ঝাড়খণ্ডে JJP-এর নয়জন উগ্রবাদী আত্মসমর্পণ
সকাল সকাল ডেস্ক। লাতেহার, ১ সেপ্টেম্বর – ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার সমাহারালয় সভাগারে সোমবার ঝারখণ্ড জনমুক্তি পরিষদ (JJP)-এর সঙ্গে যুক্ত নয় (০৯) নকসালী পুলিশ সমক্ষে আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র এবং তাজা কার্তুজও পুলিশ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছেন। আত্মসমর্পণকারী নকসালীদের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকার পুরস্কৃত চারজন উগ্রবাদী, সংগঠনের সুপ্রিমো রবীন্দ্র যাদব, সাব-জোনাল কমান্ডার অখিলেশ যাদব, বলদেব গঞ্জু, মুকেশ রাম এবং তিন লাখ টাকার পুরস্কৃত পবন (উर्फ রাম প্রসাদ মাহতো), এরিয়া কমান্ডার রাজু রাম, বিজয় যাদব, শ্রবণ সিং এবং মুকেশ গঞ্জু অন্তর্ভুক্ত। আত্মসমর্পণকারী নকসালীরা পুলিশকে চারটি এক-৪৭, তিনটি SLR রাইফেল, ৩০৩ বোরের দুই রাইফেল, একটি অন্যান্য রাইফেল, একটি সেমি-অটোমেটিক রাইফেল, একটি একে-৫৬ রাইফেল এবং ১৭৮২টি তাজা কার্তুজ হস্তান্তর করেছেন। কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)-এর মহা-নিরীক্ষক সাকেত সিং, পুলিশ মহা-নিরীক্ষক (IG) অভিযান মাইকেল রাজ এস, পালামু রেঞ্জের IG সুনীল ভাস্কার, পুলিশ উপ-মহানিরীক্ষক (DIG) নৌশাদ আলম, সশস্ত্র সীমা বাহিনীর DIG মানবেন্দ্র এবং লাতেহারের পুলিশ সুপার কুমার গৌরব আত্মসমর্পণকারী নকসালীদের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান। CRPF-এর মহা-নিরীক্ষক সাকেত কুমার সিং বলেন, “এটি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি বড় সাফল্য। অঞ্চলটিতে যেসব উগ্রবাদী বাকি আছে, তাদের একমাত্র পথ হলো পুলিশ সমক্ষে আত্মসমর্পণ করা।” অভিযান IG মাইকেল রাজ বলেন, “এটি নকসালীদের শেষ সতর্কবার্তা। তারা যদি আত্মসমর্পণ করে সরকারের নীতি অনুযায়ী সুবিধা গ্রহণ না করে, তাহলে তাদের পুলিশ ধ্বংস করবে। এটি ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সবচেয়ে বড় অর্জন, যেখানে এত বড় সংখ্যক নকসালী আত্মসমর্পণ করছে।”
হো জনজাতীয় জীবন-দর্শন সংগ্রহশালার ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব ধুমধাম সহ সম্পন্ন
সকাল সকাল ডেস্ক। পশ্চিম সিংভুম, ১ সেপ্টেম্বর – জেলার মঝগাঁও প্রব্লক এর মধ্য বিদ্যালয় দেবধর প্রাঙ্গণে অবস্থিত হো জনজাতীয় জীবন-দর্শন সংগ্রহশালার ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সোমবার উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে। এই সংগ্রহশালা হলো কোলহান অঞ্চলের প্রথম কেন্দ্র, যেখানে আদিবাসী, বিশেষত হো সমাজের সংস্কৃতি, প্রথা এবং জীবনধারার সংরক্ষণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রেরক এবং কোলহান প্রমণ্ডলের প্রাক্তন শিক্ষা উপনির্দেশক অরবিন্দ বিজয় বিলুং। অতিথিদের স্বাগত প্রথাগত পদ্ধতিতে জানানো হয়েছে এবং প্রথাগত হো নৃত্যের মাধ্যমে মঞ্চ পর্যন্ত আনা হয়েছে। নিজের বক্তব্যে বিলুং বলেন, সংগ্রহশালার পরিচয় হলো তার ধারাবাহিকতা এবং সময়ানুগ আধুনিকীকরণ। তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন যে, আট বছর পরও এই সংগ্রহশালা জীবন্ত রয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের আকর্ষণ করছে। সমাজসেবী নরেশ দেবগম মাতৃভাষার সঙ্গে সরকারি ও আন্তর্জাতিক ভাষার জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সাহিত্যিক জবাহরলাল বাঁকিরা আদিবাসী জীবনধারাকে সংকটকালে মানবতার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বর্ণনা করেন এবং তাঁর বই দেশাউলি ও ইমলি-এর গাছ প্রধান অতিথিকে উপহার দেন। রবীন্দ্র বাল সংস্কার কেন্দ্রের পরিচালক সিকন্দর বুড়িউলি যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের পরামর্শ দেন, আর ওড়িশা থেকে আসা সমাজসেবী সেলায় পুরতি প্রথাগুলো ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানান। মধ্য বিদ্যালয় দেবধরের প্রধান জগদীশ সাওয়াইয়া এই অঞ্চলে উচ্চ বিদ্যালয়ের অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং জননেতাদের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রীয় সমাজসেবী শিক্ষক কৃষ্ণা দেবগম সংগ্রহশালাকে শিক্ষামূলক উপকরণ হিসেবে ব্যবহারের তথ্য দেন। অনুষ্ঠানে সারস্বতী চাত্র, ডঃ সঞ্জীব কুমার তিরিয়া, ডঃ বাসমতী সামড, মোহন তিরিয়া, দেবানন্দ তিরিয়া, প্রভাত তিরিয়া, মেনন্তি পিঙ্গুওয়া, সুভাষ হেমব্রাম, মহাতি পিঙ্গুওয়া, কবিতা মাহতো, চন্দ্রশেখর তামসোয়, জনক কিশোর গোপ, মার্শাল পুরতি সহ বড়সংখ্যক স্থানীয় মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শিশুরা প্রথাগত নৃত্য ও গান পরিবেশন করে। বিশেষ উপস্থিত ছিলেন সারিতা পুরতি, অনিতা সোয়, মঙ্গল সিং মুন্ডা, দামু সুন্ডি, বলভদ্র সাওয়াইয়া, সাঙ্গি দোঙ্গো, পেলোং কাণ্ডেয়াং, বাসমতী বিরুওয়া, নন্দলাল তিরিয়া এবং মার্শাল কোডাঙ্কেল।
সম্পত্তির দাম বৃদ্ধিতে বেঙ্গালুরু শীর্ষে, হাওড়া সর্বনিম্ন
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : ভারতের উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে সম্পত্তির মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে বেঙ্গালুরু। আর একদম শেষে হাওড়া। স্পষ্ট করে বললে, হাওড়ায় সম্পত্তির দাম নিম্নমুখী। ন্যাশনাল হাউজিং ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি সর্বভারতীয় সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৫০টির মধ্যে ৪৫টি শহরে সম্পত্তির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বেঙ্গালুরু +৯.১% হারে এগিয়ে, যেখানে হাওড়ায় সবচেয়ে বেশি পতন (-৬.১%) দেখা গেছে। ওপর থেকে বেঙ্গালুরুর ঠিক পরে আছে চেন্নাই, আহমেদাবাদ ও কলকাতা। বৃদ্ধির হার যথাক্রমে +৭%, +৬.৮% ও +৬.৮%। এর পর তিনটি শহর যথাক্রমে পুণে, মুম্বই, হায়দরাবাদ +৬%, +৫.২% ও +২.৩%। পতনের দিক থেকে হাওড়ার ঠিক ওপরে আছে কোচি এবং তিরুবনন্তপুরম, পতনের শতাংশ যথাক্রমে -৫.৫% এবং -৪.৮%। ইংরেজিতে এই সমীক্ষা সামাজিক মাধ্যমে আসার পর ৭৮টি প্রতিক্রিয়া এসেছে, সবই ইংরেজিতে। আনন্দ শাহ লিখেছেন, “মমতা বেগমের রাজত্বে সম্পত্তির মূল্যহ্রাস!” শুভ মজুমদার লিখেছেন, “মোল্লা বেড়েছে, মূল্য কমেছে!” অনির্বান ঘোষ লিখেছেন, “এই প্রবণতা থেকে বোঝা যায় যে কমিউনিস্ট শাসিত রাজ্যগুলি এবং আগের কমিউনিস্ট রাজ্যগুলি সম্পত্তির মূল্যায়ন হ্রাস পাচ্ছে কারণ মানুষ এই শহরগুলিকে বসবাসের জন্য উপযুক্ত মনে করছে না।” অরুণ ম্যাকডোনাল্ড লিখেছেন, “যদি আপনি ভাবেন কেন সম্পত্তির দাম কমেছে, হাওড়াকে এশিয়ার দ্বিতীয় নোংরা শহর হিসাবেও চিহ্ণিত করা হয়েছে।”
