মুচিপাড়ায় তাণ্ডব: বাবুঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে অস্ত্রসহ দুই দুষ্কৃতী গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর: মুচিপাড়া এলাকায় একটি দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বাকবিতণ্ডার পর দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে পুলিশের অভিযান। এই অভিযানের মাধ্যমে বাবুঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে অস্ত্রসহ দুই দুষ্কৃতীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পুজোর মরশুমে শহরে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। গোপন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ময়দান থানার পুলিশ সোমবার রাত সাড়ে ১২টার পর হানা দেয় এবং অস্ত্রসহ ধরা পড়ে দু’জন দুষ্কৃতী—আয়ুষ ঝা ও পীযূষ গুপ্তা। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দেশীয় পদ্ধতিতে অস্ত্র তৈরি করত এবং সেগুলি বিক্রির উদ্দেশ্যে কলকাতায় এসেছে। মুচিপাড়ায় শনিবার রাতে যে শুটআউট ঘটেছিল, তাতে এই দু’জনের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মুচিপাড়া ও ময়দান থানার পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করছে।
কৃষ্ণনগরের ঈশিতা মল্লিক হত্যা: মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। নদিয়া, ১ সেপ্টেম্বর : এক সপ্তাহের টানা অভিযান শেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল কৃষ্ণনগরের ছাত্রী ঈশিতা মল্লিক খুনের মূল অভিযুক্ত দেশরাজ সিং। সোমবার ভোররাতে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার গুজরাটের জামনগর থেকে গ্রেফতার করা হয় দেশরাজের মামা কুলদীপ সিংকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ভাগ্নেকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে নানা পরিকল্পনা করেন কুলদীপ। দেশরাজকে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করার পাশাপাশি, তাঁর জন্য নকল পরিচয়পত্র-সহ একাধিক জাল ডকুমেন্টও তৈরি করে দেন মামা কুলদীপ। তবে শেষরক্ষা হল না, পুলিশের জালে ধরা পড়ল দেশরাজ। সূত্রের খবর, কুলদীপের ফোন ট্র্যাক করেই দেশরাজের অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এরপর সোমবার ভোররাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশের একটি বিশেষ দল। গত ২৫ অগস্ট কৃষ্ণনগরের বাড়িতে ঈশিতার মাথায় তিনটি গুলি করে তাঁকে খুন করা হয়। ওই ঘটনার পরে মূল অভিযুক্ত দেশরাজ উত্তর প্রদেশের দেওরিয়ার বাড়িতে পালিয়ে যায় বলে পুলিশের অনুমান। কিন্তু, গত কয়েক দিন ধরে পুলিশের একাধিক দলের লাগাতার তল্লাশির পরেও দেশরাজের নাগাল পাচ্ছিল না। অবশেষে উত্তর প্রদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে মূল অভিযুক্তের নাগাল পেল পুলিশ।
আসানসোলে কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। আসানসোল, ৩০ আগস্ট : আসানসোলের দামরা এলাকা থেকে শুক্রবার এক কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ রাকেশ পাসওয়ান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মেয়েটি রাকেশের ডাকেই বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। বর্তমানে তাদের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে; সে দুর্গাপুরের গোপালমঠ এলাকার বাসিন্দা ছিল। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মৃতদেহ খোলানমুখ খনির কাছে পলাশবন এলাকায় উদ্ধার করা হয়। গ্রামবাসীরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে এবং পরে দেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কোচবিহারে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য
