ঝাড়খণ্ড সফরে রাঁচিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন
সকাল সকাল ডেস্ক, রাঁচি : ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন শনিবার দু’দিনের সাংগঠনিক সফরে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে এসে পৌঁছেছেন। সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম ঝাড়খণ্ড সফর, যা সংগঠনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাঁচির বিরসা মুণ্ডা বিমানবন্দরে বিজেপি নেতা, কার্যকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানানোর পর নিতিন নবীন ভগবান বিরসা মুণ্ডার মূর্তির পাদদেশে পৌঁছান এবং সেখানে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি সমাজবাদী নেতা জননায়ক কর্পূরী ঠাকুর এবং বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা সংগঠন নির্মাতা কৈলাশপতি মিশ্রের মূর্তিতেও পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে প্রণাম জানান। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পর্ব শেষে নিতিন নবীন বিজেপি রাজ্য কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তিনি দলের কোর কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয়ে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে সংগঠন বিস্তার, বুথ স্তরে দলের শক্তিবৃদ্ধি, সদস্য সংগ্রহ অভিযান, জনসংযোগ কর্মসূচি এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলের নেতৃত্বের মতে, মজবুত সংগঠনই নির্বাচনী সাফল্যের মূল ভিত্তি। তাই এই সফরে সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। নিজের দু’দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে সর্বভারতীয় সভাপতি বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তিনি দলের সাংসদ, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং প্রবীণ কার্যকর্তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করে সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন। সেই সঙ্গে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ এবং রাজনৈতিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিজেপি সূত্রের খবর, এই সফর রাজ্যে সংগঠনকে নতুন দিশা দিতে এবং আগামী রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য কর্মীদের সক্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। ঝাড়খণ্ডে দলের জনভিত্তি আরও মজবুত করতে এবং মাঠপর্যায়ে সংগঠনের রাশ শক্ত করতে বিশেষ কৌশলে কাজ করছে দলীয় নেতৃত্ব। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ বলেন, সর্বভারতীয় সভাপতির আগমন ঘিরে কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী দু’দিন ধরে বিভিন্ন স্তরে বৈঠক ও আলোচনার প্রক্রিয়া চলবে, যা সংগঠনকে নতুন শক্তি জোগাবে। সঞ্জয় শেঠ আরও বলেন, “সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের দিকনির্দেশনায় বিজেপি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কাজ করবে। আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশাবলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা সমস্ত কর্মীরা তাঁর দেখানো পথেই সাধারণ মানুষের মধ্যে দলের পৌঁছে যাওয়া এবং প্রভাব বাড়ানোর কাজ করব।” এদিন রাঁচি বিমানবন্দরে রাজ্য সভাপতি আদিত্য সাহু, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন, বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি, প্রদীপ বর্মা, ভানু প্রতাপ শাহি সহ বিজেপির একাধিক বরিষ্ঠ নেতা ও কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সুরক্ষিত সীমান্তই বিকশিত ভারতের ভিত্তি : অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক, আগরতলা : অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, মানব পাচার ও মাদক কারবার রোধে দেশের সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখা নিরাপত্তা বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার ত্রিপুরার লঙ্কামুড়া সীমান্ত চৌকি পরিদর্শনে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-র জওয়ানদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, ত্রিপুরার ১১৯ কিলোমিটার পুরনো কাঁটাতারের বেড়া সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রথম পর্যায়ের কাজও শুরু হয়েছে। দু’দিনের ত্রিপুরা সফরে এসে শুক্রবার দুপুরে রাজধানী আগরতলা সংলগ্ন লঙ্কামুড়া বিএসএফ সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, সীমা প্রবন্ধক বিভাগের সচিব, বিএসএফ-র মহানির্দেশক (ডিজি) এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে লঙ্কামুড়া বিএসএফ চৌকিতে একটি আগরগাছের চারা রোপণ করেন অমিত শাহ। পরে সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ত্রিপুরা তিনদিক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় রাজ্যটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁটাতারের বেড়ার অধিকাংশই ১৫ বছরেরও বেশি পুরনো। এর মধ্যে ১১৯ কিলোমিটার অংশ সংস্কারের জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে এবং কাজ শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে সংকল্প নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হল একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত দেশ গড়ে তোলা। তাঁর কথায়, “এই নিরাপত্তা কোনও যুদ্ধের জন্য নয়, বরং চোরাচালান, মানব পাচার, মাদক বিস্তার এবং কালো টাকার প্রবাহ রোধের জন্য। দেশের যুব সমাজকে নেশার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।” অমিত শাহ আরও বলেন, অনুপ্রবেশ দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএসএফসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জওয়ানদের উদ্দেশে বলেন, “অনুপ্রবেশ রোধ করে দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখাই আপনাদের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।” সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে কেন্দ্র সরকার স্মার্ট ফেন্সিং এবং ‘চতুর্ভুজ বলয়’ নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে সীমান্তে নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত জওয়ানরা আরও সুবিধা পান। লঙ্কামুড়া সফরের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা এবং জওয়ানদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মানব সমাজের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রকৃতির যে ক্ষতি করেছি, তার ক্ষতিপূরণ করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশকে বাসযোগ্য রাখতে হলে ব্যক্তি থেকে সমাজ—সকল স্তরে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।” সীমান্ত নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণ—দুই ক্ষেত্রেই সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে তিনি দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বিজেপি ছেড়ে ‘উই দ্য পিপল’ আন্দোলনের ঘোষণা কে আন্নামালাইয়ের
সকাল সকাল ডেস্ক, চেন্নাই : তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড়সড় রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক ও বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করার পরই তিনি নতুন রাজনৈতিক দল ও গণআন্দোলনের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন। তাঁর নতুন উদ্যোগের নাম ‘উই দ্য পিপল’ । শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে লাইভ বার্তায় আন্নামালাই জানান, এটি কোনও ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক রাজনৈতিক মঞ্চ নয়, বরং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন। এর লক্ষ্য রাজনীতিকে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং জনমুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা। এর আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং জানান, আন্নামালাইয়ের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের আবেদন গ্রহণ করেছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২ জুন লেখা পদত্যাগপত্রে আন্নামালাই উল্লেখ করেছিলেন, তামিলনাড়ুতে প্রবৃদ্ধিমুখী ও সংস্কৃতিভিত্তিক রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের ভাবনাচিন্তা রয়েছে এবং সেই পথেই তিনি এগোতে চান। লাইভ বার্তায় আন্নামালাই জানান, গত প্রায় ১৮ মাস ধরে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন আদর্শগত ও সাংগঠনিক বিষয়ে তাঁর মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি দলকে পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তবে দলের অনুরোধে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে তাঁর বিশ্বাস সবসময় নীতি, আদর্শ এবং জনসেবাকে কেন্দ্র করে। কর্নাটকে আইপিএস অফিসার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি শিখেছিলেন, ক্ষমতা, পদ কিংবা কর্তৃত্ব কোনওটাই স্থায়ী নয়। সেই উপলব্ধিই তাঁকে রাজনীতিতেও ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান ও জনগণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দিয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে আন্নামালাই বংশানুক্রমিক রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁর কথায়, গণতন্ত্রে সুযোগ কোনও নির্দিষ্ট পরিবার বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “আমি কোনও রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য নই। সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে এসে এখানে পৌঁছেছি। তাই সমাজের প্রতিটি যোগ্য মানুষের সামনে রাজনীতির দরজা খোলা থাকা উচিত।” নিজের নতুন রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি জানান, শুধু বিধানসভা নির্বাচন নয়, পঞ্চায়েত, পুরসভা, লোকসভা-সহ সমস্ত নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে দল। তামিলনাড়ুর মানুষের সামনে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশাসনভিত্তিক রাজনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলাই হবে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। আন্নামালাই বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রশাসন নিশ্চিত করাই তাঁর নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের অগ্রাধিকার। জনগণ এখন শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব ফলাফল চায়। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতেই তাঁদের রাজনৈতিক লড়াই। সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই wetheleader.org ওয়েবসাইট চালু হবে। সেখানে নিবন্ধন করে যে কেউ এই আন্দোলনের অংশ হতে পারবেন। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিজেপি ছাড়লেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন আন্নামালাই। তিনি বলেন, সাংগঠনিক কৌশল বা রাজনৈতিক ইস্যুতে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্ব, কর্মপদ্ধতি এবং জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তাঁর সম্মান অটুট থাকবে। নতুন দলের আদর্শগত অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তামিল পরিচয়, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের ভাবনাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এই ভাবনাকে ‘দ্রাবিড় ২.০’ হিসেবে তুলে ধরছেন, যেখানে আঞ্চলিক আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা থাকবে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, নতুন দল সব সম্প্রদায়, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘুদের সঙ্গে নিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করবে। সমন্বিত উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করাই হবে দলের মূল লক্ষ্য। সেই কারণেই একে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও বৃহত্তর জনভিত্তিক রাজনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্নামালাইয়ের এই পদক্ষেপ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হিসেবে তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, যুবসমাজের মধ্যে জনপ্রিয়তা এবং আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক শৈলী তাঁকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এখন নজর থাকবে, তাঁর নতুন দল আগামী নির্বাচনে কী কৌশল গ্রহণ করে এবং রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কতটা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।
হায়দরাবাদ হাউসে মোদী ও রডরিগেজের মধ্যে বৈঠক
সকাল সকাল ডেস্ক, নয়াদিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার নতুন দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেলসি রডরিগেজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে ভারত-ভেনিজুয়েলা সম্পর্কের সকল দিক নিয়ে আলোচনা হয় এবং জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ঔষধশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে আরও সহযোগিতার পথ অন্বেষণ করা হয়। ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেলসি রডরিগেজ পাঁচ দিনের ভারত সফরে বুধবার নতুন দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন। তাঁর সঙ্গে বিদেশ, অর্থনীতি ও অর্থ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং পরিবহন মন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভেনিজুয়েলার প্রতিনিধিদল ভারতের প্রযুক্তিগত ও শিল্প সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে এবং সহযোগিতার সুযোগ অন্বেষণ করতে জ্বালানি, ঔষধশিল্প এবং অটোমোবাইল খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করবে। জ্বালানি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভারত ভেনিজুয়েলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের
Venezuelan Acting President meets External Affairs Minister Jaishankar
১ জুলাই থেকে চালু ‘ভিবি-জি রাম জি’ আইন, গ্রামীণ এলাকায় মিলবে ১২৫ দিনের কাজের নিশ্চয়তা
‘VB-G Ram Ji’ law to be implemented from July 1, 125 days of work guaranteed in rural areas
সোমনাথ মন্দির আমাদের সভ্যতার এক অপরাজেয় সংকল্পের প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী মোদী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, আগামী ১১ মে পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির উৎসর্গের ৭৫–তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তিনি সেখানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য লাভ করবেন। এই বিশেষ মুহূর্তকে সামনে রেখে তিনি সোমনাথ মন্দিরকে ভারতীয় সভ্যতা ও বিশ্বাসের অনন্য নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অপারেশন সিঁদুর সর্বদা শত্রুদের ভারতের শক্তির কথা মনে করিয়ে দেবে: অমিত শাহ
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলার ঘটনার পরবর্তী অধ্যায়ে পাক ভূখণ্ডে যে সিঁদুর অভিযান চালানো হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সেই অভিযানের এক বছর পূর্ণ হল। সিঁদুর অভিযানের বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
ভিয়েতনাম ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ এবং ‘ভিশন ওশান’-এর প্রধান স্তম্ভ : প্রধানমন্ত্রী
Vietnam is a key pillar of India’s ‘Act East Policy’ and ‘Vision Ocean’: PM
যাদবপুরের জনসভা থেকে তৃণমূলকে তোপ প্রধানমন্ত্রী মোদীর
Narendra Modi slams Trinamool Congress from Jadavpur rally