দিল্লিতে এখনও সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু আছে : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দিল্লি পুলিশের কঠোর সমালোচনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে এখনও সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু আছে। সোমবার বঙ্গ ভবনে পৌঁছে মমতা বলেন, “দেখুন দিল্লি পুলিশ কী করছে। আমরা তাদের সমালোচনা করব না, কারণ এটি তাদের দোষ নয়। পুলিশ ভর্তি করে একটি বাস এখানে আনা হয়েছে। আমাদের নির্বাচন কমিশনে একটি বৈঠক আছে। আমরা এখানে একটি অফিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার পর এসেছি। ১৫০ জন মারা গেছে। অনেক পরিবারের সদস্য এখানে এসেছেন যাদের মৃত দেখানো হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য এবং তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য। যখন দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটে, তখন দিল্লি পুলিশ কোথায় ছিল? আমরা যখন পৌঁছই, তখন দিল্লি ভয় পায়। আমরা চাইলে লক্ষ লক্ষ মানুষকে আনতে পারতাম। আমরা ৫০ জনকে এখানে এনেছি যাদের এসআইআর-এ মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশ কাউকে রক্ষা করতে পারে না। দিল্লিতে এখনও একটি সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু আছে।”
বিজেপি কথা বেশি বলে, কাজ করে কম, বাজেট নিয়ে মমতার প্রতিক্রিয়া
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : কেন্দ্রীয় বাজেটের তীব্র সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বিজেপি কথা বেশি বলে, কাজ করে কম। বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় মমতা বলেন, “তিনটি করিডোর সম্পর্কে তারা যা বলেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নির্লজ্জ মিথ্যা। এটি ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন এবং আমরা সেখানে কাজ শুরু করেছি।” মমতা বলেন, “পুরুলিয়ার জঙ্গলমহল জঙ্গল সুন্দরী প্রকল্পে, এই অর্থনৈতিক করিডোরের জন্য, ৭২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। তারা বাংলাকে এক পয়সাও দেয়নি। কেবল একটি কর আছে, জিএসটি। তারা আমাদের টাকা কেড়ে নিচ্ছে এবং বড় বড় কথা বলছে যে তারা আমাদের টাকা দিচ্ছে। এটা আমাদের টাকা। তাই, সরকার চালানোর এবং দেশকে এভাবে শেষ করার কোনও নৈতিক অধিকার তাদের নেই। তারা দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো, এই দেশের সাংবিধানিক কাঠামো, স্বাধীন সংস্থাগুলিকে ধ্বংস করতে চায়…তারা বেশি কথা বলে কিন্তু কাজ কম করে।”
দুর্নীতিগ্রস্তদের বেছে বেছে জেলে ঢোকানো হবে, বার্তা অমিত শাহের
সকাল সকাল ডেস্ক ব্যারাকপুর : দুর্নীতিগ্রস্তদের বেছে বেছে জেলে ঢোকানো হবে, বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার ব্যারাকপুরের কর্মী সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, “মমতার শাসন দুর্নীতিকে প্রতিষ্ঠান করে ফেলেছে। এসএসসি, পুরসভা নিয়োগ, গরু, একশো দিনের কাজ, পিএম আবাসের দুর্নীতি হয়েছে। হাজার কোটির দুর্নীতি হয়েছে। মমতাজি, আপনার চোখে পড়ে না।” অমিত শাহ বলেন, “সব সীমা অতিক্রম করেছে দুর্নীতি। এখানকার মানুষ সিন্ডিকেট নিয়ে বিরক্ত। গুণ্ডাদের হাতে যায় টাকা। এই সরকার কি চলা উচিত? পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, জীবনকৃষ্ণ সাহা, মদন মিত্র, পরেশ পাল, মানিক ভট্টাচার্য, অজিত মাইতি, চন্দ্রনাথ, কুন্তল ঘোষ, আরাবুল ইসলাম, ফিরহাদ হাকিম, শোভন চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, অনুব্রত মণ্ডল— সকলে জেলে গেছেন। আমাদের সরকার গড়তে দিন, বাকিদেরও ভরে দেব। মমতাজি, সাহস থাকলে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাইলে, এঁদের টিকিট দেবেন না।” অমিত শাহ বলেন, “ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির তদন্ত করব। এক এক জন দুর্নীতিগ্রস্তকে বেছে বেছে জেলে ঢোকাব। ১০ লক্ষ কোটির বেশি টাকা বাংলার সরকারকে দিয়েছি। আপনাদের গ্রামে এসেছে? কোথায় গেল? সব টাকা, যা মোদীজি পাঠান, তা তৃণমূল সিন্ডিকেটের হাতে যায়। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, বিজেপির সরকার গড়ুন, মোদীজি যা টাকা দেবেন, সব গ্রামে গ্রামে পৌঁছোবে। কোনও কাটমানি হবে না।’’
