ছাত্রীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার ইংরেজি শিক্ষক
সকাল সকাল ডেস্ক। পূর্ব মেদিনীপুর, ৫ সেপ্টেম্বর, : ক্লাসেই ছাত্রীদের বেধড়ক মারের অভিযোগ ইংরেজির শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অবশেষে শুক্রবার পুলিশ গ্রেফতার করল অভিযুক্ত শিক্ষককে। অসুস্থ হয়ে বহু ছাত্রী ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এগরায়। ক্ষোভে অভিযুক্ত স্যর-সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে তালাবন্দি করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার অস্তিচক সুরেন্দ্র যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠে। ওই স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক বিপ্লব পণ্ডা। সূত্রের খবর, অন্যান্যদিনের মতোই বৃহ্স্পতিবার স্কুলে গিয়েছিল পড়ুয়ারা। দুপুরের দিকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নিতে যান বিপ্লব। অভিযোগ, সেখানেই ছাত্রীদের বেধড়ক মারধর করেন তিনি। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকে। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। যদিও এই মারধরের কারণ স্পষ্ট নয়। বিষয়টা অভিভাবকরা জানামাত্রই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। অভিভাবক ও স্থানীয়রা হাজির হন স্কুলে। বিপ্লব-সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুলে তালাবন্দি করে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এগরা থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। শুক্রবার শিক্ষকদিবসে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত বিপ্লবকে। অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।
ভূমিধসে বন্ধ জম্মু-রাজৌরি জাতীয় সড়ক, আটকে বহু গাড়ি
সকাল সকাল ডেস্ক। রাজৌরি, ৪ সেপ্টেম্বর : জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় টানা বৃষ্টিপাতের জেরে ভূমিধসের ঘটনা ঘটছে। ভূমিধসের কারণেই বৃহস্পতিবার জম্মু-রাজৌরি জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আটকে পড়েছে বহু গাড়ি। রাজৌরির ট্রাফিক পুলিশ বোধ রাজ বলেন, “রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে, আমরা সমস্ত যানবাহন বন্ধ করে দিয়েছি। উপর থেকে নির্দেশ পেলে, আমরা সেই অনুযায়ী এখান থেকে যানবাহন ছেড়ে দেব। ঘন ঘন ভূমিধসের কারণে আমরা গতকাল থেকে এই যানবাহনগুলি বন্ধ করে দিয়েছি। জনগণের কাছে আমাদের আবেদন, যতক্ষণ না রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে, ততক্ষণ তারা তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।”
উৎসবের মরসুমে মূল্যহ্রাসে খুশির বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর: “উৎসবের মরসুমকে দেশবাসীর কাছে আরও আনন্দময় করে তুললো জনদরদী মোদীজির সরকার।” শুক্রবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “দুর্গা পুজোর আগেই একধাক্কায় অনেকটাই কমবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। জীবনবিমা ও স্বাস্থ্যবিমায় সম্পূর্ণ মকুব জিএসটি। মাননীয়া অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারামন জি জানিয়েছেন আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে দুটি হারে (৫ এবং ১৮ শতাংশ) জিএসটি কার্যকর হবে। ১২ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশের স্ল্যাব পুরোপুরি তুলে দেওয়া হচ্ছে। কৃষিজাত পণ্যের উপর এতদিন ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য ছিল, তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। জীবনদায়ী ঔষধ সহ অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমবে। আমাদের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বাধীনতা দিবসের শুভ দিনে লাল কেল্লা থেকে ঘোষণা করেছিলেন পুজো ও উৎসবের আগেই দেশবাসী কে উৎসবের উপহার দেবেন। যেমন ঘোষণা তেমন কাজ, আগামী উৎসবের দিনগুলো সবার কাছে আরও আরও সুমধুর হয়ে উঠলো।”
