হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কমিশনের ‘নির্দেশিকা’ জারির প্রমাণ পেশ অভিষেকের
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : নির্বাচন কমিশনকে তোপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এক্স পোস্টে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রকাশ্যে অমান্য করা যেতে পারে? দেশের সর্বোচ্চ আদালত বারবার স্বচ্ছতা, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং সরকারি যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক মাধ্যম অনুসরণের ওপর জোর দিয়েছে। অথচ আমরা দেখছি, আনুষ্ঠানিক, অনুসরণযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতির পরিবর্তে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ জারি করা হচ্ছে।’ অভিষেক একাধিক প্রমাণ উত্থাপন করে এক্স মাধ্যমে অভিযোগ করেন, “আরও বেশি উদ্বেগজনক হল, স্পেশাল রোল অবজারভার সি. মুরুগান, একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সরাসরি মাইক্রো অবজারভারদের কাছে জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে নির্দেশনা জারি করেন, যাতে সংখ্যা মুছে ফেলার সংখ্যা বৃদ্ধি করা যায়। আমি কি নির্বাচন কমিশনকে সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশিকাটি মনে করিয়ে দিতে পারি যে, মাইক্রো-অবজারভারদের ভূমিকা কঠোরভাবে সহায়ক হতে হবে? তাহলে কেন আইনগত পদ্ধতি উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং কার নির্দেশে?
শিলিগুড়ি ‘চিকেন নেক’ করিডোরে বিএসএফ-এর ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযান
সকাল সকাল ডেস্ক শিলিগুড়ি : দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার নিরিখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ির ‘চিকেন নেক’ করিডোরে নজরদারি বাড়াল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা। উত্তর-পূর্ব ভারতকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্তকারী এই সংবেদনশীল এলাকায় বুধবার সকালে এক ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। শহরের অন্যতম প্রধান সংযোগস্থল মহানন্দা ব্রিজ ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) জওয়ানরা এদিন তল্লাশি চালান। এই বিশেষ অভিযান চলাকালীন প্রতিটি যানবাহনকে থামিয়ে নথি পরীক্ষা করা হয় এবং সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখা হয়। এমনকি ব্রিজের নিচে এবং সংলগ্ন জনবসতি এলাকাগুলোতেও চিরুনি তল্লাশি চালায় বাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের খবর, কৌশলগত দিক থেকে শিলিগুড়ি করিডোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এই সংকীর্ণ ভূখণ্ডটিই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এই প্রেক্ষাপটে কোনও প্রকার অনুপ্রবেশ, পাচার বা জঙ্গি কার্যকলাপের আশঙ্কা রুখতে আগাম সতর্কতা হিসেবে এই নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তার পরিস্থিতির নিরিখে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে এই ধরনের অভিযান সময়ে সময়ে চালানো হয়ে থাকে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই; সম্পূর্ণ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের বিকাশ ভবন অভিযান, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে উত্তপ্ত করুণাময়ী
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা : ভোটমুখী বাংলায় নিয়োগের দাবিতে ফের পথে নামলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন ২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণ এনআইওএস ডি.এল.এড চাকরিপ্রার্থীরা। তবে মিছিল শুরু হতেই পুলিশি বাধায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। এর প্রতিবাদে করুণাময়ীতেই রাস্তায় থালা বাজিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনও সুরাহা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালের পদত্যাগের দাবিতে এদিন বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। চাকরিপ্রার্থীদের এই কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই সতর্ক ছিল বিধাননগর কমিশনারেট। করুণাময়ী, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং বিকাশ ভবনের সামনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশ। মিছিলটি করুণাময়ী পৌঁছানো মাত্রই পুলিশ তা আটকে দেয়। শুরু হয় ধরপাকড়, যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের তীব্র বাদানুবাদ হয়। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি, অবিলম্বে তাঁদের বিকাশ ভবনে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপোস করা হচ্ছে, বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে শচীন পাইলট
