কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের চারজনকে এসআইআরের শুনানিতে ডাক
কলকাতা : ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বে ডাক পেলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবার। চার সদস্যকে নথি নিয়ে শুনানিতে হাজির থাকার নোটিস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘হেনস্তা’র অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। জানা গিয়েছে, শুনানি পর্বে ডাকা হয়েছে বারাসতের তৃণমূল সাংসদের বৃদ্ধা মা, দুই পুত্র ও তাঁর বোনকে। সাংসদের মা ও বোন বারাসতের মধ্যমগ্রামের ভোটার। কাকলির দুই ছেলে বিশ্বনাথ ও বৈদ্যনাথ পেশায় চিকিৎসক। তাঁরা কলকাতার ভোটার। উল্লেখ্য, শনিবার থেকে এসআইআরের শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে। প্রথম দফায় যাঁদের ‘ম্যাপিং’ হয়নি তাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী, যাঁরা নিজের বা আত্মীয়ের কোনও বিবরণ দিতে পারেননি, সেই সব ভোটারকে ডাকা হচ্ছে।
বীরভূমে পুকুর থেকে উদ্ধার নিখোঁজ মা-মেয়ের দেহ
সকাল সকাল ডেস্কবীরভূম: তিন দিন নিখোঁজ থাকার পরে একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হল মা-মেয়ের দেহ| বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া মহিলার বয়স ২৪ বছর। শিশুকন্যার বয়স বছর তিনেকের মতো। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক। দক্ষিণ ভারতে কাজ করেন। সোমবার মাঝরাত থেকে ওই মহিলা ও শিশু নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান পায়নি পরিবার। বুধবার সকালে নিখোঁজ ডায়েরি করে পরিবার। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির কাছের পুকুরে মহিলার দেহ ভেসে উঠতে দেখা যায়। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে ওই পুকুর থেকেই উদ্ধার হয় শিশুকন্যার দেহও। দেহগুলি ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।
সান্তা ক্লোজের সাজে রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার
সকাল সকাল ডেস্ক সোমনাথ গুপ্ত, দুর্গাপুর বড়দিনের সকালে একেবারে ব্যতিক্রমী ছবি ধরা পড়ল দুর্গাপুরে। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল সান্তা ক্লোজের পোশাক পরে, কোনও রকম প্রচার বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। সকাল হতেই তিনি পৌঁছে যান দুর্গাপুরের তালতলা বস্তিতে।কাঁধে ঝোলা, মুখে আন্তরিক হাসি, যেন রূপকথার গল্পের সেই পরিচিত সান্তা ক্লোজই।মন্ত্রী পরিচয় আড়াল করে তিনি একে একে শিশুদের হাতে তুলে দেন খেলনা, চকোলেট, খাবার আর নানা উপহার। হঠাৎ এমন উপহার পেয়ে খুদেরা আনন্দে আত্মহারা কারও চোখে বিস্ময়, কারও মুখে হাসি, আবার কেউ কেউ খুশিতে চিৎকার করে ওঠে। বড়দিনের সকালে তালতলা বস্তির অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রোশনাই, ভালোবাসার উষ্ণতা। এই মানবিক উদ্যোগ শুধু উপহার বিলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী, তাদের পড়াশোনা ও স্বপ্নের কথা শোনেন। বড়দিনের দিনে তাঁর এই নীরব উপস্থিতি যেন মনে করিয়ে দেয় উৎসবের আসল মানে শুধু আলো-সাজে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোতেই।বৃহস্পতিবার বড়দিনে প্রদীপ মজুমদারের এই শান্ত, নিঃশব্দ উদ্যোগ দুর্গাপুরবাসীর কাছে হয়ে উঠল এক আলাদা বার্তা সহানুভূতি আর ভালোবাসাই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি।
তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল দল
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : দলবিরোধী কাজের অভিযোগ। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন ফিরহাদ হাকিম। জানালেন, হুমায়ুনের সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখবে না দল। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। সেখানেই হুমায়ুনকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করেন তিনি। বলেন, “দল হুমায়ুনের সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখবে না।” ফিরহাদ বলেন, “বাবরি মসজিদ করার কথা বলে বাবরি ধ্বংসের স্মৃতি উসকে দিতে চাইছেন উনি। এর পিছনে আমরা মনে করি বিজেপি রয়েছে। ওরা হুমায়ুনকে সামনে রেখে হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি করছে।” দলবিরোধী মন্তব্য করে বহুবার বিতর্কে জড়িয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তৃণমূলের তরফে তাঁকে একাধিকবার সতর্কও করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরি সংক্রান্ত মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। তার জেরেই এবার কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল দল।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার তারাতলায় হানা ইডির
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার তারাতলায় হানা দেয় ইডি। আর সেখানের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে উদ্ধার বিপুল অর্থ। সূত্র মারফৎ জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তবে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে, কারণ টাকা গোনা এখনও চলছে। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় লেক টাউন ও তারাতলায় দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে নগদ টাকা ও গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের দাবি। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল থেকে বেলেঘাটার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ইডি। ওই মামলার সূত্রেই, মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ভোর লেক টাউন ও তারাতলায় তল্লাশি অভিযান চালু রেখেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, বুধবার ওই ব্যবসায়ীদের ফ্ল্যাট ও অফিসে তল্লাশি অভিযানে বহু সম্পত্তির দলিল, নগদ টাকা ও গয়না উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি এই সব ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। টাকা ও গয়নার উৎসের এখনও পর্যন্ত কোনও বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই ব্যবসায়ীদের আমদানি-রফতানি-সহ নানা ব্যবসা রয়েছে। ইডির এক কর্তা বলেন, ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা প্রভাবশালীরা তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছিলেন। ওই সূত্রেই দু’জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
মন্থার মৃদু প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি একাধিক জেলায়
