ছাব্বিশে ২২৬-র বেশি আসনের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর, বিজেপিকে ‘শূন্য’ করার হুঙ্কার
নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ, প্রশাসনিক বদলি নিয়ে প্রশ্ন; দার্জিলিংয়ের ৩ আসনে জোটসঙ্গীকে ছেড়ে লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস-এর সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা – ছাব্বিশের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বড়সড় দাবি করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার প্রার্থীতালিকা ঘোষণার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো জানালেন, এবারের নির্বাচনে ২২৬টিরও বেশি আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর দাবি, ভোটের পর রাজ্যে বিজেপিকে খুঁজে পাওয়াই কঠিন হবে। কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক থেকে তিনি বলেন, “এবার বাংলার মা-মাটি-মানুষের জয় হবেই।” একইসঙ্গে নাম না করে তিনি আক্রমণ শানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-কে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক একাধিক প্রশাসনিক বদলির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “যিনি মেঘের আড়াল থেকে খেলছেন, তিনি সামনে এসে বিজেপির প্রার্থী হয়ে যান।” এক নজরে দেখে নিন কাকে কোথায় তৃণমূল প্রার্থী করল মেখলিগঞ্জ (এসসি), কোচবিহার — পরেশ চন্দ্র অধিকারী মাথাভাঙা (এসসি), কোচবিহার — সাবলু বর্মন কোচবিহার উত্তর (এসসি), কোচবিহার — পার্থ প্রতিম রায় কোচবিহার দক্ষিণ, কোচবিহার — অভিজিৎ দে ভৌমিক (হিপ্পি) শীতলকুচি (এসসি), কোচবিহার — হরিহর দাস সিতাই (এসসি), কোচবিহার — সঙ্গীতা রায় বসুনিয়া দিনহাটা, কোচবিহার — উদয়ন গুহ নাটাবাড়ি, কোচবিহার — শৈলেন বর্মা তুফানগঞ্জ, কোচবিহার — শিব শঙ্কর পাল কুমারগ্রাম (এসটি), আলিপুরদুয়ার — রাজীব তিরকি কালচিনি (এসটি), আলিপুরদুয়ার — বীরেন্দ্র বারা আলিপুরদুয়ার, আলিপুরদুয়ার — সুমন কাঞ্জিলাল ফালাকাটা (এসসি), আলিপুরদুয়ার — সুভাষ চন্দ্র রায় মাদারিহাট (এসটি), আলিপুরদুয়ার — জয়প্রকাশ টপ্পো ধূপগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — ডা. নির্মল চন্দ্র রায় ময়নাগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — রাম মোহন রায় জলপাইগুড়ি (এসসি), জলপাইগুড়ি — কৃষ্ণ দাস রাজগঞ্জ (এসসি), জলপাইগুড়ি — স্বপ্না বর্মন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, জলপাইগুড়ি — রঞ্জন শীল শর্মা মাল (এসটি), জলপাইগুড়ি — বুলু চিক বারাইক নাগরাকাটা (এসটি), জলপাইগুড়ি — সঞ্জয় কুজুর কালিম্পং, কালিম্পং — *** দার্জিলিং, দার্জিলিং — *** কার্সিয়াং, দার্জিলিং — *** মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি (এসসি), দার্জিলিং — শঙ্কর মালাকার শিলিগুড়ি, দার্জিলিং — গৌতম দেব ফাঁসিদেওয়া (এসটি), দার্জিলিং — রীনা টপ্পো এক্কা চোপড়া, উত্তর দিনাজপুর — হামিদুল রহমান ইসলামপুর, উত্তর দিনাজপুর — কানাইয়া লাল আগরওয়াল গোলপোখর, উত্তর দিনাজপুর — মো. গুলাম রাব্বানি চাকুলিয়া, উত্তর দিনাজপুর — মিনহাজুল আরফিন আজাদ করণদিঘি, উত্তর দিনাজপুর — গৌতম পাল হেমতাবাদ (এসসি), উত্তর দিনাজপুর — সত্যজিৎ বর্মন কালিয়াগঞ্জ (এসসি), উত্তর দিনাজপুর — নিতাই বৈশ্য রায়গঞ্জ, উত্তর দিনাজপুর — কৃষ্ণ কল্যাণী ইটাহার, উত্তর দিনাজপুর — মোশারফ হোসেন কুশমন্ডি (এসসি), দক্ষিণ দিনাজপুর — রেখা রায় কুমারগঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুর — তোরাফ হোসেন মণ্ডল বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর — অর্পিতা ঘোষ তপন (এসটি), দক্ষিণ দিনাজপুর — চিন্তামণি বিহা গঙ্গারামপুর (এসসি), দক্ষিণ দিনাজপুর — গৌতম দাস হরিরামপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর — বিপ্লব মিত্র হবিবপুর (এসটি), মালদা — অমল কিস্কু গাজোল (এসসি), মালদা — প্রসেনজিৎ দাস চাঁঁচল, মালদা — প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদহ — মো. মাতেবুর রহমান মালতিপুর, মালদহ — আবদুর রহিম বক্সী রতুয়া, মালদহ — সমর মুখার্জি মানিকচক, মালদহ — কবিতা মণ্ডল মালদহ (এসসি), মালদহ — লিপিকা বর্মন ঘোষ ইংলিশ বাজার, মালদহ — আশিস কুণ্ডু মোথাবাড়ি, মালদহ — মো. নজরুল ইসলাম সুজাপুর, মালদহ — সাবিনা ইয়াসমিন