ডিমা হাসাও জেলায় প্রায় ২৭০০ বছর আগের লৌহঘটিত পদার্থের সন্ধান
সকাল সকাল ডেস্ক। হাফলং (অসম) : ডিমা হাসাও জেলার অন্তর্গত দাওজালি হাডিং-এ প্রায় ২৭০০ বছর আগের প্রাচীন সামগ্রীর সন্ধান মিলেছে। অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের দাওজালি হাডিং-এ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ সাম্প্রতিককালে অনুসন্ধান চালিয়ে একটি চুল্লি এবং লোহার স্ল্যাগের ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছে। যা এই বিখ্যাত নবপ্রস্তর যুগের প্রাচীন ধাতুবিদ্যার কার্যকলাপের প্রথম স্পষ্ট প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুগান্তকারী এই গবেষণা-ভিত্তিক সৰ্বেক্ষণ উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের অধীনস্থ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ড. শ্রিংদাও লাংথাসা ও ভুবনজয় লাংথাসা এবং হাফলং জেলা মিউজিয়ামের আধিকারিক বিদিশা বরদলৈয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া গুয়াহাটি আইআইটির অধ্যাপক সুকন্যা শর্মা এবং শিলঙে অবস্থিত নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটি (নেহু)-র অধ্যাপক মার্কো মিত্রির নির্দেশনায় এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিল। দাওজালি হাডিং, যা দীর্ঘকাল ধরে ২৭০০ বছর আগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নব প্রস্তরযুগীয় বসতি হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক লোহার কাজের নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে একটি নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে দাওজালি হাডিঙে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ দাওজালি হাডিঙে সমপ্রতি সমীক্ষা চালিয়ে যে সব প্রাচীন সামগ্রী আবিষ্কার করেছে তার মধ্যে রয়েছে কর্ড-চিহ্নিত মৃৎশিল্প, পালিশ করা ডাবল-শোল্ডারড সেল্ট, পিষে ফেলা পাথর, মর্টার এবং মস্তক লোহার স্ল্যাগ, ফেরুজিনাস উপকরণ এবং একটি চুল্লি। এই স্থানের জন্য প্রথম হাফটেড সেল্ট, ক্ষুদ্রাকৃতির অ্যাডজেস, অসমাপ্ত ফ্লেক্স কাঠ কয়লার নমুনা এবং প্রাথমিক ধাতববিদ্যার কার্যকলাপ। উল্লেখযোগ্যভাবে, ওই স্থান থেকে উদ্ধারকৃত লৌহঘটিত পদার্থগুলি উত্তর-পূর্ব ভারতে ধাতববিদ্যার কার্যকলাপের প্রাচীনতম প্রমাণ হতে পারে, যা আনুমানিক ২৭০০ বছর আগেকার। প্রাচীন এই সামগ্রী আবিষ্কার কেবল ডিমা হাসাও জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক আখ্যানকে সমৃদ্ধ করে না, বরং উদীয়মান প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে দাওজালি হাডিংকে একটি প্রধান প্রাগঐতিহাসিক বাসস্থান হিসাবেও স্থান করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মাথায় বন্দুক তাক করা অবস্থায় কোনও আলোচনা হবে না : শশী থারুর
সকাল সকাল ডেস্ক। ওয়াশিংটন : মাথায় বন্দুক তাক করা অবস্থায় কোনও আলোচনা হবে না। ওয়াশিংটনে এই বার্তা দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি আমেরিকা কিছুদিন ধরে বুঝতে পেরেছে, ভারতের খুব স্পষ্ট অবস্থান রয়েছে যে, আমাদের মাথার দিকে বন্দুক তাক করে কোনও আলোচনা হবে না। সমস্যা হল আমরা এমন মানুষের সঙ্গে মোকাবিলা করব না, যারা আমাদের মাথার দিকে বন্দুক তাক করছে।” কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের নেতৃত্বে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলের ৫ নম্বর গ্রুপ ওয়াশিংটনের জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি মতবিনিময় অধিবেশনে যোগ দেয়। সেখানে শশী বলছেন, “আমি সত্যি বলতে চাইছি, যদি আপনার প্রতিবেশী আপনার বাচ্চাদের কামড়ানোর জন্য এবং আপনার বাচ্চাদের সঙ্গে আরও খারাপ করার জন্য নিজস্ব খারাপ দিক প্রকাশ করে এবং তারপর বলে, চলো কথা বলি। যারা মন্দিরের দিকে বন্দুক তাক করছে তাদের সঙ্গে আপনি কথা বলবেন না। এমনটা হওয়ার নয়।”
কাশ্মীরের ঘটনায় ভারতকে সমর্থন অস্ট্রেলিয়ার, ধন্যবাদ জ্ঞাপন রাজনাথের
