২ মার্চের পর প্রথমবার অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৬ ডলারের কাছাকাছি
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শেষ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে পতন দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ মার্চের পর প্রথমবার ব্যারেলপ্রতি ৭৬ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে। বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন চলাকালীন আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড-এর দাম ১.৩৩ ডলার বা ১.৭৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৫.৭৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দিনের শুরুতে এর দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৯ ডলার ছিল। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড-এর দাম ১.২৩ ডলার বা ১.৬৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭১.৯৮ ডলারে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে এই পতনের প্রধান কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসা। পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আশাবাদও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ভারতসহ তেল আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য এটি স্বস্তির খবর। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৬ ডলারে নেমে এসেছে, যা ২ মার্চের প্রায় ১১৭ ডলার ব্যারেলের সর্বোচ্চ স্তরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
বড় পতনে বন্ধ শেয়ার বাজার, বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি ৪.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি,। দুর্বল বৈশ্বিক সংকেত এবং এশিয়ার বাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপে মঙ্গলবার দেশের শেয়ার বাজার বড় পতনের সঙ্গে বন্ধ হয়েছে। সাপ্তাহিক নিষ্পত্তির দিন হওয়ায় বাজারজুড়ে সারাদিন বিক্রির চাপ অব্যাহত ছিল। দিনের শুরুতে দুর্বল অবস্থান থেকে লেনদেন শুরু হলেও পরে কিছু সময়ের জন্য সূচকগুলি ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে দুপুরের আগেই বাজারে তীব্র বিক্রির চাপ তৈরি হলে প্রধান সূচকগুলি ফের নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। দিনের শেষে সেনসেক্স এবং নিফটি উভয়ই প্রায় ১.১৬ শতাংশ পতনের সঙ্গে লেনদেন শেষ করে। ধাতু, তথ্যপ্রযুক্তি ও ভোক্তা টেকসই পণ্যের শেয়ারে বড় বিক্রি দিনভর ধাতু, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ভোক্তা টেকসই পণ্য খাতের শেয়ারে ব্যাপক বিক্রি লক্ষ্য করা যায়। পাশাপাশি ব্যাঙ্কিং, মোটরগাড়ি, মূলধনী পণ্য, দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্য, তেল ও গ্যাস এবং সরকারি সংস্থার শেয়ার সূচকও নিম্নমুখী ছিল। অন্যদিকে ওষুধ শিল্পের শেয়ারগুলিতে ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা যায়। এর ফলে ওষুধ খাতের সূচক ০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং স্বাস্থ্যসেবা সূচক ০.৬২ শতাংশ ঊর্ধ্বগতিতে দিনের লেনদেন শেষ করে। মধ্যম ও ক্ষুদ্র মূলধনী শেয়ারেও চাপ বিস্তৃত বাজারেও বিক্রির চাপ অব্যাহত ছিল। মধ্যম মূলধনী সূচক ১.০৫ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র মূলধনী সূচক ০.৪৮ শতাংশ পতনের সঙ্গে দিনের লেনদেন শেষ করে। বিনিয়োগকারীদের সম্পদ কমল ৪.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা বাজারে বড় পতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের সম্পদে ব্যাপক ক্ষয় হয়েছে। বোম্বে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজারমূল্য কমে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫.০৯ লক্ষ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবসে এই মূল্য ছিল ৪৭৯.৭২ লক্ষ কোটি টাকা। ফলে একদিনেই বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৪.