গুজরাটের তিন পুরনিগমে বোমা হামলার হুমকি, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সুরাট : গুজরাটের সুরাট, জামনগর এবং ভদোদরা পুরনিগমের দফতর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসন ও পুলিশ মহলে। বুধবার হুমকিমূলক ই-মেল পাওয়ার পরই তৎপর হয়ে ওঠে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এবং তিন পুরনিগম চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: নবাগত জর্ডানকে হারালো অস্ট্রিয়া
কলকাতা: ২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন করে অস্ট্রিয়া । বুধবার গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে অভিষেককারী জর্ডানের বিপক্ষে তারা টানটান উত্তেজনার মধ্যে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের একটি আত্মঘাতী গোল এবং শেষ মুহূর্তের পেনাল্টির ওপর ভরসা করে তিন পয়েন্ট অর্জন করে অস্ট্রিয়া।
জুলাই মাসে সাত ম্যাচের সিরিজ খেলতে যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছে ভারতীয় জুনিয়র মহিলা হকি দল
নয়াদিল্লি: ভারতের জুনিয়র মহিলা হকি দল ৫ থেকে ১৪ জুলাই সাত ম্যাচের একটি সফরে যুক্তরাজ্য সফর করবে, যার মধ্যে স্কটল্যান্ডের সিনিয়র মহিলা দলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচও রয়েছে।
‘নিউ মার্কেট-রাজাবাজারে জবরদখল চলবে না’, হকার উচ্ছেদে কড়া বার্তা শুভেন্দুর
সকাল সকাল ডেস্ক কলকাতা কলকাতার ফুটপাত ও রাস্তা জবরদখলমুক্ত করতে নতুন করে অভিযানে নামতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই ইস্যুতে বিরোধীদের সমালোচনা ও প্রতিবাদের মাঝেই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ফুটপাত মূলত পথচারীদের জন্য। সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারকে খর্ব করে কোনওভাবেই ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ফুটপাত দিয়ে হাঁটার অধিকার জনগণের রয়েছে। সেই ফুটপাতকে জবরদখল করার অধিকার কারও নেই। বড় বড় রাস্তা ও ফুটপাত কাউকে দিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আইন কিংবা জনগণ আমাকে দেয়নি।” তাঁর দাবি, সরকারের প্রথম দায়িত্ব সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই কিছু মানুষের সুবিধার জন্য বৃহত্তর জনস্বার্থকে বিসর্জন দেওয়া হবে না। কলকাতার নিউ মার্কেট, রাজাবাজার, খিদিরপুর এবং মেটিয়াবুরুজের মতো এলাকাগুলির নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বহু জায়গায় রাস্তা ও ফুটপাত দখল হয়ে রয়েছে। এর ফলে যান চলাচল এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে। নতুন সরকার এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি। তবে কড়া অবস্থানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের ফাঁকা জমি বা দীর্ঘদিন ধরে অচল পড়ে থাকা বাজারগুলিকে কাজে লাগিয়ে বৈধ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁরা বর্তমানে রাস্তা বা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছেন, তাঁদের আগে স্বেচ্ছায় সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, “আমরা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি দেখছি। যেখানে উদ্বৃত্ত জায়গা রয়েছে, সেখানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু তার আগে বেআইনিভাবে দখল করা জায়গা খালি করতে হবে।” হকারদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ উদ্যোগের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের বিভিন্ন প্রকল্প এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য থাকা সরকারি সুবিধা হকারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্দোলন বা সংঘাতের পথে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই সরকারের লক্ষ্য। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জবরদখলমুক্ত করার অভিযান শুরু করতে পারে। তবে প্রশাসনের লক্ষ্য হবে বলপ্রয়োগ নয়, বরং পুনর্বাসনের পথ খুলে দিয়ে শহরের রাস্তা ও ফুটপাত সাধারণ মানুষের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া।
দেওয়াসে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩০-এর বেশি
