করম পরব উপলক্ষে আদিবাসী সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : করম পরব উপলক্ষ্যে আদিবাদী সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকালে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এ মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “জয় জোহার! পবিত্র করম পরব উপলক্ষ্যে সারা বাংলা তথা ভারতবর্ষের তথা সারা বিশ্বের সমস্ত আদিবাসী মানুষকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমাদের রাজ্যে আজকের এই পবিত্র দিনে প্রথমে আমরা সেকশনাল হলিডে ঘোষণা করেছিলাম। পরে আমরা আরও এগিয়ে দিনটিকে স্টেট হলিডে ঘোষণা করেছি।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, “১৫ নভেম্বর ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্মদিবসও আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করি ও ওই দিনটিতেও আমরা সরকারী ছুটি ঘোষণা করেছি। পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মুর জন্মদিনে এবং হুল দিবসেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আদিবাসী মানুষদের প্রতি আমাদের অকুন্ঠ শ্রদ্ধার নিদর্শন হল এই সব সিদ্ধান্ত।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা, চিঠি উদ্ধার
সকাল সকাল ডেস্ক। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৩ সেপ্টেম্বর : মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির ছাদ থেকে এক কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নামখানা এলাকায়। মৃতার নাম এনাক্ষী কয়াল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সূত্রের খবর, বছর এগারোর ওই কিশোরীর বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। ভিনরাজ্যে কাজের সূত্রে তাঁরা থাকেন। এনাক্ষী ও তার দিদি জ্যেঠু-জেঠিমার সঙ্গে নামখানা থানার উত্তর চন্দনপিঁড়ি গ্রামে থাকে। এনাক্ষী উত্তর চন্দনপিঁড়ি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার আর পাঁচটা দিনের মতোই সে স্কুলে গিয়েছিল। নিদির্ষ্ট সময়ে সে স্কুল থেকে বাড়িও ফিরে আসে। এনাক্ষীর দিদি স্থানীয় মুরারি মোহন হাইস্কুলেরর ছাত্রী। স্কুল শেষের পর কোচিং ক্লাস সেরে সন্ধের পর সে বাড়ি ফেরে। ঘরের ভিতর বোনকে দিদি দেখতে পায়নি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি হয়। তার মধ্যেই ঘরের ভিতর একটি চিঠি পাওয়া যায়। সেই চিঠি পড়ে ছাদে যেতেই দেখা যায়, ওই কিশোরী গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। দিদির চিৎকারের ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় নামখানা থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা ওই কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হিন্দমোটরে ইডির অভিযান, বেসরকারি কর্মীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি
সকাল সকাল ডেস্ক।হুগলি, ৩ সেপ্টেম্বর : বুধবার হিন্দমোটর এলাকায় হানা দিল ইডির হানা। দেবাইপুকুরের এমিনেন্ট কমপ্লেক্সের সি ব্লকের প্রথম তলায় একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনটি গাড়িতে পাঁচ জন ইডি আধিকারিক এবং ছ’জন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী এসে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। ওই ফ্ল্যাটে থাকেন বিকাশ লাচিয়া নামে এক ব্যক্তি। জানা গেছে, তিনি মূলত ঝাড়খণ্ডের জামতারার বাসিন্দা। বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত তিনি। স্থানীয়দের দাবি, বিকাশবাবু আগে লাচিরামকা ডায়মন্ড ইনফোটেক প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক সংস্থার অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করতেন। ঠিক কী কারণে তাঁর ফ্ল্যাটে অভিযান, তা নিয়ে সরকারি ভাবে ইডি কিছু জানায়নি। তবে টানা তল্লাশি চলায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
‘ডান্স বাংলা ডান্স-সিজন 13’ শেষ, চ্যাম্পিয়ন হলেন আদিত্য, ঋজু-রাজু ও কৃত্তিকা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা টানা পাঁচ মাসের উত্তেজনাপূর্ণ যাত্রার পর শেষ হলো ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ সিজন ১৩। চ্যানেল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডান্সিং সুপারস্টারদের খুঁজে পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স অফ চ্যাম্পিয়ন্স হিসেবে সিংহাসনে বসলেন আদিত্য। চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছেন ঋজু-রাজু এবং কৃত্তিকা। সকলের নৃত্যশৈলী বিচারকদের মন জয় করেছে। চূড়ান্ত পর্বে উপস্থিত ছিলেন দেবশ্রী রায়, টোটা রায়চৌধুরী, সৌরসেনী মৈত্র, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও আবির চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র অভিনেতারা সোমরাজ মাইতি, মৈনাক ঢোল, সাইনা চট্টোপাধ্যায় এবং নন্দিনী। ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমার প্রোমোশনও এই মঞ্চে সম্পন্ন হয়। পর্বে দর্শকদের নস্ট্যালজিয়ায় ভাসিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী এবং দেবশ্রী রায়ের ‘পিয়া তু অব তো আজা’ গান এবং জমকালো ডান্স পারফরম্যান্স। টোটা ‘আই অ্যাম আ ডিস্কো ডান্সার’ গান নেচেছেন। আদিত্যর হনুমানবেশী পারফরম্যান্স দেখে দেবশ্রী রায় চোখে জল ধরে রাখতে পারেননি। হাম্পটি এবং পরীর পারফরম্যান্সও মিঠুন চক্রবর্তীর চোখে জল আনে। পর্বের শেষদিকে ঘোষণা করা হয়, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ‘সারেগামাপা’শনি ও রবিবার রাত ৯.৩০ টায় সম্প্রচারিত হবে। আবির চট্টোপাধ্যায় থাকবেন সঞ্চালকের ভূমিকায়। সিজনের বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞ নতুন সংযোজন ছিলেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। যিশু সেনগুপ্ত বহুদিন পর বিচারকের আসনে ফিরেছেন। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় আগের মতো বিচারক হিসেবে ছিলেন। অঙ্কুশ হাজরা সঞ্চালকের ভূমিকা থেকে বিচারকের ভূমিকায় উঠে আসেন। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ আভা দিয়েছে।
মুচিপাড়ায় তাণ্ডব: বাবুঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে অস্ত্রসহ দুই দুষ্কৃতী গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর: মুচিপাড়া এলাকায় একটি দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বাকবিতণ্ডার পর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে পুলিশের অভিযান। এই অভিযানের মাধ্যমে বাবুঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে অস্ত্রসহ দুই দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পুজোর মরশুমে শহরে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ময়দান থানার পুলিশ সোমবার রাত সাড়ে ১২টার পর হানা দেয় এবং অস্ত্রসহ ধরা পড়ে দু’জন দুষ্কৃতী—আয়ুষ ঝা ও পীযূষ গুপ্তা। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দেশীয় পদ্ধতিতে অস্ত্র তৈরি করত এবং সেগুলি বিক্রির উদ্দেশ্যে কলকাতায় এসেছে। মুচিপাড়ায় শনিবার রাতে যে শুটআউট ঘটেছিল, তাতে এই দু’জনের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মুচিপাড়া ও ময়দান থানার পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করছে।
কলকাতা হাইকোর্ট ‘দাগি অযোগ্য’ প্রার্থীদের মামলা খারিজ, মামলাকারীদের ভর্ৎসনা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর: স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় ‘দাগি অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এসএসসির প্রকাশিত ‘দাগি অযোগ্য’ প্রার্থীদের তালিকায় কোনও হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন নেই এবং মামলাকারীদের আবেদন অগ্রহণযোগ্য। মঙ্গলবার হাই কোর্টে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে বিচারপতি মামলাকারীদের ভর্ৎসনা করেন। বিচারপতি মামলাকারীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তারা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্কুলে যোগদান করেছিলেন কি না। আদালতের প্রশ্ন ছিল, যদি তারা স্কুলে যোগদান না করে থাকেন, তবে এত দিন আগে কেন আদালতের দ্বারস্থ হননি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “গত ১৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে আপনারা স্কুলে যেতে পারিনি। এখন কেন আবেদন করেছেন?” হাই কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে যে, এসএসসির তালিকায় হস্তক্ষেপ করার জন্য এটি উপযুক্ত মামলা নয়। বিচারপতি আরও মন্তব্য করেন, “এত দিন কোথায় ছিলেন? তালিকা প্রকাশের পরই আদালতে চলে এলেন। যথেষ্ট হয়েছে আর নয়! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তালিকা প্রকাশের পরে কীভাবে বলতে পারেন যে আপনি ‘দাগি অযোগ্য’ নন।”
সম্পত্তির দাম বৃদ্ধিতে বেঙ্গালুরু শীর্ষে, হাওড়া সর্বনিম্ন
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : ভারতের উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে সম্পত্তির মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে বেঙ্গালুরু। আর একদম শেষে হাওড়া। স্পষ্ট করে বললে, হাওড়ায় সম্পত্তির দাম নিম্নমুখী। ন্যাশনাল হাউজিং ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি সর্বভারতীয় সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৫০টির মধ্যে ৪৫টি শহরে সম্পত্তির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বেঙ্গালুরু +৯.১% হারে এগিয়ে, যেখানে হাওড়ায় সবচেয়ে বেশি পতন (-৬.১%) দেখা গেছে। ওপর থেকে বেঙ্গালুরুর ঠিক পরে আছে চেন্নাই, আহমেদাবাদ ও কলকাতা। বৃদ্ধির হার যথাক্রমে +৭%, +৬.৮% ও +৬.৮%। এর পর তিনটি শহর যথাক্রমে পুণে, মুম্বই, হায়দরাবাদ +৬%, +৫.২% ও +২.৩%। পতনের দিক থেকে হাওড়ার ঠিক ওপরে আছে কোচি এবং তিরুবনন্তপুরম, পতনের শতাংশ যথাক্রমে -৫.৫% এবং -৪.৮%। ইংরেজিতে এই সমীক্ষা সামাজিক মাধ্যমে আসার পর ৭৮টি প্রতিক্রিয়া এসেছে, সবই ইংরেজিতে। আনন্দ শাহ লিখেছেন, “মমতা বেগমের রাজত্বে সম্পত্তির মূল্যহ্রাস!” শুভ মজুমদার লিখেছেন, “মোল্লা বেড়েছে, মূল্য কমেছে!” অনির্বান ঘোষ লিখেছেন, “এই প্রবণতা থেকে বোঝা যায় যে কমিউনিস্ট শাসিত রাজ্যগুলি এবং আগের কমিউনিস্ট রাজ্যগুলি সম্পত্তির মূল্যায়ন হ্রাস পাচ্ছে কারণ মানুষ এই শহরগুলিকে বসবাসের জন্য উপযুক্ত মনে করছে না।” অরুণ ম্যাকডোনাল্ড লিখেছেন, “যদি আপনি ভাবেন কেন সম্পত্তির দাম কমেছে, হাওড়াকে এশিয়ার দ্বিতীয় নোংরা শহর হিসাবেও চিহ্ণিত করা হয়েছে।”