বৈষ্ণবনগর, মালদহ — চন্দনা সরকার ফারাক্কা, মুর্শিদাবাদ — আমিরুল ইসলাম সামসেরগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ — নুর আলম সুতি, মুর্শিদাবাদ — ইমানি বিশ্বাস জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ — জাকির হোসেন রঘুনাথগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ — জনাব আখরুজ্জামান সাগরদিঘি, মুর্শিদাবাদ — বায়রন বিশ্বাস লালগোলা, মুর্শিদাবাদ — ডা. আবদুল আজিজ ভগবানগোলা, মুর্শিদাবাদ — রেয়াত হোসেন সরকার রানিনগর, মুর্শিদাবাদ — সৌমিক হোসেন মুর্শিদাবাদ — শাওনি সিংহ রায় নবগ্রাম (এসসি), মুর্শিদাবাদ — প্রণব চন্দ্র দাস খড়গ্রাম (এসসি), মুর্শিদাবাদ — আশিস মার্জিত বড়ঞা (এসসি), মুর্শিদাবাদ — প্রতিমা রজক কান্দি, মুর্শিদাবাদ — অপূর্ব সরকার (ডেভিড) ভারতপুর, মুর্শিদাবাদ — মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন) রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ — আতাউর রহমান বেলডাঙা, মুর্শিদাবাদ — রাবিউল আলম চৌধুরী বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ — নাড়ু গোপাল মুখার্জি হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ — নিয়ামত শেখ নওদা, মুর্শিদাবাদ — শাহিনা মুমতাজ ডোমকল, মুর্শিদাবাদ — হুমায়ুন কবির (প্রাক্তন আইপিএস) জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ — বাবর আলি করিমপুর, নদিয়া — সোহম চক্রবর্তী তেহট্ট, নদিয়া — দিলীপ পোদ্দার পলাশীপাড়া, নদিয়া — রুকবানুর রহমান কালীগঞ্জ, নদিয়া — আলিফা আহমেদ নাকাশিপাড়া, নদিয়া — কল্লোল খাঁ চাপড়া, নদিয়া — জেবের শেখ কৃষ্ণনগর উত্তর, নদিয়া — অবিনাভ ভট্টাচার্য নবদ্বীপ, নদিয়া — পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, নদিয়া — উজ্জ্বল বিশ্বাস শান্তিপুর, নদিয়া — ব্রজকিশোর গোস্বামী রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, নদিয়া — তাপস ঘোষ কৃষ্ণগঞ্জ (এসসি), নদিয়া — সমীর কুমার পোদ্দার রানাঘাট উত্তর পূর্ব (এসসি), নদিয়া — বর্ণালী দে রায় রানাঘাট দক্ষিণ (এসসি), নদিয়া — ডা. সৌগত কুমার বর্মন চাকদহ, নদিয়া — শুভঙ্কর সিংহ (জিশু) কল্যাণী (এসসি), নদিয়া — ডা. অতীন্দ্র নাথ মণ্ডল হরিণঘাটা (এসসি), নদিয়া — ডা. রাজীব বিশ্বাস বাগদা (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — মধুপর্ণা ঠাকুর বনগাঁ উত্তর (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — বিশ্বজিৎ দাস বনগাঁ দক্ষিণ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — ঋতুপর্ণা আঢ্য গাইঘাটা (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — নরোত্তম বিশ্বাস স্বরূপনগর (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — বীণা মণ্ডল বাদুড়িয়া, উত্তর ২৪ পরগনা — বুরহানুল মোকাদ্দিন (লিটন) হাবড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) অশোকনগর, উত্তর ২৪ পরগনা — নারায়ণ গোস্বামী আমডাঙা, উত্তর ২৪ পরগনা — পীরজাদা কাসেম সিদ্দিকি বিজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — সুবোধ অধিকারী নৈহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — সনৎ দে ভাটপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — অমিত গুপ্ত জগদ্দল, উত্তর ২৪ পরগনা — সোমনাথ শ্যাম ইচিনি নোয়াপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা — তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — রাজু চক্রবর্তী (রাজ) খড়দহ, উত্তর ২৪ পরগনা — দেবদীপ পুরোহিত দমদম উত্তর, উত্তর ২৪ পরগনা — চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পানিহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — তীর্থঙ্কর ঘোষ (পুচি) কামারহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা — মদন মিত্র বরানগর, উত্তর ২৪ পরগনা — সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় দমদম, উত্তর ২৪ পরগনা — ব্রাত্য বসু রাজারহাট নিউটাউন, উত্তর ২৪ পরগনা — তাপস চ্যাটার্জি বিধাননগর, উত্তর ২৪ পরগনা — সুজিত বসু রাজারহাট গোপালপুর, উত্তর ২৪ পরগনা — অদিতি মুন্সী মধ্যমগ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা — রথীন ঘোষ বারাসত, উত্তর ২৪ পরগনা — সব্যসাচী দত্ত দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা — আনিসুর রহমান (বিদেশ) হাড়োয়া, উত্তর ২৪ পরগনা — মো. মুফতি আবদুল মতিন মিনাখাঁ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — উষারানি মণ্ডল সন্দেশখালি (এসটি), উত্তর ২৪ পরগনা — ঝর্ণা সর্দার বসিরহাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনা — সুরজিৎ মিত্র (বাদল) বসিরহাট উত্তর, উত্তর ২৪ পরগনা — মো. তৌসিফ রহমান হিঙ্গলগঞ্জ (এসসি), উত্তর ২৪ পরগনা — আনন্দ সরকার গোসাবা (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — সুব্রত মণ্ডল বসন্তী (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — নীলিমা বিশাল মিস্ত্রি কুলতলি (এসসি), দক্ষিণ ২৪ পরগনা — গণেশ চন্দ্র মণ্ডল পাথরপ্রতিমা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — সমীর কুমার জানা কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — মন্তুরাম পাখিরা সাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা কুলপি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা — বর্ণালী ধারা রায়দিঘি, দক্ষিণ ২৪
পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি শপথ নিলেন
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার লোকভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কলকাতার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল তাঁকে রাজ্যপাল হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন সরকারি ও সাংবিধানিক কর্মকর্তা। রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং রাজ্য প্রশাসন ও চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করেন। এর আগে, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোস পদ থেকে ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফার পর কেন্দ্রীয় সরকার আর এন রবিকে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে মনোনীত করে। বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছান আর এন রবি এবং বৃহস্পতিবার সকালের অনুষ্ঠানেই রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসনের চলমান কাজ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সরল ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে আবদ্ধ হলেন।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না : জ্ঞানেশ কুমার
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটই লক্ষ্য, জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ (ফুল) বেঞ্চের তিন দিনের রাজ্য সফর শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার। এদিন দুপুরে কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করেন জ্ঞানেশ কুমার। জ্ঞানেশ জানালেন, বুথ বা ভোটকেন্দ্রের বাইরে নির্দিষ্ট জায়গায় মোবাইল রেখে ভিতরে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। কোনও বুথে ১২০০-র উপর ভোটার থাকবে না বলে জানালেন জ্ঞানেশ কুমার। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানালেন জ্ঞানেশ কুমার।পশ্চিমবঙ্গে কত দফায় ভোট হবে, তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন, জানালেন জ্ঞানেশ।
২ মার্চ বাংলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করবেন অমিত শাহ
Amit Shah to launch BJP’s ‘Paribhartan Yatra’ in Bengal on March 2
স্বচ্ছ ভোটার তালিকা যে কোনো গণতন্ত্রের ভিত্তি : জ্ঞানেশ কুমার
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এখন চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর। এমতাবস্থায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেছেন, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা যে কোনও গণতন্ত্রের ভিত্তি। মঙ্গলবার নতুন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। বিশেষ নিবিড় সংশোধন এস আই আর সম্পর্কে বলতে গিয়ে, জ্ঞানেশ কুমার বলেন, সমস্ত যোগ্য ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকা উচিত এবং অযোগ্যদের নাম বাদ দিতে হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যাতে সকল যোগ্য ভোটারদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং অযোগ্য ভোটারদের বাদ দেওয়া যায়। তিনি বলেন, বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল যা, নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, বর্তমানে ১২টি রাজ্যে এসআইআর চলছে এবং এর মধ্যে ১১টি রাজ্য তাদের ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন যে, নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মধ্যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধনের সময় এসেছে।