৬৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। লেনদেনে পতনশীল শেয়ারের সংখ্যাই বেশি বোম্বে শেয়ার বাজারে মোট ৪,৪৪৭টি শেয়ারে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১,৪৯৬টি শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী এবং ২,৭৯৪টি শেয়ার নিম্নমুখী অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। ১৫৭টি শেয়ারের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। জাতীয় শেয়ার বাজারে ৩,০০২টি শেয়ারে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩১টি শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২,১৭১টি শেয়ার পতনের সঙ্গে বন্ধ হয়েছে। সেনসেক্স ও নিফটির দিনের গতিপ্রকৃতি সেনসেক্স ৭৭,০৮৬.০৫ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে। শুরুতে ক্রেতাদের সক্রিয়তায় সূচক ৭৭,১৯৪.৮৩ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠেছিল। কিন্তু পরে তীব্র বিক্রির চাপে তা দ্রুত নেমে আসে। দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে সেনসেক্স ৭৬,০৮২.৫১ পয়েন্টে পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত ৮৯৩.৩৯ পয়েন্ট পতন ঘটিয়ে ৭৬,২০০.৬৮ পয়েন্টে বন্ধ হয়। নিফটি ২৪,০৭১.৩০ পয়েন্টে লেনদেন শুরু করে এবং কিছু সময়ের জন্য ২৪,১৩৫.৫০ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠেছিল। কিন্তু বিক্রির চাপে তা নেমে গিয়ে দিনের সর্বনিম্ন ২৩,৭৮৪.৯৫ পয়েন্ট স্পর্শ করে। শেষ পর্যন্ত ২৭৮.৮০ পয়েন্ট পতনের সঙ্গে ২৩,৮২৪.১০ পয়েন্টে বন্ধ হয়।
শেয়ার বাজারে ঘুড়ে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, পতনের পর সামলাল সেনসেক্স ও নিফটি
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: ঘরোয়া শেয়ার বাজার মঙ্গলবার শুরুর কারবারে সামান্য উত্থানের সাথে ব্যবসা করতে দেখা যাচ্ছে। আজকের ব্যবসার শুরুটা অবশ্য পতনের সাথেই হয়েছিল। বাজার খুলতেই বিক্রির চাপ তৈরি হওয়ায় সেনসেক্স এবং নিফটি উভয় সূচকই আরও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্রেতারা কেনাকাটায় জোর দেওয়ায় দুটি সূচকই ঘুরে দাঁড়িয়ে সবুজ সঙ্কেতে (লাভের ঘরে) পৌঁছাতে সফল হয়। প্রথম এক ঘণ্টার কারবার শেষে সেনসেক্স ০.০৯ শতাংশ এবং নিফটি ০.০৮ শতাংশের উত্থানের সাথে ব্যবসা করছিল। শুরুর এক ঘণ্টার কারবার শেষে স্টক মার্কেটের হেভিওয়েট শেয়ারগুলির মধ্যে ডক্টর রেড্ডিজ ল্যাবরেটরিজ, সিপলা, সান ফার্মাসিউটিক্যাল, শ্রীরাম ফাইন্যান্স এবং অ্যাপোলো হসপিটালসের শেয়ার ২.৭৫ শতাংশ থেকে ০.৮৬ শতাংশ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেছে। অন্যদিকে, ইনফোসিস, হিন্ডালকো ইন্ডাস্ট্রিজ, টিসিএস, এইচসিএল টেকনোলজি এবং উইপ্রোর শেয়ার ২.৮৩ শতাংশ থেকে ১.২০ শতাংশ পর্যন্ত পতনের সাথে ব্যবসা করতে দেখা গেছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্টক মার্কেটে ২,৭৭৯টি শেয়ারে সক্রিয় ট্রেডিং চলছিল। এর মধ্যে ১,৫৫৫টি শেয়ার মুনাফা অর্জন করে সবুজ সঙ্কেতে ব্যবসা করছিল, যেখানে ১,২২৪টি শেয়ার লোকসানের মুখে পড়ে লাল সঙ্কেতে ছিল। একইভাবে, সেনসেক্সের অন্তর্ভুক্ত ৩০টি শেয়ারের মধ্যে ১৯টি শেয়ার কেনাকাটার সমর্থনে সবুজ সঙ্কেতে টিকে ছিল। অন্যদিকে, ১১টি শেয়ার বিক্রির চাপে লাল সঙ্কেতে ব্যবসা করছিল। পাশাপাশি নিফটির ৫০টি শেয়ারের মধ্যে ৩১টি শেয়ার সবুজ সঙ্কেতে এবং ১৯টি শেয়ার লাল সঙ্কেতে ঘোরাফেরা করছিল। বিএসই-র সেনসেক্স এদিন ৮.০২ পয়েন্টের সামান্য পতনের সাথে ৭৭,০৮৬.০৫ পয়েন্টের স্তরে খোলে। কারবার শুরু হতেই বিক্রির চাপ বাড়ায় এই সূচকটি নেমে ৭৭,৮৭৮.৬৬ পয়েন্টের স্তরে চলে আসে। তবে এর পরপরই ক্রেতারা কেনাকাটা শুরু করায় সূচকের গতিতে উন্নতি দেখা দেয়। কেনাকাটার সমর্থনে কিছুক্ষণের মধ্যেই এই সূচক ঘুরে দাঁড়িয়ে সবুজ সঙ্কেতে পৌঁছাতে সফল হয়। বাজারে অনবরত চলতে থাকা ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে প্রথম এক ঘণ্টার কারবার শেষে সকাল ১০:১৫ মিনিটে সেনসেক্স ৬৯.৩৪ পয়েন্টের উত্থানের সাথে ৭৭,১৬৩.৪১ পয়েন্টের স্তরে ব্যবসা করছিল। সেনসেক্সের মতোই এনএসই-র নিফটিও আজ ৩১.৬০ পয়েন্ট পিছলে ২৪,০৭১.৩০ পয়েন্টের স্তর থেকে পথ চলা শুরু করে। বাজার খুলতেই বিক্রির চাপ তৈরি হওয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই এই সূচকটি ভেঙে ২৪,০৪০.০৫ পয়েন্টের স্তরে নেমে যায়। এরপর ক্রেতারা কেনাকাটায় জোর দেওয়ায় সূচকটি রিকভার বা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কেনাকাটার সমর্থনে প্রথম আধ ঘণ্টার কারবারেই এই সূচক লাফিয়ে সবুজ সঙ্কেতে পৌঁছে যায়। বাজারে লাগাতার কেনাবেচার মধ্যে শুরুর এক ঘণ্টার কারবার শেষে সকাল ১০:১৫ মিনিটে নিফটি ১৯.৬৫ পয়েন্টের সামান্য উত্থানের সাথে ২৪,১২২.৫৫ পয়েন্টের স্তরে ঘোরাফেরা করছিল।
পেনশন সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তিতে এআই-ভিত্তিক পোর্টাল চালু
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: পেনশন তহবিল নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (পিএফআরডিএ) পেনশন গ্রাহকদের জন্য একটি এআই-সক্ষম অভিযোগ নিষ্পত্তি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। এর ফলে পেনশন পরিষেবা আরও সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গ্রাহকবান্ধব হবে বলে জানানো হয়েছে। পিএফআরডিএ-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্ল্যাটফর্মে ‘ভাষিণী’-র সঙ্গে সংযুক্তির মাধ্যমে ২২টি ভারতীয় ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। গ্রাহকরা তাঁদের পছন্দের ভাষায় উত্তর পেতে পারবেন এবং অডিও-ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধাও ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন এই পোর্টালটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে পেনশন গ্রাহকরা সহজেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পান এবং তাঁদের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তি করতে পারেন। পিএফআরডিএ জানিয়েছে, প্ল্যাটফর্মটি বিভিন্ন পেনশন পরিষেবা কেন্দ্রকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে এসেছে। নাগরিক-কেন্দ্রিক পরিষেবা প্রদান এবং পেনশন খাতে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্ল্যাটফর্মে ২২টি ভারতীয় ভাষায় অভিযোগ দায়ের, অভিযোগের রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও ‘পেনশন সহায়ক’ নামে একটি বিশেষ পরিষেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও সহজ ও স্বচ্ছ অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। পিএফআরডিএর মতে, এই উদ্যোগ পেনশন গ্রাহকদের অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, কার্যকর এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলবে।
সিএমপিডিআই-তে উৎসাহের সঙ্গে পালিত আন্তর্জাতিক যোগ দিবস
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি: সেন্ট্রাল মাইন প্ল্যানিং অ্যান্ড ডিজাইন ইনস্টিটিউট (সিএমপিডিআই) তাদের রাঁচি সদর দপ্তর এবং দেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানে উৎসাহের সঙ্গে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করেছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’। সিএমপিডিআই সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংস্থার চেয়ারম্যান-সহ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী শিবরাজ সিং। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি যোগাভ্যাসে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রযুক্তি/সিআরডি) নৃপেন্দ্র নাথ, পরিচালক (গবেষণা ও প্রযুক্তি, ব্যবসা উন্নয়ন) আনন্দ মোহন, কোল ইন্ডিয়ার কার্যনির্বাহী পরিচালক (অনুসন্ধান) আর. কে. সিং, বিভিন্ন বিভাগের মহাপ্রবন্ধক ও বিভাগীয় প্রধান, জ্যেষ্ঠ আধিকারিক, কস্তুরী মহিলা সভার সভানেত্রী স্মিতা সিং এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যা, গন্ডওয়ানা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চৌধুরী শিবরাজ সিং বলেন, যোগ মানবজীবনের জন্য এক অমূল্য উপহার, যা সার্বিক সুস্থতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’-এর সঙ্গে এর তাৎপর্য বিশেষভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিয়মিত যোগাভ্যাস শারীরিক কর্মশক্তি বজায় রাখতে, মানসিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করতে এবং বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তুলতে সহায়তা করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের সুফল যাতে দীর্ঘমেয়াদে অংশগ্রহণকারীদের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে সিএমপিডিআই ১৮ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত রাঁচি সদর দপ্তরে এক সপ্তাহব্যাপী ‘যোগ বুট ক্যাম্প’-এর আয়োজন করেছে। এই শিবিরে প্রশিক্ষিত যোগ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন সেশন পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে সব বয়সের মানুষের জন্য মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি এবং বার্ধক্যের প্রভাব কমাতে সহায়ক বিশেষ যোগ কৌশল শেখানো হচ্ছে।
যোগের মাধ্যমে সুস্থ জীবনের পথে সিসিএলের অঙ্গীকার
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি: আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে সেন্ট্রাল কোলফিল্ডস লিমিটেড (সিসিএল)-এর উদ্যোগে কাঁকে রোডের জওহরনগর ক্লাবে একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিসিএলের শীর্ষ আধিকারিক ও বিপুল সংখ্যক কর্মী উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিএলের সিএমডি নিলেন্দু কুমার সিং, পরিচালক (অর্থ) পবন কুমার মিশ্র, পরিচালক (মানবসম্পদ) হর্ষ নাথ মিশ্র, পরিচালক (প্রযুক্তি/পরিচালনা) চন্দ্র শেখর তিওয়ারি, পরিচালক (পরিকল্পনা ও প্রকল্প) অনুপ হাঞ্জুরা এবং প্রধান সতর্কতা আধিকারিক পঙ্কজ কুমার। এছাড়াও সংস্থার বহু জ্যেষ্ঠ আধিকারিক ও কর্মী যোগাভ্যাসে অংশ নেন। বিশেষ যোগ সেশনের পরিচালনা করেন প্রখ্যাত যোগগুরু ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম ও সহজ যোগব্যায়ামের অনুশীলন করান। পাশাপাশি যোগের মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক ভারসাম্য এবং আবেগগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে সিসিএলের গান্ধীনগর হাসপাতাল-সহ সংস্থার সব কার্যাঞ্চলেও পৃথক যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকার মহাপ্রবন্ধক, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা, অংশীদার সংস্থার সদস্য, কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এই উপলক্ষে উপস্থিত আধিকারিক ও কর্মীরা নিয়মিত যোগাভ্যাসকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলার এবং সুস্থ জীবনধারা অনুসরণের অঙ্গীকার করেন। আয়োজকদের মতে, কর্মীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি, কর্মক্ষমতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে সংস্থা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। ভারতীয় জ্ঞান-ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যোগকে জনপ্রিয় করে তুলতে এবং সুস্থ, কর্মক্ষম ও উদ্যমী কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতে সিসিএল ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
জুনে বড় ধাক্কায় সোনার দাম, ১০ গ্রামে কমেছে প্রায় ১০ হাজার টাকা; রুপোও সস্তা, ক্রেতাদের ভিড় বাড়ার আশা
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : জুন মাসে কলকাতার বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে সোনা ও রুপোর দাম। মাসজুড়ে দামের ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিকভাবে মূল্যবান দুই ধাতুর দর নিম্নমুখী থাকায় স্বস্তি পেয়েছেন ক্রেতারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের শুরুতে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছনোর পর বর্তমান মূল্যস্তর গয়না কেনার জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল সুযোগ তৈরি করেছে। বাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ জুনের তুলনায় ২০ জুনে ২৪ ক্যারাট সোনার প্রতি ১০ গ্রামের দাম কমেছে ৯ হাজার ৫৫০ টাকা। একই সময়ে ২২ ক্যারাট হলমার্কযুক্ত গয়না সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে কমেছে ৯ হাজার ১৫০ টাকা। অন্যদিকে, প্রতি কেজি রুপোর দাম কমেছে ২৭ হাজার ৮০০ টাকা। শনিবার কলকাতার বাজারে কর ছাড়া ২৪ ক্যারাট পাকা সোনার প্রতি ১০ গ্রামের দর ছিল ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকা। খুচরো বাজারে একই পরিমাণ সোনার দাম ছিল ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। ২২ ক্যারাট হলমার্কযুক্ত গয়না সোনার প্রতি ১০ গ্রামের মূল্য ছিল ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৫০ টাকা। রুপোর খুচরো বাজারদর প্রতি কেজিতে দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৬৫০ টাকা। অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে অর্থাৎ ১ জুন ২৪ ক্যারাট পাকা সোনার প্রতি ১০ গ্রামের দাম ছিল ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৫০ টাকা এবং খুচরো বাজারে ছিল ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ১০০ টাকা। সেই সময় ২২ ক্যারাট গয়না সোনার মূল্য ছিল প্রতি ১০ গ্রামে ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা। রুপোর দাম ছিল প্রতি কেজিতে ২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫০ টাকা। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য সংশোধন, মুনাফা তোলার প্রবণতা এবং বিনিয়োগকারীদের অবস্থান পরিবর্তনের প্রভাবেই সাম্প্রতিক সময়ে সোনা ও রুপোর দামে এই পতন দেখা যাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকা ক্রেতাদের একাংশ এখন কেনাকাটার পরিকল্পনা শুরু করেছেন। তবে ব্যবসায়ীরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ঘোষিত বাজারদরেই গয়না কেনা সম্ভব নয়। সোনার দামের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে যুক্ত হবে ৩ শতাংশ জিএসটি এবং গয়না তৈরির মজুরি। বিভিন্ন বিপণি ও ব্র্যান্ডভেদে মজুরির পরিমাণ আলাদা হতে পারে। ফলে চূড়ান্ত মূল্য ঘোষিত বাজারদরের তুলনায় কিছুটা বেশি হবে। আসন্ন বিয়ের মরশুম এবং উৎসবের আগে সোনা ও রুপোর দামে এই সংশোধন বাজারে নতুন চাহিদা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী মহল। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বড় কোনও পরিবর্তন না হলে আগামী কয়েক সপ্তাহ ক্রেতাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকতে পারে।
ভিসা ও রুপে—দুই নেটওয়ার্কের সুবিধাসহ নতুন কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড আনল পিএনবি ও জ্যাগল
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (পিএনবি) আর্থিক প্রযুক্তি সংস্থা জ্যাগল প্রিপেইড ওশান সার্ভিসেস লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নতুন কো-ব্র্যান্ডেড ‘টুইন’ ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা একই সঙ্গে ভিসা এবং রুপে—দুই পেমেন্ট নেটওয়ার্কের সুবিধা পাবেন। পিএনবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জ্যাগল প্রিপেইড ওশান সার্ভিসেস লিমিটেডের সহযোগিতায় চালু করা ‘পিএনবি-জ্যাগল ক্রেডিট কার্ড’ পরিবেশবান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি। পরিবেশ সচেতন গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে কার্ডগুলি বায়োডিগ্রেডেবল উপকরণ ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যাঙ্কের মতে, এই কার্ডে দ্বৈত নেটওয়ার্কের সুবিধা থাকছে। ভিসা নেটওয়ার্কের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও ভ্রমণ-সংক্রান্ত সুবিধার পাশাপাশি রুপে নেটওয়ার্কের লাইফস্টাইল সুবিধা এবং ইউপিআই-ভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিধাও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পিএনবির লক্ষ্য, ভারতের ক্রমবর্ধমান ক্রেডিট কার্ড বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করা। পাশাপাশি, ডিজিটাল পেমেন্টে আগ্রহী তরুণ গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করাও এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী আধিকারিক (সিইও) অশোক চন্দ্র বলেন, তরুণ এবং ডিজিটালভাবে সচেতন গ্রাহকদের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে ব্যাঙ্ক উদ্ভাবনী ডিজিটাল পেমেন্ট সমাধান গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর মতে, ভারতের ক্রেডিট কার্ড ক্ষেত্রে এখনও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং জ্যাগলের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে। জ্যাগল প্রিপেইড ওশান সার্ভিসেস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও অবিনাশ রমেশ গোদখিন্ডি বলেন, “গ্রাহকদের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আরও উন্নত আর্থিক প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য তৈরি করার যে কৌশল আমরা গ্রহণ করেছি, এই অংশীদারিত্ব তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
গ্ল্যাম আপ ফেস্ট ২০২৬: নবপ্রজন্ম ও মহানগরের বাইরের শহরগুলির হাত ধরে ফ্লিপকার্টের সৌন্দর্য বিভাগে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : ই-বাণিজ্য সংস্থা ফ্লিপকার্ট শুক্রবার জানিয়েছে, তাদের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা বিভাগে বছরে বছরে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। বর্তমানে এই মঞ্চে সৌন্দর্য-সংক্রান্ত মোট কেনাকাটার প্রায় ৬০ শতাংশই করছেন নবপ্রজন্মের ক্রেতারা। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘গ্ল্যাম আপ ফেস্ট ২০২৬’-এর চতুর্থ সংস্করণে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ১০০-রও বেশি শীর্ষস্থানীয় সৌন্দর্যপণ্য নির্মাতা সংস্থা এবং ৬ হাজারেরও বেশি বিষয়বস্তু নির্মাতা, প্রভাবক ও তারকা অংশ নেন। এদিন ফ্লিপকার্ট তাদের ‘বিশ্বমানের বিলাসবহুল সৌন্দর্য ভাণ্ডার’-এরও উদ্বোধন করে, যার সূচনা করেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। অনুষ্ঠানে প্রকাশিত ‘বার্ষিক সৌন্দর্য প্রবণতা প্রতিবেদন ২.০’-এ ভারতীয় ক্রেতাদের মধ্যে সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে দ্রুত বদলে যাওয়া মানসিকতার চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌন্দর্য-সংক্রান্ত মোট কেনাকাটার প্রায় ৬০ শতাংশই করছেন নবপ্রজন্মের ক্রেতারা। এই বৃদ্ধির পিছনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির শহরের গ্রাহকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একসময় সৌন্দর্যচর্চাকে শুধুমাত্র আকাঙ্ক্ষার বিষয় হিসেবে দেখা হলেও, বর্তমানে তা আত্মপরিচর্যা ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হয়েছে। ফ্লিপকার্টের তথ্য অনুযায়ী, সৌন্দর্য-সংক্রান্ত প্রতি তিনটি অনুসন্ধানের মধ্যে দু’টি আসে মহানগরের বাইরের শহরগুলি থেকে। কটক, বর্ধমান, গোরখপুর, কোট্টায়ম, গুন্টুর, জামনগর এবং সাংলির মতো শহরগুলি দ্রুত দেশের সৌন্দর্য প্রবণতা ও ক্রয়-সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারতের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা পণ্যের বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। বিশ্বমানের বিলাসবহুল সৌন্দর্য ভাণ্ডারের সূচনা এই নতুন ভাণ্ডারের মাধ্যমে ভারতীয় ক্রেতারা ত্বক পরিচর্যা, সুগন্ধি এবং কোরীয় সৌন্দর্যপণ্যের মতো আন্তর্জাতিক মানের পণ্যের সহজ নাগাল পাবেন। এই ভাণ্ডারে ১০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দেশের সৌন্দর্যপ্রেমী ক্রেতাদের জন্য আরও বিস্তৃত পছন্দের সুযোগ এনে দেবে।
শুক্রবার লেনদেনের শুরুতেই ধসের মুখে দেশের শেয়ার সূচক
সকাল সকাল ডেস্ক মুম্বই: টানা পাঁচটি লেনদেন ধরে উঠতে থাকা শেয়ার বাজার শুক্রবার ধসের মুখে পড়ল। সেনসেক্স ও নিফটি৫০-সহ একাধিক সেক্টরাল ইনডেক্সের গ্রাফ রয়েছে লাল। আইটি স্টকগুলিও এ দিন ধসে গিয়েছে। দুপুর গড়ানোর আগেই সেনসেক্স ৮০০ পয়েন্টের বেশি খুইয়ে নেমে যায় ৭৬,৬০০ অঙ্কে। নিফটি ২০০ পয়েন্ট পড়ে চলে যায় ২৩,৯৫০-এর নীচে। সেনসেক্স ও নিফটি৫০-র পতনের দিনেও স্মল ক্যাপ ইনডেক্সগুলির গ্রাফ সবুজ রয়েছে। স্মল ক্যাপ ইনডেক্সগুলি ০.২০ শতাংশের আশপাশে বেড়েছে। যদিও মিড ক্যাপ ইনডেক্সগুলির গ্রাফ লাল রয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পতনের অন্যতম কারণ আমেরিকার বাজারে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা অ্যাকসেনচার-এর শেয়ার দর ১১ শতাংশ পড়া। এর ধাক্কায় প্রভাব পড়েছে ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির শেয়ারের দামে। একাংশের অবশ্য দাবি, টানা পাঁচটি লেনদেনে বাজার ওঠার পরে এ দিন বহু লগ্নিকারী হাতের শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা ঘরে তুলতে নামেন।