USA vs Turkey: নাটকীয় হারে ধাক্কা, তবুও গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র
সকাল সকাল ডেস্ক USA vs Turkey ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে ৩-২ ব্যবধানে হারলেও গ্রুপ ‘ডি’-র শীর্ষস্থান ধরে রেখে বিশ্বকাপ নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের অন্যতম নাটকীয় ম্যাচ ছিল USA vs Turkey। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ৩-২ ব্যবধানে হারতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। তবে এই পরাজয় তাদের নকআউট স্বপ্নে কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। কারণ গ্রুপ ‘ডি’-র শীর্ষস্থান আগেই অনেকটা নিশ্চিত ছিল এবং অন্য ম্যাচের ফলও তাদের পক্ষে যায়। ফলে USA vs Turkey ম্যাচে হারলেও গ্রুপ সেরা হিসেবেই শেষ বত্রিশে জায়গা নিশ্চিত করেছে মার্কিন দল। মরিসিও পোচেত্তিনোর নেতৃত্বে বিশ্বকাপে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ম্যাচের ফল তাদের প্রত্যাশামতো হয়নি, তবুও দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরম্যান্স নকআউট পর্বের আগে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। USA vs Turkey ম্যাচে দুর্দান্ত সূচনা আমেরিকার ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রকে। খেলার মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই অস্টন ট্রাস্টির গোলে এগিয়ে যায় তারা। দ্রুত গোল পাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় দলের। প্রথমদিকে বলের দখল এবং আক্রমণের ধার দুটোই ছিল মার্কিনদের পক্ষে। তবে গোল হজম করার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে তুরস্ক। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে তারা একের পর এক আক্রমণ গড়তে থাকে। এর ফলও পায় প্রথমার্ধেই, যখন স্কোরলাইন নিজেদের পক্ষে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বারহাল্টারের গোলে ম্যাচে প্রত্যাবর্তন প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর বিরতি থেকে ফিরে নতুন উদ্যমে খেলতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র চার মিনিটের মাথায় সেবাস্টিয়ান বারহাল্টার দুর্দান্ত গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর নিখুঁত শট সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম গোল এবং জাতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক গোল। USA vs Turkey ম্যাচে বারহাল্টারের এই গোল মার্কিন সমর্থকদের নতুন করে আশাবাদী করে তোলে। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা সমতা ফেরানোর পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। মাঝমাঠে তীব্র লড়াই এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ে ঘটে নাটকীয় ঘটনা। তুরস্কের তরুণ তারকা আর্দা গুলের অসাধারণ দক্ষতায় কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল বাড়িয়ে দেন কা’আন আয়হানের কাছে। কাছ থেকে শক্তিশালী শটে তিনি বল জালে পাঠিয়ে তুরস্ককে ৩-২ ব্যবধানে জয় এনে দেন। এই গোলটি শুধু ম্যাচের ভাগ্যই বদলে দেয়নি, বরং বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবেও আলোচনায় উঠে এসেছে। Background: আগেই নিশ্চিত ছিল নকআউটের টিকিট USA vs Turkey ম্যাচের আগে গ্রুপ ‘ডি’-তে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ছিল বেশ শক্তিশালী। আগের ম্যাচগুলিতে ভালো ফল করায় তাদের নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে তুরস্ক প্রথম দুই ম্যাচে ভালো ফুটবল খেলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তাই শেষ ম্যাচে সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছিল তারা। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে দলটি। বিশেষ করে আর্দা গুলেরের পারফরম্যান্স ফুটবলবিশ্বের নজর কেড়েছে। ম্যাচজুড়ে তাঁর সৃজনশীলতা এবং জয়সূচক গোল তৈরির ভূমিকা ছিল অসাধারণ। Official Statement: দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বারহাল্টার ম্যাচ শেষে সেবাস্টিয়ান বারহাল্টার জানান, ফলাফল হতাশাজনক হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তারা গর্বিত। তিনি বলেন, দল নকআউট পর্বের জন্য প্রস্তুত এবং এই ম্যাচ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেওয়া হবে। খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে পরের রাউন্ডে তারা আরও ভালো ফুটবল উপহার দিতে পারবে। Impact: সতর্কবার্তা পেল পোচেত্তিনোর দল হারলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই ম্যাচে অনেক ইতিবাচক দিক ছিল। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফেরেন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ। পেশির চোট কাটিয়ে বদলি হিসেবে নেমে তিনি আক্রমণে নতুন গতি আনেন। তবে USA vs Turkey ম্যাচ মার্কিন দলের কিছু দুর্বলতাও সামনে এনে দিয়েছে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে রক্ষণভাগের সমন্বয়হীনতা এবং মাঝমাঠে চাপ সামলানোর ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নকআউট পর্বে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে বড় মূল্য দিতে হতে পারে। Public Information: নকআউটে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রুপের অন্য ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ের গোলশূন্য ড্র যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধা করে দেয়। ফলে গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছে তারা। দ্বিতীয় স্থানে থেকে পরের রাউন্ডে পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া। এখন নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। সমর্থকদের আশা, USA vs Turkey ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে মরিসিও পোচেত্তিনোর দল আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে এবং বিশ্বকাপে বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে যাবে।