পুলিশ দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রদ্ধা বার্তা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : সোমবার পুলিশ দিবসে এক্স হ্যান্ডলে দিলেন বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, “এই পুলিশ দিবসে, আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা পোশাক পরা বীরদের সম্মান জানাই। আপনার সাহস, ত্যাগ এবং নিষ্ঠা আমাদের প্রতিদিনের নিরাপত্তা এবং শান্তি নিশ্চিত করে।” ভারতে ২১ অক্টোবর পুলিশ দিবস হলেও ২০২০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, পুলিশের ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত, এখন থেকে প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিন ‘পুলিশ দিবস’ পালন করবে রাজ্য সরকার। পুলিশকে শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন দেশ একটি বিশেষ দিন বেছে নিয়েছে। যেমন, চিন (১০ জানুয়ারি), মিশর (২৫ জানুয়ারি), মালয়েশিয়া ও রোমানিয়া (২৫ মার্চ), ইউক্রেন (৪ এপ্রিল), আর্মেনিয়া (১৬ এপ্রিল), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১৫ মে), সিঙ্গাপুর (৩ জুন), সার্বিয়া (১২ জুন), তাইওয়ান (১৫ জুন), আজারবাইজান (২ জুলাই), পোল্যান্ড (২৪ জুলাই), ভিয়েতনাম (১৯ আগস্ট), কানাডা (২৪ আগস্ট), ব্রিটেন (২৯ সেপ্টেম্বর), থাইল্যান্ড (১৭ অক্টোবর), বুলগেরিয়া (৮ নভেম্বর)।
প্রধানমন্ত্রী মোদী: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই মানবতার কর্তব্য
সকাল সকাল ডেস্ক। তিয়ানজিন ও নয়াদিল্লি, ১ সেপ্টেম্বর : সর্বসম্মতভাবে প্রতিটি রূপে সন্ত্রাসবাদের বিরোধিতা করতে হবে। সন্ত্রাসবাদের বিরোধিতা করা মানবতার প্রতি আমাদের কর্তব্য। এসসিও সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, ভারত গত চার দশক ধরে সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছে। সম্প্রতি, আমরা পহেলগামে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে খারাপ দিক দেখেছি। আমি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা এই দুঃখের সময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।” এসসিও শিখর সম্মেলনে মোদী বলেছেন, “মানবতায় বিশ্বাসী প্রতিটি দেশ ও ব্যক্তির জন্য এই হামলা ছিল একটি উন্মুক্ত চ্যালেঞ্জ। এমতাবস্থায় কোনও কোনও দেশের সন্ত্রাসবাদের প্রকাশ্য মদত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে কি না এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আমাদের সর্বসম্মতভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরোধিতা করতে হবে যে কোনও রূপে। মানবতার প্রতি এটাই আমাদের কর্তব্য।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “নিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা যে কোনও দেশের উন্নয়নের ভিত। কিন্তু সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও চরমপন্থা এই পথে বড় চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদ শুধুমাত্র একটি দেশের নিরাপত্তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ নয় বরং সমগ্র মানবতার জন্য একটি অভিন্ন চ্যালেঞ্জ। কোনও দেশ, কোনও সমাজ, কোনও নাগরিক এর থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারে না। তাই, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যের উপর জোর দিয়েছে। আমরা সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিরুদ্ধে আমাদের আওয়াজ তুলেছি। আমি এতে আপনাদের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
