মিনিট নাগাদ নাগাদ ফুলওয়ারিয়া বাইপাসে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বেসরকারি বাসটি সোনাউলি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। বাসের বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন নেপালের বাসিন্দা। মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি ধাক্কায় আগুন ধরে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝলসে মারা গিয়েছেন তিন যাত্রী। জখম হয়েছেন ২৪ জন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জখমদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বলরামপুরের জেলাশাসক বিপিন কুমার এবং পুলিশ সুপার বিকাশ কুমার তাঁদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, বাসটি ১০০ মিটার দূরে ছিটকে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। খুঁটিটি ভেঙে বাসের ওপর পড়ে যায়। বাসটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়, শর্টসার্কিটের পর বাসে আগুন ধরে যায়।
চেন্নাইয়ে মেট্রো বিভ্রাট; থমকে গেল সুড়ঙ্গে, দুর্ভোগে যাত্রীরা
সকাল সকাল ডেস্ক চেন্নাই : সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাট চেন্নাইয়ে। গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ঘটে গেল বিপত্তি। সাবওয়েতে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে থমকে গেল মেট্রো। যার ফলে হেঁটে হেঁটেই সাবওয়ে দিয়ে যাত্রীদের আসতে হল। মঙ্গলবার সকালে চেন্নাই মেট্রোর ব্লু লাইনে এমনই ঘটেছে বিপত্তি। চেন্নাইয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উইমকো নগর ডিপো পর্যন্ত যায় ব্লু লাইন মেট্রো। চেন্নাই মেট্রোর খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। সেখানেই মঙ্গলবার সকালে ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ, যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে সেন্ট্রাল মেট্রো ও হাইকোর্ট স্টেশনের মাঝে আটকে পড়ে একটি রেক। বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোর ভিতরের বিদ্যুৎ সংযোগ, অভিযোগ যাত্রীদের। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলতে থাকে এই পরিস্থিতি। অন্ধকূপের মধ্যে আটকে দমবন্ধকর পরিস্থিতি হয় যাত্রীদের। দশ মিনিট পর মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি ঘোষণা করা হয়, সুড়ঙ্গ দিয়ে মেট্রো লাইন বরাবর ৫০০ মিটার হেঁটে নিকটবর্তী হাইকোর্ট স্টেশনে পৌঁছতে হবে। সেইমতো সাবওয়ে ধরে হাঁটতে থাকেন যাত্রীরা।
বাছাইপর্বে লেবাননের কাছে হেরে গেলেও, এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬-এ স্থান পাওয়ার দৌড়ে এখনও ভারত
সকাল সকাল ডেস্ক আহমেদাবাদ : শুক্রবার আহমেদাবাদের একানা এরিনায় লেবাননের কাছে ০-২ গোলে হারের পর ভারতের ২০২৬ সালের এএফসি চালু অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জনের আশায় ধাক্কা লেগেছে। চাইনিজ তাইপেইয়ের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের পর ভারত আত্মবিশ্বাসের সাথে ম্যাচে নেমেছিল। কিন্তু ২৬ মিনিটে আঁতোয়ান আসাফের দুর্দান্ত এক গোলে লেবানন এগিয়ে যায়। ১১ মিনিট পর আব্বাস জেরিক বাম উইং থেকে ভারতের বক্সে ঢুকে পল মাকারুনকে পাস দেন, যার শট শুভম পুনিয়ার পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায় যখন লেবাননের মাকারুনের সাথে তীব্র সংঘর্ষের পর ভারতের মিডফিল্ডার থংগৌমাং টাউথাং সরাসরি লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যান। বাছাইপর্বের টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম পরাজয় বরণ করা সত্ত্বেও, বিবিয়ানো ফার্নান্দেসের ছেলেরা যোগ্যতা অর্জনের দৌড়ে টিকে আছে এবং রবিবার গ্রুপ লিডার ইরানের মুখোমুখি হবে ‘ডু অর ডাই’ প্রতিযোগিতায়, কারণ তারা জানে যে কেবল জয়ই ইতিহাসে দশমবারের মতো মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। দিনের শুরুতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে জয়ের পর ইরানের বর্তমানে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট। পরাজয়ের পর ভারতের তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট। যদি ভারত ম্যাচটি জিততে পারে, তাহলে তারা ইরানের সাথে সমান পয়েন্ট পাবে এবং তাদের হেড-টু-হেড রেকর্ড ভালো হওয়ার সৌজন্যে এগিয়ে যাবে।
বিচারকদের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। শনিবার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং অর্জুন রাম মেঘওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের কাজের ধরণ খুবই চাপপূর্ণ। সকল বিচারকের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা এবং এটিকে অভ্যাসে পরিণত করা। প্রায় ৭৫ জন হাইকোর্টের বিচারক এখানে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন। এটি দেখায় যে বিচারকরা তাঁদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে সচেতন।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, “শুধু ব্যাডমিন্টন নয়, সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের জন্য আরও এই ধরণের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের অনেক বিচারক এখানে এসেছেন, যা পরিবেশকে অত্যন্ত আনন্দিত করে তুলেছে। বহু বছর ধরে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, “আইন ও বিচার মন্ত্রক অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের অনুমতি দিয়েছে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এতে সম্মতি দিয়েছেন। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বিচারকরা সকলকে ফিটনেসের একটি ভালো বার্তা দিচ্ছেন।”
তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ; নিহত ৬, আহত অন্তত ৩০
সকালে সকালে ডেস্ক মাদুরাই : তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন ৬ জন। আহতের সংখ্যা ৩০ এর বেশি। সোমবার সকালে একটি বেসরকারি বাস মাদুরাই থেকে সেনকোট্টাই যাচ্ছিল। আরেকটি বাস আসছিল তেনকাসি থেকে কোভিলপট্টির উদ্দেশে। তেনকাসির কাছেই বেসরকারি বাসটি অন্য বাসটিকে ধাক্কা মারে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পৌঁছয় দমকলকর্মীরাও। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অনেকের হাত, পা এবং মাথা ফেটেছে। দুর্ঘটনার সময় দুটি বাসে কমপক্ষে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন।সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, বাস দুটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়।
চলে গেলেন কিংবদন্তি: ৯০ ছোঁয়ার আগেই থেমে গেল ধর্মেন্দ্রর জীবনের আলো
সকালে সকালে ডেস্ক মুম্বই বলিউডে নেমে এসেছে শোকের কালো মেঘ। এবার আর অলৌকিক প্রত্যাবর্তন ঘটল না। ঠিক ১১ নভেম্বরই হঠাৎ গুজব ছড়িয়েছিল ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর, কিন্তু ভক্তদের প্রার্থনায় সেইবার মৃত্যুকে হার মানিয়ে আবার ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু সোমবার আর সেই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হল না। দুপুর গড়াতেই গোটা দেশ জেনে যায়—চলে গেলেন বলিউডের প্রিয় ‘হি-ম্যান’। থেমে গেল এক উজ্জ্বল অধ্যায়। এক জীবনে ২৪৭টি ছবি, চূড়ান্ত জনপ্রিয়তার স্বাদ, ‘জয়-ভিরু’ আইকনিক জুটি—সেইসব গল্প আজ ইতিহাস। বহুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন ধর্মেন্দ্র। শেষ সময়টা কাটছিল তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গেই। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছিলেন বলেই পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগেই তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়—আপাতত রুটিন চেকআপের জন্য, এমনটাই জানা গিয়েছিল। হাসপাতালের দোরগোড়ায় লড়াই, শেষ পর্যন্ত হার মানলেন হি-ম্যান সোমবার সকালে হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে যায়। জানা যায়, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে; দেওয়া হয়েছে ভেন্টিলেশন। চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়, ঘণ্টায় ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ চলছিল। দুপুর হতেই খবর আসে—সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন কিংবদন্তি। ডিসেম্বরে ৯০—ঠিক তার আগেই থেমে গেল দীপ্তিময় পথচলা ডিসেম্বরে ৯০-এ পা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। বয়স ৮৯ হলেও তিনি থামেননি একদিনও। এখনও বলিউডে সমান দাপটে কাজ করে যাচ্ছিলেন। জয়া বচ্চন ও শাবানা আজমির সঙ্গে করণ জোহরের ‘রকি ঔর রানি কি প্রেম কাহানি’-তে তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবার সেই পুরনো ধর্মেন্দ্রকে মনে করিয়ে দিয়েছিল। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁর পরবর্তী ছবির প্রথম ঝলকও। কিন্তু সেই ছবি আর তাঁর জীবনে মুক্তির আলো দেখল না। শেষ দেখা দেখতে ছুটলেন হেমা মালিনী—ভারত প্রার্থনায়, তবুও রক্ষা হল না সোমবার বিকেলে হাসপাতাল চত্বরে নেমে আসে তৎপরতা। তাড়াহুড়ো করে পৌঁছন হেমা মালিনীও। দেশজুড়ে তখন প্রার্থনা একটাই—ধর্মেন্দ্র দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রার্থনা অধরাই রইল। চলে গেলেন রূপোলি পর্দার এক অদম্য নায়ক, এক অমলিন স্মৃতি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের আকাশ থেকে খসে পড়ল এক দীপ্ত নক্ষত্র।
দিল্লিতে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্রের পর্দাফাঁস, বিদেশি পিস্তল-সহ ধৃত ৪
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : দিল্লিতে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্রের পর্দাফাঁস করলো অপরাধ দমন শাখা। অনেকগুলি বিদেশি পিস্তল ও কার্তুজ-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম – অজয়, মনদীপ, দলবিন্দর এবং রোহান। এই চক্রটি তুরস্ক এবং চীনে তৈরি উচ্চমানের পিস্তল পাকিস্তান হয়ে ভারতে সরবরাহ করত। পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রগুলি পঞ্জাবে ফেলে দেওয়া হত এবং তারপর পুনরায় বিক্রি করা হত। পুলিশ ১০টি দামি বিদেশি পিস্তল এবং ৯২টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে। ধৃতরা দিল্লি এবং আশেপাশের রাজ্যগুলিতে অপরাধী এবং গ্যাংস্টারদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। ধৃতদের মধ্যে দু’জন পাঞ্জাবের বাসিন্দা। ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে, এই পুরো নেটওয়ার্কটি পাকিস্তানি আইএসআই-এর সঙ্গে যুক্তদের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছিল। অস্ত্রগুলি প্রথমে পাকিস্তানে আনা হত এবং তারপর সেখান থেকে ভারতে পাচার করা হত। পুলিশ এখন তদন্ত করছে, ধৃতরা এখনও পর্যন্ত ভারতে কতগুলি অস্ত্র বিক্রি করেছে এবং কোন দল বা ব্যক্তিরা সেগুলি পেয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি অস্ত্রগুলি শনাক্ত করতে মোবাইল ফোন, ব্যাঙ্কের বিবরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে।