Microsoft Layoffs 2026: 4,800 কর্মী ছাঁটাই, AI বিনিয়োগ বাড়াতেই বড় সিদ্ধান্ত টেক জায়ান্টের
সকাল সকাল ডেস্ক Microsoft Layoffs 2026-এর জেরে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪,৮০০ কর্মী চাকরি হারাতে পারেন। এআই অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণেই বড় পদক্ষেপ মাইক্রোসফটের। বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের মধ্যেই Microsoft Layoffs 2026 আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফট বিশ্বব্যাপী তাদের মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় ২.১ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে প্রায় ৪,৮০০ কর্মী চাকরি হারাতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এআই প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ফলে মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম অ্যাজিউর (Azure)-এর ব্যবসা সম্প্রসারিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওপেনএআই-এর বিভিন্ন পরিষেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্লাউড অবকাঠামো সরবরাহ করেছে অ্যাজিউর। তবে এই ধরনের আধুনিক এআই পরিষেবা সচল রাখতে বিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত প্রসেসর এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ফলে নগদ অর্থপ্রবাহের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। সংস্থাটি চলতি মাসের শেষ দিকে তাদের ত্রৈমাসিক আর্থিক ফল প্রকাশ করবে। এর আগে তারা চলতি অর্থবছরে প্রায় ১৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে, যা বাজারের প্রত্যাশার তুলনায় বেশি। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই Microsoft Layoffs 2026 শুধুমাত্র ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নয়; বরং এআই-নির্ভর ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কাঠামো গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। সংস্থাটি বর্তমানে ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামোয় নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে। এআই বিনিয়োগে বাড়ছে ব্যয় মাইক্রোসফট বর্তমানে AI অবকাঠামো সম্প্রসারণে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। নতুন প্রজন্মের ডেটা সেন্টার, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর এবং ক্লাউড পরিষেবার সম্প্রসারণে সংস্থার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চলতি বছরে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এবং মেটাসহ শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলি সম্মিলিতভাবে প্রায় ৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার AI খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। এই বিপুল বিনিয়োগের ফলে মুনাফা ধরে রাখা এবং পরিচালন ব্যয় কমানোর চাপও বেড়েছে। Microsoft Layoffs 2026 সেই চাপেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারের চাপ ও পুনর্গঠন চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মাইক্রোসফটের শেয়ারের দামে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। ২০২২ সালের পর এই প্রথম বছরের প্রথমার্ধে সংস্থার শেয়ার এতটা দুর্বল পারফরম্যান্স করেছে। এর আগে চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত প্রায় ৭ শতাংশ কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার (Voluntary Buyout) প্রস্তাব দিয়েছিল সংস্থাটি। নতুন অর্থবর্ষের বাজেট পরিকল্পনা এবং ব্যয় পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই এবার আরও কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Azure ব্যবসায় সাফল্য, তবুও আর্থিক চাপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ফলে মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম Azure-এর ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওপেনএআই-এর বিভিন্ন পরিষেবার গুরুত্বপূর্ণ ক্লাউড অবকাঠামো সরবরাহ করেছে Azure। তবে উন্নত AI পরিষেবা সচল রাখতে বিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত চিপ এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্ভার স্থাপনে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এর ফলে সংস্থার নগদ অর্থপ্রবাহের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। মাইক্রোসফট ইতিমধ্যেই চলতি অর্থবছরে প্রায় ১৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বাজারের পূর্বাভাসের তুলনায় বেশি। Xbox ব্যবসাতেও প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, AI-নির্ভর সফটওয়্যার ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রসারে প্রচলিত সফটওয়্যার ব্যবসায় নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ডেটা সেন্টারের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে মেমরি চিপের দামও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মাইক্রোসফটের গেমিং বিভাগেও। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সংস্থাটি তাদের জনপ্রিয় Xbox গেমিং কনসোলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। Background গত কয়েক বছরে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি সংস্থাগুলি AI-ভিত্তিক ব্যবসায় দ্রুত রূপান্তরের পথে হাঁটছে। OpenAI, Google, Amazon, Meta এবং Microsoft-এর মধ্যে AI প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এর ফলে অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল বিনিয়োগের পাশাপাশি সংস্থাগুলি পরিচালন ব্যয় কমাতে পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Impact Official Statement সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, AI অবকাঠামো সম্প্রসারণ, পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবসাকে আরও দক্ষ করে তুলতেই এই পুনর্গঠন করা হচ্ছে। চলতি মাসের শেষ দিকে মাইক্রোসফট তাদের ত্রৈমাসিক আর্থিক ফল প্রকাশ করবে। Public Information