কৃষ্ণনগরের ঈশিতা মল্লিক হত্যা: মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। নদিয়া, ১ সেপ্টেম্বর : এক সপ্তাহের টানা অভিযান শেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল কৃষ্ণনগরের ছাত্রী ঈশিতা মল্লিক খুনের মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং। সোমবার ভোররাতে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার গুজরাটের জামনগর থেকে গ্রেফতার করা হয় দেশরাজের মামা কুলদীপ সিংকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ভাগ্নেকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে নানা পরিকল্পনা করেন কুলদীপ। দেশরাজকে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করার পাশাপাশি, তাঁর জন্য নকল পরিচয়পত্র-সহ একাধিক জাল ডকুমেন্টও তৈরি করে দেন মামা কুলদীপ। তবে শেষরক্ষা হল না, পুলিশের জালে ধরা পড়ল দেশরাজ। সূত্রের খবর, কুলদীপের ফোন ট্র্যাক করেই দেশরাজের অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এরপর সোমবার ভোররাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগরের বাড়িতে ঈশিতার মাথায় তিনটি গুলি করে তাঁকে খুন করা হয়। ওই ঘটনার পরে মূল অভিযুক্ত দেশরাজ উত্তর প্রদেশের দেওরিয়ার বাড়িতে পালিয়ে যায় বলে পুলিশের অনুমান। কিন্তু, গত কয়েক দিন ধরে পুলিশের একাধিক দলের লাগাতার তল্লাশির পরেও দেশরাজের নাগাল পাচ্ছিল না। অবশেষে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের নাগাল পেল পুলিশ।
সমীক্ষা: ব্যাংকে রাখতে হবে ন্যূনতম কত টাকা?
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : ব্যাংকে সেভিংস অ্যাকাউন্টে আপনার কত ব্যালেন্স রাখতে হবে? মাঝে মাঝে ওঠানামা করে হিসেবটি। ‘স্টক মার্কেট ডায়েরিজ’-এর নামে একটি সমীক্ষা (আগস্ট ২০২৫ আপডেট) এ ব্যাপারে আগ্রহীদের তথ্য পরিবেশন করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে— শূন্য ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট রয়েছে ভারতের স্টেট ব্যাংক, কানাড়া এবং ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় (কার্যকরভাবে ₹০)। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে *এইচডিএফসি ₹২,৫০০ (গ্রামীণ অঞ্চলে), ₹১০,০০০ (মেট্রো অঞ্চলে Hi), *আইসিআইসিআই ₹২,৫০০ (গ্রামীণ অঞ্চলে), ₹১৫,০০০ (মেট্রো অঞ্চলে), *অ্যাক্সিস ব্যাংকে ₹২,৫০০ (গ্রামীণ অঞ্চলে), ₹১২,০০০ (মেট্রো অঞ্চলে), *কোটাক: ₹২,৫০০ (গ্রামীণ অঞ্চলে), ₹৫০,০০০ (মেট্রো অঞ্চলে, বিভিন্ন ধরণের প্রকল্পে)। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের মধ্যে *ব্যাংক অফ বরোদা: ₹৫০০ (গ্রামীণ অঞ্চলে), ₹২,০০০ (মেট্রো অঞ্চলে), *পিএনবি ₹১,০০০ –₹১০,০০০, *ইউনিয়ন ব্যাংক: ₹২৫০ – ₹১,০০০, *আইডিবিআই: ₹২,৫০০ – ₹১০,০০০। দ্রষ্টব্য: আইসিআইসিআই সম্প্রতি নতুন অ্যাকাউন্টের জন্য ন্যূনতম ব্যালেন্স ₹৫০,০০০-এ উন্নীত করেছে (আগস্ট ২০২৫)।
