সকাল সকাল ডেস্ক
‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতার সম্মান পেয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। গুজরাতে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণের পর মুম্বইয়ের বিখ্যাত লালবাগচা রাজার মণ্ডপে গণপতির আশীর্বাদ নিতে পৌঁছে যান অভিনেতা। সঙ্গে ছিল সদ্য পাওয়া জাতীয় পুরস্কারও।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিয়োয় দেখা যায়, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যেই লালবাগচা রাজার দর্শনে পৌঁছেছেন কার্তিক। তাঁর পরনে ছিল হালকা নীল রঙের কুর্তা-পাজামা। স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তাকর্মীদের সাহায্যে গণেশমূর্তির সামনে পৌঁছে প্রণাম করেন তিনি। এরপর জাতীয় পুরস্কারটি গণপতির চরণে স্পর্শ করিয়ে মাথা নোয়ান অভিনেতা।
দর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেন কার্তিক। জানান, এই সম্মান তাঁর পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের মুহূর্ত। একই সঙ্গে জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর লালবাগচা রাজার আশীর্বাদ নিতে পারাও তাঁর কাছে বিশেষ সৌভাগ্যের। হাসিমুখে তিনি বলেন, “আমি ভীষণ খুশি। শুধু একটাই কথা বলতে চাই— গণপতি বাপ্পা মোরিয়া।”
জাতীয় পুরস্কার গ্রহণের মুহূর্তটিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন কার্তিক। সেখানে আবেগঘন বার্তায় তিনি জানান, এত বড় সম্মান হাতে পাওয়ার অনুভূতি এখনও তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। একটি ছোট শহর থেকে উঠে আসা ছেলের স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত হিসেবেই এই সাফল্যকে দেখছেন অভিনেতা।
‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এ ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী মুরলীকান্ত পেটকরের জীবন ও লড়াইকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন কার্তিক। এই চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচালক কবীর খান এবং প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের সাফল্যের পিছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথাও উল্লেখ করেছেন অভিনেতা।
জাতীয় পুরস্কারের সাফল্যের পর কার্তিকের হাতে রয়েছে একাধিক ছবি। আগামী দিনে তাঁকে ‘নাগজিলা’, অনুরাগ বসুর পরিচালনায় একটি রোমান্টিক ছবি, কবীর খানের নতুন প্রজেক্ট এবং ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’-য় দেখা যাওয়ার কথা। বর্তমানে ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’-র শুটিং নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।
জাতীয় পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর সেই সম্মান নিয়ে সরাসরি গণপতির দরবারে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তটি ইতিমধ্যেই অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
No Comment! Be the first one.