Gold Price Today 2026: 10 শহরে কমল সোনার দাম, Silver Price-ও নরম, জানুন আজকের নতুন রেট
সকাল সকাল ডেস্ক আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে সপ্তাহের শুরুতেই সোনা ও রুপোর দামে সামান্য সংশোধন। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই-সহ দেশের অধিকাংশ শহরে কমেছে ২২ ও ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। Gold Price Today: আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে নরম সোনা ও রুপোর বাজার সপ্তাহের শুরুতে দেশের সারাফা বাজারে দেখা গেল স্বস্তির খবর। Gold Price Today-এর হিসাবে সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, ডলারের ওঠানামা এবং দেশীয় বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার কারণে সোনা ও রুপোর দামে সামান্য সংশোধন হয়েছে। ফলে দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ দেশের অধিকাংশ শহরে ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনার দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে রুপোর দামেও প্রতীকী পতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির পর এই সংশোধন স্বাভাবিক। ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে ২২ ও ২৪ ক্যারেট সোনা? সোমবার দেশের বিভিন্ন সারাফা বাজারে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৬,৭২০ টাকা থেকে ১,৪৯,৪৫০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩৪,৪৯০ টাকা থেকে ১,৩৬,৯৯০ টাকা দরে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে দিল্লির বাজারে রুপোর দাম প্রতি কিলোগ্রামে ২,৪৯,৯০০ টাকা রয়েছে। দেশের প্রধান শহরগুলিতে আজকের Gold Price বিভিন্ন শহরে সোমবারের স্বর্ণের দাম— শহর ২৪ ক্যারেট (১০ গ্রাম) ২২ ক্যারেট (১০ গ্রাম) নয়াদিল্লি ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ মুম্বই ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ কলকাতা ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ চেন্নাই ₹১,৪৯,৪৫০ ₹১,৩৬,৯৯০ আমদাবাদ ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ ভোপাল ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ জয়পুর ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ পাটনা ₹১,৪৬,৭৭০ ₹১,৩৪,৫৪০ লখনউ ₹১,৪৬,৮৭০ ₹১,৩৪,৬৪০ বেঙ্গালুরু/হায়দরাবাদ/ভুবনেশ্বর ₹১,৪৬,৭২০ ₹১,৩৪,৪৯০ চেন্নাইয়ে এখনও দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে। কেন কমল সোনার দাম? Gold Price Today-এর এই পরিবর্তনের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সব কারণ মিলিয়েই আপাতত বাজারে কিছুটা নরম প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য কী বার্তা? বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বর্তমান দামের সংশোধন একটি ইতিবাচক সুযোগ হতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার, ডলারের গতিপ্রকৃতি এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা জরুরি। আগামী কয়েক সপ্তাহে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেই সোনা ও রুপোর বাজারের পরবর্তী দিক নির্ধারিত হতে পারে। সামনে কী হতে পারে? অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ববাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা আগামী দিনে সোনার দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বাজারে মূল্য ওঠানামার প্রবণতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। Background গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সেই বৃদ্ধির পর বর্তমানে বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। দেশীয় বাজারে উৎসবের মরসুম এখনও শুরু না হওয়ায় খুচরো চাহিদাও তুলনামূলকভাবে সীমিত রয়েছে। Impact Official Statement বাজার সূত্র এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার এবং দেশীয় চাহিদার প্রভাবে বর্তমানে সোনা ও রুপোর দামে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information
Gold Loan India 2026: 3 বছরে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছল গোল্ড লোন, কেন বাড়ছে সোনা বন্ধক রেখে ঋণের চাহিদা?