কাইমুরে বজ্রপাতে তিন মহিলার মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক। পাটনা, ১ সেপ্টেম্বর : বিহারের কাইমুর জেলার মোহানিয়া থানা এলাকার দানিয়ালপুর কুরুই গ্রামে হঠাৎ বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে তিন মহিলার। সোমবার মাঠে কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলেই তিন মহিলার মৃত্যু হয়, আরও চারজন গুরুতর দগ্ধ হন। নিহতরা হলেন কুমারী দেবী, প্রেমশীলা দেবী, মাংরি দেবী । একই ঘটনায় মীরা দেবী , জানকী দেবী , কুন্তী দেবী, গীতা দেবী আহত হয়েছেন। সকল মহিলা একই গ্রামের বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীরা দ্রুত আহতদের মোহানিয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চার মহিলার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। মোহনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, দুর্ঘটনায় তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভাবুয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরম সুন্দরী মুক্তির পর বক্স অফিসে সাফল্য
সকাল সকাল ডেস্ক। মুম্বই, ১ সেপ্টেম্বর : পরিচালক তুষার জালোটার পরিচালিত ছবি পরম সুন্দরীর হাত ধরে বলিউডে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। ২৯ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। দিন যত পেরিয়েছে , ছবির আয়ের পরিমাণও বেড়েছে। মুক্তির প্রথম দিন ছবিটি ৭.২৫ কোটি টাকা আয় করলেও, দ্বিতীয় দিনে আয়ের পরিমান বেড়ে দাঁড়ায় ৯.২৫ কোটি টাকা। তিনদিনে ছবিটি মোট আয় করে ২৬.৭৫ কোটি টাকা। প্রযোজক মহল জানিয়েছে , সব মিলিয়ে ছবিটির বাজেট ছিল ৪৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য , সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে রেঞ্জি পানিকার, সিদ্ধার্থ শঙ্কর, মনজোত সিং, সঞ্জয় কাপুর এবং ইনায়েত ভার্মার মতো অভিনেতাদের। ছবিতে সিদ্ধার্থকে দিল্লির ব্যবসায়ীর ভূমিকায় এবং জাহ্নবীকে কেরলের এক শিল্পীর ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গেছে। পর্দায় তাদের জমজমাট রসায়ন মন কেড়েছে দর্শকদের।
দলবদল অস্বীকার করায় বিজেপি বুথ সভাপতির ওপর হামলা
সকাল সকাল ডেস্ক। বক্সিরহাট, ১ সেপ্টেম্বর: কোচবিহারের তুফানগঞ্জে দলবদল করতে রাজি না হওয়ায় বিজেপির বুথ সভাপতিকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে । ঘটনায় অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে তৃণমূলের দিকে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিজেপির আক্রান্ত বুথ সভাপতি অমৃত দাস। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। অভিযোগ, রবিবার রাতে অমৃত দাসকে মানসাই বাজারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দলবদল করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। আক্রান্ত ওই বিজেপি-র বুথ সভাপতি বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির জন্য লড়াই করে আসছি। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার হয়েছি। সেই আক্রোশের বশে মাঝেমধ্যেই দলবদলের জন্য তৃণমূলের তরফে আমাকে চাপ দেওয়া হত। তাতে রাজি না হওয়ায় গতকাল আমি মানসাই বাজারে এলে আমাকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনার কথা কাউকে জানালে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।’ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল। উত্তেজনার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বক্সিরহাট থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।