জন্মদিনে মমতা দিদি-কে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, তৃণমূল নেত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা মোদীর
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি ও কলকাতা : “দিদি” সম্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তৃণমূল নেত্রীর দীর্ঘায়ু ও সর্বদা সুস্থতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবারই মমতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। অন্যথা হল না এবারও। সোমবার সকালে এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা দিদি-কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।” রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজনীতিতে বিভেদ সত্ত্বেও মমতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্যের নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
শিলিগুড়িতে বিজেপিতে যোগদান ৩৫০ যুবকের
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে বিজেপি দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চম্পাসারি ও ডাবগ্রাম এলাকার ৩৫০ জন যুবক ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি)-তে যোগদান করেন। রবিবার রাতে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিজেপির পতাকা তুলে দিয়ে যুবকদের দলে স্বাগত জানান। নমো যুব কমিটির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল, যেখানে নতুন সদস্যদের উৎসাহের সঙ্গে স্বাগত জানানো হয়। বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার জন্য দল নমো যুব ওয়ারিয়র্স গঠন করেছে। এই কমিটির অধীনে যুবদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নমো ওয়ারিয়র্স কমিটির আহ্বায়ক সৌরভ সরকারের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক যুবক বিজেপিতে যোগদান করেছেন। প্রদীপ ভান্ডারী বলেন, এই যুবদের অংশগ্রহণে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মাটি আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক তরুণ বিজেপিতে যোগ দেবে, যার ফলে নির্বাচনী লড়াই আরও জোারদার হয়ে উঠবে।
এসআইআর শুনানির নোটিশ তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেবকে
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ এবং অভিনেতা দেবকে বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (এসআইআর) শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর মৌসুমী দাস সাংসদ এবং তাঁর পরিবারের ৩ সদস্যকে এসআইআরের শুনানিতে ডাক পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেবের পাশাপাশি পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে। জানা গেছে, নোটিশটি তাঁর বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে দেব এবং তাঁর পরিবার শুনানিতে উপস্থিত হবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের মতে, ভোটার ফর্মের নীচের অংশ, যেখানে ২০০২ সালের লিঙ্ক সম্পর্কিত তথ্য পূরণ করার কথা ছিল, তা পূরণ করা হয়নি। এই কারণেই নোটিশ জারি করা হয়েছে। একই কারণে একই বাসভবনের আরও বেশ কয়েকজনকে এসআইআর শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, সোমবার ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামিকেও এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়েছিল। তবে, একটি ম্যাচের জন্য তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। এদিকে, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লাবণী সরকার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। এদিন সকালে সেখান থেকে লাবণী সরকার বেরিয়ে বলেন, ‘এ তো সরকারের কাজ। আমাদের কোনও প্রশ্নও নেই, উত্তরও নেই। তবে আমরা এসেছিলাম। শুধু দুটো পেপারে ওঁরা আমাদের সই করিয়েছেন। আগের সইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে ছেড়ে দিয়েছেন।’
তৃণমূলের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’র পাল্টা বিজেপির ‘চোরেদের পাঁচালি’ ট্যাবলো
সকাল সকাল ডেস্কপূর্ব মেদিনীপুর – মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিগত বছরগুলির উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরতে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ প্রকাশ করেন। কথা ও সুরের মাধ্যমে সাজানো সেই ট্যাবলো ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরছে। রবিবার তার পাল্টা হিসেবে বিজেপির পক্ষ থেকে শুরু হল ‘চোরেদের পাঁচালি’ নামের ট্যাবলো প্রচার| যার সূচনা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে।রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে তৃণমূলকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিজেপি। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকারের কথিত দুর্নীতি ও অপকর্ম সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এই ‘চোরেদের পাঁচালি’। বিজেপির অভিযোগ, উন্নয়নের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি। সেই ‘সত্য’ প্রকাশ করতেই এই উদ্যোগ।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পাল্টা দাবি, নন্দীগ্রামের মানুষ এই পাঁচালি মানবে না। তাদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষ শুভেন্দু অধিকারীকে প্রত্যাখ্যান করবে। এই ট্যাবলো ঘিরে শাসক-বিরোধী তরজা শুরু হওয়ায় নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।
