Welcome To The Jungle Box Office Collection: প্রথম উইকএন্ডেই ৬৩.৭৫ কোটি, ১০০ কোটির পথে অক্ষয়ের ঝড়
সকাল সকাল ডেস্ক তৃতীয় দিনেই বক্স অফিসে বিস্ফোরণ, দুর্দান্ত উইকএন্ড কালেকশনে ১০০ কোটির ক্লাবের দোরগোড়ায় ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। Welcome To The Jungle Box Office Collection বলিউডে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বহু প্রতীক্ষিত এই মাল্টিস্টারার কমেডি ছবি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের বিপুল সাড়া পাচ্ছে। প্রথম সপ্তাহান্তেই ছবিটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে ৬৩.৭৫ কোটি টাকার সংগ্রহ করেছে। ট্রেড বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গতি বজায় থাকলে খুব শীঘ্রই ১০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখাতে পারে অক্ষয় কুমারের ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Welcome To The Jungle Box Office Collection: প্রথম সপ্তাহেই দুর্দান্ত শুরু মুক্তির আগেই ছবিটিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। জনপ্রিয় ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি হওয়ার পাশাপাশি বিশাল তারকাবহুল কাস্ট ছবিটির অন্যতম বড় আকর্ষণ। প্রথমে সীমিত সংখ্যক প্রিভিউ শোয়ের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার ২,৪৯৪টি শো থেকে ছবিটি ৩.৭৫ কোটি টাকার আয় করে। এই ইতিবাচক সূচনাই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে Welcome To The Jungle Box Office Collection প্রথম সপ্তাহেই বড় অঙ্ক ছুঁতে পারে। প্রথম দিন থেকেই শক্ত ভিত শুক্রবার দেশজুড়ে প্রায় ১০,৮৯২টি শোয়ে মুক্তি পায় ছবিটি। দর্শকদের ভালো উপস্থিতির জেরে প্রথম দিনেই ১৫.২৫ কোটি টাকার ব্যবসা করে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। শনিবার ছুটির দিনে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়ার প্রবণতা ছবির আয়ে বড় ভূমিকা রাখে। দ্বিতীয় দিনে ছবিটি সংগ্রহ করে ২০ কোটি টাকা। ইতিবাচক ওয়ার্ড অব মাউথ এবং দর্শকদের প্রশংসা ছবির ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। রবিবারেই বক্স অফিসে বিস্ফোরণ Welcome To The Jungle Box Office Collection-এর সবচেয়ে বড় চমক আসে রবিবার। সপ্তাহের শেষ ছুটির দিনে দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। প্রায় ৪০ শতাংশ অকুপ্যান্সি নিয়ে একদিনেই ছবিটি ২৯.৭০ কোটি টাকার বিশাল ব্যবসা করে। এই আয় প্রথম দুই দিনের তুলনায় অনেক বেশি, যা স্পষ্ট করে দেয় যে দর্শকদের মধ্যে ছবিটির গ্রহণযোগ্যতা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে পারিবারিক দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছবির দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। চার দিনের বক্স অফিস রিপোর্ট ছবিটির চার দিনের আয়ের হিসাব— সব মিলিয়ে মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৫ কোটি টাকা। Background ‘ওয়েলকাম’ সিরিজ দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অন্যতম। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন কিস্তি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ মুক্তি পেয়েছে। দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে নির্মাতারা কমেডি, অ্যাকশন এবং বড় স্টারকাস্টের সমন্বয়ে ছবিটি তৈরি করেছেন। Impact প্রথম উইকএন্ডের দুর্দান্ত ব্যবসা ছবিটির ভবিষ্যৎ আয়ের সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। ট্রেড বিশ্লেষকদের মতে, কর্মদিবসেও যদি সংগ্রহ স্থিতিশীল থাকে, তাহলে খুব দ্রুত ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছে যাবে Welcome To The Jungle Box Office Collection। এটি চলতি বছরের অন্যতম বড় বলিউড ব্লকবাস্টার হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। Official Statement নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শকদের ভালোবাসা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি। ট্রেড মহলের বিশ্লেষণও বলছে, প্রথম সপ্তাহান্তের পারফরম্যান্স প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে এবং আগামী দিনগুলিতে ছবির ব্যবসা আরও বাড়তে পারে। Public Information ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ বিশাল তারকাবহুল কাস্ট। অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সুনীল শেট্টি, রবিনা ট্যান্ডন, আরশাদ ওয়ারসি, দিশা পাটানি, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, লারা দত্ত, পরেশ রাওয়াল, জনি লিভার, রাজপাল যাদব, জ্যাকি শ্রফ, শ্রেয়স তলপাড়ে-সহ আরও বহু জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী। মোট ৩২ জন শিল্পীর উপস্থিতি এই ছবিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহত্তম মাল্টিস্টারার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন নজর সপ্তাহের কর্মদিবসের আয়ের দিকে। যদি একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, তাহলে Welcome To The Jungle Box Office Collection খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করবে বলে আশা করছেন বক্স অফিস বিশেষজ্ঞরা।
Canada vs South Africa FIFA World Cup: শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস, শেষ ষোলোয় কানাডা
সকাল সকাল ডেস্ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর ইনজুরি টাইমের গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল কানাডা। Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের অন্যতম নাটকীয় লড়াই হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোলশূন্য থাকার পর ইনজুরি টাইমে অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর দুর্দান্ত গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে কানাডা। এই জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করল উত্তর আমেরিকার দলটি। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ Canada vs South Africa FIFA World Cup: শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক কানাডা লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল কানাডার। জনাথন ডেভিড, তাজন বুকানন এবং টানি ওলুওয়াসেইকে নিয়ে ধারাবাহিক আক্রমণ সাজায় কোচ জেসি মার্শের দল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত। গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস একের পর এক অসাধারণ সেভ করে কানাডার আক্রমণ ব্যর্থ করে দেন। প্রথমার্ধে একাধিক কর্নার ও বক্সের ভেতরের সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি কানাডা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা মূলত পাল্টা আক্রমণের কৌশলেই ভরসা রাখে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্দান্ত রক্ষণ Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্স ছিল প্রশংসনীয়। অব্রি মোডিবা গোললাইন থেকে নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন। সিমফিওয়ে এমবোকাজি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে জনাথন ডেভিডের শট ব্লক করেন। খুলিসো মুদাউ, এনকোসিনাথি সিবিসি এবং সিয়াবোঙ্গা এনগেজানার সমন্বয়ে তৈরি রক্ষণভাগ দীর্ঘ সময় কানাডাকে আটকে রাখে। গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের অসাধারণ পারফরম্যান্স ম্যাচটিকে অতিরিক্ত সময়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। তাঁর একাধিক সেভ দর্শকদের মুগ্ধ করে। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আলফনসো ডেভিস দ্বিতীয়ার্ধে কোচ জেসি মার্শ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। চোট কাটিয়ে মাঠে নামেন আলফনসো ডেভিস। তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং আক্রমণভাগে উপস্থিতি দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয়। ডেভিসকে আটকাতে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডারদের বারবার নিজেদের অবস্থান বদলাতে হয়। ফলে মাঝমাঠে কিছুটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয় এবং কানাডা আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। প্রমিস ডেভিডকে নামানোর সিদ্ধান্তও কানাডার আক্রমণে নতুন গতি এনে দেয়। ইনজুরি টাইমেই ইতিহাস রেফারি পাঁচ মিনিট ইনজুরি টাইম ঘোষণা করার পর মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। কিন্তু Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় শেষ আক্রমণে। আলফনসো ডেভিসের তৈরি করা চাপের সুযোগ নিয়ে বল পৌঁছে যায় অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর কাছে। তিনি দেরি না করে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে কানাডার ফুটবলার, কোচিং স্টাফ এবং সমর্থকেরা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই কানাডার খেলোয়াড়রা ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করেন। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলাররা হতাশায় মাঠেই বসে পড়েন। Background বিশ্বকাপে এতদিন গ্রুপ পর্ব পার হওয়াই ছিল কানাডার সর্বোচ্চ সাফল্য। এবার তারা প্রথমবার নকআউট ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে নতুন ইতিহাস লিখল। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা গোটা টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও লড়াকু ফুটবল খেললেও শেষ মুহূর্তের একটি ভুলে স্বপ্নভঙ্গ হল। Impact এই জয়ের ফলে কানাডার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল। শেষ ষোলোয় তারা নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিদায় হলেও তাদের পারফরম্যান্স আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। Official Statement ম্যাচ শেষে কানাডার কোচ জেসি মার্শ খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতার প্রশংসা করেন। অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিও বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রাখার ফলেই এই ঐতিহাসিক জয় এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার শিবির থেকেও দলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করা হয়, যদিও শেষ মুহূর্তের গোল হজমের আক্ষেপ স্পষ্ট ছিল। Public Information বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচেই নির্ধারিত সময়ে ফল না এলে অতিরিক্ত সময় এবং প্রয়োজনে টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। তবে এই ম্যাচে ইনজুরি টাইমেই গোল করে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়তে দেয়নি কানাডা। Canada vs South Africa FIFA World Cup ম্যাচটি বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় নকআউট লড়াই হিসেবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নিল।
Mental Health Tips: ভালো থাকতে চাইলে এই ৫ ধরনের মানুষকে এড়িয়ে চলুন, মানসিক শান্তি বজায় রাখার সহজ উপায়
সকাল সকাল ডেস্ক Mental Health Tips মেনে নেতিবাচক সম্পর্ক থেকে দূরে থাকলে বাড়বে আত্মবিশ্বাস, কমবে মানসিক চাপ এবং উন্নত হবে ব্যক্তিগত জীবন। জীবনে সুখী থাকার জন্য শুধু সুস্বাস্থ্য, ভালো চাকরি বা আর্থিক নিরাপত্তাই যথেষ্ট নয়। সমান গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সুস্থতা এবং ইতিবাচক সম্পর্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, Mental Health Tips অনুসরণ করতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে, আমাদের আশপাশের মানুষ আমাদের চিন্তাভাবনা, আচরণ এবং আত্মবিশ্বাসের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তাই ভুল মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্ক বজায় রাখলে তা ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই কারণেই Mental Health Tips-এ বারবার সম্পর্ক বেছে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ মানসিক সুস্থতায় সম্পর্কের গুরুত্ব (Background) মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ সামাজিক প্রাণী। তাই পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী কিংবা পরিচিতদের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগ আমাদের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে। যদিও পরিবারকে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে না, কিন্তু বন্ধু বা ঘনিষ্ঠ পরিচিতদের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষাক্ত সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে আত্মসম্মান কমে যায়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয় এবং ইতিবাচক জীবনযাপনের ইচ্ছাও কমে যেতে পারে। তাই Mental Health Tips অনুযায়ী এমন কিছু মানুষের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন, যাদের আচরণ দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ১. পরচর্চায় অভ্যস্ত মানুষ অন্যের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা করতে ভালোবাসেন—এমন মানুষের অভাব নেই। প্রথমে তাঁদের সঙ্গ উপভোগ্য মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে বোঝা যায় তাঁরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মূল্য দেন না। আপনি যদি নিজের কোনো ব্যক্তিগত বিষয় তাঁদের সঙ্গে ভাগ করে নেন, সেটি পরে অন্যদের আলোচনার বিষয় হয়ে যেতে পারে। এতে সম্পর্কের বিশ্বাস নষ্ট হয়। তাই গোপনীয়তা রক্ষা করতে চাইলে এমন মানুষের সঙ্গে সীমিত সম্পর্ক রাখাই ভালো। ২. ঈর্ষাপরায়ণ বন্ধু প্রকৃত বন্ধু আপনার সাফল্যে আনন্দ পান। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন, যারা অন্যের উন্নতি মেনে নিতে পারেন না। তাঁরা প্রায়ই সমালোচনা করেন, নিরুৎসাহিত করেন কিংবা আপনার অর্জনকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘদিন এমন মানুষের সংস্পর্শে থাকলে আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং নিজের সাফল্য নিয়েও অপরাধবোধ তৈরি হতে পারে। তাই ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ৩. সব সময় নেতিবাচক চিন্তা করেন যারা সবকিছুতেই অভিযোগ, হতাশা কিংবা নৈরাশ্য প্রকাশ করেন—এমন মানুষও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন নেতিবাচক পরিবেশে থাকলে মানুষের চিন্তাভাবনাও ধীরে ধীরে একই রকম হয়ে যায়। অফিস, পরিবার বা বন্ধুমহলে যদি কেউ সব সময় সমস্যা নিয়েই কথা বলেন, তাহলে সেই মানসিকতা অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। Mental Health Tips অনুযায়ী ইতিবাচক পরিবেশে থাকা মানসিক সুস্থতার অন্যতম শর্ত। ৪. নিজেকে সবজান্তা মনে করেন যারা সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান। কিন্তু কিছু মানুষ সব সময় নিজের মতকেই সঠিক বলে মনে করেন এবং অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেন না। এ ধরনের মানুষের সঙ্গে আলোচনা অনেক সময় তর্কে পরিণত হয়। কর্মক্ষেত্রেও এমন সহকর্মীর কারণে কাজের পরিবেশ খারাপ হতে পারে। তাই অহংকারী ও আত্মকেন্দ্রিক মানুষের সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলাই ভালো। ৫. অভ্যাসগত মিথ্যাবাদী বিশ্বাস ছাড়া কোনো সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কিন্তু যাঁরা নিয়মিত মিথ্যা বলেন, তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। অভ্যাসগত মিথ্যা শুধু সম্পর্কেই ফাটল ধরায় না, বরং অনেক সময় অন্যের সমস্যার কারণও হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন মানুষের সংস্পর্শে দীর্ঘদিন থাকলে নিজেও ভুল আচরণকে স্বাভাবিক বলে মনে করতে পারেন। তাই নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এমন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য (Official Statement) মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সম্পর্কের গুণগত মান সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা সম্মান করেন, উৎসাহ দেন, প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান এবং ইতিবাচক মানসিকতা ছড়িয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গেই বেশি সময় কাটানো উচিত। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Public Information) বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি কোনো সম্পর্ক নিয়মিত মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা আত্মবিশ্বাসের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে, তাহলে সেই সম্পর্কের সীমারেখা নির্ধারণ করা জরুরি। প্রয়োজনে কাউন্সেলর বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। Mental Health Tips অনুসরণ করে সম্পর্ক বেছে নিলে শুধু মানসিক শান্তিই নয়, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। তাই আবেগের বশে নয়, বরং নিজের মানসিক সুস্থতার কথা ভেবেই সম্পর্ককে মূল্যায়ন করা উচিত। সঠিক মানুষের সঙ্গ আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, মানসিক চাপ কমাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও সুখী ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
Foundation Guide: নিজের জন্য পারফেক্ট ফাউন্ডেশন বেছে নেবেন কীভাবে? স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন ও শেড নির্বাচনের সহজ টিপস
