ইউজিসি-র নতুন নির্দেশিকার ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : ইউজিসি-র নতুন কিছু নিয়মকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত ওই বিতর্কিত নির্দেশিকার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। শুনানি চলাকালীন আদালত বলে, “আমরা কি ক্রমশ একটি পশ্চাৎপদ বা রক্ষণশীল সমাজের দিকে যাচ্ছি?” মামলাকারীর তরফে এ দিন সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। বিতর্ক ইউজিসি প্রমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস রেগুলেশনস, ২০২৬ ঘিরে। গত ১৩ জানুয়ারি এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল। আদালত জানিয়েছে, ইউজিসি-র এই নির্দেশিকা উচ্চশিক্ষার প্রগতিশীল কাঠামোর ওপর আঘাত আনছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সরকারকে এই নিয়মগুলো ফের খতিয়ে দেখতে এবং প্রয়োজনে নতুন করে খসড়া তৈরি করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন নিয়মগুলি স্থগিত ও ২০১২ সালের পুরনো নিয়মগুলিই কার্যকর থাকবে। উল্লেখ্য, এই নতুন নিয়ম ইউজিসি এনেছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই। ২০১২ সালের ইউজিসি অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন রেগুলেশন কার্যকরভাবে রূপায়ণ হচ্ছে না— এই অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন রাধিকা ভেমুলা এবং আবেদা সালিম তাদভি। রাধিকা ভেমুলা হলেন গবেষক রোহিত ভেমুলার মা। আর আবেদা তাদভি হলেন মুম্বইয়ের চিকিৎসক পড়ুয়া পায়েল তাদভির মা। রোহিত ও পায়েল দু’জনেই জাতিভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট ইউজিসিকে নতুন, শক্তিশালী নিয়ম তৈরির নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ মেনেই ইউজিসি ২০২৬ সালের নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন জারি করে। ইউজিসি ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ‘ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (প্রোমোশন অব ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস, ২০২৬’। এর মাধ্যমে ২০১২ সালের জাতিভিত্তিক বৈষম্য বিরোধী নিয়ম সংশোধন করা হয়। নতুন নিয়মে ‘কাস্ট-বেসড ডিসক্রিমিনেশন’ বা জাতিভিত্তিক বৈষম্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এমন বৈষম্য হিসেবে, যা শুধুমাত্র তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি উপজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (ওবিসি) সদস্যদের বিরুদ্ধে করা হয়। অর্থাৎ সংজ্ঞার মধ্যেই সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষকরা কার্যত বাদ পড়ছেন। এই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে বৈষম্য রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে হেল্পলাইন চালু করা, মনিটরিং ব্যবস্থা গঠন, নিয়মিত রিপোর্ট ইউজিসির কাছে পাঠানো ইত্যাদি। এই ব্যবস্থার দায়িত্ব সরাসরি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উপর চাপানো হয়েছে। উপাচার্য, অধ্যক্ষদের ব্যক্তিগতভাবে নিয়ম মানার নিশ্চয়তা দিতে হবে। যদি কোনও প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশিকা না মানে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। যেমন, নতুন কোর্স অনুমোদন বন্ধ করা, ইউজিসির বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া বা এমনকী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি প্রত্যাহার পর্যন্ত করা হতে পারে। নতুন নিয়মের বিরুদ্ধে মূল আপত্তি এসেছে সংজ্ঞা নিয়েই। সমালোচকদের বক্তব্য, ইউজিসি যেভাবে ‘কাস্ট-বেসড ডিসক্রিমিনেশন’ সংজ্ঞায়িত করেছে, তাতে সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা পুরোপুরি সুরক্ষার বাইরে চলে যাচ্ছেন। তাঁদের দাবি, বৈষম্য যে কোনও দিক থেকেই হতে পারে। কিন্তু নতুন নিয়মে শুধু সংরক্ষিত শ্রেণির মানুষদেরই ‘ভিকটিম’ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ফলে সাধারণ শ্রেণির কেউ যদি বৈষম্যের শিকার হন, তাহলে তাঁদের জন্য কোনও কার্যকর অভিযোগ নিষ্পত্তির পথ থাকছে না। আরও অভিযোগ, এই নিয়মে ‘ভুল অভিযোগ’ বা মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে কোনও সুরক্ষা নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শুরু থেকেই অপরাধী ধরে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হবে, যা ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করবে।
শিলিগুড়িতে একদিনের অনশনে শঙ্কর ঘোষ, বিঁধলেন তৃণমূলকে
