বিহারে মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তেজস্বী যাদব, ঘোষণা করলেন গেহলট
সকাল সকাল ডেস্ক।পাটনা: তেজস্বী যাদবই মহাজোটের মুখ। বৃহস্পতিবার যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের নাম ঘোষণা করা হয়। উপ-মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বিকাশশীল ইনসান পার্টি (ভিআইপি)-র প্রধান মুকেশ সাহানিকে। কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট বলেন, “আমরা অমিত শাহজি এবং তাঁদের দলের সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, আপনার জোটের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে?” মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তেজস্বী যাদবের নাম ঘোষণা করার পর, কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অশোক গেহলট বলেছেন, “স্বাভাবিকভাবেই, তেজস্বীর নামই হওয়ার কথা ছিল। রাহুল গান্ধী এবং অন্য সকলের মনে তার নাম ছিল, যে তেজস্বী যাদবই হবেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ।”
“হিন্দু বিরোধী মমতা প্রশাসন ধিক্কার” — দীপাবলির রাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : “যে দিনটিতে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার দিন, সেই দিনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা রকম বাধা ও নিয়ন্ত্রণ। এটা শুধু উৎসবের আনন্দে নয় হিন্দুদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকারে সরাসরি হস্তক্ষেপ।” এই মন্তব্য করে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভিডিয়ো যুক্ত করে বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “দীপাবলি আলোর জয় আর অন্ধকারের পরাজয়ের পবিত্র প্রতীক। কিন্তু আজ এই পবিত্র উৎসবে হিন্দুরা তাদের মতো করে আনন্দ ও উৎসব পালন করতে পারছে না। বুধবার রাতে কলকাতার অভিজাত সাউথ সিটি আবাসনের আবাসিকরা তাদের পরিবারের সাথে দীপাবলির আনন্দে মেতেছিলেন। সরকারি নির্দেশাবলি মেনেই বাজি পোড়াচ্ছিলেন আবাসিকরা, কিন্তু হিন্দু বিরোধী মমতা পুলিশ আবাসনে পৌঁছে ধমক, গ্রেফতার থেকে নিরীহ হিন্দু আবাসিকদের মারধর পর্যন্ত করেছে, যা ভিডিওতে দৃশ্যমান। একটি স্বাধীন দেশে নিজের ধর্মীয় উৎসব আনন্দের সঙ্গে পালন করা প্রত্যেকের অধিকার। কিন্তু হিন্দু বিরোধী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই হিন্দু সমাজ আজ সেই অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। আমি এই ঘৃণ্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং আমি আশা করি আগামী দীপাবলি আপনাদের সুখকর হবে। এই তৎপরতা ও অতিসক্রিয়তা শুধুমাত্র হিন্দুদের উৎসব উদযাপনের সময় দেখা যায়।”
ত্রিপুরা বনধে জিরানীয়া স্টেশনে আটকে মুম্বাইগামী এলটিটি এক্সপ্রেস
সকাল সকাল ডেস্ক।আগরতলা : নাগরিক সমাজের (সিভিল সোসাইটি) ডাকা ত্রিপুরা বনধে আটকে পড়ল মুম্বাইগামী এলটিটি এক্সপ্রেস। জিরানীয়া স্টেশনে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে আটকে আছে ট্রেন। স্টেশনে নেই স্টেশন মাস্টার, ট্রেনে নেই কোন গার্ড। যাত্রী সাধারণ চরম দুর্ভোগে আছেন। রেললাইনের বিভিন্ন জায়গায় পিকেটিং করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা পুঁতে রাখা হয়েছে রেল লাইনে। কখন ট্রেন যাত্রা করবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। উল্লেখ্য, তিপ্রা মথার বিধায়ক রণজিৎ দেববর্মার নেতৃত্বে নাগরিক সমাজের একটি প্ল্যাটফর্ম ভারত-বাংলাদেশের ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্তে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণভাবে রুখতে এই ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। যদিও তিপ্রা মথা রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপির সহযোগী, জনজাতি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে দলটি সক্রিয় প্রতিবাদ ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে যাতে কোথাও কেন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশ প্রশাসনের তরফে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা কর হয়েছে। অন্যদিকে ধর্মঘট এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের সাধারণ প্রশাসন দফতরের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার সমস্ত সরকারি দফতর, সরকার অধিগৃহীত সংস্থা সমূহ এবং রাজ্য সরকারের আওতায় থাকা বিভিন্ন সংস্থার অফিসে স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় থাকবে। সমস্ত সরকারি কর্মচারি ও সরকার অধিগৃহীত বিভিন্ন সংস্থার কর্মচারিরা এদিন তাঁদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন। বিভিন্ন দফতর, অধিগৃহীত সংস্থাসমূহের কর্মচারিদের হাজিরা সম্পর্কিত তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণ প্রশাসনের কাছে পাঠানোর জন্যও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অসুস্থ খগেন মুর্মু এখনও হাসপাতালে, দেখতে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী
সকাল সকাল ডেস্ক। শিলিগুড়ি : উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলির সময় বেশ কিছু দিন আগে দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত হন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অসুস্থ খগেন মুর্মু শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবার খগেন মুর্মুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন শুভেন্দু। বন্যা বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ির ডুয়ার্স অঞ্চলে ত্রাণ বিলির সময় এমাসের প্রথমদিকে আক্রান্ত হন খগেন মুর্মু। দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। রক্তাক্ত হন খগেন, ওই দিন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার খগেনকে দেখতে শিলিগুড়ির হাসপাতালে যান শুভেন্দু, তাঁর সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
২০৩০-এ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন করবে ভারত, খুশির কথা জানালেন জয়শঙ্কর
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ভারত ও গুজরাটের জন্য সুখবর, ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন করবে ভারত। সেই বছর কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজন হবে গুজরাটের আহমেদাবাদে। বৃহস্পতিবার এক্স মাধ্যমে এমনটাই জানালেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, “ভারত ২০৩০ সালে আহমেদাবাদে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করবে – এটি ভারত এবং গুজরাটের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিশ্বমানের পরিকাঠামো এবং ক্রীড়া প্রতিভার প্রতি যত্নের দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ এটি।” উল্লেখ্য, ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক শহর হিসেবে আহমেদাবাদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। ভারত সরকার, গুজরাট সরকার ও ভারতের কমনওয়েলথ গেমস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আগামী নভেম্বর মাসে কমনওয়েলথের সাধারণ সভার বৈঠকে এই প্রস্তাব পেশ করা হবে। ২০৩০ হবে কমনওয়েলথ গেমসের শতবর্ষপূর্তি। সেই উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজক শহর হিসেবে আহমেদাবাদের নাম প্রস্তাব ভারতের ক্রীড়া ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জয়শঙ্করের, দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনা
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ডঃ হরিণী অমরাসুরিয়ার সঙ্গে বৃহস্পতিবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্কর। দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে। এস জয়শঙ্কর এই বৈঠকের পর এক্স মাধ্যমে জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার প্রতি ভারতের অব্যাহত সহায়তা এবং শিক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমাদের সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালেই ভারত সফরে এসেছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ডঃ হরিণী অমরাসুরিয়া। এদিন সকালে ৩ দিনের ভারত সফরে দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন তিনি। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ডঃ হরিণী অমরাসুরিয়ার প্রথম ভারত সফর। সফরকালে তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী।
অন্ধ্রপ্রদেশে সফরে প্রধানমন্ত্রী, পুজো দিলেন শ্রী ভ্রমরম্ব মল্লিকার্জুন স্বামী ভারলা দেবস্থানমে
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশ সফরে রয়েছেন। এদিন কুর্নুলে প্রায় ১৩,৪৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পগুলি শিল্প, বিদ্যুৎ সঞ্চালন, সড়ক, রেলপথ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস-সহ একাধিক ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। একগুচ্ছ কর্মসূচির ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী এদিন শ্রীশৈলমের শ্রী ভ্রমরম্ব মল্লিকার্জুন স্বামী ভারলা দেবস্থানমে পুজো ও দর্শন করেছেন। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের ঐতিহ্য স্মরণে শ্রীশৈলমের শ্রী শিবাজি স্ফূর্তী কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল বিমানবন্দরে পৌঁছলে বিমানবন্দরে রাজ্যপাল এস. আবদুল নাজীর, মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
অন্ধ্রপ্রদেশে সফরে প্রধানমন্ত্রী, পুজো দিলেন শ্রী ভ্রমরম্ব মল্লিকার্জুন স্বামী ভারলা দেবস্থানমে
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশ সফরে রয়েছেন। এদিন কুর্নুলে প্রায় ১৩,৪৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পগুলি শিল্প, বিদ্যুৎ সঞ্চালন, সড়ক, রেলপথ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস-সহ একাধিক ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। একগুচ্ছ কর্মসূচির ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী এদিন শ্রীশৈলমের শ্রী ভ্রমরম্ব মল্লিকার্জুন স্বামী ভারলা দেবস্থানমে পুজো ও দর্শন করেছেন। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের ঐতিহ্য স্মরণে শ্রীশৈলমের শ্রী শিবাজি স্ফূর্তী কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল বিমানবন্দরে পৌঁছলে বিমানবন্দরে রাজ্যপাল এস. আবদুল নাজীর, মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপ-মুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
ভারতীয় অলিম্পিক পদকজয়ীদের সংবর্ধিত করলো আইওএ
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি সোমবার নয়াদিল্লিতে রাতে এক জমকালো অনুষ্ঠানে ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (আইওএ) কর্তৃক নগদ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এই পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের পদকজয়ী খেলোয়াড়রা, যাদের মধ্যে রয়েছেন তারকা জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া এবং শ্যুটার মনু ভাকের।পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোতে রৌপ্য পদক জয়ী চোপড়া বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার (এএফআই) একজন কর্মকর্তা ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যের কাছ থেকে ৭৫ লক্ষ টাকার চেক গ্রহণ করেন, যিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।চোপড়ার তৎকালীন কোচ জার্মানির ক্লাউস বার্তোনিয়েটজ, যিনি আর এই সুপারস্টারের সাথে নেই, তাকে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে সম্মানিত করা হয়।বার্তোনিয়েটজও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। মনু প্রথমে ব্যক্তিগত ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ব্রোঞ্জ পদকের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন এবং তারপর মিশ্র ১০ মিটার এয়ার পিস্তল দলগত ইভেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জনের জন্য সর্বজ্যোত সিংয়ের সাথে ৫০ লক্ষ টাকা ভাগ করে নিয়েছিলেন।১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ব্যক্তিগত বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের জন্য তার কোচ জসপাল রানাকে ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এরপর তিনি অভিষেক রানার সাথে ১৫ লক্ষ টাকা ভাগাভাগি করে নেন। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিশ্র বিভাগে মনু এবং সর্বজোত তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইলে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী রেসলার আমান শেহরাওয়াতকে ৫০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয় এবং তিনি তার কোচ আলী শাবানভের পক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেন।৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশনে ব্রোঞ্জ পদক জেতা আরেক শ্যুটার স্বপ্নিল কুসলে পেয়েছেন ৫০ লক্ষ টাকা এবং তার কোচ দীপালি দেশপাণ্ডে পেয়েছেন ১৫ লক্ষ টাকা। ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় পুরুষ হকি দলের সকল সদস্য ১০ লক্ষ টাকা করে পেয়েছেন এবং প্রধান কোচ ক্রেইগ ফুলটন পেয়েছেন ২০ লক্ষ টাকা। আইওএ সভাপতি পিটি ঊষা মান্ডব্যের সাথে পদকপ্রাপ্তদের সম্মানিত করেন। আইওএ-র কার্যনির্বাহী কমিটির বেশিরভাগ সদস্যও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নকশাল-মুক্ত বড় সাফল্য, ৬০ মাওবাদীকে সঙ্গে নিয়ে আত্মসমর্পণ বেণুগোপাল রাও-এর
সকাল সকাল ডেস্ক গড়চিরৌলি নকশাল-মুক্ত ভারত অভিযানে মঙ্গলবার বড়সড় সাফল্য মিলল। ৬০ জন মাওবাদীকে সঙ্গে নিয়ে আত্মসমর্পণ করলো কুখ্যাত মাওবাদী সিপিআই (মাওবাদী) পলিটব্যুরো সদস্য মল্লুজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে সোনু।এদিন মহারাষ্ট্রের গড়চিরৌলিতে ৬০ মাওবাদী ক্যাডারকে সঙ্গে নিয়ে অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মুলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। এই সিদ্ধান্ত সিপিআই (মাওবাদী)-র জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং সমগ্র দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্য সরকারগুলির নেতৃত্বে পুলিশের নিরন্তর অভিযানের সুফল। সেপ্টেম্বরেই সোনু অস্ত্র ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। তিনি ছত্তিশগড় এবং দেশের অন্যত্র মাওবাদী ক্যাডারদের একটি বড় অংশের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছিলেন, যারা তাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।