ধাক্কা সরকারি কর্মীদের! ছুটির দিনেও অফিসে আসার নির্দেশ নবান্নের
সকাল সকাল ডেস্ক Nabanna New Rule অনুযায়ী জরুরি প্রশাসনিক কাজ সচল রাখতে শনিবার, রবিবার ও সরকারি ছুটির দিনেও রস্টারভিত্তিক ডিউটির প্রস্তুতি। রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকে আরও দ্রুত, কার্যকর এবং নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল নবান্ন। নতুন Nabanna New Rule অনুযায়ী, শুধু শীর্ষ আমলারাই নয়, প্রয়োজনে বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মীদেরও শনিবার, রবিবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে অফিসে উপস্থিত থাকতে হতে পারে। প্রশাসনের দাবি, জরুরি সরকারি কাজ যাতে কোনও অবস্থাতেই থমকে না যায়, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জারি হওয়া সরকারি নির্দেশিকা ঘিরে ইতিমধ্যেই সরকারি মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে কর্মীদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে Nabanna New Rule এখন রাজ্যের প্রশাসনিক পরিসরে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। কেন আনা হল Nabanna New Rule? প্রশাসনিক সূত্রের মতে, বহু গুরুত্বপূর্ণ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি ছুটির দিনেও অফিসে এসে বিভিন্ন জরুরি কাজ পরিচালনা করেন। তবে সেই সময় সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মীরা উপস্থিত না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বা প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি কাটাতেই কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। Nabanna New Rule-এর মূল উদ্দেশ্য হল প্রশাসনিক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা। রস্টারভিত্তিক উপস্থিতির নির্দেশ সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে প্রতিটি শাখাকে ছুটির দিনগুলিতে ন্যূনতম সংখ্যক কর্মী উপস্থিত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য বিভাগভিত্তিক রস্টার বা ডিউটি তালিকা তৈরি করা হবে। এই তালিকা অনুযায়ী কর্মীরা পালাক্রমে ছুটির দিনেও অফিসে এসে কাজ করবেন। ফলে কোনও কর্মীকে নিয়মিতভাবে সব ছুটির দিনে অফিসে আসতে হবে না। বরং নির্দিষ্ট দায়িত্ব অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশাসনের মতে, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে জরুরি সরকারি প্রকল্প, নীতিনির্ধারণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় নষ্ট কম হবে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কোন পরিস্থিতিতে কর্মীদের প্রয়োজন হবে? নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে যে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারি পর্যালোচনা বৈঠক, দুর্যোগ মোকাবিলা কিংবা বিশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য সপ্তাহান্তে কাজ করতে হয়। সে সময় বিভিন্ন শাখার নথি, তথ্য, ফাইল বা অন্যান্য প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মীরা উপস্থিত না থাকলে কাজের গতি ব্যাহত হয়। Nabanna New Rule সেই সমস্যার সমাধান করতেই চালু করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের দাবি। Background: কার অনুমোদনে জারি হল নির্দেশিকা? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের অনুমোদনের পর বিশেষ সচিব এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমানে এই ব্যবস্থা মূলত নবান্ন এবং বিভিন্ন দফতরে চালু হলেও ভবিষ্যতে তা জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তরেও সম্প্রসারিত হতে পারে। কারণ কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের অধীনেই জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের কার্যালয় পরিচালিত হয়। ফলে আগামী দিনে সেখানেও একই ধরনের রস্টার ব্যবস্থা চালু হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। Official Statement: প্রশাসনের ব্যাখ্যা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এবং দ্রুত পরিষেবা প্রদানের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের মতে, বর্তমান সময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়। তাই ছুটির দিনেও প্রয়োজনে ন্যূনতম প্রশাসনিক সহায়তা বজায় রাখা জরুরি। যদিও কর্মীদের অতিরিক্ত সুবিধা, ক্ষতিপূরণ বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। Impact: কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে, প্রশাসনিক পরিষেবা সচল রাখতে প্রয়োজনে ছুটির দিনেও কাজ করা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। তবে অন্য একটি অংশের কর্মীদের আশঙ্কা, Nabanna New Rule দীর্ঘমেয়াদে কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে পরিবার এবং ব্যক্তিগত সময়ের উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক রস্টার ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব। Public Information: ছুটির ঘোষণার মধ্যেই নতুন নির্দেশ উল্লেখযোগ্যভাবে, ছুটির দিনে কাজের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই অর্থ দফতর সম্প্রতি কয়েকটি সরকারি ছুটির ঘোষণাও করেছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পূর্ণদিবস ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ জুলাই ড. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে অর্ধদিবস ছুটিও অনুমোদিত হয়েছে। ফলে একদিকে বাড়তি ছুটির ঘোষণা এবং অন্যদিকে জরুরি প্রয়োজনে ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা—এই দুইয়ের মধ্যে নতুন প্রশাসনিক কর্মসংস্কৃতি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে Nabanna New Rule রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং কর্মীদের উপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
Ecuador vs Germany: ঐতিহাসিক জয়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা, বিশ্বকাপে নকআউটে ইকুয়েডরের প্রত্যাবর্তন
সকাল সকাল ডেস্ক Ecuador vs Germany ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয়ের পর ২০ বছর পর বিশ্বকাপ নকআউটে উঠল ইকুয়েডর, উচ্ছ্বাসে দেশজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ Ecuador vs Germany ম্যাচটি শুধু একটি ফুটবল লড়াই ছিল না, বরং এটি হয়ে উঠেছে ইকুয়েডরের ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দুই দশক পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের আনন্দে দেশটির সরকার পরের দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছে, যা ফুটবলের প্রতি দেশের আবেগ এবং এই জয়ের গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার পর Ecuador vs Germany ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর এই কাহিনি এখন দেশটির কোটি মানুষের গর্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি ড্যানিয়েল নোবোয়া নিজেও এই জয়কে জাতীয় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। Ecuador vs Germany ম্যাচের নাটকীয় সূচনা ম্যাচের শুরুটা ইকুয়েডরের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। খেলার দ্বিতীয় মিনিটেই জার্মানির লেরয় সানে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে গোলটি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। ইকুয়েডরের খেলোয়াড়রা অভিযোগ করেন, আক্রমণের সূচনায় পেদ্রো ভিতের ওপর ফাউল করা হয়েছিল। রেফারি এবং ভিএআর সেই অভিযোগ গ্রহণ না করায় গোলটি বহাল থাকে। শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ইকুয়েডর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি। বরং দলটি আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে এবং দ্রুত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায়। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে সমতা ফেরায় ইকুয়েডর জার্মানির গোলের মাত্র সাত মিনিট পর ম্যাচে সমতা ফেরায় ইকুয়েডর। পেদ্রো ভিতের চমৎকার প্রেসিংয়ের ফলে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়া সম্ভব হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিলসন অ্যাঙ্গুলো দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন। এই গোলটি শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, বরং পুরো দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দেয়। চলতি বিশ্বকাপে এটিই ছিল ইকুয়েডরের প্রথম গোল। ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে এবং ম্যাচের গতি বদলে যেতে শুরু করে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র সমতার পর বলের দখল জার্মানির কাছে থাকলেও পাল্টা আক্রমণে বারবার বিপজ্জনক হয়ে ওঠে ইকুয়েডর। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কাই হাভার্টজকে বক্সে ফাউল করা হয়েছে বলে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায় যে আক্রমণের শুরুতে লেরয় সানের একটি ফাউল ছিল। ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। এই মুহূর্তটি ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেভিন রদ্রিগেস ও প্লাতার জাদুতে ঐতিহাসিক জয় ম্যাচের ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কেভিন রদ্রিগেস। তাঁর উপস্থিতি ইকুয়েডরের আক্রমণে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে। ৭৭ মিনিটে রদ্রিগেসের হেড ফ্লিক থেকে বল পৌঁছে যায় গঞ্জালো প্লাতার কাছে। সুযোগ পেয়ে প্লাতা নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। সেই গোলেই Ecuador vs Germany ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইকুয়েডর। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জার্মানি সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালালেও ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখিয়ে সব আক্রমণ প্রতিহত করে। https://www.facebook.com/sokalsokal Background: ২০ বছরের অপেক্ষার অবসান ইকুয়েডর শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছেছিল দুই দশক আগে। এরপর একাধিক বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি দলটি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও শুরুটা ভালো ছিল না। প্রথম দুই ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল দল। কিন্তু জার্মানির মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে কঠিন পরিস্থিতি থেকেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। Official Statement: জাতীয় ছুটি ঘোষণা প্রেসিডেন্টের ম্যাচ শেষে প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “সমালোচনা, অপমান এবং কঠিন সময়ের মধ্যেও তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং পুরো দেশকে আনন্দ উপহার দিয়েছে। আগামীকাল জাতীয় ছুটি। দীর্ঘজীবী হোক ইকুয়েডর।” এই ঘোষণার পর দেশজুড়ে উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। Impact: জাতীয় গর্ব ও নতুন আশার প্রতীক এই জয় শুধু একটি ফুটবল ম্যাচের ফল নয়। Ecuador vs Germany ম্যাচে জয় ইকুয়েডরের মানুষের কাছে জাতীয় গর্ব, আত্মবিশ্বাস এবং নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে এমন সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং ফুটবলের উন্নয়নে নতুন গতি আনবে। পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলেও ইকুয়েডরের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। Public Information বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে এখন ইকুয়েডরের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। ফুটবলপ্রেমীরা আশা করছেন, জার্মানির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক এই জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলটি আরও দূর পর্যন্ত এগিয়ে যাবে। বর্তমানে দেশজুড়ে সমর্থকদের একটাই বিশ্বাস—এই দল ইতিহাস গড়ার ক্ষমতা রাখে।
Venezuela Earthquake: মানবিক বিপর্যয় থেকে দুর্যোগ প্রস্তুতির বৈশ্বিক শিক্ষা
সকাল সকাল ডেস্ক Venezuela Earthquake শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এটি বিশ্বজুড়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো নিরাপত্তা ও মানবিক প্রস্তুতির জন্য বড় সতর্কবার্তা। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী Venezuela Earthquake আবারও প্রমাণ করেছে যে প্রকৃতির সামনে মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা কতটা পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে। কয়েক সেকেন্ডের কম্পন শুধু ভবন বা অবকাঠামো ধ্বংস করেনি, বরং হাজার হাজার মানুষের জীবন, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। এই ঘটনা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে দুর্যোগ প্রস্তুতির গুরুত্ব নতুন করে তুলে ধরেছে। দুর্যোগের প্রকৃত চিত্র ভূমিকম্প একটি স্বাভাবিক ভূতাত্ত্বিক ঘটনা হলেও এর প্রভাব বহু গুণ বেশি সামাজিক ও মানবিক। Venezuela Earthquake-এর পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষ, নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে উদ্বিগ্ন পরিবার এবং চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকা আহতদের দৃশ্য মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা স্পষ্ট করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগের প্রকৃত ক্ষতি শুধু মৃত ও আহতের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। কর্মসংস্থান হারানো, ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়া, শিশুদের শিক্ষা ব্যাহত হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক আঘাতও এর বড় অংশ। ফলে একটি ভূমিকম্পের প্রভাব বহু বছর ধরে সমাজ ও অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত প্রভাব ভেনেজুয়েলা আগে থেকেই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ছিল। এমন পরিস্থিতিতে Venezuela Earthquake দেশের স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ সরবরাহ, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবহন নেটওয়ার্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। দুর্বল অবকাঠামো সম্পন্ন অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা সাধারণত বেশি হয়। অনেক ক্ষেত্রে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দল দ্রুত পৌঁছাতে পারে না। হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং জরুরি পরিষেবা ব্যাহত হয়। ফলে দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সামাজিক বৈষম্যকে আরও স্পষ্ট করে দুর্যোগ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সব মানুষকে সমানভাবে আঘাত করে না। মজবুত ও পরিকল্পিত ভবনে বসবাসকারীরা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ থাকলেও দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। Venezuela Earthquake-এর ঘটনাও সেই বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। নারী, শিশু, প্রবীণ, শ্রমজীবী মানুষ এবং প্রতিবন্ধী নাগরিকরা দুর্যোগের সময় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অনেক সময় সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকেও আরও প্রকট করে তোলে। Official Statement: প্রস্তুতির বিকল্প নেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন যে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে এর ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তাদের মতে, ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, কঠোর নির্মাণবিধি, আধুনিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত মহড়া প্রাণহানি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী, স্কুল, হাসপাতাল, অফিস এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত মক ড্রিল পরিচালনা করা হলে জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের সঠিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা যায়। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি অপরিহার্য অংশ। প্রথম ৭২ ঘণ্টার গুরুত্ব যেকোনো বড় ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা সর্বাধিক থাকে। Venezuela Earthquake-এর পর উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসক, দমকল বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অনেক মানুষের জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ও কার্যকর উদ্ধার অভিযানই প্রাণহানি কমানোর অন্যতম প্রধান উপায়। বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনো দেশের সীমানা মানে না। একটি দেশের সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়লে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ত্রাণসামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা, উদ্ধারকারী দল এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ এই কারণেই Venezuela Earthquake শুধু একটি দেশের সংকট নয়, বরং বৈশ্বিক মানবিক দায়িত্ববোধেরও পরীক্ষা। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দ্রুত সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই নিরাপদ অবকাঠামো, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা এখন সময়ের দাবি। Venezuela Earthquake বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে উন্নয়নের প্রকৃত মূল্য তখনই প্রমাণিত হয়, যখন তা সংকটের সময় মানুষের জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হয়। নিরাপদ ভবন, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষিত নাগরিক এবং দ্রুত প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়াই ভবিষ্যতের দুর্যোগ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর পথ। শেষ পর্যন্ত, এই মানবিক ট্র্যাজেডি আমাদের শেখায় যে প্রকৃতির সামনে মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিজ্ঞান, সংগঠন, পরিকল্পনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। দুর্যোগকে শুধু খবর হিসেবে না দেখে শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করাই ভবিষ্যৎকে আরও নিরাপদ করার সর্বোত্তম উপায়।
রাঁচি স্টেডিয়াম পদদলিতের ঘটনায় জেএসসিএ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিজেপির তীব্র আক্রমণ, এফআইআরের দাবি
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি রাঁচি স্টেডিয়ামে সাম্প্রতিক পদদলিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জেএসসিএ (ঝাড়খণ্ড স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন) এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছে। দলের রাজ্য মুখপাত্র অজয় সাহ এই ঘটনার জন্য জেএসসিএ ব্যবস্থাপনাকে সরাসরি দায়ী করে জেএসসিএ সভাপতি অজয় নাথ শাহদেবের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এফআইআর দায়ের এবং তাকে পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে অজয় সাহ বলেন, গত কয়েক বছরে জেএসসিএ ক্রিকেট পরিচালনার চেয়ে বেশি বিতর্ক, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের কারণে আলোচনায় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলের নেতা বাবুলাল মারান্ডিও অতীতে জেএসসিএ-র কার্যক্রম নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন, কিন্তু সেগুলোর যথাযথ তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অজয় সাহ প্রশ্ন তোলেন, যখন আগে থেকেই জানা ছিল যে হাজার হাজার দর্শক ম্যাচ দেখতে আসবেন, তখন কেন অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী, এসডিআরএফ এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবার সহায়তা চাওয়া হয়নি। তিনি আরও জানতে চান, পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স এবং প্রশিক্ষিত ভিড় নিয়ন্ত্রণকারী কর্মী না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে কি না। বিজেপির অভিযোগ, কোনো সুসংগঠিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) ছাড়াই ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সীমিত সংখ্যক পুলিশ ও বাউন্সারদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে আহত ও আতঙ্কিত মানুষের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অজয় সাহ বলেন, ঘটনার সময় সাধারণ দর্শকদের নিরাপত্তার পরিবর্তে ভিআইপি অতিথিদের সুবিধা নিশ্চিত করতেই জেএসসিএ কর্তৃপক্ষ বেশি মনোযোগী ছিল। তাঁর দাবি, আজ জেএসসিএ ক্রিকেটের উন্নয়নের চেয়ে ভিআইপি সংস্কৃতি ও অব্যবস্থাপনার জন্য বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে। বিজেপি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছে, জেএসসিএ সভাপতি সহ দায়ী সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। পাশাপাশি আহতদের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং সম্পূর্ণ চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। দলটি বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম দুর্ঘটনার মতো একজন সিটিং বিচারকের নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেছে, যাতে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দোষীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।