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : শিলিগুড়িতে একদিনের অনশনে বসলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বিরোধী দলের বিধায়কদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল প্রক্রিয়া সরলীকরণের দাবিতে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে একদিনের অনশন শুরু করেছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দলের নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে প্রথম দিন থেকেই আমি প্রত্যক্ষ করেছি, রাজ্য সরকার এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে নিজেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের নিশানা করছে এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে। বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ তহবিল ব্যবহার এবং তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক বাধা তৈরি করা হচ্ছে।” উল্লেখ্য, বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে অসহযোগিতার জন্য রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এদিন ২৪ ঘণ্টার অনশন শুরু করেন শঙ্কর ঘোষ এবং অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। শঙ্কর এদিন আরও বলেন, “রাজ্য সরকার বিরোধী প্রতিনিধিদের হয়রানির শিকার করছে। আমি বিধানসভার ভেতরে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছিলাম। তিনি কোনও সাড়া দেননি। আমি মুখ্য সচিবকে চিঠি লিখেছিলাম, স্পিকারকে জানিয়েছিলাম।” কোথাও কোনও সদুত্তর পাননি বলেই অভিযোগ শঙ্করের।
ছত্তিশগড়ের পাওয়ার প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে শোকপ্রকাশ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর, আহতদের উন্নত চিকিৎসার নির্দেশ
সকাল সকাল ডেস্ক রায়পুর : ছত্তিশগড়ের বালোদাবাজার জেলার ভাটাপাড়া গ্রামীণ এলাকার বাকুলাহি গ্রামে অবস্থিত ইস্পাত কারখানায় বৃহস্পতিবার ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী শ্যাম বিহারী জয়সওয়াল। ক্লিনিক্যাল ফার্নেসে বিস্ফোরণে ছয় শ্রমিকের মৃত্যুতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি সমবেদনা জানান এবং মৃতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানান, গুরুতর আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিলাসপুরের সিমস হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসায় কোনও রকম ঘাটতি না থাকে এবং দ্রুত ও সর্বোত্তম চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রী আরও জানান, এই বিষয়ে তিনি বালোদাবাজারের জেলা শাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
ঝাড়খণ্ডে ট্রেন ও ট্রাকের সংঘর্ষ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি : বৃহস্পতিবার সকালে ঝাড়খণ্ডে ট্রেন দুর্ঘটনা। অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা। এ দিন জসিডিহ-মধুপুরের মাঝে নওয়াডিহ স্টেশনের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা লেভেল ক্রসিংয়ে একটি ট্রাকে ধাক্কা দেয় আসানসোলমুখী এক এক্সপ্রেস ট্রেন। এর ফলে ট্রেনটির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সুরক্ষিত রয়েছেন যাত্রীরা। ডাউন লাইনে গোন্ডা থেকে আসা ১৩৫১০ গোন্ডা-আসানসোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসানসোল যাচ্ছিল। সেই সময় চালভর্তি একটি ট্রাকের সঙ্গে লেভেল ক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সকাল ৯.৩৮ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে, সকাল ১০.৫৫ মিনিটের মধ্যেই আপ লাউনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়।
JAC 8, 9 এবং 11 শ্রেণীর পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে, সমস্ত পরীক্ষা OMR শীটে অনুষ্ঠিত হবে।
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি: ঝাড়খণ্ড একাডেমিক কাউন্সিল (JAC) 8ম শ্রেণী, 9ম শ্রেণী এবং ইন্টারমিডিয়েট (11শ শ্রেণী) এর বার্ষিক পরীক্ষার ডেটশিট প্রকাশ করেছে। কাউন্সিল কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সমস্ত বিষয়ের পরীক্ষা OMR শীটে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য 15 মিনিট অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হবে। JAC সমস্ত স্কুল, কলেজ এবং শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য আবেদন করেছে। 8ম শ্রেণীর পরীক্ষার সময়সূচী তারিখ: 24 ফেব্রুয়ারি, দুটি শিফটে প্রথম শিফট: সকাল 9:45 থেকে দুপুর 1:00 পর্যন্ত (হিন্দি, ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষার একটি বিষয়ের পরীক্ষা) দ্বিতীয় শিফট: দুপুর 2:00 থেকে সন্ধ্যা 5:15 পর্যন্ত (গণিত, বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান) প্রশ্নপত্র: প্রতিটি বিষয়ে 50 নম্বরের MCQ অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন: 100 নম্বর, স্কুল স্তরে প্রবেশপত্র: 14 ফেব্রুয়ারি থেকে JAC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে উপলব্ধ অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের নম্বর আপলোড: 26 ফেব্রুয়ারি থেকে 10 মার্চ 2026 9ম শ্রেণীর পরীক্ষার সময়সূচী তারিখ: 28 ফেব্রুয়ারি এবং 2 মার্চ 2026, দুটি শিফটে 28 ফেব্রুয়ারি: প্রথম শিফট – হিন্দি A, হিন্দি B, ইংরেজি দ্বিতীয় শিফট – গণিত, বিজ্ঞান 2 মার্চ: প্রথম শিফট – সমাজ বিজ্ঞান এবং অন্যান্য ভাষা প্রশ্নপত্র: প্রতিটি বিষয়ে 