বোমাতঙ্ক স্তব্ধ দুর্গাপুর আদালত, খালি করা হলো আদালত ভবন
সকাল সকাল ডেস্ক সোমনাথ গুপ্ত , দুর্গাপুরঅন্যান্য দিনের মতোই মঙ্গলবার সকালে স্বাভাবিক ছন্দেই চলছিল আদালতের কাজকর্ম। বিচারক এজলাসে, আইনজীবীরা ব্যস্ত মামলার প্রস্তুতিতে, আর ন্যায়বিচারের আশায় সাধারণ মানুষ অপেক্ষায়— ঠিক সেই সময় আচমকাই ছন্দপতন। সকাল প্রায় ১১টা ৩০ মিনিট নাগাদ আসানসোল জেলা আদালত-এর জেলা বিচারকের দপ্তরে একটি ই-মেল আসে। সেখানে দাবি করা হয়, জেলা আদালত ও মহকুমা আদালত চত্বরে বোম রাখা হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। আসানসোল আদালতে বোমাতঙ্ক মেল পাওয়ার পরই তৎপর হয় আদালত প্রশাসন। জেলা বিচারকের নির্দেশে সঙ্গে সঙ্গে খালি করে দেওয়া হয় আদালত চত্বর। বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত চত্বরে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ডাকা হয় বম্ব স্কোয়াড। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। জেলা বিচারক দেবপ্রসাদ নাথ জানান, “মনে হচ্ছে এটা ভুয়ো মেল। তবুও আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে বম্ব স্কোয়াডকে ডাকা হয়েছে। পুলিশকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে এগারোটা সময় মেল আসে, সেখানে লেখা ছিল যে বোম রাখা হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত আদালতের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।” খবর ছড়িয়ে পড়তেই আদালত চত্বরের বাইরে ভিড় জমাতে শুরু করেন উদ্বিগ্ন মানুষজন। আইনজীবীদের একাংশ জানান, হঠাৎ করে এভাবে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু মামলার শুনানি স্থগিত রাখতে হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেলের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইবার বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও প্রাথমিকভাবে এটি ভুয়ো হুমকি বলেই মনে করা হচ্ছে, তবুও কোনো রকম ঝুঁকি এড়াতে প্রতিটি কোণায় কোণায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলাজুড়ে। আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এ ধরনের হুমকি মেল পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। এখন দেখার, তদন্তে কী উঠে আসে— সত্যিই কি এটি নিছক আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনো উদ্দেশ্য।
মুকুল রায়ের জীবনাবসান, হাসপাতালেই প্রয়াত প্রবীণ নেতা
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই নিউ টাউনের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘ দিন ধরেই কিডনি-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে অসুস্থ ছিলেন মুকুল। মাঝে মধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হত। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন রবিবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুকুল। মৃত্যুর খবর পেয়েই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। তৃণমূল দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। এক সময়ে রাজ্যসভার সদস্য পদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। জাহাজ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলানোর পরে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন মুকুল।
আসানসোলে লিওনেল মেসির পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচন : ফুটবল জ্বরে কাঁপছে শিল্পাঞ্চল