ডুরান্ড কাপ আয়োজন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে সেনা কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি রাঁচির কাঁকে রোডে অবস্থিত মুখ্যমন্ত্রীর আবাসিক কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মেজর জেনারেল সজ্জন সিং মান (জিওসি, ২৩ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন) এবং ডুরান্ড কাপের নোডাল অফিসার কর্নেল হেমচন্দ্র। সাক্ষাৎকালে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান যে, এই প্রথমবার ঝাড়খণ্ডে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল প্রতিযোগিতা ডুরান্ড কাপ আয়োজিত হতে চলেছে। আগামী ২৬ জুলাই থেকে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেনা কর্মকর্তারা টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নেওয়া প্রস্তুতি, অবকাঠামোগত ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সরকারি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ সময় রাজ্যের পর্যটন, শিল্প-সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী সুদিব্য কুমারও উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, ডুরান্ড কাপ দেশের একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবময় ফুটবল প্রতিযোগিতা। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাওয়া ঝাড়খণ্ডের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি জানান, রাজ্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়াক্ষেত্রে নিজের পরিচিতি শক্তিশালী করেছে এবং এমন আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা তরুণ খেলোয়াড়দের নতুন সুযোগ ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। মুখ্যমন্ত্রী টুর্নামেন্টের সমস্ত প্রস্তুতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন এবং অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সর্বোত্তম সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মাদকাসক্তি বিরোধী সচেতনতায় রাঁচিতে ম্যারাথন দৌড়, তরুণদের শপথ ঝাড়খণ্ডকে নেশামুক্ত গড়ার
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হেমন্ত সোরেনের নির্দেশে ঝাড়খণ্ডজুড়ে মাদকাসক্তি বিরোধী সচেতনতা অভিযান শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাঁচিতে পর্যটন, শিল্প-সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে একটি ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করা হয়। মোরহাবাদী ময়দানের বাপু বাটিকা থেকে আলবার্ট এক্কা চক পর্যন্ত আয়োজিত এই ম্যারাথনে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, খেলোয়াড়, সরকারি কর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন রাজ্যের পর্যটন, শিল্প-সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী শ্রী সুদিব্য কুমার। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডকে মাদকমুক্ত করা মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দৃঢ় সংকল্প এবং সেই লক্ষ্য পূরণে রাজ্যের তরুণ সমাজ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। তাঁর মতে, ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি তরুণের পদক্ষেপ ঝাড়খণ্ডকে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার থেকে রক্ষার প্রতীক। মন্ত্রী উপস্থিত সকলকে নেশামুক্ত জীবনযাপনের শপথ করান এবং তরুণদের সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের দূত হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সুস্থ, সবল ও সচেতন যুবসমাজই ঝাড়খণ্ডকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ রাজ্যে পরিণত করতে পারে। অনুষ্ঠানের শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরুষ বিভাগে শরদ আহির প্রথম, সুভাস ওঁরাও দ্বিতীয় এবং গুলশন ডুংডুং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। মহিলা বিভাগে পূজা সিং প্রথম, নিশা কুমারী দ্বিতীয় এবং মঞ্জু কুমারী তৃতীয় হন। এদিকে, অনুষ্ঠানস্থলে তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের আয়োজিত মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক প্রদর্শনীও উপস্থিত মানুষের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে নতুন নজির! বিজয়ী অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলতে পারেন ট্রাম্প