অযোগ্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর, : কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না দাগি অযোগ্যরা। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর পরীক্ষায় বসতে চেয়ে তাঁদের করা আবেদন খারিজ করে আরও এক বার তা স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ জানায়, একই ধরনের কোনও মামলা আর গ্রহণ করা হবে না। বিচারপতি কুমার সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “দাগিদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা সিবিআইয়ের। তার কী হল?” রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে দাগিদের করা মামলার শুনানিতে কেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) হাই কোর্টে উপস্থিত হচ্ছেন? দুই বিচারপতির বেঞ্চের প্রশ্ন, রায় ঘোষণার পরেও আইনজীবীরা দাগিদের হয়ে কী ভাবে আদালতে আবেদন করছেন? বিচারপতি কুমার বলেন, “বার বার বলেছি দাগিরা কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। তার পরেও একই আবেদন নিয়ে এত মামলা কেন? যা বলার রায়ে আমরা তা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি।” একই সঙ্গে বিচারপতির সংযোজন, “এই অযোগ্যদের জন্য অনেকের জীবন নষ্ট হয়েছে।” শনিবার অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ৭ ও ১৪ তারিখ যে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা রয়েছে তাতে প্রকাশিত তালিকা, এমনকি প্রকাশিত তালিকার বাইরেও যদি অযোগ্য কেউ থাকেন, তাঁরা কোনওভাবেই বসতে পারবেন না। পশ্চিমঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। কিন্তু তারপরও অন্তত পরীক্ষায় বসতে চেয়ে আবেদন করেন অযোগ্যদের একাংশ। সেই পদক্ষেপ নিয়েই ভর্ৎসনা করা হয় বৃহস্পতিবার।
অপসারিত শিক্ষকদের বিকল্প চাকরির আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী মমতার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর : ‘‘১০ বছর শিক্ষক হিসাবে কাজ করার পরেও যাঁদের এদিন অযোগ্য বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরা তাঁদের নিয়ে আইনত আলোচনা করছি। আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।” শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে শিক্ষারত্ন সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী হয়তো তাঁরা আর শিক্ষক হতে পারবেন না, কিন্তু তাঁরা যাতে অন্তত গ্রুপ সি-র চাকরি পান, তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। তাঁদের হতাশ হতে বারণ করব। কারণ, আমাদের সরকার মানবিক সরকার। আমরা রাজনীতি দেখে কাজ করি না, মানুষের কথা ভেবে কাজ করি। এদিন শিক্ষকদিবসের প্রাক্কালে সব শিক্ষকদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে শুভকামনা জানাচ্ছি।’’ প্রসঙ্গত, সেখানে সংবর্ধনা দেওয়া হয় ২০২৫ সালের কৃতী ছাত্রছাত্রীদেরও। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা-সহ বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষায় এবং জয়েন্ট এন্ট্রান্সে প্রথম হওয়া ১৯ জন ছাত্রছাত্রীকে সম্মানিত করা হল। সমস্ত বোর্ড মিলিয়ে ৩৮৭জন কৃতী ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তাদের দেওয়া হয়েছে মানপত্র , ট্যাব, ল্যাপটপ, ‘জেমস অফ বেঙ্গল’ নামে একটি বই, মুখ্যমন্ত্রীর স্বাক্ষর করা ডায়েরি এবং ১২টি বই।
বাবা-মাকে গুলি করে আত্মহত্যার চেষ্টা এসআইয়ের, ঝাড়গ্রামে চাঞ্চল্য
সকাল সকাল ডেস্ক।ঝাড়গ্রাম, ৪ সেপ্টেম্বর : বাবা, মাকে গুলি করে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা এসআইয়ের। ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ওই পুলিশ কর্মীকে। কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার সাত সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুর গৌড়ীয়মঠের কাছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কীভাবে এবং কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক অনুমান, ওই পুলিশকর্মী মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তা থেকেই এই ঘটনা ঘটাতে পারেন। ওই পুলিশকর্মীর বাড়ি থেকে একটি সুইসাইড নোট পুলিশ উদ্ধার করেছে বলে খবর, যেখানে বাবা মাকে গুলি করার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