সকাল সকাল ডেস্ক সোনার দাম বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতে রেকর্ড হারে বাড়ছে Gold Loan। তিন বছরে বাজার প্রায় তিনগুণ, নতুন ঋণ বিতরণে ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি। ভারতে দ্রুত বদলে যাচ্ছে ব্যক্তিগত ঋণের চিত্র। Gold Loan India 2026-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, সোনার গয়না বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা নজিরবিহীন হারে বেড়েছে। চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষিকাজ, ছোট ব্যবসা কিংবা জরুরি পারিবারিক খরচ—প্রায় সব ক্ষেত্রেই এখন সাধারণ মানুষ ব্যক্তিগত ঋণের বদলে গোল্ড লোনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নতুন গোল্ড লোন বিতরণ আগের বছরের তুলনায় ৮৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের মোট গোল্ড লোন পোর্টফোলিও তিন বছরে প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। Gold Loan India 2026: তিন বছরে কতটা বেড়েছে বাজার? পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ভারতে মোট গোল্ড লোনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬.৩ লক্ষ কোটি টাকা। মাত্র তিন বছরের মধ্যে, ২০২৬ সালের মার্চে সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গোল্ড লোনের বাজার প্রায় তিনগুণ বড় হয়েছে। সোনার দাম বৃদ্ধিই সবচেয়ে বড় কারণ ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞদের মতে, গোল্ড লোন বৃদ্ধির প্রধান কারণ সোনার বাজারদর। গত কয়েক বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে Gold Price Index প্রায় ১৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে একই পরিমাণ সোনা বন্ধক রেখে গ্রাহকরা আগের তুলনায় অনেক বেশি ঋণ পাচ্ছেন। এর ফলে গোল্ড লোনের অনুমোদিত ঋণের পরিমাণও ২০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে প্রতিটি ঋণের গড় মূল্য শুধু ঋণের সংখ্যা নয়, প্রতিটি ঋণের গড় অঙ্কও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সোনার মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রাহকদের আস্থাও বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শুধু দক্ষিণ ভারত নয়, বাড়ছে সারা দেশে এক সময় গোল্ড লোন মূলত দক্ষিণ ভারতের বাজারে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম ভারতেও দ্রুত বাড়ছে এই ঋণের জনপ্রিয়তা। রাজ্যভিত্তিক বৃদ্ধির হার— এই তথ্য দেখাচ্ছে, মফস্বল, ছোট শহর এবং গ্রামীণ এলাকাতেও গোল্ড লোনের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কেন এত জনপ্রিয় হচ্ছে Gold Loan? বিশেষজ্ঞদের মতে, একাধিক কারণে মানুষ এখন গোল্ড লোনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। প্রধান কারণগুলি হল— এই সুবিধার কারণে চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষিকাজ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো ক্ষেত্রে গোল্ড লোনের ব্যবহার বাড়ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতেও বড় ভূমিকা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে মোট গোল্ড লোনের প্রায় ২৩ শতাংশ ছিল Priority Sector Gold Loan (PSGL)। এই ধরনের ঋণ মূলত কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, স্বনিযুক্ত ব্যক্তি এবং গ্রামীণ এলাকার মানুষের জন্য। ফলে বহু মানুষ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আসছেন। একই গ্রাহক বারবার নিচ্ছেন গোল্ড লোন ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকের তথ্য অনুযায়ী, নতুন গোল্ড লোন নেওয়া গ্রাহকদের প্রায় ৭৫ শতাংশ আগেও অন্তত একবার গোল্ড লোন নিয়েছিলেন। অর্থাৎ এখন এটি শুধু জরুরি ঋণ নয়; বরং অনেকের নিয়মিত আর্থিক পরিকল্পনার অংশ হয়ে উঠেছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ঋণ নেওয়ার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন? বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গোল্ড লোন নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিত— সময়মতো ঋণ শোধ না করলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধক রাখা সোনা নিলামে বিক্রি করতে পারে। Background ভারতে ঐতিহ্যগতভাবে সোনা শুধু অলংকার নয়, আর্থিক সম্পদ হিসেবেও বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সোনার দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল ঋণ পরিষেবা সহজ হওয়ায় গোল্ড লোনের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। Impact Official Statement সাম্প্রতিক আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নতুন গোল্ড লোন বিতরণ ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মোট গোল্ড লোন পোর্টফোলিও বেড়ে ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। Public Information পুনরায় ঋণ নেওয়া গ্রাহক: ৭৫% মোট গোল্ড লোন (মার্চ ২০২৬): ১৯.৪ লক্ষ কোটি টাকা মার্চ ২০২৩: ৬.৩ লক্ষ কোটি টাকা নতুন ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি: ৮৪% Gold Price Index বৃদ্ধি: ১৪৪% গড় ঋণ: ১.৯৬ লক্ষ টাকা PSGL অংশ: ২৩%
Stock Market Today: টানা তৃতীয় দিনের উত্থানে শেয়ার বাজার, একদিনেই বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বাড়ল ৯৪ হাজার কোটি টাকা
সকাল সকাল ডেস্ক দেশীয় Stock Market Today ফের ইতিবাচক বার্তা দিল বিনিয়োগকারীদের। টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে লেনদেন শেষ করেছে ভারতের শেয়ার বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারের ইতিবাচক ইঙ্গিত, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), রিয়েল এস্টেট এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী কেনাকাটার জেরে সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনেও সেনসেক্স ও নিফটি সবুজ চিহ্নে বন্ধ হয়েছে। যদিও দিনের দ্বিতীয়ার্ধে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত বাজার সেই চাপ সামলে ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শুক্রবারের এই উত্থানের ফলে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজার মূলধন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিনের লেনদেনেই বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা, যা বাজারে আস্থার