সকাল সকাল ডেস্ক জুরিখ বিশ্বকাপ জয়ের পর অধিনায়কের হাতে ট্রফি ওঠার মুহূর্ত ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আবেগঘন এবং স্মরণীয় দৃশ্য। বছরের পর বছর ধরে এই অনুষ্ঠান নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনেই অনুষ্ঠিত হয়ে এসেছে। তবে এবার সেই ঐতিহ্যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালের পর বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোর ইঙ্গিত অনুযায়ী, ফাইনালের ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এবং ট্রাম্প একসঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। শুধু উপস্থিতিই নয়, ট্রফি হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদি তা হয়, তাহলে বিশ্বকাপের দীর্ঘদিনের প্রথায় একটি বড় পরিবর্তন দেখা যাবে। এতদিন ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রফি প্রথমে একটি নির্দিষ্ট পাদানিতে রাখা হতো। এরপর ফিফার কর্মকর্তারা বা বিশেষ প্রতিনিধিরা সেটি বিজয়ী দলের অধিনায়কের কাছে পৌঁছে দিতেন। অধিনায়ক ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হতো উদযাপন। কিন্তু এবার ট্রাম্পের সরাসরি ট্রফি হস্তান্তরের সম্ভাবনা সেই পরিচিত চিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিতর্কের অন্যতম কারণ গত বছরের ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল। সেই ম্যাচের ট্রফি প্রদানের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এবং ট্রফি তোলার মুহূর্তেও সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকেন। চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস ট্রফি তুললেও ক্যামেরার ফোকাসের বড় অংশ জুড়ে ছিলেন ট্রাম্প। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই মনে করেছিলেন, খেলোয়াড়দের সাফল্যের মুহূর্তে অন্য কোনও ব্যক্তিত্বের এতটা কেন্দ্রীয় উপস্থিতি বিতর্ক তৈরি করতে পারে। এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের নানা বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। টিকিটের মূল্য, স্টেডিয়ামের পরিষেবা, ৪৮ দলের সম্প্রসারিত ফরম্যাট এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা হয়েছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হতে পারে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানও। যদিও ফিফা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ঘোষণা করেনি, তবুও ফুটবলমহলে আলোচনা তুঙ্গে। বিশ্বকাপের সবচেয়ে গৌরবময় মুহূর্তে যদি সত্যিই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রফি তুলে দেন, তবে তা নিঃসন্দেহে ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে এই পরিবর্তনকে সমর্থন করা হবে নাকি সমালোচনা, তার উত্তর মিলবে ফাইনালের মঞ্চেই।
ভিনিসিউসের জোড়া গোল, স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নকআউটে ব্রাজিল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা, ২৫ জুন : বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘সি’-এর শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে কার্লো আনচেলত্তির দল গ্রুপ সেরা হিসেবে শেষ ষোলোয় উঠেছে। ম্যাচের নায়ক ছিলেন ভিনিসিউস জুনিয়র, যিনি জোড়া গোল করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন। অপর গোলটি করেন মাতেউস কুইয়া। এই বিশ্বকাপে ভিনিসিউসের গোলসংখ্যা দাঁড়াল চারটিতে। আক্রমণভাগে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ব্রাজিলকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। একই গ্রুপে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে মরক্কোও ৭ পয়েন্ট অর্জন করেছে। তবে গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় তারা দ্বিতীয় স্থান নিয়ে নকআউট পর্বে উঠেছে। অন্যদিকে, ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা স্কটল্যান্ডেরও সেরা আট দলের একটি হিসেবে পরের পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। তিন ম্যাচেই পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে হাইতি। ম্যাচে ব্রাজিলের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তারা ৫৪ শতাংশ বল দখলে রেখে ২১টি শট নেয়, যার মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে স্কটল্যান্ড ১৪টি শট নিলেও মাত্র ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ৭৬ মিনিটে। মাতেউস কুইয়ার পরিবর্তে মাঠে নামেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দর্শকদের করতালির মধ্য দিয়ে তার প্রত্যাবর্তন ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
১–০ গোলে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মেক্সিকোর মন্তেরেই স্টেডিয়ামে এশিয়ান দলটির বিপক্ষে তারা জিতেছে ১–০ গোলে। এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ ম্যাচে দলটির মোট পয়েন্ট ৪। ৩ ম্যাচের সব কটিতে জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে মেক্সিকো। নিয়মানুযায়ী গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল পরের পর্বে জায়গা করে। ৬২ মিনিটে গোল পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গোলটি করেছেন থাপেলো মাসেকো। এই মুহূর্তে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া তিনে। এশিয়ার দলটি পরের দুই ম্যাচেই হেরে গেল একই ব্যবধানে। তাদের সব আশা অবশ্য শেষ হয়নি। তৃতীয় স্থানাধিকারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরবর্তী পর্বে খেলার সুযোগ আসতে পারে এখনও।