‘অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সভায় তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে কড়া প্রতিবাদ সুকান্তর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : ‘অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পাণ্ডবেশ্বর এর তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সাংঘাতিক অভিযোগের প্রতিবাদ করল বিজেপি। তাঁর বক্তৃতার ভিডিয়ো যুক্ত করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি শুক্রবার এক্সবার্তায় প্রতিবাদ করেছেন। নরেন্দ্রনাথ বলেছেন, “সিঁদুরকে নিয়ে যদি খেলা করে তাকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। তাদের ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলতে হবে। গোটাটাই নাটক, যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। পহেলগাঁওয়ে পর্যটকরা বেড়াতে এসেছে, কাশ্মীরে ১০ ফুট দূরে- দূরে জওয়ানরা থাকেন। পহেলগাঁও-সহ প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে জওয়ানরা থাকে। একদল দুষ্কৃতী চলে এল, তার তিন আগে সব নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল।” এদিকে, দেশের সেনাকে এভাবে অপমান নিয়ে সোচ্চার রাজ্য বিজেপি। সুকান্ত মজুমদার এক্স পোস্টে লিখেছেন, “পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর এই জঘন্য এবং নিন্দনীয় মন্তব্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে যে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে কতটা দেশবিরোধী বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি নির্লজ্জভাবে দাবি করেছেন যে “ভারতের পাকিস্তানের সাথে মিল রয়েছে”! এই বক্তব্য কেবল আপত্তিকর নয় – এটি স্পষ্টতই দেশবিরোধী।”
অবশেষে জামিন পেলেন শর্মিষ্ঠা পানোলি
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর আবহে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ধৃত শর্মিষ্ঠা পানোলির জামিন মঞ্জুর। ধৃত আইনের ছাত্রীর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। গুড়গাঁও থেকে গ্রেফতার হওয়া শর্মিষ্ঠা পানোলির অন্তর্বর্তী জামিনের এই আবেদন মঞ্জুর হয়। ১০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করল আদালত। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছে, ১) ‘আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না শর্মিষ্ঠা’। ২) শিক্ষাগত কারণে দেশের বাইরে যেতে হলে নিম্ন আদালতকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। ৩) শর্মিষ্ঠাকে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে, নির্দেশ আদালতের। ৪) হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। আদালত জানিয়েছে, ‘যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল সেটা যান্ত্রিকভাবে করা হয়েছিল। সেখানে শুধুমাত্র গ্রেফতার করার অধিকার দেওয়া হয়েছিল, গ্রেফতার করতে হবে বলা হয়নি’। ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার ছিল, মন্তব্য বিচারপতির। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, নির্দিষ্টভাবে কী মন্তব্য করেছিলেন শর্মিষ্ঠা সেটা অভিযোগপত্রে বলা নেই। যখন নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল তখন শর্মিষ্ঠা কলকাতায় ছিলেন না।
কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার। বুধবার তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। কলকাতায় তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সী ও অরূপ বিশ্বাসের হাত ধরে দল বদল করেন শঙ্কর। দার্জিলিং কংগ্রেসের সভাপতি পদে ছিলেন মালাকার। সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ককে। যদিও শঙ্কর জানান, মঙ্গলবারই মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে তিনি চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠির প্রতিলিপিও তুলে ধরেন এ দিন। এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন শঙ্কর মালাকার। একই সঙ্গে তোপ দাগেন প্রদেশ কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও। স্পষ্ট বলেন, ‘এই প্রদেশ কংগ্রেস অযোগ্য। বাংলায় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের নেই।’ একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘এক দিকে কামতাপুরী রাজ্যের লোভ দেখানো হচ্ছে, এক দিকে গোর্খাল্যান্ডের লোভ দেখানো হচ্ছে। আবার নতুন রাজ্যের লোভও দেখাচ্ছে। উত্তরের সহজ সরল মানুষকে লোভ দেখিয়ে ছারখার করছে।’