সকাল সকাল ডেস্ক। কোচবিহার, ২৯ আগস্ট, : কোচবিহারে ফের তৃণমূল কর্মী খুনের অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় রায়। তৃণমূল কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে কোচবিহারের জোরপাটকি এলাকায় মনসা পুজোর নিমন্ত্রণে গিয়েছিলেন সঞ্জয়। সাড়ে এগারোটা নাগাদ বাড়ি ফিরবেন বলে ঠিক করেন তিনি। সেই সময় ওই পুজোর বাড়িতে দুই ব্যক্তির মধ্যে অশান্তি চলছিল। সঞ্জয় মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলতেই অভিযুক্ত অজয় বর্মনের রাগ গিয়ে পড়ে তাঁর উপর। সঙ্গে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে শুরু করে সঞ্জয়কে। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন যুবক।
মহেশতলায় রেললাইনের পাশে মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার
সকাল সকাল ডেস্ক। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২৯ আগস্ট : মহেশতলার সন্তোষপুরে রেললাইনের পাশে মিলল মহিলার রক্তাক্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। রাতেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে মহেশতলা থানার সন্তোষপুর পাহাড়পুর রোডের রেললাইনের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় এক মহিলাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় মহেশতলা থানায়। মহেশতলা থানার পুলিশ ও জিআরপি গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ওই মহিলাকে উদ্ধার করে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মহিলার দেহের পাশে একটি ব্যাগ পড়েছিল। সেই ব্যাগের থেকে মোবাইল চার্জার, আধার কার্ড পায় পুলিশ। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু? খুন, আত্মহত্যা নাকি নিছক দুর্ঘটনা? জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সুপারি পাচারচক্রের মূল চক্রী ধীরজ ঘোষ অবশেষে গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক।শিলিগুড়ি : অবশেষে সুপারি পাচারকারী চক্রের প্রধান চক্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত অভিযুক্তের নাম ধীরজ ঘোষ। শনিবার গভীর রাতে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ সুপারি পাচারকারী ধীরজ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর নকশালবাড়ি ও ঘোষপুকুরে সুপারি বোঝাই মোট পাঁচটি ট্রাক আটক করেছিল পুলিশ। এই ঘটনায় কোনও বৈধ নথি না পাওয়ায় পুলিশ সুপারি পাচারের এই মামলায় মোট দশজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ধীরজ ঘোষের নাম উঠে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারবার নোটিশ দেওয়ার পরেও তিনি পুলিশের কাছে হাজির হচ্ছিলেন না। গত রাতে নকশালবাড়ি থেকে ধীরজ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়।
বড়াজামদায় লক্ষাধিক টাকার চুরির পর্দাফাঁস, সোনা-রুপোর গয়নাসহ তিনজন গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। পশ্চিম সিংভূমবড়াজামদা থানার সামনে ফোরেস্ট কোয়ার্টারে বসবাসকারী শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তির বাসভবনে দরজা ভেঙে চুরি যাওয়া লক্ষাধিক টাকার গয়নার ঘটনায় পুলিশ বড় সাফল্য অর্জন করেছে। চুরি ও চোরাই গয়না কেনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার চাইবাসা আদালতে হাজির করা হয়, যেখান থেকে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা হলেন গুয়া শক্তিনগরের করণ গোপ, বড়াজামদার রাধা জুয়েলার্সের মালিক মুকেশ কুমার স্বর্ণকার এবং বড়াজামদা ট্যাঙ্কি সাইডের সুরজ কুমার দাস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নগদ ₹২২,৫০০, একটি সোনার মঙ্গলসূত্র এবং দুটি রুপোর পায়েল উদ্ধার করেছে। এর আগে, ১৩ জুন ওড়িশার বারবিল থেকে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজন নাবালককে গ্রেফতার করা হয়, যাদের চাইবাসা বালসংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তাদের তথ্যে গয়না কেনার অভিযোগে গুভার সন্নি প্রসাদকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার বাড়ি থেকে ₹৪৫০ নগদ সহ বহু সোনা ও রুপোর গয়না—যেমন সোনার কানের