সকাল সকাল ডেস্ক দেওয়াস : মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায় রবিবার সকালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলেন ৩০ জনেরও বেশি যাত্রী। অষ্ট-কানৌড় সড়কের সিয়াঘাট এলাকায় একটি পর্যটক বাস ও মিনিট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মিনিট্রাকটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ ভেঙে উল্টে যায় এবং বাসটির সামনের অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই গাড়ির চালকই গুরুতর আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বাসটিতে উত্তর প্রদেশের মেরঠের যাত্রীরা ছিলেন। তাঁরা ওঙ্কারেশ্বর দর্শন করে সিহোর জেলার কুবেরেশ্বর ধামের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের ফের মেরঠে ফেরার কথা ছিল। যাত্রীদের অভিযোগ, ভোরবেলায় বাসচালকের ঝিমুনি আসার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন, আচমকা ধাক্কায় তাঁরা আহত হন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেডিক্যাল টিম এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত দুই চালককে পরে ইন্দোর-এ পাঠানো হয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি হয়নি এবং অধিকাংশ যাত্রীর আঘাত গুরুতর নয়।
জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণা! নার্সিংহোমের গাফিলতিতে চাঞ্চল্য বসিরহাটে
সকাল সকাল ডেস্ক উত্তর ২৪ পরগনা :- বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগরে নার্সিংহোমের চরম গাফিলতির অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জীবিত এক নবজাতক কন্যাকে মৃত ঘোষণা করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে স্বরূপনগর থানার গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব পোলতা গ্রামে।বৃহস্পতিবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ বছর বয়সী রুবিনা পারভিন প্রসব যন্ত্রণায় বুধবার বিকেলে বসিরহাটের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। সেখানে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ, কিছুক্ষণ পর নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানায়, নবজাতকটি মৃত। এরপর শিশুটিকে প্যাকেটবন্দি করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে, রাত দশটা নাগাদ পরিবার প্যাকেট খুলতেই দেখতে পায়, শিশুটি নড়াচড়া করছে। তড়িঘড়ি তাকে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি সিসিইউ-তে ভর্তি এবং চিকিৎসাধীন, তবে অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পরিবার। ইতিমধ্যে স্বরূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবার।
জোট রাজনীতির ধর্ম
অশোক গেহলটের এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায় যে, এখনও পর্যন্ত এমনটা না হওয়ার কারণ ছিল কংগ্রেসের অনিচ্ছা। এই অনিচ্ছা থেকে এটাই স্পষ্ট যে কংগ্রেসকে এখনও জোট রাজনীতির ধর্মের মর্ম জানতে হবে। শেষ পর্যন্ত সে এই সাধারণ কথাটি কেন বুঝতে পারল না যে বিহারে আরজেডিই প্রধান বিরোধী দল এবং তেজস্বী যাদব তার সর্বসম্মত নেতা। কংগ্রেসের মতে, তারা মহাজোটের ঐক্যবদ্ধতার জন্য এই ঘোষণা করেছে।
অতিবৃষ্টি যেন দুর্ভাগ্যের নয়, বরং জীবন ও সমৃদ্ধির উৎস হয়—এই সচেতনতা ও পদক্ষেপই সময়ের দাবি
আমাদের দেশ মূলত কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে বর্ষাকাল দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ক্রমশ এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে রূপ ধারন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই জলাশয় ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ এবং পরিবেশ ধ্বংসের ফলে অতিবৃষ্টি এখন নিয়মিত দুর্যোগে পরিণত হচ্ছে, যা দেশের জনজীবন, কৃষি, ও অবকাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
বিশ্বসংস্কৃতি, সাহিত্য ও টেলিভিশনের টানাপোড়েন
বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে টেলিভিশন যখন ভারতীয় ঘরে প্রবেশ করতে শুরু করল, তখন অনেকে ভেবেছিলেন—এ যেন নতুন দিগন্ত উন্মোচন। আড্ডার আসরে, রাতের খাবারের টেবিলে কিংবা গ্রামীণ হাটে–বাজারে, সাদা-কালো পর্দার আলো হয়ে উঠেছিল বিনোদনের প্রধান আকর্ষণ।