দেশে কোভিডে মৃত্যু বেড়ে ৩৭, ভয় ধরাচ্ছে নতুন সংক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭। অন্যদিকে, মঙ্গলবার গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,০২৬। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন। তবে একদিনে একসঙ্গে একাধিক কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু ভয় ধরাচ্ছে। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে গুজরাটে। সেখানে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ জন। অন্যদিকে, কেবল গুজরাটে বর্তমানে কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩৭২। এর পরেই একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর সন্ধান মিলেছে। তবে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থানে কেরল। সে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১৬ জন। এর পরই স্থান মহারাষ্ট্রের। মঙ্গলবার সে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট, চতুর্থ দিল্লি। সেখানে যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত বেশ কয়েক জন রোগী সেরে ওঠায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩।
মমতাকে তোপ অমিত শাহের, বললেন গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত “বিজয় সংকল্প কার্যকর্তা সম্মেলন”-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না, যদি ক্ষমতা থাকে হিংসার ছাড়া নির্বাচন জিতিয়ে দেখাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেছেন, এই ভূমি বছরের পর বছর সারা দেশকে পথ দেখিয়েছে, নেতৃত্ব দিয়েছে। এই বাংলায় অনেক বছর ধরে কমিউনিস্ট শাসন ছিল, তারপর মা মাটি মানুষের স্লোগানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসনে এলেন। আর এখন এই ভূমি বোমা বিস্ফোরণ, নারী অত্যাচার, দুর্নীতি এবং হিন্দুদের নিপীড়ণের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। মমতাকে আক্রমণ করে অমিত শাহ এও বলেন, “মমতা দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে এসেছে, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। তৃণমূলের সরকার সমাপ্ত হলেই বিজেপি কার্যকর্তাদের যারা হত্যা করেছে তারা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকলেও তাদের খুঁড়ে বার করা হবে।” অমিত শাহ আরও বলেন, “বাংলার পর্যটক যখন সেখানে মারা গেছিল তখনও একটা কথাও বলেনি, অথচ যখন অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে বাংলায় এসে মোদীজি কথা বলেছেন তখন তাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গুলির জবাব গোলার মাধ্যমে দিয়েছে মোদী সরকার।” অমিত শাহ বলেছেন, “মোদী জি শুধুমাত্র বাংলার উন্নয়নের জন্য প্রকল্প শুরু করেনি, বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও কাজ করেছেন। তার জন্যই মোদীজি বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মান দিয়েছেন।”
সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের, বৌদির মুন্ডচ্ছেদ করল দেওর, কাটা মুন্ডু নিয়ে খোলা রাস্তায় ঘোরাঘুরি
সকাল সকাল ডেস্ক। বাসন্তী : বৌদির মাথা কেটে খুন দেওরের। কাটা মুন্ডু নিয়ে রাস্তা দিয়ে থানায় রওনা অভিযুক্ত যুবক বিমল মন্ডলের। দক্ষিন ২৪ পরগনার বাসন্তীর ৬ নম্বর ভরতগড়ের ঘটনা। শনিবার সকালের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে। কী কারণে এই খুন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জেরেই বৌদিকে খুন করেছে অভিযুক্ত যুবক বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। নিহত মহিলার নাম সতী মন্ডল(৫৫)। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে গিরীন মন্ডলের পরিবারের সঙ্গে বিবাদ ছিল ভাই বিমল মন্ডলের পরিবারের। মাস চারেক আগে মারা যায় গিরিন। দাদা মারা গেলেও বিবাদ মেটেনি বিমলের পরিবারের সঙ্গে। বৌদি সতী মণ্ডলকে ভিটে ছাড়া করার জন্য সর্বদা উদগ্রীব হয়ে ছিল বিমল ও তার পরিবার। নানা অছিলায় অশান্তি করত সতী ও তার পরিবারের সঙ্গে। শনিবার সকালেও শুরু হয় অশান্তি। এদিন সকালে গাছের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। সতী প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানাতে গেলে বিমল ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে সরাসরি বৌদির গলায় কোপ বসায়। গলা কেটে মাথা আলাদা করে দেয় দেহ থেকে। এরপর সেই নর মুন্ডু নিয়ে দিনে দুপুরে খোলা রাস্তায় এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে অভিযুক্ত। এরপর সেই মুন্ডু নিয়ে বাসন্তী থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে। এরমধ্যেই এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন এলাকার মানুষজন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখে বাসন্তী থানার পুলিশ রাস্তা থেকে বিমলকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করে কাটা মুন্ডু। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে সতীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সঠিক কী কারণে এই ঘটনা তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এই ঘটনায়।
বড় নেতারা না ডাকলে আমি যাই না, অভিমানী সুর দিলীপের কন্ঠে