সকাল সকাল ডেস্ক আসানসোল : কলকাতার পর এবার শিল্পশহর আসানসোলে ফুটবল সম্রাট লিওনেল মেসির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হলো। রবিবার সন্ধ্যায় আসানসোলের মহীশিলা এলাকায় আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলারের একটি অত্যন্ত জীবন্ত মোমের মূর্তি উন্মোচন করেন রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। আসানসোলের প্রখ্যাত ভাস্কর সুশান্ত রায় দীর্ঘ দু’মাসের কঠোর পরিশ্রমে মেসির এই মোমের প্রতিকৃতিটি তৈরি করেছেন। মূর্তির সূক্ষ্ম কারুকার্য এবং মুখের অভিব্যক্তির নিখুঁত শৈলী সাধারণ মানুষের নজর কাড়ছে। শহরবাসীর জন্য এটি একটি বিশেষ উপহার হিসেবেই দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মেসির প্রতি উন্মাদনার শুরু হয়েছিল গত বছরের শেষ দিকে। গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কলকাতার লেক টাউন শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব একটি ৭০ ফুট উঁচু লোহার বিশালাকার মেসির মূর্তি স্থাপন করেছিল। ওই মূর্তিতে কাতার ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে তুলে ধরা হয়েছিল। স্বয়ং লিওনেল মেসি তাঁর ‘গো অ্যাট ইন্ডিয়া ট্যুর ২০২৫’ চলাকালীন ভার্চুয়াল মাধ্যমে কলকাতার সেই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। কলকাতার মূর্তিটি বিশালাকার হলেও, আসানসোলের এই মোমের মূর্তিটি তার সজীবতার জন্য প্রশংসিত হচ্ছে। ভাস্কর সুশান্ত রায় জানিয়েছেন, মাত্র দুই মাসে তিনি এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করেছেন। উন্মোচনের পর থেকেই ফুটবল প্রেমীদের ঢল নেমেছে মহীশিলায়। প্রিয় তারকার মূর্তির সঙ্গে সেলফি তুলতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরণের উদ্যোগের ফলে আসানসোলের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াপ্রেমী পরিচয় আরও দৃঢ় হবে। আয়োজকদের দাবি, এই মূর্তি উন্মোচনকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। কলকাতার রেশ ধরে আসানসোলের এই আয়োজন প্রমাণ করল যে, বাংলায় ফুটবল এবং মেসির প্রতি আবেগ আজও অমলিন।
পুরুলিয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির, এনআইএ তদন্তের দাবি
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : পুরুলিয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। এই ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সমাজ মাধ্যম ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে “বোমা শিল্পই একমাত্র উন্নতি করছে।” পুরুলিয়ার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুর বাগান এলাকায় একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং তার পরেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মালব্য দাবি করেছেন, ওই জায়গায় অবৈধভাবে বোমা তৈরির কাজ চলছিল। বিস্ফোরণে অন্তত তিনজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য স্পষ্ট জানান, পুরুলিয়ার সাধারণ মানুষের এই ঘটনার নেপথ্যের সত্য তথ্য জানার অধিকার আছে। বিজেপি নেতা জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ইতিমধ্যেই ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মালব্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী কি এবারও “প্রযুক্তিগত কারণ” দেখিয়ে সত্য আড়াল করার চেষ্টা করবেন? তিনি জোর দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা চলবে না এবং দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। পুরুলিয়ায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
আমডাঙার যুবক খুনের কিনারা, মূল অভিযুক্ত মুম্বই থেকে গ্রেফতার: জানালেন পুলিশ সুপার
সকাল সকাল ডেস্ক বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা এলাকায় যুবক খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। ঘটনার ১৮ দিন পর মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে খুনের কিনারা করেছে তদন্তকারীরা। এই নিয়ে মোট দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।গত ৩০ জানুয়ারি আমডাঙার রামপুর বাজার এলাকায় একটি ঘরের ভিতর থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে আমডাঙা থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। একাধিক সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ মূল অভিযুক্তের খোঁজ পায় এবং তাকে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করে আনে।শুক্রবার বারাসাত-এ আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পিতভাবেই ওই যুবককে খুন করা হয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিপিও বারাসাত এবং আমডাঙা থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। ধৃতদের আদালতে পেশ করে হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।