40 নম্বরের MCQ অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন: 10 নম্বর, স্কুল স্তরে প্রবেশপত্র: 20 ফেব্রুয়ারি থেকে উপলব্ধ অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের নম্বর আপলোড: 5 মার্চ থেকে 15 মার্চ 2026 11শ শ্রেণী (ইন্টারমিডিয়েট) পরীক্ষার সময়সূচী তারিখ: 25 ফেব্রুয়ারি থেকে 27 ফেব্রুয়ারি 2026, দুটি শিফটে প্রথম শিফট: সকাল 10:45 থেকে 12:00/1:00 পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফট: দুপুর 2:00 থেকে 3:15/5:15 পর্যন্ত বিষয়: কোর ল্যাঙ্গুয়েজ, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অ্যাকাউন্টেন্সি, বায়োলজি এবং ঐচ্ছিক বিষয় প্রশ্নপত্র: প্রতিটি বিষয়ে 40 নম্বরের উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন (কিছু বিষয়ে পরীক্ষা 80 বা 120 নম্বরের হবে) অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের নম্বর আপলোড: 2 মার্চ 2026 পর্যন্ত JAC স্পষ্ট করেছে যে পরীক্ষা পরিচালনার সময় সমস্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হবে এবং যেকোনো ধরনের অবহেলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
স্বাস্থ্য ভবনের আগে জড়ো হওয়া আশা কর্মীদের একাংশকে আটক পুলিশের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : স্বাস্থ্য ভবনের কিছু আগে বুধবার সকালে জড়ো হওয়া আশা কর্মীদের একাংশকে আটক করল বিধাননগর পুলিশ। আশা কর্মীদের অভিযোগ, পুলিশ অভিযান করতে দিতেই চাইছে না। তাই মঙ্গলবার রাত থেকে হয়রানি শুরু করেছে। জেলায় জেলায় বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ তাঁদের আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। এ দিন সকালে হলদিবাড়ি ব্লক থেকে আশা কর্মীদের একাংশ জড়ো হয়েছিলেন বিধাননগরের পাঁচ নম্বর সেক্টরে। সেখান থেকে তাঁদের আটক করেছে পুলিশ। আশা কর্মীদের দাবি, বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে যাওয়ার কথা। স্বাস্থ্য আধিকারিকেরাই দাবি শুনবেন বলেছিলেন। রাজ্যের পুলিশ যে আচরণ করল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর জবাব আগামীতে দিতেই হবে। এর প্রতিবাদে লাগাতার কর্মবিরতি চলবে বলেও জানান তাঁরা।
এসআইআর : জেলাশাসকদের কাছ থেকে প্রতিদিন রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন
সকাল সকাল ডেস্ককলকাতা : বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার অধীনে পরিচয়পত্র যাচাই নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যেই কঠোর নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যর সমস্ত নির্বাচনী পঞ্জীকরণ আধিকারিক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, নথিপত্র যাচাইকরণের অগ্রগতির বিষয়ে প্রতিদিন পৃথক পৃথক রিপোর্ট কমিশনকে পাঠাতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য কমিশন একটি দ্বি-স্তরীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রথম স্তরে প্রাথমিক যাচাইকরণ করবেন নির্বাচনী পঞ্জীকরণ আধিকারিকরা। দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা সেই তথ্যের পুনরায় পরীক্ষা এবং চূড়ান্ত পুষ্টি করবেন। কমিশন এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক এবং মাইক্রো-অবজারভারদের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দিয়েছে। শুনানি কেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন থাকা মাইক্রো-অবজারভাররা নিশ্চিত করবেন যে, ভোটারদের পেশ করা পরিচয়পত্রগুলি কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই পরীক্ষা করা হচ্ছে কি না। কোনো বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তারা সরাসরি কমিশনকে রিপোর্ট করবেন। অন্যদিকে, বিশেষ ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকরা জেলাশাসকদের দ্বারা যাচাই করা নথিপত্রগুলি দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করার অধিকার পাবেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা। এই সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতেই প্রতিদিনের রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বর্তমানে সেই সব ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের শুনানি চলছে, যাঁদের পরিচয় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে স্ব-ম্যাপিং বা বংশতালিকা ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মেলানো সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় পর্যায়ে, পারিবারিক তথ্যে অসংগতি বা অস্বাভাবিক বংশতালিকা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি শুরু হবে। উল্লেখ্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই কমিশন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা ভোটের তারিখ ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বেলডাঙ্গায় আক্রান্ত সংবাদকর্মীদের দেখতে হাসপাতালে অধীর চৌধুরী, ঘটনার তীব্র নিন্দা