ঝড় না হলেও ঘূর্ণিঝড় মন্থার মৃদু প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। বৃষ্টি হয়েছে আরও একাধিক জেলায়। এ দিন, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই মুখ ভার আকাশের, ছিঁটেফোঁটা বৃষ্টিও হয়েছে।
“হিন্দু বিরোধী মমতা প্রশাসন ধিক্কার” — দীপাবলির রাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : “যে দিনটিতে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দিন, সেই দিনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকম বাধা ও নিয়ন্ত্রণ। এটা শুধু উৎসবের আনন্দে নয় হিন্দুদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ।” এই মন্তব্য করে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভিডিয়ো যুক্ত করে বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “দীপাবলি আলোর জয় আর অন্ধকারের পরাজয়ের পবিত্র প্রতীক। কিন্তু আজ এই পবিত্র উৎসবে হিন্দুরা তাদের মতো করে আনন্দ ও উৎসব পালন করতে পারছে না। বুধবার রাতে কলকাতার অভিজাত সাউথ সিটি আবাসনের আবাসিকরা তাদের পরিবারের সাথে দীপাবলির আনন্দে মেতেছিলেন। সরকারি নির্দেশাবলি মেনেই বাজি পোড়াচ্ছিলেন আবাসিকরা, কিন্তু হিন্দু বিরোধী মমতা পুলিশ আবাসনে পৌঁছে ধমক, গ্রেফতার থেকে নিরীহ হিন্দু আবাসিকদের মারধর পর্যন্ত করেছে, যা ভিডিওতে দৃশ্যমান। একটি স্বাধীন দেশে নিজের ধর্মীয় উৎসব আনন্দের সঙ্গে পালন করা প্রত্যেকের অধিকার। কিন্তু হিন্দু বিরোধী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই হিন্দু সমাজ আজ সেই অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। আমি এই ঘৃণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং আমি আশা করি আগামী দীপাবলি আপনাদের সুখকর হবে। এই তৎপরতা ও অতিসক্রিয়তা শুধুমাত্র হিন্দুদের উৎসব উদযাপনের সময় দেখা যায়।”
অসুস্থ খগেন মুর্মু এখনও হাসপাতালে, দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী
সকাল সকাল ডেস্ক। শিলিগুড়ি : উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলির সময় বেশ কিছু দিন আগে দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত হন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অসুস্থ খগেন মুর্মু শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবার খগেন মুর্মুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন শুভেন্দু। বন্যা বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ির ডুয়ার্স অঞ্চলে ত্রাণ বিলির সময় এমাসের প্রথমদিকে আক্রান্ত হন খগেন মুর্মু। দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। রক্তাক্ত হন খগেন, ওই দিন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার খগেনকে দেখতে শিলিগুড়ির হাসপাতালে যান শুভেন্দু, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
দুর্গাপুর ধর্ষণ কাণ্ডে আরও এক গ্রেফতার, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪
সকাল সকাল ডেস্ক। দুর্গাপুর: [p1] পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। এই নিয়ে মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। সর্বশেষে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তি দুর্গাপুর পুরনিগমের অস্থায়ী কর্মী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। রবিবার রাতে ওই কর্মীকে আটক করা হয় এবং সোমবার তাঁকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে। এর আগে রবিবার ধৃত তিনজনকে আদালতে তোলা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলেনি, তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, গ্রেফতার হওয়া চারজনই ঘটনায় সরাসরি জড়িত এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। উল্লেখ্য, দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী এই ঘটনার অভিযোগকারী। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা ছাত্রীটির পরিচিত ছিল এবং ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে। ফরেনসিক রিপোর্ট ও মোবাইল কল রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দল বিজেপি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সুরে আক্রমণ শানিয়েছে, অভিযোগ তুলেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, অভিযুক্তদের মধ্যে কারও রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় দুর্গাপুর ও আশেপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করে নিদর্শন স্থাপন করুক প্রশাসন। [p1]
উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পোস্টের প্রেক্ষিতে জবাব মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা “উত্তরবঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও রাজনীতি করতে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী।” নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় সোমবার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের হামলার নিন্দা করে সোমবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে বাংলা এবং ইংরেজিতে পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুষেছিলেন রাজ্য সরকার এবং শাসকদল তৃণমূলকে। প্রধানমন্ত্রীর সেই অভিযোগের ‘জবাব’ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘এটি দুর্ভাগ্যজনক এবং গভীর ভাবে উদ্বেগজনক যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাযথ তদন্তের অপেক্ষা না করেই একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের রাজনীতিকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিশেষ করে যখন উত্তরবঙ্গের মানুষ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছেন।’’ ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চলাকালীন বিজেপির নেতারা স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ বিশাল কনভয় নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুই বিজেপি নেতার উপর হামলার জন্য রাজ্য ও শাসকদলের নাম জড়ানোর নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘‘প্রধানমন্ত্রী কোনও যাচাই করা প্রমাণ, আইনি তদন্ত বা প্রশাসনিক প্রতিবেদন ছাড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি দোষারোপ করেছেন। এটি কেবল নিম্নমানের রাজনীতির উদাহরণ নয়, এটি প্রধানমন্ত্রী যে সাংবিধানিক নীতি বজায় রাখার শপথ নিয়েছেন তার লঙ্ঘন। যে কোনও গণতন্ত্রে আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হয়। কেবলমাত্র আইনি প্রক্রিয়াই দোষী চিহ্নিত করতে পারে। কোনও রাজনৈতিক টুইট নয়।’’