সকাল সকাল ডেস্ক Foundation Guide মেনে স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন ও কভারেজ বুঝে ফাউন্ডেশন বেছে নিলে মিলবে প্রাকৃতিক, ফ্ললেস ও দীর্ঘস্থায়ী মেকআপ লুক। মেকআপের ক্ষেত্রে নিখুঁত বেস তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আর সেই কারণেই Foundation Guide সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। অনেকেই দামি ফাউন্ডেশন কিনলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। কারণ শুধু ব্র্যান্ড বা দাম নয়, নিজের স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন এবং সঠিক শেড নির্বাচনই সুন্দর মেকআপের মূল চাবিকাঠি। বিশেষজ্ঞদের মতে, Foundation Guide অনুসরণ করে প্রোডাক্ট নির্বাচন করলে মেকআপ আরও স্বাভাবিক, দীর্ঘস্থায়ী এবং ত্বকের সঙ্গে মানানসই হয়। আরও অন্য খবরের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ কেন সঠিক ফাউন্ডেশন বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ? (Background) ফাউন্ডেশন শুধু ত্বকের রঙ সমান করে না, বরং পুরো মেকআপের ভিত্তি তৈরি করে। এটি ত্বকের দাগ, ব্রণ, পিগমেন্টেশন ও অসম রঙ ঢেকে একটি মসৃণ ও ফ্ললেস ফিনিশ দেয়। বর্তমানে বাজারে অসংখ্য ব্র্যান্ড, ফিনিশ এবং ফর্মুলার ফাউন্ডেশন পাওয়া যায়। ফলে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন কোনটি নিজের ত্বকের জন্য উপযুক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত, শুষ্ক কিংবা ধূসর দেখাতে পারে। এমনকি মেকআপ দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই Foundation Guide অনুযায়ী প্রোডাক্ট নির্বাচন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। স্কিন টাইপ অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বেছে নিন প্রত্যেকের ত্বকের ধরন আলাদা। তাই একই ফাউন্ডেশন সবার জন্য সমান কার্যকর হয় না। অয়েলি বা ব্রণপ্রবণ ত্বক:অয়েল-ফ্রি বা ওয়াটার-বেসড লিকুইড ফাউন্ডেশন সবচেয়ে ভালো। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পোরস বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। শুষ্ক ত্বক:ড্রাই স্কিনের জন্য ক্রিম-বেসড বা হাইড্রেটিং ফাউন্ডেশন আদর্শ। এতে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান থাকায় ত্বক উজ্জ্বল ও নরম দেখায়। নরমাল ও কম্বিনেশন স্কিন:সিলিকন-বেসড ফাউন্ডেশন ভালো বিকল্প। এটি ত্বককে মসৃণ রাখার পাশাপাশি ম্যাট ও হাইড্রেটেড লুকের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে। খুব বেশি তৈলাক্ত ত্বক:পাউডার ফাউন্ডেশন বা মিনারেল ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে অতিরিক্ত তেল শোষিত হয় এবং দীর্ঘক্ষণ ম্যাট লুক বজায় থাকে। আন্ডারটোন জানা কেন জরুরি? অনেকেই গায়ের রঙ দেখে ফাউন্ডেশন কিনে ফেলেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সঠিক শেড নির্বাচন করতে হলে আন্ডারটোন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক আলোতে হাতের শিরার রঙ দেখুন। আন্ডারটোন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বেছে নিলে মুখ ও গলার রঙের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায় না এবং মেকআপ অনেক বেশি স্বাভাবিক লাগে। এটিও Foundation Guide-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সঠিক শেড নির্বাচনের সহজ কৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতে নয়, বরং গাল বা জ-লাইনে ফাউন্ডেশন সোয়াচ করে দেখা উচিত। কারণ এই অংশের রঙ মুখ ও গলার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আরেকটি বিষয় হলো অক্সিডাইজেশন। অনেক ফাউন্ডেশন কিছুক্ষণ পরে গাঢ় বা কমলা আভা তৈরি করে। আগে এমন অভিজ্ঞতা থাকলে নিজের শেডের তুলনায় সামান্য হালকা শেড বেছে নেওয়া যেতে পারে। কভারেজ কতটা হওয়া উচিত? লাইট কভারেজ: অফিস, কলেজ বা প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। মিডিয়াম কভারেজ: ছোটখাটো অনুষ্ঠান বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য আদর্শ। ফুল কভারেজ: বিয়ে, রিসেপশন, ফটোশুট বা বিশেষ অনুষ্ঠানে দাগ ও পিগমেন্টেশন ঢাকতে কার্যকর। প্রয়োজন অনুযায়ী কভারেজ নির্বাচন করলে মেকআপ কখনও অতিরিক্ত ভারী দেখায় না। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ (Official Statement) মেকআপ বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাউন্ডেশন কেনার আগে সম্ভব হলে ছোট স্যাম্পল ব্যবহার করে দেখা উচিত। ত্বকে ব্রণ, বড় পোরস, পিগমেন্টেশন বা ফাইন লাইনের সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী ফর্মুলা নির্বাচন করা দরকার। পাশাপাশি ভালো প্রাইমার ও সেটিং স্প্রে ব্যবহার করলে ফাউন্ডেশনের স্থায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Public Information) ফাউন্ডেশন কেনার সময় শুধু সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড বা অন্যের পরামর্শের উপর নির্ভর না করে নিজের ত্বকের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিন। মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না এবং সংবেদনশীল ত্বক হলে নতুন প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক Foundation Guide অনুসরণ করলে শুধু সুন্দর মেকআপই নয়, ত্বকের অপ্রয়োজনীয় ক্ষতিও এড়ানো সম্ভব। তাই কেনার আগে স্কিন টাইপ, আন্ডারটোন, শেড এবং কভারেজ—এই চারটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করুন। সঠিক নির্বাচনই আপনাকে দেবে দীর্ঘস্থায়ী, প্রাকৃতিক এবং নিখুঁত মেকআপ লুক।
Hair Fall Tips: সাপ্লিমেন্ট নয়, প্রতিদিনের এই ৬ খাবারেই কমতে পারে চুল পড়া, জানালেন পুষ্টিবিদ
সকাল সকাল ডেস্ক Hair Fall Tips মেনে খাদ্যাভ্যাসে ছোট পরিবর্তন আনলেই মিলতে পারে বড় উপকার, সাপ্লিমেন্টের বদলে প্রাকৃতিক খাবারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞের। চুল পড়া এখন শুধুমাত্র সৌন্দর্যের সমস্যা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রেই এটি শরীরের ভেতরের পুষ্টির ঘাটতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। তাই Hair Fall Tips খুঁজতে গিয়ে অনেকেই দামি হেয়ার সাপ্লিমেন্ট বা নানা ধরনের ভিটামিন ক্যাপসুলের উপর নির্ভর করেন। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পুষ্টিকর খাবারই দীর্ঘমেয়াদে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সম্প্রতি ভারতীয় পুষ্টিবিদ লোভনীত বাত্রা Hair Fall Tips নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যেখানে তিনি সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে প্রতিদিনের খাবারে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। Hair Fall Tips: কেন বাড়ছে চুল পড়ার সমস্যা? বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অনিয়মিত ঘুম, দূষণ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুল পড়ার সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে প্রোটিন, আয়রন, জিংক, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ঘাটতি থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই ঝরে যেতে পারে। এই কারণেই Hair Fall Tips হিসেবে শুধু বাহ্যিক যত্ন নয়, বরং ভেতর থেকে শরীরকে পুষ্টি দেওয়ার উপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পটভূমি: কেন সাপ্লিমেন্ট নয়? বাজারে এমন বহু হেয়ার সাপ্লিমেন্ট পাওয়া যায়, যেগুলি অল্প কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নতুন চুল গজানোর দাবি করে। তবে পুষ্টিবিদ লোভনীত বাত্রার মতে, শরীরে নির্দিষ্ট কোনো ভিটামিন বা মিনারেলের ঘাটতি না থাকলে অযথা সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি জানিয়েছেন, চুলের বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ক্যালরি এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি মাত্র খাবার বা একটি সাপ্লিমেন্ট কখনও একা চুল পড়া বন্ধ করতে পারে না। Hair Fall Tips: এই ৬টি খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ১. সূর্যমুখীর বীজ বায়োটিনের প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে সূর্যমুখীর বীজ অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন ই, জিংক, সেলেনিয়াম এবং লিনোলিক অ্যাসিড চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায় এবং স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২. সজনে পাতার গুঁড়ো আয়রন, ভিটামিন এ, সি, ই এবং অ্যামাইনো অ্যাসিডে সমৃদ্ধ সজনে পাতার গুঁড়ো চুলের গোড়া শক্ত করে। নিয়মিত এটি খাদ্যতালিকায় রাখলে চুল পড়ার প্রবণতা অনেকটাই কমতে পারে। ৩. পনির চুলের প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ পনির খেলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন পায়। পাশাপাশি এতে থাকা সেলেনিয়াম ও ভিটামিন ই চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। ৪. আমলকী Hair Fall Tips-এর তালিকায় আমলকী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাবার। ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আমলকী শুধু চুলের গোড়া মজবুত করে না, বরং খুশকি কমানো এবং অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করতেও সহায়ক। ৫. তিসির বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ তিসির বীজ চুলের ফলিকলকে পুষ্টি দেয়। এটি মাথার ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং নতুন চুল গজানোর পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ৬. টক দই টক দইয়ে থাকা ভিটামিন বি-১২, প্রোটিন এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এটি খুশকি কমায়, চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে। বিশেষজ্ঞের বক্তব্য লোভনীত বাত্রা জানিয়েছেন, সুষম খাদ্যই সুস্থ চুলের মূল ভিত্তি। শরীরে কোনো নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি ধরা না পড়লে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন হয় না। বরং প্রতিদিনের খাবারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও প্রোটিন গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ এবং কার্যকর পদ্ধতি। জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি হঠাৎ করেই অতিরিক্ত চুল পড়তে শুরু করে অথবা গুচ্ছ গুচ্ছ চুল ঝরে যায়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে আয়রন, ফেরিটিন, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন ডি, থাইরয়েড এবং অন্যান্য হরমোনজনিত সমস্যার পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও Hair Fall Tips-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ শুধুমাত্র ভালো খাবার খেলেই হবে না, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও সমান জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের যত্নে কোনো ম্যাজিক সমাধান নেই। দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, সঠিক জীবনযাপন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই চুল থাকবে ঘন, মজবুত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
আঘাতের কারণে ভারত বনাম আফগানিস্তান ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি
তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শুরু হবে ১৩ জুন। কিন্তু হ্যামস্ট্রিং আঘাতের কারণে আসন্ন ওডিআই সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিয়েছে বিসিসিআইয়ের এক সূত্র।
এক যুগ পর ওয়েস্ট ইন্ডিজে শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে জয়
শ্রীলঙ্কায় গ্যারি কারস্টেন ও কুশাল মেন্ডিস যুগের শুরুটা হল জয় দিয়ে। কোচ হিসেবে কারস্টেন শ্রীলংকার কোচ হয়েছেন গত মার্চে, সাদা বলের অধিনায়ক হিসেবে মেন্ডিসের পুনরুত্থান গত মাসে। তাদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ওয়ানডেতে ৪১ রানে হারিয়েছে।
ঘরের মাঠে নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে হেরে গেল চেলসি
সোমবার নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে হারের পর প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় নবম স্থানে নেমে গেল চেলসি। এই হারে ব্লুজদের পতন আরও স্পষ্ট হল। সফরকারী নটিংহ্যাম ফরেস্টের হয়ে তাইও আওনিয়ি জোড়া গোল করেছেন।
সিটি পয়েন্ট হারানোয় শিরোপা লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে গেল আর্সেনাল
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সোমবার রাতে ম্যানচেস্টার সিটি ও এভার টনের মধ্যে রোমাঞ্চকর লড়াইটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। সিটি পয়েন্ট হারানোয় শিরোপা লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে গেল মিকেল আর্তেতার দল আর্সেনাল।
আইপিএল ২০২৬-এর আপডেট পয়েন্ট টেবিল
৪৭–তম ম্যাচ (এমআই বনাম এলএসজি)-এর পর আইপিএল ২০২৬-এর হালনাগাদ পয়েন্ট টেবিল। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএল ২০২৬ পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে পঞ্জাব কিংস ।