চা বাগান শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথমবারের উদ্যোগ তৃণমূলের
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : ভোটের আগে চা বাগান শ্রমিকদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া সরাসরি শোনার লক্ষ্যে শনিবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্টির উদ্যোগে এই প্রথমবার চা বাগান শ্রমিকদের সঙ্গে এমন সরাসরি জনসংযোগমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থেকে চা বাগানের শ্রমিকদের বিভিন্ন অভিযোগ, সমস্যা ও দাবির কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। শ্রমিকদের কথা আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্মের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই ফর্মে শ্রমিকরা তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যা, মজুরি, স্বাস্থ্য, বাসস্থান-সহ নানা বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করার সুযোগ পাবেন। সেই ফর্মের মাধ্যমেই তাঁদের বক্তব্য সরাসরি শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছে যাবে।দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমিত সময়ের মধ্যে শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফর্মগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সমস্যাগুলি বেছে নিয়ে যতটা সম্ভব বেশি ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে উদ্যোগ নেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হবে।চা বাগান শ্রমিকদের কল্যাণ ও স্বার্থ রক্ষায় এই বৈঠককে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। ভোটের আগে এই উদ্যোগের মাধ্যমে চা বলয়ের মানুষের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছে শাসক দল।
বৃদ্ধার বাড়ি সাফ করে পুলিশের জালে বিশ্বস্ত গৃহকর্মী ও তার দাদা
সকাল সকাল ডেস্ক সোমনাথ গুপ্ত, দুর্গাপুরযে মানুষটাকে দুই দশক ধরে নিজের বাড়ির একজন বলে ভেবেছিলেন এক বৃদ্ধা। যার হাতে দিনের পর দিন সংসারের চাবি ছিল সেই বিশ্বস্ত গৃহকর্মীই সাফ করেছিল পুরো বাড়ি।দুর্গাপুরের ফরিদপুর ফাঁড়ি এলাকার ৫৪ ফুট এলাকায় এক বৃদ্ধার বাড়িতে চুরির ঘটনায় সামনে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। গ্রেফতার ওই গৃহকর্মী এবং আরো এক ব্যক্তি। শুক্রবার বিকেলে দুর্গাপুর থানায় সাংবাদিক বৈঠক করেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার অভিষেক গুপ্তা। তিনি বলেন, বিগত বছরের ২৭ ডিসেম্বর একটি ঘটনা ঘটেছিল। বাড়ি থেকে গয়না ও নগদ টাকা খোয়া যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন ওই বৃদ্ধা। অভিযোগ পেতেই আইসি ফরিদপুর ও ওসি দুর্গাপুরের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্ত যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয় এই চুরি বাইরের কোনও দুষ্কৃতীর কাজ নয়, বরং ঘরের ভেতরেই গড়ে উঠেছিল পুরো ছক। পুলিশি তদন্তে গ্রেফতার করা হয়েছে সঞ্জয় ওঝা ও তার ভাই শিবনাথ ওঝাকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জয় ওঝা প্রায় কুড়ি বছর ধরে ওই বৃদ্ধার বাড়িতে বিশ্বস্ত গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। দীর্ঘদিনের সেই আস্থা, নির্ভরতা আর নিরাপত্তার অনুভূতিকে কাজে লাগিয়েই চুরির পরিকল্পনা করে সে।তদন্তের পর পুলিশ উদ্ধার করেছে চুরি যাওয়া সমস্ত গয়না এবং নগদ ২৪ হাজার টাকা। সোনা রুপোর প্রায় লক্ষাধিক টাকার অলংকার ছিল। কিন্তু ঘটনায় নাটকীয় মোড় আসে তদন্ত চলাকালীন। শিবনাথ ওঝার কাছ থেকে একটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। যার জেরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেপৃথক মামলাও রুজু হয়েছে। ধৃত দু’জনেরই বাড়ি ঝাড়খণ্ডের বোকারোতে। বর্তমানে তারা দুর্গাপুরে বসবাস করছিল বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এই মুহূর্তে দু’জন অভিযুক্তই পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কমিশনারের পাশাপাশি এসিপি দুর্গাপুর সুবীর রায়, সিআই রণবীর বাগ সহ পুলিশের আধিকারিকরা। পুলিশ মনে করছে, জেরায় এই চুরির পিছনে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত কারগিল যুদ্ধের সৈনিক তপন কুমার ঘোষ, গর্বে আবেগাপ্লুত বসিরহাট
সকাল সকাল ডেস্ক বসিরহাট : দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা এক বাঙালি সৈনিকের অসামান্য কর্মজীবনের স্বীকৃতি মিলল রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার বাসিন্দা, কারগিল যুদ্ধের সৈনিক তপন কুমার ঘোষ রাষ্ট্রপতি বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস তাঁর হাতে এই সম্মান তুলে দেন।তপন কুমার ঘোষের বাবা সন্তোষ ঘোষ ছিলেন এক ক্ষুদ্র কাঠের দোকানের মালিক। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও ছোটবেলা থেকেই দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন তপনবাবু। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ১৯৮৫ সালে তিনি বিএসএফে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হন। কাশ্মীরের এলওসি, পাঞ্জাব সহ দেশের একাধিক সীমান্তে দায়িত্ব পালন করেছেন। সামনে থেকে কারগিল যুদ্ধে অংশ নিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দেন।নতুন প্রজন্মের বিএসএফ জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দিয়েও তিনি দেশরক্ষার আদর্শ তুলে ধরেছেন। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি অবসর নিলেও তখন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার নেওয়া সম্ভব হয়নি। এবার সেই সম্মান হাতে পেয়ে গোটা ঘোষ পরিবার ও গ্রামবাসীরা গর্বিত। তপনবাবু জানান, সততা ও দেশপ্রেম নিয়েই সবাইকে দেশের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে।
