বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন রশ্মিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরকোন্ডা
Rashmika Mandanna and Vijay Deverakonda tied the knot
‘দ্য লেডি কিলার’ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন ভূমি পেডনেকার
Bhumi Pednekar breaks silence on ‘The Lady Killer’
কেরিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
Priyanka Chopra opens up about her career and personal life
মেগা ছবি ‘বারাণসী’র মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করলেন পরিচালক এসএস রাজামৌলি
Director SS Rajamouli has set the release date for the mega-film ‘Varanasi’
মুক্তি পেল প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ছবি ‘দ্য ব্লাফ’-এর ট্রেলার
The trailer for Priyanka Chopra’s film ‘The Bluff’ has been released
ভেনিসে পুরস্কার পেলেন অনুপর্ণা, মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৮ সেপ্টেম্বর: ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা পরিচালকের সম্মান পেলেন পুরুলিয়ার মেয়ে অনুপর্ণা রায়। তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি Songs of Forgotten Trees জিতে নিল ‘অরিজোন্টি’ বিভাগে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার।এই খবর জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনন্দন বার্তা পাঠালেন। তিনি লেখেন, “অনুপর্ণার এই সাফল্য আমাদের বাংলার গর্ব। তাঁর মা-বাবা ও সহযোগীদের অভিনন্দন। আশা করি আরও এগিয়ে গিয়ে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করবেন।”
কৃতি শ্যানন বলিউডের অন্ধকার দিক নিয়ে মুখ খুললেন
সকাল সকাল ডেস্ক। মুম্বাই বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন, যিনি সম্প্রতি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, বলিউডে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, শোবিজের চকচকে আলো ও লাল গালিচার পেছনে লুকিয়ে থাকে কঠোর পরিশ্রম ও চাপ। কাজ করতে গিয়ে সবসময় মুখে হাসি রাখতে হয়, কিন্তু বাস্তবটা অন্যরকম। কৃতি বলেন, শুটিং সেটে লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। পুরুষ অভিনেতারা ভালো গাড়ি, ভালো রুম পান, যা নারীদের স্থান ছোট করার বার্তা দেয়। তিনি জানিয়েছেন, নিজে গিয়ে সহকারী পরিচালকদের সঙ্গে এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন। কৃতি জানান, ছোটবেলায় নাচ শিখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পরিবারের মানসিকতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। মা ও পরিবারের উদ্দীপনা তাকে এবং তার বোনকে স্বপ্ন পূরণের সাহস দিয়েছে। তার সর্বশেষ বড়পর্দার ছবি ছিল ‘ক্রু’, যেখানে তিনি বিমান সেবিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
‘ডান্স বাংলা ডান্স-সিজন 13’ শেষ, চ্যাম্পিয়ন হলেন আদিত্য, ঋজু-রাজু ও কৃত্তিকা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা টানা পাঁচ মাসের উত্তেজনাপূর্ণ যাত্রার পর শেষ হলো ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ সিজন ১৩। চ্যানেল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডান্সিং সুপারস্টারদের খুঁজে পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স অফ চ্যাম্পিয়ন্স হিসেবে সিংহাসনে বসলেন আদিত্য। চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছেন ঋজু-রাজু এবং কৃত্তিকা। সকলের নৃত্যশৈলী বিচারকদের মন জয় করেছে। চূড়ান্ত পর্বে উপস্থিত ছিলেন দেবশ্রী রায়, টোটা রায়চৌধুরী, সৌরসেনী মৈত্র, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও আবির চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র অভিনেতারা সোমরাজ মাইতি, মৈনাক ঢোল, সাইনা চট্টোপাধ্যায় এবং নন্দিনী। ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমার প্রোমোশনও এই মঞ্চে সম্পন্ন হয়। পর্বে দর্শকদের নস্ট্যালজিয়ায় ভাসিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী এবং দেবশ্রী রায়ের ‘পিয়া তু অব তো আজা’ গান এবং জমকালো ডান্স পারফরম্যান্স। টোটা ‘আই অ্যাম আ ডিস্কো ডান্সার’ গান নেচেছেন। আদিত্যর হনুমানবেশী পারফরম্যান্স দেখে দেবশ্রী রায় চোখে জল ধরে রাখতে পারেননি। হাম্পটি এবং পরীর পারফরম্যান্সও মিঠুন চক্রবর্তীর চোখে জল আনে। পর্বের শেষদিকে ঘোষণা করা হয়, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ‘সারেগামাপা’শনি ও রবিবার রাত ৯.৩০ টায় সম্প্রচারিত হবে। আবির চট্টোপাধ্যায় থাকবেন সঞ্চালকের ভূমিকায়। সিজনের বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞ নতুন সংযোজন ছিলেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। যিশু সেনগুপ্ত বহুদিন পর বিচারকের আসনে ফিরেছেন। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় আগের মতো বিচারক হিসেবে ছিলেন। অঙ্কুশ হাজরা সঞ্চালকের ভূমিকা থেকে বিচারকের ভূমিকায় উঠে আসেন। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ আভা দিয়েছে।
২১ শতকের সেরা ছবি ‘প্যারাসাইট’
সকাল সকাল ডেস্ক। নিউ ইয়র্ক, ২ সেপ্টেম্বর: নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, ২১ শতকের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘প্যারাসাইট’। হোলিউডের নোলান ও ফিনচারকে পেছনে রেখে প্রথম স্থানে স্থান করে নিয়েছেন এশিয়ার পরিচালক বং জুন হো। ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি একটি গরিব পরিবারের কাহিনী তুলে ধরে, যারা ধীরে ধীরে ধনী পরিবারের জীবনে প্রবেশ করে। চলচ্চিত্রটির শীতল রসবোধ এবং সমাজ সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ‘প্যারাসাইট’ কানের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রধান পুরস্কার জেতে প্রথম কোরিয়ান চলচ্চিত্র হিসেবে ইতিহাস রচনা করেছে। মাত্র ১১ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত এই চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী দুইশো আটাশ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। ‘প্যারাসাইট’ এই সময়ে গোল্ডেন গ্লোবস, বাফটা, এস এ জি এবং অস্কারে চারটি পুরস্কার জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এটি প্রথম নন-ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কার জিতে নেয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে ডেভিড লিঞ্চের ‘মালহল্যান্ড ড্রাইভ’, তৃতীয় স্থান পল টমাস অ্যান্ডারসনের ‘দেয়ার উইল বি ব্লাড’। এর পরে স্থান পেয়েছে— • ‘ইন দ্য মুড ফর লাভ’ • ‘মুনলাইট’ • ‘নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন’ • ‘এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড’ • ‘গেট আউট’ • ‘স্পিরিটেড আওয়ে’ • ‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ নির্বাচনটি শুধুমাত্র চলচ্চিত্রের সাফল্য নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতির সীমা অতিক্রম করে বিশ্বব্যাপী গল্প বলার শক্তি প্রমাণ করেছে।