দুল, মঙ্গলসূত্র, লকেট, চেন, রুপোর পায়েল, ব্রেসলেট, সিঁদুর দানি, চাবির রিং ও কোমরবন্ধ (কমরধনী) উদ্ধার করা হয়েছে। কিরিবুরু এসডিপিও অজয় কেরকেট্টা মঙ্গলবার বড়াজামদা থানায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১১ জুন শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন (মামলা নম্বর–২৭/২০২৫)। এরপর এসপির নির্দেশে দ্রুত তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারী টিমে ছিলেন কিরিবুরু ইন্সপেক্টর বম্বম কুমার, বড়াজামদা থানার ওসি বিকাশ কুমার, এসআই লালু প্রসাদ, এএসআই বিনোদ প্রসাদ, এএসআই সুখদেব প্রসাদ ও হাবিলদার জলহা উরাঁও।
গ্রেফতার করা সমস্ত কর্মীদেরকে ইসরাইলি সেনারা হামাসের হামলার ভিডিও দেখাবে ইসরায়েল
সুইডিশ পরিবেশ কর্মী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী গ্রেটা থুনবার্গ এবং তার জাহাজকে অবরুদ্ধ করেছে। সোমবার ভোরে ইসরায়েলের ৫টি স্পিডবোট জাহাজটিকে ঘিরে ফেলে।
ভাষা বিতর্কে অস্বস্তিতে কমল হাসান, অভিনেতাকে ভর্ৎসনা আদালতের
সকাল সকাল ডেস্ক। বেঙ্গালুরু : ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’ অভিনেতা কমল হাসানকে তীব্র ভর্ৎসনা করল কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, তিনি অভিনেতা হতে পারেন, কিন্তু কারও ভাবাবেগে আঘাত করার অধিকার নেই। সম্প্রতি তামিল থেকে কন্নড় ভাষার জন্ম বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেতা। তারপরই কর্নাটকে তাঁর ছবি নিষিদ্ধ করা হয়। পাল্টা আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই শুনতে হল এই কথা। কর্নাটক হাইকোর্ট অভিনেতাকে তিরস্কার করে বলেছে, ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’।
সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের, বৌদির মুন্ডচ্ছেদ করল দেওর, কাটা মুন্ডু নিয়ে খোলা রাস্তায় ঘোরাঘুরি
সকাল সকাল ডেস্ক। বাসন্তী : বৌদির মাথা কেটে খুন দেওরের। কাটা মুন্ডু নিয়ে রাস্তা দিয়ে থানায় রওনা অভিযুক্ত যুবক বিমল মন্ডলের। দক্ষিন ২৪ পরগনার বাসন্তীর ৬ নম্বর ভরতগড়ের ঘটনা। শনিবার সকালের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে। কী কারণে এই খুন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জেরেই বৌদিকে খুন করেছে অভিযুক্ত যুবক বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। নিহত মহিলার নাম সতী মন্ডল(৫৫)। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে গিরীন মন্ডলের পরিবারের সঙ্গে বিবাদ ছিল ভাই বিমল মন্ডলের পরিবারের। মাস চারেক আগে মারা যায় গিরিন। দাদা মারা গেলেও বিবাদ মেটেনি বিমলের পরিবারের সঙ্গে। বৌদি সতী মণ্ডলকে ভিটে ছাড়া করার জন্য সর্বদা উদগ্রীব হয়ে ছিল বিমল ও তার পরিবার। নানা অছিলায় অশান্তি করত সতী ও তার পরিবারের সঙ্গে। শনিবার সকালেও শুরু হয় অশান্তি। এদিন সকালে গাছের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। সতী প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানাতে গেলে বিমল ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে সরাসরি বৌদির গলায় কোপ বসায়। গলা কেটে মাথা আলাদা করে দেয় দেহ থেকে। এরপর সেই নর মুন্ডু নিয়ে দিনে দুপুরে খোলা রাস্তায় এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে অভিযুক্ত। এরপর সেই মুন্ডু নিয়ে বাসন্তী থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে। এরমধ্যেই এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন এলাকার মানুষজন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখে বাসন্তী থানার পুলিশ রাস্তা থেকে বিমলকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করে কাটা মুন্ডু। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে সতীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সঠিক কী কারণে এই ঘটনা তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এই ঘটনায়।