ইঙ্গিত বহন করছে। Stock Market Today: কীভাবে শুরু হল দিনের লেনদেন? শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ইতিবাচক সংকেত পাওয়ার পর দেশীয় শেয়ার বাজার শক্তিশালী সূচনা করে। বাজার খোলার পর থেকেই আইটি, রিয়েলটি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শেয়ারে জোরালো কেনাকাটা শুরু হয়। এর জেরে সেনসেক্স ও নিফটি দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়ার পর দেশীয় শেয়ার বাজারে শক্তিশালী সূচনা হয়। বাজার খোলার পর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট এবং ওষুধ সংস্থার শেয়ারে জোরালো কেনাকাটা শুরু হয়। এর জেরে সেনসেক্স ও নিফটি দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে দুপুরের পর বিনিয়োগকারীদের একাংশ লাভ তুলে নেওয়া শুরু করলে বাজারে কিছুটা চাপ তৈরি হয় এবং দুই সূচকেরই গতি কিছুটা কমে আসে। তবুও শেষ পর্যন্ত সূচক দুটি সবুজ চিহ্নেই লেনদেন শেষ করতে সক্ষম হয়। তবে দুপুরের পর কিছু বিনিয়োগকারী লাভ তুলে নেওয়ার (প্রফিট বুকিং) পথে হাঁটায় সূচক দুটির গতি কিছুটা কমে যায়। শেষ ঘণ্টায় ফের কেনাকাটা বাড়ায় উভয় সূচকই সবুজ চিহ্নে লেনদেন শেষ করে। কোন খাত সবচেয়ে বেশি লাভ করল? দিনভর লেনদেনে সবচেয়ে শক্তিশালী পারফরম্যান্স করেছে— অন্যদিকে চাপের মুখে ছিল— বৃহত্তর বাজারে কেমন ছিল চিত্র? Stock Market Today-এর বড় মূলধনী শেয়ার ভালো পারফর্ম করলেও বৃহত্তর বাজারে ছিল মিশ্র প্রবণতা। এতে বোঝা যায়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র মূলধনী শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা এখনও কিছুটা সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন। বাজার মূলধনে ৯৪ হাজার কোটি টাকার বৃদ্ধি শুক্রবারের লেনদেন শেষে বিএসই-তে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০.২০ লক্ষ কোটি টাকা। আগের দিন এই পরিমাণ ছিল ৪৭৯.২৬ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র একদিনের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক দিক। সূচকের শেষ অবস্থা দিন শেষে— কোন শেয়ার সবচেয়ে বেশি লাভ করল? দিনের শীর্ষ লাভকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ছিল— অন্যদিকে ক্ষতির মুখে ছিল— Background গত কয়েকটি সেশনে আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা, বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FII) আগ্রহ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভারতীয় শেয়ার বাজারকে সমর্থন করেছে। ফলে Stock Market Today টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। Impact Official Statement বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের ইতিবাচক পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এবং প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণেই বাজার টানা তৃতীয় দিনের মতো ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে আগামী সপ্তাহে বৈশ্বিক সুদের হার, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক তথ্য এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবস্থান বাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি বাজারের উত্থান দেখে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা, আর্থিক লক্ষ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিবেচনা করে বিনিয়োগ করা উচিত।
Gold Price Today: ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ল সোনার দাম, রুপোতেও বড় উল্লম্ফন
সকাল সকাল ডেস্ক দেশের অধিকাংশ শহরে সোনা-রুপোর দামে বড় বৃদ্ধি। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, ডলারের ওঠানামা ও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদায় ঊর্ধ্বমুখী মূল্য। Gold Price Today: সোনা-রুপোর দামে বড় উল্লম্ফন, দেশের অধিকাংশ বাজারে ঊর্ধ্বমুখী মূল্য দেশীয় মূল্যবান ধাতুর বাজারে শুক্রবার বড়সড় উত্থান দেখা গেল। Gold Price Today-এর আপডেট অনুযায়ী, দেশের অধিকাংশ শহরে ২৪ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে রুপোর বাজারেও বড় উল্লম্ফন হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধির জেরে দেশীয় বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের অন্যান্য বড় শহরেও একই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। কর্নাটকের বেঙ্গালুরু, তেলঙ্গানার হায়দরাবাদ এবং ওডিশার ভুবনেশ্বরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রাম প্রতি ১,৪৩,৭৯০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩১,৮১০ টাকায় পৌঁছেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের ওঠানামা, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়েছে। একই সঙ্গে শিল্পক্ষেত্র ও বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে রুপোর দামেও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যাচ্ছে। আগামী কয়েকদিন আন্তর্জাতিক বাজারের গতিবিধির ওপর নির্ভর করেই দেশীয় সোনা ও রুপোর দামের পরবর্তী দিকনির্দেশ নির্ধারিত হবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন আন্তর্জাতিক বাজারের গতিবিধি সোনা ও রুপোর দামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। Gold Price Today: কতটা বাড়ল সোনার দাম? শুক্রবারের লেনদেনে চেন্নাই ছাড়া দেশের প্রায় সব বড় শহরে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ২,৭৭০ টাকা থেকে ৩,০২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে চেন্নাইয়ে ১০ গ্রাম সোনার দাম বেড়েছে ১,৫০০ থেকে ১,৬৩০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে অধিকাংশ বাজারে— আজ দেশের প্রধান শহরগুলিতে সোনার দাম শহর ২৪ ক্যারেট (১০ গ্রাম) ২২ ক্যারেট (১০ গ্রাম) দিল্লি ₹১,৪৩,৯৪০ ₹১,৩১,৯৬০ মুম্বই ₹১,৪৩,৭৯০ ₹১,৩১,৮১০ কলকাতা ₹১,৪৩,৭৯০ ₹১,৩১,৮১০ চেন্নাই ₹১,৪৬,১৯০ ₹১,৩৪,০১০ আহমেদাবাদ ₹১,৪৩,৮৪০ ₹১,৩১,৮৬০ জয়পুর ₹১,৪৩,৯৪০ ₹১,৩১,৯৬০ লখনউ ₹১,৪৩,৯৪০ ₹১,৩১,৯৬০ ভোপাল ₹১,৪৩,৮৪০ ₹১,৩১,৮৬০ পাটনা ₹১,৪৩,৮৪০ ₹১,৩১,৮৬০ বেঙ্গালুরু ₹১,৪৩,৭৯০ ₹১,৩১,৮১০ হায়দরাবাদ ₹১,৪৩,৭৯০ ₹১,৩১,৮১০ ভুবনেশ্বর ₹১,৪৩,৭৯০ ₹১,৩১,৮১০ রুপোর দামেও বড় উল্লম্ফন শুধু সোনাই নয়, রুপোর বাজারেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। শুক্রবার প্রতি কিলোগ্রাম রুপোর দাম ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রাজধানী দিল্লিতে বর্তমানে প্রতি কিলোগ্রাম রুপোর দাম পৌঁছেছে ₹২,৪৫,১০০। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বাড়ার ফলে রুপোর দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। কেন বাড়ছে সোনা ও রুপোর দাম? বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক কারণ মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মূল কারণগুলি হল— Background ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দাম আন্তর্জাতিক বুলিয়ন বাজারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। পাশাপাশি আমদানি শুল্ক, ডলারের বিনিময় হার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি এবং দেশীয় চাহিদাও দামের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। উৎসবের মরশুম ও বিয়ের সময় সোনার চাহিদা বাড়লে বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। Impact Official Statement বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা, মার্কিন ডলারের শক্তি এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনের সোনা ও রুপোর দাম নির্ভর করবে। বিনিয়োগকারীদের বাজারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। Public Information যাঁরা সোনা বা রুপো কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের প্রতিদিনের বাজারদর যাচাই করে কেনাকাটা করা উচিত। শহরভেদে জিএসটি, মেকিং চার্জ এবং স্থানীয় করের কারণে চূড়ান্ত খুচরো দামে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ উপসংহার Gold Price Today-এর সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, দেশীয় বাজারে সোনা ও রুপোর দামে আবারও বড় উল্লম্ফন দেখা গেল। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বজায় থাকলে আগামী দিনেও মূল্যবান ধাতুর বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ ক্রেতা—উভয়েরই বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা জরুরি।
Petrol Diesel Price Cut: নায়ারার বড় ঘোষণা, পেট্রোলে ৫ টাকা ও ডিজেলে ৩ টাকা দাম কম; সরকারি তেল সংস্থার দামে এখনও বদল নেই
সকাল সকাল ডেস্ক Petrol Diesel Price Cut-এর জেরে নায়ারা এনার্জির গ্রাহকদের বড় স্বস্তি। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমতেই জ্বালানির খুচরো মূল্য হ্রাস, নজর এখন সরকারি তেল সংস্থাগুলির দিকে। দেশের জ্বালানির বাজারে বড় স্বস্তির বার্তা নিয়ে এল Petrol Diesel Price Cut। জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি তেল বিপণন সংস্থা নায়ারা এনার্জি (Nayara Energy) পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৩ টাকা কমানোর ঘোষণা করেছে। ১ জুলাই থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। গত দুই বছরেরও বেশি সময়ে কোনও বড় তেল বিপণন সংস্থার পক্ষ থেকে এটিই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য খুচরো মূল্যহ্রাস বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশজুড়ে নায়ারা এনার্জির ৭,০০০-এরও বেশি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। ফলে সংস্থার গ্রাহকরা অবিলম্বে Petrol Diesel Price Cut-এর সুবিধা পাচ্ছেন। যদিও বিভিন্ন রাজ্যে ভ্যাট (VAT) ও স্থানীয় করের তারতম্যের কারণে চূড়ান্ত খুচরো দামে কিছুটা পার্থক্য দেখা যেতে পারে। কেন কমল জ্বালানির দাম? শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে যাওয়াই Petrol Diesel Price Cut-এর প্রধান কারণ। গত কয়েক সপ্তাহে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কমেছে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তেজনা অনেকটাই প্রশমিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে। এর ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নিম্নমুখী হয়েছে এবং সেই সুবিধার একটি অংশ এবার সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিল নায়ারা এনার্জি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের মার্চ মাসে ইরানকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় নায়ারা এনার্জিই প্রথম পেট্রোলে ৫ টাকা এবং ডিজেলে ৩ টাকা মূল্যবৃদ্ধি করেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এবার ঠিক একই পরিমাণ মূল্য কমানো হল। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দামেও। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য কমার সেই সুবিধার একটি অংশ এবার সরাসরি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে নায়ারা এনার্জি। মার্চে দাম বাড়িয়েছিল, এবার একই পরিমাণ কমাল উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি বছরের মার্চ মাসে ইরানকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। সেই সময় নায়ারা এনার্জিই প্রথম পেট্রোলে ৫ টাকা এবং ডিজেলে ৩ টাকা দাম বাড়িয়েছিল। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হওয়ায় সংস্থাটি ঠিক একই পরিমাণ মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে মার্চে যে অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, তা কার্যত প্রত্যাহার করা হলো। সরকারি তেল সংস্থাগুলির দামে এখনও পরিবর্তন নেই যদিও Petrol Diesel Price Cut-এর ঘোষণা দিয়েছে নায়ারা এনার্জি, তবে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি এখনও পর্যন্ত তাদের খুচরো জ্বালানির দামে কোনও পরিবর্তন আনেনি। বর্তমানে Indian Oil Corporation (IOC), Bharat Petroleum Corporation Limited (BPCL) এবং Hindustan Petroleum Corporation Limited (HPCL)-এর পাম্পে আগের দামেই পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। ফলে আপাতত শুধুমাত্র নায়ারা এনার্জির পাম্প থেকেই কম দামে জ্বালানি কেনা সম্ভব হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব গত কয়েক মাসে ইরান-আমেরিকা উত্তেজনা, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছিল। সেই প্রভাব ভারতের জ্বালানি বাজারেও পড়ে। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবার নিম্নমুখী হয়েছে। এরই ফল হিসেবে Petrol Diesel Price Cut-কে বাজারের স্বাভাবিক সংশোধন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। Official Statement নায়ারা এনার্জি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে দেশের সব নায়ারা পেট্রোল পাম্পে সংশোধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে। তবে রাজ্যভেদে কর কাঠামোর পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন শহরে খুচরো দামে সামান্য তারতম্য থাকতে পারে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Public Information: এখন কী আশা করা হচ্ছে? জ্বালানি বাজারের বিশ্লেষকদের মতে, নায়ারা এনার্জির এই পদক্ষেপের পর সরকারি তেল সংস্থাগুলির ওপরও মূল্য কমানোর চাপ বাড়তে পারে। যদি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমান স্তরে স্থিতিশীল থাকে, তাহলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আইওসি, বিপিসিএল এবং এইচপিসিএলও খুচরো জ্বালানির দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত সরকারি সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে আপাতত নায়ারা এনার্জির গ্রাহকরাই Petrol Diesel Price Cut-এর সরাসরি সুবিধা উপভোগ করছেন।
Rewa Sundarja Mango: জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত রেওয়া সুন্দরজা আমের প্রথম বাণিজ্যিক চালান গেল ইউএই-তে
সকাল সকাল ডেস্ক Rewa Sundarja Mango-এর আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু, এক মেট্রিক টন প্রিমিয়াম মানের আম রফতানিতে লাভবান হবেন মধ্যপ্রদেশের কৃষকরা। নয়াদিল্লি, ২৭ জুন: জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত মধ্যপ্রদেশের বিখ্যাত Rewa Sundarja Mango এবার আন্তর্জাতিক বাজারে পা রাখল। রেওয়ার সুন্দরজা আমের প্রথম বাণিজ্যিক চালান সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে পাঠানো হয়েছে। কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা অ্যাপেডা এই রফতানি প্রক্রিয়া সহজ করেছে। Rewa Sundarja Mango-এর প্রথম বাণিজ্যিক রফতানি কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক মেট্রিক টন প্রিমিয়াম মানের জিআই ট্যাগপ্রাপ্ত Rewa Sundarja Mango ইউএই-তে রফতানি করা হয়েছে। ২৬ জুন মেসার্স সল্ট রেঞ্জ ফুডস প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে এই চালান পাঠানো হয়। এই রফতানিকে রেওয়া সুন্দরজা আমের আন্তর্জাতিক যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী মরশুমগুলিতে নিয়মিত রফতানির পথ আরও সুগম হবে। কৃষকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ স্থানীয় বাজারে রেওয়ার সুন্দরজা আমের দাম বর্তমানে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম। কিন্তু রফতানিকারক সংস্থা এই আম ১৫০ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম দরে কিনেছে। ফলে প্রতি কিলোগ্রামে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা অতিরিক্ত লাভ সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছবে। এই উদ্যোগ দেখিয়ে দিল, Rewa Sundarja Mango-এর মতো অঞ্চলভিত্তিক কৃষিপণ্যকে রফতানিমুখী ভ্যালু চেনে যুক্ত করলে কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব। জিআই ট্যাগের গুরুত্ব জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই ট্যাগ কোনও পণ্যের বিশেষ ভৌগোলিক পরিচয় ও স্বতন্ত্র গুণমানকে স্বীকৃতি দেয়। রেওয়ার সুন্দরজা আম তার সুবাস, স্বাদ ও গুণমানের জন্য পরিচিত। Rewa Sundarja Mango-এর এই সফল রফতানি আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের বিশেষ কৃষিপণ্যের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় কৃষিপণ্যের পরিচিতি বাণিজ্য মন্ত্রকের মতে, এই রফতানি ভারতের বিশেষ কৃষিপণ্যকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে রেওয়ার আমচাষিরা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, Rewa Sundarja Mango-এর নিয়মিত রফতানি শুরু হলে মধ্যপ্রদেশের কৃষকরা আরও ভালো দাম পাবেন এবং দেশের কৃষি রফতানি ক্ষেত্রও শক্তিশালী হবে।
Commercial LPG Supply Restart: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহে বড় স্বস্তি
সকাল সকাল ডেস্ক Commercial LPG Supply Restart-এর ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও শিল্পক্ষেত্রে ফিরছে স্বাভাবিকতা, কমতে পারে উৎপাদন ব্যয় দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বস্তির খবর দিল কেন্দ্র সরকার। Commercial LPG Supply Restart-এর ঘোষণা করে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের উপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাটারিং সংস্থা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে আবার স্বাভাবিকভাবে এলপিজি পৌঁছাতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তকে ব্যবসায়িক মহল অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সরবরাহে ঘাটতির কারণে বহু প্রতিষ্ঠান উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, পরিষেবা ব্যাহত হওয়া এবং কাঁচামাল ব্যবস্থাপনায় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল। Commercial LPG Supply Restart-এর ফলে সেই চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন তুলে নেওয়া হল নিষেধাজ্ঞা? পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরে এলপিজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে যাওয়ায় বিদেশ থেকে এলপিজি আমদানিতে আর বড় কোনও বাধা নেই। এর ফলে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নত হয়েছে। এই কারণেই সরকার Commercial LPG Supply Restart-এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মন্ত্রকের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির আগে যে পরিমাণ বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ করা হত, সেই মাত্রায় সরবরাহ ধীরে ধীরে ফিরিয়ে আনা হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ হোটেল ও শিল্পক্ষেত্রে মিলবে বড় স্বস্তি এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবে হোটেল, রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান, ক্যাটারিং পরিষেবা এবং বিভিন্ন উৎপাদনশীল শিল্প প্রতিষ্ঠান। গত কয়েক সপ্তাহে বাণিজ্যিক এলপিজির সরবরাহ সীমিত হওয়ায় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হয়েছে, যার ফলে খরচ বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন কমিয়ে আনতেও বাধ্য হয়েছে সংস্থাগুলি। Commercial LPG Supply Restart কার্যকর হওয়ার ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং পরিষেবা খাতের ওপর চাপও হ্রাস পাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ইতিবাচক প্রভাব খাদ্যপণ্যের বাজারেও পড়তে পারে এবং ধীরে ধীরে কিছু পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বাল্ক এলপিজি সরবরাহেও শিথিলতা শুধু বাণিজ্যিক সিলিন্ডার নয়, বাল্ক এলপিজি সরবরাহ ক্ষেত্রেও সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, যুদ্ধ-পূর্ব সময়ে যে পরিমাণ বাল্ক এলপিজি সরবরাহ করা হত, তার প্রায় ৫০ শতাংশ পুনরায় চালু করা হচ্ছে। এর ফলে বড় শিল্প ইউনিট এবং বৃহৎ বাণিজ্যিক গ্রাহকরাও কিছুটা স্বস্তি পাবেন। তবে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ হওয়া পিএনজি বা পাইপড ন্যাচারাল গ্যাসের ক্ষেত্রে এখনও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি। বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের জন্য পূর্ববর্তী কিছু বিধিনিষেধ এখনও বহাল রয়েছে। Background: কেন জারি হয়েছিল এই নিষেধাজ্ঞা? ইরান-আমেরিকা সংঘাতের সময় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার অত্যাবশ্যক পণ্য আইন প্রয়োগ করে। তখন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে সি-৩ এবং সি-৪ হাইড্রোকার্বন স্ট্রিম মূলত এলপিজি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে হবে। ফলে এই কাঁচামাল পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছিল একাধিক বড় শিল্প সংস্থার ওপর। বিশেষ করে পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদন খাতে কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। Official Statement: সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সি-৩ এবং সি-৪ স্ট্রিমের উপর আরোপিত বিধিনিষেধও শিথিল করা হচ্ছে। ফলে এই উপাদানগুলি আবার পেট্রোকেমিক্যাল এবং অন্যান্য শিল্পে ব্যবহার করা যাবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আরোপ করা হয়েছে। দেশে প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ হাজার টন এলপিজি উৎপাদন বজায় রাখতে হবে। সরকারের মতে, এই ভারসাম্যপূর্ণ নীতির মাধ্যমে গৃহস্থালি এবং শিল্প—উভয় ক্ষেত্রের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। Impact: অর্থনীতি ও বাজারে কী প্রভাব পড়বে? বিশেষজ্ঞদের মতে, Commercial LPG Supply Restart শুধু জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করবে না, বরং শিল্পোৎপাদন এবং পরিষেবা খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উৎপাদন ব্যয় কমলে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে গতি ফিরবে এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খাদ্য ও পরিষেবা খাতের মূল্যবৃদ্ধির চাপও কিছুটা কমতে পারে। Public Information সরকার স্পষ্ট করেছে যে গৃহস্থালি এলপিজি সরবরাহে কোনও ঘাটতি তৈরি হবে না। বাণিজ্যিক সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদাও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। ফলে আগামী দিনে জ্বালানি বাজার আরও স্থিতিশীল হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সোনা সস্তা, রুপোর দামে পরিবর্তন নেই