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসকে বুধবার দিল্লির মানেকশ সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অফ অনারের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো হয়েছে। অভিবাদন জানানোর পর দিল্লির মানেকশ সেন্টারে অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস দিল্লিতে জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, “আমাদের গত বৈঠকের পর থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্জিত উল্লেখযোগ্য মাইলফলকগুলি লক্ষ্য করা আনন্দের। আমি আশা করি আগামী বছরগুলিতে আমরা নতুন গতিতে কাজ করব, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বৃদ্ধিতে কার্যকরভাবে অবদান রাখব। ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি এবং নেতৃত্বের কারণে, গত তিন বছরে, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আমাদের ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে।” রাজনাথ সিং আরও বলেছেন, “আমি আজ একটি ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য অপেক্ষা করছি এবং আশা করি এটি ভারত ও অস্ট্রেলিয়া প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার জন্য একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করবে। এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ভারত আমাদের পশ্চিম সীমান্তে চরম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আমরা কাশ্মীরে বর্বর ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পদক্ষেপ নিয়েছি। এই বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থনের জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমরা বৈঠকের পরে এই বিষয়ে আরও কথা বলব।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে বৈঠকের সময় অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, “আগামী তিন বছর ধরে আপনার সাথে আবার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ সত্যিই রোমাঞ্চকর। গত তিন বছরে আমাদের সম্পর্ক এবং আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি। পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সকলের জন্য ভারতের প্রতি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা জানাতে চাই। আমাদের চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া ভারত এবং সমস্ত দেশের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার বিষয়টি স্বীকার করি এবং স্বাগত জানাই। আমরা এটিকে ভারতীয় নেতৃত্বের পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। তবে আমরা সকল ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় ভারতের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।”
দিল্লি আরও উন্নত ও বিশ্বমানের শহর হয়ে উঠবে : রেখা গুপ্তা
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : রাজধানী দিল্লি আরও উন্নত ও বিশ্বমানের হয়ে উঠবে। জোর দিয়ে বললেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বুধবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের মন্ত্রী নীতিন গড়করির সঙ্গে দেখা করেন। দিল্লির উপ-রাজ্যপাল বিনয় কুমার সাক্সেনাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেছেন, ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া আসন্ন প্রকল্পগুলির জন্য আমি এই প্রকল্পগুলির সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানাই। নীতিন গড়করি এবং নরেন্দ্র মোদীকে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধন্যবাদ, যাদের মাধ্যমে দিল্লি যানজট কমানো হচ্ছে, দূষণমুক্ত শহর হয়ে উঠছে এবং দিল্লির যানজট মসৃণ করা হচ্ছে।” মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আরও বলেছেন, “একইভাবে ইউইআর সড়কে ওভারব্রিজ এবং আন্ডারব্রিজ নির্মাণের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া আজ ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা অবিচল ছিল এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দিল্লি একটি উন্নত এবং বিশ্বমানের শহরে পরিণত হবে।”
দেশে মর্যাদার পরম্পরা আছে, কিন্তু বিরোধীরা তা ভাঙছে : শাহনওয়াজ হুসেন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন। বুধবার সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, “দেশে মর্যাদার একটি পরম্পরা আছে, কিন্তু বিরোধী দল তা ভাঙছে। জাতীয় ইস্যুতে সকলের এক সুরে কথা বলা উচিত। এটা কেবল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নয়, দেশের জন্যও অপমান।” আম আদমি পার্টিকে তুলোধনা করে সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, “আম আদমি পার্টি শেষ হয়ে গিয়েছে।”
কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার। বুধবার তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। কলকাতায় তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সী ও অরূপ বিশ্বাসের হাত ধরে দল বদল করেন শঙ্কর। দার্জিলিং কংগ্রেসের সভাপতি পদে ছিলেন মালাকার। সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ককে। যদিও শঙ্কর জানান, মঙ্গলবারই মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে তিনি চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠির প্রতিলিপিও তুলে ধরেন এ দিন। এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন শঙ্কর মালাকার। একই সঙ্গে তোপ দাগেন প্রদেশ কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও। স্পষ্ট বলেন, ‘এই প্রদেশ কংগ্রেস অযোগ্য। বাংলায় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের নেই।’ একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘এক দিকে কামতাপুরী রাজ্যের লোভ দেখানো হচ্ছে, এক দিকে গোর্খাল্যান্ডের লোভ দেখানো হচ্ছে। আবার নতুন রাজ্যের লোভও দেখাচ্ছে। উত্তরের সহজ সরল মানুষকে লোভ দেখিয়ে ছারখার করছে।’
ভাষা বিতর্কে অস্বস্তিতে কমল হাসান, অভিনেতাকে ভর্ৎসনা আদালতের
সকাল সকাল ডেস্ক। বেঙ্গালুরু : ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’ অভিনেতা কমল হাসানকে তীব্র ভর্ৎসনা করল কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, তিনি অভিনেতা হতে পারেন, কিন্তু কারও ভাবাবেগে আঘাত করার অধিকার নেই। সম্প্রতি তামিল থেকে কন্নড় ভাষার জন্ম বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেতা। তারপরই কর্নাটকে তাঁর ছবি নিষিদ্ধ করা হয়। পাল্টা আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই শুনতে হল এই কথা। কর্নাটক হাইকোর্ট অভিনেতাকে তিরস্কার করে বলেছে, ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’।
দেশে কোভিডে মৃত্যু বেড়ে ৩৭, ভয় ধরাচ্ছে নতুন সংক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭। অন্যদিকে, মঙ্গলবার গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,০২৬। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন। তবে একদিনে একসঙ্গে একাধিক কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু ভয় ধরাচ্ছে। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে গুজরাটে। সেখানে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ জন। অন্যদিকে, কেবল গুজরাটে বর্তমানে কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩৭২। এর পরেই একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর সন্ধান মিলেছে। তবে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থানে কেরল। সে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১৬ জন। এর পরই স্থান মহারাষ্ট্রের। মঙ্গলবার সে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট, চতুর্থ দিল্লি। সেখানে যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত বেশ কয়েক জন রোগী সেরে ওঠায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩।
লিগার বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার পেলেন ফ্লিক
সকাল সকাল ডেস্ক। বার্সেলোনা : কাতালান ক্লাবটিকে শিরোপা জিতিয়ে লা লিগার বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার পেলেন হান্সি ফ্লিক। ফ্লিকের কোচিংয়ে এবার ঘরোয়া ফুটবলে দুর্দান্ত এক মরসুম কাটাল বার্সেলোনা। স্পেনের শীর্ষ লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে তারা। রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে দুই রাউন্ড বাকি থাকতে থাকতেই শিরোপার নিশ্চিত করেছে তারা। আসরে ৩৮ ম্যাচে দলটি করেছে ১০২ গোল। ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগে এবারের মরসুমে যা হয়েছে সর্বোচ্চ। চলতি মরসুমে ৩ বার মাস সেরা কোচের পুরস্কার জেতেন ফ্লিক। কার্লো আনচেলত্তি, দিয়েগো সিমেওনেদের মতো অভিজ্ঞ ও খ্যাতিমান কোচদের পেছনে ফেলে বার্সেলোনায় নিজের প্রথম মরসুমেই জিতে নিলেন বর্ষসেরার পুরস্কার।
ডিআরআই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শক্তিশালী স্তম্ভ : নির্মলা সীতারমন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন মঙ্গলবার দিল্লিতে ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) সদর দফতরের নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল অভিভাবক। চোরাচালান, মাদক পাচার অথবা অবৈধ বাণিজ্যের মতো ঝুঁকি থেকে দেশকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে ডিআরআই-এর ভূমিকা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারমন বলেন, ডিআরআই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি শক্তিশালী স্তম্ভ।