সকাল সকাল ডেস্ক তিরুবনন্তপুরম : ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিলেন কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট। তাঁর দাবি, কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে আপোস করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, রাহুল গান্ধী যে দাবি করছেন, তা সবই ঠিক। ভারত-মার্কিন অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্য প্রসঙ্গে সোমবার শচীন পাইলট বলেন, “সাধারণত আমাদের বাণিজ্য চুক্তি হয়, কিন্তু এটি ছিল একটি দিল। এটি ছিল মার্কিন সরকার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে ভারতীয় জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া একটি ব্যবস্থা। রাহুল গান্ধী যা বলছেন তা একেবারেই সঠিক। কৃষকদের স্বার্থ আদর্শের বাইরে। আমাদের ক্ষুদ্র উৎপাদক, তুলা চাষী, সয়াবিন চাষী এবং আরও অসংখ্য মানুষের স্বার্থের প্রতি কোনও সরকার এতটা উদাসীন ছিল না। আমাদের সঙ্গে অনেকভাবে আপোস করা হয়েছে, পরিণতি হবে সুদূরপ্রসারী।”
সিএম হেমন্ত সোরেনের সাথে জল ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. মিহির শাহের সাক্ষাৎ
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সাথে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী আবাসিক কার্যালয়ে জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. মিহির শাহ এবং ভারত রুরাল লাইভলিহুডস ফাউন্ডেশন (BRLF)-এর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক (সিইও) কুলদীপ সিং সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময় প্রতিনিধিদল ঝাড়খণ্ডে উপজাতীয় সম্প্রদায়ের স্থায়ী জীবিকা, গ্রামীণ উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ এবং জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করে। একই সাথে এই ক্ষেত্রগুলিতে রাজ্য সরকারের সাথে সমন্বয় স্থাপন করে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এই দিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং উপজাতীয় অঞ্চলগুলিতে স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করার উপর জোর দেন।
কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে রমা খালকো বিপুল ভোটে জয়ী হবেন: দীপিকা পান্ডে সিং
সকাল সকাল ডেস্ক রাঁচি: রাঁচির নামকুম এলাকায় আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় ঝাড়খণ্ড সরকারের মন্ত্রী দীপিকা পান্ডে সিং কর্মী, মা, বোন এবং যুবকদের সাথে মতবিনিময় করেন। সভায় রাঁচি পৌরসভা নির্বাচন 2026-এর পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র পদের প্রার্থী রমা খালকো জি-এর সমর্থনে ঘরে ঘরে জনসংযোগ অভিযান জোরদার করা, প্রতিটি ভোটারের কাছে উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনকে শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী দীপিকা পান্ডে সিং জি বলেন যে এই নির্বাচন কেবল একটি পদের জন্য নয়, বরং রাঁচির ভবিষ্যৎ এবং তার উন্নয়নের দিক নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। তিনি কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান যে তারা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতি এবং নিষ্ঠার সাথে জনগণের কাছে যান, সরকারের অর্জন এবং উন্নয়নমূলক কাজগুলি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন এবং একটি স্বচ্ছ, শক্তিশালী ও উন্নত রাঁচির সংকল্পকে বাস্তবায়িত করতে তাদের ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে জনগণের আশীর্বাদ এবং কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে রমা খালকো বিপুল ভোটে জয়ী হবেন এবং রাঁচির সামগ্রিক উন্নয়নের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে।
মদ ভেবে বিষাক্ত রাসায়নিক পান, ভিলওয়ারায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক ভিলওয়ারা : রাজস্থানের ভিলওয়ারা জেলার গঙ্গাপুর থানার অন্তর্গত আলুলি গ্রামে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে মদ ভেবে বাসন পরিষ্কারের বিষাক্ত রাসায়নিক পান করেন কয়েকজন শ্রমিক। এই ঘটনায় তিন মহিলা-সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও এক তরুণী। শুক্রবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলুলি গ্রামের বাসিন্দা রতন কাঞ্জার, তাঁর স্ত্রী সুশীলা দেবী, এছাড়া জামনি দেবী এবং বাদামি দেবী একটি বিয়েবাড়িতে বাসন ধোয়ার কাজ করছিলেন। অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত বাসন পরিষ্কারের জন্য আনা রাসায়নিক ভুল করে মদের বোতল ভেবে তাঁরা বাড়িতে নিয়ে যান এবং তা পান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের অসুস্থতা বাড়তে থাকে। গঙ্গাপুর ও ভিলওয়ারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। একজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃতদের পাকস্থলীতে বিষাক্ত তরল পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত কারণ জানতে ফরেনসিক পরীক্ষার অপেক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। একসঙ্গে একই পরিবারের একাধিক জনের মৃত্যুর ঘটনায় গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বেঙ্গালুরুতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা; একাধিক গাড়ির সংঘর্ষে মৃত ৭
সকাল সকাল ডেস্ক বেঙ্গালুরু : বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলায় শুক্রবার ভোরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। হোসাকোটে তালুকের এম. সত্যবর গ্রাম সংলগ্ন হোসাকোটে-দেবানাহাল্লি জাতীয় সড়কে একটি এসইউভি, একটি মোটরবাইক ও একটি লরির মধ্যে সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসইউভি-তে ছয় জন যাত্রী ছিলেন এবং মোটরবাইকে ছিলেন একজন আরোহী। প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, দ্রুতগতির এসইউভি প্রথমে সামনে চলা মোটরবাইকটিকে ধাক্কা মারে। এর পর চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা লরির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের তীব্রতায় এসইউভি-র যাত্রীরা ও মোটরবাইক আরোহী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতিই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। মৃতদের মধ্যে ছয় জন বেঙ্গালুরুর কোঠানুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেলেও, সকলের পরিচয় যাচাইয়ের কাজ এখনও চলছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলি জাতীয় সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার সময় কেউ মত্ত হয়ে যানবাহন চালাচ্ছিল কি না এবং অন্য কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।
ধর্মঘটের সমর্থনে আগরতলায় পিকেটিং, কেন্দ্রের শ্রম নীতির বিরুদ্ধে মানিক সরকারের আক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক আগরতলা : দেশের দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ভারত ধর্মঘটের সমর্থনে বৃহস্পতিবার আগরতলায় পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল সিআইটিইউ রাজ্য শাখা সহ বিভিন্ন শ্রমিক ও কৃষক সংগঠন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই ধর্মঘট সমর্থকদের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। পিকেটিং কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, বর্তমান বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, সিআইটিইউ রাজ্য সভাপতি মানিক দে, সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত সহ বামফ্রন্ট ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে শহরের বিভিন্ন সড়ক পরিক্রমা করে একটি বিক্ষোভ মিছিলও করা হয়। এদিন ধর্মঘটের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার অভিযোগ করেন, মালিকপক্ষের স্বার্থ রক্ষা করতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার শ্রম আইন ও শ্রম কোড প্রণয়ন করে শ্রমিকদের অধিকার সংকুচিত করেছে। তাঁর দাবি, নতুন আইনগুলির ফলে পুঁজিপতিদের সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে এবং শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষক ইতিমধ্যেই সংকটে রয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে—এই আশঙ্কা থেকেই ধর্মঘটের ডাক সমর্থন করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীও জানান, শ্রমিক শ্রেণীকে কর্পোরেট শক্তির অধীনস্থ করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সিআইটিইউ ও অন্যান্য শ্রমিক-কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রমা করে। মিছিলে বামফ্রন্টের শরিক দলগুলির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পানাপুকুরে উল্টে গেল পুলকার, স্থানীয়দের তৎপরতায় রক্ষা পেল ১৪ জন পড়ুয়া
সকাল সকাল ডেস্ক মহিষাদল : সাতসকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল ১৪ জন স্কুল পড়ুয়া। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল থানার চাঁপি গ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি স্কুলের পুলকার পানা ভর্তি পুকুরে উল্টে যায়। জানা গিয়েছে, মহিষাদল রবীন্দ্র শিশু বিদ্যালয়ের একটি পুলকার ঝাউপাথরা এলাকা থেকে শিশুদের নিয়ে স্কুলের দিকে রওনা দিয়েছিল। চাঁপি গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে সটান উল্টে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি জলে ডুবে যেতে শুরু করলে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষ করেই স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গ্রামবাসীরাই জানলার কাচ ভেঙে এবং দরজা খুলে একে একে ১৪ জন শিশু পড়ুয়াকে উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সব শিশুই বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছে। ঘটনায় পুলকার চালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।