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির ইঙ্গিত, কড়া অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থার বার্তা রাজ্যপালের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : শুক্রবার মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোস। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে নিজের মতামত জানান। রাজ্যপাল বলেন, কোনও দুর্ঘটনাই নিছক ঘটনা নয়। প্রশাসনকে আরও সতর্ক হতে হবে এবং সর্বজনিক স্থানে নিয়মিত ‘ফায়ার অডিট’ করা অনিবার্য। এই ধরনের দুর্ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সে বিষয়ে সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, এখন পাল্টা অভিযোগের সময় নয়, বরং উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন তিনি। আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেন, এটি অত্যন্ত ভয়ংকর দৃশ্য এবং এতে মূল্যবান প্রাণহানি ঘটেছে। আগুন লাগার সময় ও পরে যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, তা নেওয়া হয়নি বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। প্রশাসন ও গোডাউন মালিকপক্ষের সমান দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নয়, মানুষের ভুল বলেও কড়া ভাষায় জানান রাজ্যপাল। খুব দ্রুত একটি অ্যাডভাইজারি জারি করা হবে বলেও তিনি জানান। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘটনাস্থলে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোস।
নেতাজি-বিষয়ক সব তথ্য প্রকাশের আর্জি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Mamata Banerjee urges for the release of all information related to Netaji
শিলিগুড়িতে একদিনের অনশনে শঙ্কর ঘোষ, বিঁধলেন তৃণমূলকে
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : শিলিগুড়িতে একদিনের অনশনে বসলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বিরোধী দলের বিধায়কদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল প্রক্রিয়া সরলীকরণের দাবিতে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে একদিনের অনশন শুরু করেছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দলের নির্বাচিত বিধায়ক হিসেবে প্রথম দিন থেকেই আমি প্রত্যক্ষ করেছি, রাজ্য সরকার এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস কীভাবে নিজেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের নিশানা করছে এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে। বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ তহবিল ব্যবহার এবং তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক বাধা তৈরি করা হচ্ছে।” উল্লেখ্য, বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারে অসহযোগিতার জন্য রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এদিন ২৪ ঘণ্টার অনশন শুরু করেন শঙ্কর ঘোষ এবং অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। শঙ্কর এদিন আরও বলেন, “রাজ্য সরকার বিরোধী প্রতিনিধিদের হয়রানির শিকার করছে। আমি বিধানসভার ভেতরে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছিলাম। তিনি কোনও সাড়া দেননি। আমি মুখ্য সচিবকে চিঠি লিখেছিলাম, স্পিকারকে জানিয়েছিলাম।” কোথাও কোনও সদুত্তর পাননি বলেই অভিযোগ শঙ্করের।
স্বাস্থ্য ভবনের আগে জড়ো হওয়া আশা কর্মীদের একাংশকে আটক পুলিশের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : স্বাস্থ্য ভবনের কিছু আগে বুধবার সকালে জড়ো হওয়া আশা কর্মীদের একাংশকে আটক করল বিধাননগর পুলিশ। আশা কর্মীদের অভিযোগ, পুলিশ অভিযান করতে দিতেই চাইছে না। তাই মঙ্গলবার রাত থেকে হয়রানি শুরু করেছে। জেলায় জেলায় বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ তাঁদের আটকে দিয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁদের হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। এ দিন সকালে হলদিবাড়ি ব্লক থেকে আশা কর্মীদের একাংশ জড়ো হয়েছিলেন বিধাননগরের পাঁচ নম্বর সেক্টরে। সেখান থেকে তাঁদের আটক করেছে পুলিশ। আশা কর্মীদের দাবি, বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে যাওয়ার কথা। স্বাস্থ্য আধিকারিকেরাই দাবি শুনবেন বলেছিলেন। রাজ্যের পুলিশ যে আচরণ করল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর জবাব আগামীতে দিতেই হবে। এর প্রতিবাদে লাগাতার কর্মবিরতি চলবে বলেও জানান তাঁরা।
এসআইআর : জেলাশাসকদের কাছ থেকে প্রতিদিন রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন
সকাল সকাল ডেস্ককলকাতা : বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার অধীনে পরিচয়পত্র যাচাই নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যেই কঠোর নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যর সমস্ত নির্বাচনী পঞ্জীকরণ আধিকারিক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, নথিপত্র যাচাইকরণের অগ্রগতির বিষয়ে প্রতিদিন পৃথক পৃথক রিপোর্ট কমিশনকে পাঠাতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য কমিশন একটি দ্বি-স্তরীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রথম স্তরে প্রাথমিক যাচাইকরণ করবেন নির্বাচনী পঞ্জীকরণ আধিকারিকরা। দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা সেই তথ্যের পুনরায় পরীক্ষা এবং চূড়ান্ত পুষ্টি করবেন। কমিশন এই প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক এবং মাইক্রো-অবজারভারদের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দিয়েছে। শুনানি কেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন থাকা মাইক্রো-অবজারভাররা নিশ্চিত করবেন যে, ভোটারদের পেশ করা পরিচয়পত্রগুলি কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই পরীক্ষা করা হচ্ছে কি না। কোনো বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তারা সরাসরি কমিশনকে রিপোর্ট করবেন। অন্যদিকে, বিশেষ ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকরা জেলাশাসকদের দ্বারা যাচাই করা নথিপত্রগুলি দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করার অধিকার পাবেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা। এই সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতেই প্রতিদিনের রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বর্তমানে সেই সব ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের শুনানি চলছে, যাঁদের পরিচয় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে স্ব-ম্যাপিং বা বংশতালিকা ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে মেলানো সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় পর্যায়ে, পারিবারিক তথ্যে অসংগতি বা অস্বাভাবিক বংশতালিকা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি শুরু হবে। উল্লেখ্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই কমিশন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা ভোটের তারিখ ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বেলডাঙ্গায় আক্রান্ত সংবাদকর্মীদের দেখতে হাসপাতালে অধীর চৌধুরী, ঘটনার তীব্র নিন্দা
সকাল সকাল ডেস্কবহরমপুর : বেলডাঙ্গায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়া দুই সংবাদকর্মী, সোমা মাইতি ও রঞ্জিত মাহাতোর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে শনিবার সকালে বহরমপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে দু’জনেই ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।শুক্রবার বেলডাঙ্গায় অশান্ত পরিস্থিতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে উন্মত্ত জনতার মুখে পড়েন একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলের প্রতিনিধি সোমা মাইতি ও চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতো। অভিযোগ, তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় ক্যামেরা ও অন্যান্য সংবাদ সংগ্রহের সরঞ্জাম। ঘটনার পর দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে বহরমপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।শনিবার হাসপাতালে গিয়ে অধীর চৌধুরী আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এরপর হাসপাতাল চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। অধীর চৌধুরী বলেন, “গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর এই ধরনের হামলা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সত্য খবর পরিবেশন করতে গিয়েই যদি সাংবাদিকদের আক্রান্ত হতে হয়, তবে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে পড়বে। পুলিশ প্রশাসন কেন সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হল, সরকারকে জবাব দিতে হবে।”এই ঘটনার পর রাজ্যজুড়ে সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবিও উঠেছে।
আধুনিক হওয়ার পাশাপাশি আত্মনির্ভরও হচ্ছে ভারতীয় রেল : প্রধানমন্ত্রী
Indian Railways is becoming modern as well as self-reliant: Prime Minister