সকাল সকাল ডেস্কবহরমপুর : বেলডাঙ্গায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়া দুই সংবাদকর্মী, সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতোর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে শনিবার সকালে বহরমপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে দু’জনেই ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।শুক্রবার বেলডাঙ্গায় অশান্ত পরিস্থিতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে উন্মত্ত জনতার মুখে পড়েন একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলের প্রতিনিধি সোমা মাইতি ও চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতো। অভিযোগ, তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় ক্যামেরা ও অন্যান্য সংবাদ সংগ্রহের সরঞ্জাম। ঘটনার পর দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে বহরমপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।শনিবার হাসপাতালে গিয়ে অধীর চৌধুরী আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এরপর হাসপাতাল চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। অধীর চৌধুরী বলেন, “গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর এই ধরনের হামলা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সত্য খবর পরিবেশন করতে গিয়েই যদি সাংবাদিকদের আক্রান্ত হতে হয়, তবে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়বে। পুলিশ প্রশাসন কেন সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হল, সরকারকে জবাব দিতে হবে।”এই ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবিও উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে মালদায় বাড়ি বাড়ি আমন্ত্রণ বিজেপির
সকাল সকাল ডেস্ক মালদা : শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে বাড়ি বাড়ি প্রচারে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পাল্টা রাজনৈতিক তৎপরতায় নেমেছে বিজেপি। আগামী ১৭ জানুয়ারি শনিবার অনুষ্ঠিত হতে চলা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভাকে সফল করতে জনসাধারণের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মঙ্গলবার মালদা বিধানসভা এলাকায় ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। বিজেপির মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক গোপাল সাহা, রাজ্য বিজেপির ওবিসি মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি অজিত দাস-সহ দলের একাধিক নেতা ও কর্মী পুরাতন মালদার সাহাপুর শিব মন্দির সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে হাতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন।বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা রাজ্যের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই সভায় অংশ নেবেন বলেই তাঁদের আশা। এদিন প্রচারের সময় বিজেপি নেতারা কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও জনকল্যাণমূলক কাজের কথাও মানুষের সামনে তুলে ধরেন।
১০ মে থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে : সেনাপ্রধান
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : গত ১০ মে থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু দৃঢ়ভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এমনটাই জানালেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। মঙ্গলবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সেনাপ্রধান বলেন, “২০২৫ সালে ৩১ জন সন্ত্রাসীকে নির্মূল করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৫ শতাংশ ছিল পাকিস্তানি, যার মধ্যে পহেলগাম হামলার তিনজন অপরাধীকে অপারেশন মহাদেবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছিল। সক্রিয় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা এখন একক সংখ্যায় রয়েছে। সন্ত্রাসী নিয়োগ প্রায় নেই বললেই চলে, ২০২৫ সালে মাত্র ২ জন। জম্মু ও কাশ্মীরে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্পষ্ট সূচকগুলির মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, পর্যটন পুনরুজ্জীবন এবং শান্তিপূর্ণ শ্রী অমরনাথ যাত্রা, যেখানে ৪ লক্ষেরও বেশি তীর্থযাত্রী পাঁচ বছরের গড় ছাড়িয়ে গেছে।” সেনাপ্রধান আরও বলেন, “উত্তর সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে, তবে ক্রমাগত নজরদারি প্রয়োজন। নতুন করে যোগাযোগ এবং আত্মবিশ্বাস তৈরির পদক্ষেপ পরিস্থিতির ধীরে ধীরে স্বাভাবিকীকরণে অবদান রাখছে, যার ফলে উত্তর সীমান্তে পশুপালন, জলচিকিৎসা শিবির এবং অন্যান্য কার্যক্রমও সম্ভব হয়েছে। এই সীমান্তে আমাদের অব্যাহত কৌশলগত অভিমুখের সঙ্গে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর আমাদের মোতায়েন ভারসাম্যপূর্ণ এবং শক্তিশালী রয়েছে। একইসঙ্গে সামগ্রিক সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নতির কাজ এগিয়ে চলেছে।”