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি। দেশের স্বর্ণবাজারে আজ প্রাথমিক লেনদেনের সময় সোনার দামে পতনের প্রবণতা দেখা গেছে। দামের এই দুর্বলতার কারণে চেন্নাই ছাড়া দেশের অধিকাংশ বাজারে ১০ গ্রাম প্রতি সোনার দাম ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। অন্যদিকে চেন্নাইয়ে সোনার দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে, যেখানে ১০ গ্রাম প্রতি ২,১০০ থেকে ২,২৯০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তবে রুপোর দামে আজ কোনও পরিবর্তন হয়নি। দাম কমার ফলে দেশের অধিকাংশ বাজারে ২৪ ক্যারেট সোনা ১০ গ্রাম প্রতি ১,৪৪,৩২০ টাকা থেকে ১,৪৫,৬৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে ২২ ক্যারেট সোনা ১০ গ্রাম প্রতি ১,৩২,২৯০ টাকা থেকে ১,৩৩,৪৯০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে। রুপোর দামে পরিবর্তন না হওয়ায় দিল্লির বাজারে রুপো আজও প্রতি কেজি ২,৪৪,৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দিল্লিতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রাম প্রতি ১,৪৪,৪৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৪৪০ টাকা। দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৩২০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে আহমেদাবাদে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৩৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৩৪০ টাকা। চেন্নাইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৫,৬৩০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩৩,৪৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলকাতায় ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৩২০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,২৯০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। ভোপালে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৩৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৩৪০ টাকা। জয়পুরে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৪৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাটনায় ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৩৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৩৪০ টাকা। লখনউয়ে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৪৭০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও ওডিশার বাজারেও আজ সোনার দামে পতন হয়েছে। বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও ভুবনেশ্বরে ২৪ ক্যারেট সোনা ১০ গ্রাম প্রতি ১,৪৪,৩২০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সোনার জৌলুস ফিকে, রুপোর দামেও বড় পতন
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি: দেশের সরাফা বাজারে বুধবার লেনদেনের শুরু থেকেই সোনা ও রুপোর দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। দামের এই নিম্নমুখী প্রবণতার ফলে চেন্নাই বাদে দেশের অধিকাংশ বাজারে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১,৭৭০ থেকে ১,৯৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। চেন্নাইয়ে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। একইসঙ্গে রুপোর দামও প্রতি কেজিতে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। বাজারে দামের পতনের ফলে দেশের বেশিরভাগ শহরে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৫৯০ থেকে ১,৪৭,৯২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৩২,৫৪০ থেকে ১,৩৫,৫৯০ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি সরাফা বাজারে রুপোর দাম কমে প্রতি কেজি ২,৪৪,৯০০ টাকায় নেমে এসেছে। রাজধানী দিল্লিতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৭৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৬৯০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৫৯০ টাকা ও ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৫৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আহমেদাবাদে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৬৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৯০ টাকা। চেন্নাইয়ে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৭,৯২০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩৫,৫৯০ টাকা। কলকাতায় ২৪ ক্যারেট সোনা ১,৪৪,৫৯০ টাকা ও ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৫৪০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। ভোপাল, পাটনা ও আহমেদাবাদে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪৪,৬৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৯০ টাকা রয়েছে। এছাড়া জয়পুর ও লখনউতে ২৪ ক্যারেট সোনা প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৭৪০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনা ১,৩২,৬৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও ওডিশার রাজধানী বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও ভুবনেশ্বরেও সোনার দামে পতন হয়েছে। এই তিন শহরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম ১,৪৪,৫৯০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৩২,৫৪০ টাকা রয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য সংশোধন এবং চাহিদা কমার প্রভাবেই দেশীয় বাজারে সোনা ও রুপোর দামে এই পতন দেখা যাচ্ছে।