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ারে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় দেখা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। এবার বঙ্গে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সাম্প্রতিক কিছু দিন ধরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশে দেখা যাচ্ছে না দিলীপ ঘোষকে। এ বিষয়ে শনিবার দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, “বড় নেতারা না ডাকলে আমি যাই না। বড় নেতাদের মান-সম্মান আছে। তাঁরা যাদের ডাকেন, তারা যায়। আমি প্রয়োজনে যাই। আমার প্রয়োজন হয় না। নিজে সংগঠনের কাজ করি। প্রয়োজন পড়লে তাঁরা ডাকেন, কী করতে হবে বলেন। আমরা তা পালন করি মাত্র।” দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “আমাদের দলের একটা শৃঙ্খলা আছে। যে বৈঠকে-অনুষ্ঠানে যেতে বলা হয়। সেখানেই যায় কর্মীরা। নেতারা কোথায় থাকবেন, দল ঠিক করে। আমরা সেটাই মেনে চলি, ওটাকেই শৃঙ্খলা বলি।”
১৪ বছর আগে প্রতিবেশীকে খুন, প্রৌঢ়কে যাবজ্জীবন সাজা দিল আদালত
সকাল সকাল ডেস্ক। হুগলি : ইটের আঘাতে খুন হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল কাশিনাথ মণ্ডল নামে অভিযুক্তকে। মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল সে। শনিবার যাবজ্জীবন সাজা শোনাল চন্দননগর আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট। দীর্ঘ ১৪ পর ওই খুনের ঘটনায় সাজা হল। ২০১১ সালের ২৬ জুলাই হুগলির তারকেশ্বর বাসস্ট্যান্ডে দুই প্রৌঢ়ের মধ্যে বচসা হয়েছিল। দুজনের বাড়িই তারকেশ্বর মুক্তারপুর এলাকায়। বচসা চলাকালীন রাস্তায় পড়ে থাকা ইট দিয়ে আঘাত করা নবকুমার খাঁড়া নামে ওই ব্যক্তিকে। সেই আঘাতে মৃত্যু হয় তাঁর। খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ কাশিনাথ মণ্ডল নামে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। গত ৭ মে চন্দননগর আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে এই খুনের মামলা উঠেছিল। বিচারক জগৎজ্যোতি ভট্টাচার্য অভিযুক্তকে দ্রুত হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ফের কাশিনাথ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে মোট ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। শনিবার বিচারক ওই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর বিচার পেয়ে খুশি মৃতের পরিবার। সাজা ঘোষণার পর নবকুমারের ছেলে তরুণকুমার খাঁড়া বলেন, “প্রতিবেশী কাশিনাথের সঙ্গে কোনও শত্রুতা ছিল না। নেহাতই রাগের বশে বাবাকে খুন করা হয়। এর আগেও একজনকে ছুরি মারায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। সেই যাত্রায় তিনি বেঁচে গেলেও বাবাকে খুন করার উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছেন।”
জেলা সংগঠনে রদবদল, সভাপতি-চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা তৃণমূলের
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : রাজ্যে বেশ কিছু জেলায় সভাপতি ও চেয়ারম্যান বদল করে শুক্রবার তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। বেশ কয়েকটি জেলায় রদবদল হলেও, কিছু কিছু জায়গায় কোনও বদল করা হয়নি। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে উত্তর কলকাতা জেলার ক্ষেত্রে ৯ সদস্যের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য কমিটিতে নতুন করে রাজ্য সহ–সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সম্পাদক মিলিয়ে ১৪ জন পদাধিকারীকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। জেলা সভাপতি বদল করা হয়েছে হাওড়াতেও। তবে তা হাওড়া গ্রামীণে নয়, হাওড়া শহর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বদল করা হয়েছে। কল্যাণ ঘোষের পরিবর্তে গৌতম চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে হাওড়া শহর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ। নতুন তালিকায় নজরে পড়ার মতোই কিছু ঘটনা রয়েছে। যেমন শুভেন্দু অধিকারীর জেলা বলে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। কাঁথি সাংগঠনিক জেলায় পীযূষ পণ্ডা ছিলেন জেলা সভাপতি। তা অপরিবর্তিত রাখা হল। কিন্তু তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বদল করে দেওয়া হল। অসিত চট্টোপাধ্যায়ের পরিবর্তে সেখানে জেলা সভাপতি করা হয়েছে সুজিত কুমার রায়কে।
বিকাশ ভবনে জোরদার পুলিশি ব্যবস্থা, র্যাফও নামানো হয়েছে
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : আন্দোলনকারীরা যাতে বিকাশ ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারেন, সেই কারণে মূল গেট-সহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে ব্যারিকেড করল পুলিশ। বিকাশ ভবনের কর্মীদের যাতে ঢুকতে বা বার হতে অসুবিধা না হয়, তারও ব্যবস্থা করছে তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে র্যাফ নামানো হয়েছে। বিকাশ ভবনের সামনে অনেক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তারা ব্যারিকেড করে রেখেছে মূল গেটের সামনে। শুধুমাত্র বিকাশ ভবনের কর্মচারী ছাড়া অন্য কেউ ভেতরে ঢুকতে না পারেন, সেই দিকে কড়া নজর রাখা হয়েছে। প্রত্যেক কর্মীর পরিচয়পত্র যাচাই করার পরই বিকাশ ভবনে ঢোকার অনুমতি মিলছে।