হিঙ্গলগঞ্জে জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ গ্রামবাসীদের
সকাল সকাল ডেস্ক উত্তর ২৪ পরগনা – পানীয় জলের দাবিতে বালতি ও কলসি হাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের স্কুলপাড়া এলাকায় শুক্রবার এই ঘটনা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন এলাকার মহিলারা হাসনাবাদ–হিঙ্গলগঞ্জ রোড অবরোধ করে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ করেন।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে স্কুলপাড়া এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর উদ্দেশ্যে একটি হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক নির্মাণ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই ট্যাঙ্কের সঙ্গে এলাকার জলের পাইপলাইনের কোনও সংযোগ করা হয়নি। ফলে ট্যাঙ্ক তৈরি হয়ে পড়ে থাকলেও এলাকার মানুষ একফোঁটা জলও পাচ্ছেন না। বারবার বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।স্থানীয়দের দাবি, বহু বছর ধরেই এই এলাকায় তীব্র পানীয় জলের সংকট চলছে। প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারকে শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা—সব ঋতুতেই কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে মাথায় করে জল বয়ে আনতে হয়। হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক তৈরি হওয়ায় মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল, এবার সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। কিন্তু তিন বছর পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।এদিন বিক্ষোভকারীরা ট্যাঙ্ক নির্মাণকারী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, অবিলম্বে হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক চালু করে এলাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে।
গঙ্গাসাগরে মেলায় ভিড় সামলাতে ড্রপ গেটে ট্রাফিক লাইট, আলোর ব্যবস্থা
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত। আগামীদিনে ভিড় সামলাতে ড্রপ গেটে ট্রাফিক লাইট বসানোর ভাবনা চিন্তা একরকম প্রায় পাকা। বিভিন্ন জায়গায় একাধিক ড্রপ গেট বসানো হলে রাতের দিকেই বিশেষ সুবিধা হবে। এর ফলে দূর থেকেই মানুষের যাতায়াত তথা পূণ্যার্থীদের আনাগোনা করতে বরং সুবিধাও হবে। একসঙ্গে যাতে অনেকেই এক জায়গা দিয়ে ঢুকে পড়তে না পারে তার জন্যে অস্থায়ীভাবেই বাঁশ দিয়ে তৈরি ব্যারিকেড গড়ে তুলতে হয় এবং আটকে রাখা হয়ে থাকে। এদিকে, বিক্ষিপ্তভাবে মেলায় আগতদের ঘোরাঘুরি করা থেকে বিরত থাকতে যদিও নির্দেশ রয়েছে সরকারের তরফেও। তবে, কপিল মুনির মূল আশ্রমে পৌঁছাতে হলে বরাবরের মতো হুড়োহুড়ি থাকে। এইসব এড়িয়ে চলতে ওই ব্যবস্থা। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায় প্রমুখের উপস্থিতিতেই এ নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বিভাগীয় আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করেন।
তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত: কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত| কলকাতায় এসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন অমিত শাহ| তিনি এদিন বলেন, ভয় দুর্নীতি আর অনুপ্রবেশের জায়গায় বিকাশ এবং গরীব কল্যাণের জন্য সরকার বানানোর সংকল্প দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের মধ্যে। তৃণমূলের শাসনে বাংলার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত। আমরা বিজেপির সব কার্যকর্তা আশ্বাস দিচ্ছি বাংলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠনের পর এখানে দুর্নীতি, অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে এবং গরীব কল্যাণ হবে। এর পাশাপাশি মজবুত প্রশাসন তৈরি হবে যা অনুপ্রবেশ রুখে দেবে। মানুষ তো দূর একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না। শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধই করব না, সব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বের করে। তৃণমূলের নেতৃত্বে আজ বাংলার বিকাশ থেমে গেছে। পুরো দেশে যে বিকাশ হচ্ছে সেটা এই রাজ্যে কাটমানির কারণে বন্ধ হয়ে আছে। আমাদের সংকল্প ১৫ এপ্রিল ২০২৬ এর পর যখন বিজেপি সরকার হবে তখন পশ্চিমবঙ্গের হৃত গৌরব আমরা পুনরুদ্ধার করব। বাংলার মনিষীদের স্বপ্নের বাংলা আমরা তৈরি করব। বিজেপির বীজ বপন হয়েছিল জনসংঘ থেকে। জনসংঘ স্থাপন করেছিলেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৭% ভোট এবং ২ টি সিট আমরা পেয়েছি। ২০১৬ তে ১০% ভোট এবং ৩ টি বিধায়ক ২০১৯ ৪১% ভোট এবং ২০২১ নির্বাচনে ৭৭ টি সিট পেয়েছিলাম। এর ফলে কংগ্রেস পার্টিও এই রাজ্যে শূন্য হয়ে গেছে। বামেরাও কোনও ভোট পায়নি আর আমরা প্রধান বিরোধী দল হয়েছি। ২০২৪ নির্বাচনে ৩৯% ভোট পেয়েছি ও ১২ টি আসন পেয়েছি। ২০২৬ এও আমরা বিপুল আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসব।