ই-পাসপোর্ট ক্রয় প্রক্রিয়া তদন্তে নেপালের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী আরজু দেউয়াও তদন্তের আওতায়

সকাল সকাল ডেস্ক

কাঠমান্ডু : নেপালের দুর্নীতি দমন ব্যুরো (অ্যান্টি করাপশন ব্যুরো) গত বছরের ই-পাসপোর্ট ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্তের পরিধি বাড়িয়ে তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী ড. আরজু দেউয়াকেও তদন্তের আওতায় এনেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের একটি দল বৃহস্পতিবার বুঢ়ানীলকণ্ঠে অবস্থিত দেউয়া পরিবারের বাসভবনে পৌঁছে ‘জবানবন্দির জন্য হাজির হওয়ার’ নোটিস টাঙিয়ে দেয়। আইনি বিধান অনুযায়ী, জবানবন্দির জন্য ডাকা ব্যক্তি যোগাযোগ না করলে তাঁর স্থায়ী ঠিকানায় নোটিস প্রদান করা বাধ্যতামূলক।

বুঢ়ানীলকণ্ঠ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র শ্রেষ্ঠ জানান, ব্যুরোর দল দেউয়া পরিবারের বাসভবনে গিয়ে পরিবারের কোনও সদস্যকে পায়নি। পরে তারা নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেরবাহাদুর দেউয়ার ব্যক্তিগত সচিব ভানু দেউয়াকে ফোন করে নোটিস প্রদানের বিষয়টি জানায়। নোটিস জারির সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি আইনি বাধ্যবাধকতা।

ব্যুরোর সন্দেহ, তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী আরজু দেউয়ার হস্তক্ষেপের ফলেই যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ না করা এবং তুলনামূলক বেশি দর প্রস্তাব করা একটি সংস্থা ই-পাসপোর্টের চুক্তি পায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে চলছে। নোটিস জারির পরও তিনি উপস্থিত না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে ব্যুরোর মধ্যে আলোচনা চলছে।

প্রতিনিধি সভা নির্বাচনের আগে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়া দেউয়া দম্পতি এখনও নেপালে ফেরেননি। দু’দিন আগে তাঁরা সম্পত্তি শুদ্ধিকরণ অনুসন্ধান বিভাগ এবং বিশেষ আদালতে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে আরও দুই মাস পর তাঁরা দেশে ফিরবেন।

ব্যুরো-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কাগজে-কলমে সরাসরি কোনও ভূমিকা না থাকলেও টেন্ডার প্রক্রিয়ার নকশা তৈরি, প্রকল্প প্যাকেজ প্রস্তুত করা এবং ঠিকাদারদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে শুধু আরজু দেউয়া নন, তাঁর ছেলে জয়বীর দেউয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগও জমা পড়েছে।

ব্যুরোর এক তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, তদন্তের সময় কিছু ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে এবং ফোন যোগাযোগের বিশ্লেষণও করা হয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে এবং জবানবন্দির জন্য ডাকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, পাসপোর্ট বিভাগ থেকে ই-পাসপোর্টের চুক্তি অনুমোদনের আগে জয়বীর দেউয়া, রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেলের তৎকালীন রাজনৈতিক উপদেষ্টা সুনীল থাপার ছেলে সিদ্ধার্থ থাপা এবং পাসপোর্ট বিভাগের মহাপরিচালক তীর্থরাজ আর্য্যালসহ কয়েকজনের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছিল।

Read More News

রেডিসন ব্লু হোটেলে এনডিএ বিধায়কদের ঐক্যের বার্তা, মক পোলের মাধ্যমে ভোটদান প্রশিক্ষণ

রাঁচি। ১৮ জুন ঝাড়খণ্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলা রাজ্যসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এনডিএ শিবিরে উৎসাহ তুঙ্গে।...

Read More