পুলিশ দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রদ্ধা বার্তা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : সোমবার পুলিশ দিবসে এক্স হ্যান্ডলে দিলেন বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, “এই পুলিশ দিবসে, আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা পোশাক পরা বীরদের সম্মান জানাই। আপনার সাহস, ত্যাগ এবং নিষ্ঠা আমাদের প্রতিদিনের নিরাপত্তা এবং শান্তি নিশ্চিত করে।” ভারতে ২১ অক্টোবর পুলিশ দিবস হলেও ২০২০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, পুলিশের ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত, এখন থেকে প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিন ‘পুলিশ দিবস’ পালন করবে রাজ্য সরকার। পুলিশকে শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন দেশ একটি বিশেষ দিন বেছে নিয়েছে। যেমন, চিন (১০ জানুয়ারি), মিশর (২৫ জানুয়ারি), মালয়েশিয়া ও রোমানিয়া (২৫ মার্চ), ইউক্রেন (৪ এপ্রিল), আর্মেনিয়া (১৬ এপ্রিল), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১৫ মে), সিঙ্গাপুর (৩ জুন), সার্বিয়া (১২ জুন), তাইওয়ান (১৫ জুন), আজারবাইজান (২ জুলাই), পোল্যান্ড (২৪ জুলাই), ভিয়েতনাম (১৯ আগস্ট), কানাডা (২৪ আগস্ট), ব্রিটেন (২৯ সেপ্টেম্বর), থাইল্যান্ড (১৭ অক্টোবর), বুলগেরিয়া (৮ নভেম্বর)।
কৃষ্ণনগরের ঈশিতা মল্লিক হত্যা: মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। নদিয়া, ১ সেপ্টেম্বর : এক সপ্তাহের টানা অভিযান শেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল কৃষ্ণনগরের ছাত্রী ঈশিতা মল্লিক খুনের মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং। সোমবার ভোররাতে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার গুজরাটের জামনগর থেকে গ্রেফতার করা হয় দেশরাজের মামা কুলদীপ সিংকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ভাগ্নেকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে নানা পরিকল্পনা করেন কুলদীপ। দেশরাজকে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করার পাশাপাশি, তাঁর জন্য নকল পরিচয়পত্র-সহ একাধিক জাল ডকুমেন্টও তৈরি করে দেন মামা কুলদীপ। তবে শেষরক্ষা হল না, পুলিশের জালে ধরা পড়ল দেশরাজ। সূত্রের খবর, কুলদীপের ফোন ট্র্যাক করেই দেশরাজের অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এরপর সোমবার ভোররাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগরের বাড়িতে ঈশিতার মাথায় তিনটি গুলি করে তাঁকে খুন করা হয়। ওই ঘটনার পরে মূল অভিযুক্ত দেশরাজ উত্তর প্রদেশের দেওরিয়ার বাড়িতে পালিয়ে যায় বলে পুলিশের অনুমান। কিন্তু, গত কয়েক দিন ধরে পুলিশের একাধিক দলের লাগাতার তল্লাশির পরেও দেশরাজের নাগাল পাচ্ছিল না। অবশেষে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের নাগাল পেল পুলিশ।
দলবদল অস্বীকার করায় বিজেপি বুথ সভাপতির ওপর হামলা
সকাল সকাল ডেস্ক। বক্সিরহাট, ১ সেপ্টেম্বর: কোচবিহারের তুফানগঞ্জে দলবদল করতে রাজি না হওয়ায় বিজেপির বুথ সভাপতিকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে । ঘটনায় অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে তৃণমূলের দিকে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিজেপির আক্রান্ত বুথ সভাপতি অমৃত দাস। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। অভিযোগ, রবিবার রাতে অমৃত দাসকে মানসাই বাজারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দলবদল করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। আক্রান্ত ওই বিজেপি-র বুথ সভাপতি বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির জন্য লড়াই করে আসছি। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি সোচ্চার হয়েছি। সেই আক্রোশের বশে মাঝেমধ্যেই দলবদলের জন্য তৃণমূলের তরফে আমাকে চাপ দেওয়া হত। তাতে রাজি না হওয়ায় গতকাল আমি মানসাই বাজারে এলে আমাকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনার কথা কাউকে জানালে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।’ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল। উত্তেজনার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বক্সিরহাট থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।