করম পরব উপলক্ষে আদিবাসী সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : করম পরব উপলক্ষ্যে আদিবাদী সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকালে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স-এ মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “জয় জোহার! পবিত্র করম পরব উপলক্ষ্যে সারা বাংলা তথা ভারতবর্ষের তথা সারা বিশ্বের সমস্ত আদিবাসী মানুষকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমাদের রাজ্যে আজকের এই পবিত্র দিনে প্রথমে আমরা সেকশনাল হলিডে ঘোষণা করেছিলাম। পরে আমরা আরও এগিয়ে দিনটিকে স্টেট হলিডে ঘোষণা করেছি।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, “১৫ নভেম্বর ভগবান বিরসা মুন্ডার জন্মদিবসও আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করি ও ওই দিনটিতেও আমরা সরকারী ছুটি ঘোষণা করেছি। পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মুর জন্মদিনে এবং হুল দিবসেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আদিবাসী মানুষদের প্রতি আমাদের অকুন্ঠ শ্রদ্ধার নিদর্শন হল এই সব সিদ্ধান্ত।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা, চিঠি উদ্ধার
সকাল সকাল ডেস্ক। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৩ সেপ্টেম্বর : মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির ছাদ থেকে এক কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নামখানা এলাকায়। মৃতার নাম এনাক্ষী কয়াল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সূত্রের খবর, বছর এগারোর ওই কিশোরীর বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। ভিনরাজ্যে কাজের সূত্রে তাঁরা থাকেন। এনাক্ষী ও তার দিদি জ্যেঠু-জেঠিমার সঙ্গে নামখানা থানার উত্তর চন্দনপিঁড়ি গ্রামে থাকে। এনাক্ষী উত্তর চন্দনপিঁড়ি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার আর পাঁচটা দিনের মতোই সে স্কুলে গিয়েছিল। নিদির্ষ্ট সময়ে সে স্কুল থেকে বাড়িও ফিরে আসে। এনাক্ষীর দিদি স্থানীয় মুরারি মোহন হাইস্কুলেরর ছাত্রী। স্কুল শেষের পর কোচিং ক্লাস সেরে সন্ধের পর সে বাড়ি ফেরে। ঘরের ভিতর বোনকে দিদি দেখতে পায়নি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি হয়। তার মধ্যেই ঘরের ভিতর একটি চিঠি পাওয়া যায়। সেই চিঠি পড়ে ছাদে যেতেই দেখা যায়, ওই কিশোরী গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। দিদির চিৎকারের ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় নামখানা থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা ওই কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হিন্দমোটরে ইডির অভিযান, বেসরকারি কর্মীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি
সকাল সকাল ডেস্ক।হুগলি, ৩ সেপ্টেম্বর : বুধবার হিন্দমোটর এলাকায় হানা দিল ইডির হানা। দেবাইপুকুরের এমিনেন্ট কমপ্লেক্সের সি ব্লকের প্রথম তলায় একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনটি গাড়িতে পাঁচ জন ইডি আধিকারিক এবং ছ’জন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী এসে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। ওই ফ্ল্যাটে থাকেন বিকাশ লাচিয়া নামে এক ব্যক্তি। জানা গেছে, তিনি মূলত ঝাড়খণ্ডের জামতারার বাসিন্দা। বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত তিনি। স্থানীয়দের দাবি, বিকাশবাবু আগে লাচিরামকা ডায়মন্ড ইনফোটেক প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক সংস্থার অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করতেন। ঠিক কী কারণে তাঁর ফ্ল্যাটে অভিযান, তা নিয়ে সরকারি ভাবে ইডি কিছু জানায়নি। তবে টানা তল্লাশি চলায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
‘ডান্স বাংলা ডান্স-সিজন 13’ শেষ, চ্যাম্পিয়ন হলেন আদিত্য, ঋজু-রাজু ও কৃত্তিকা
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা টানা পাঁচ মাসের উত্তেজনাপূর্ণ যাত্রার পর শেষ হলো ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ সিজন ১৩। চ্যানেল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডান্সিং সুপারস্টারদের খুঁজে পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স অফ চ্যাম্পিয়ন্স হিসেবে সিংহাসনে বসলেন আদিত্য। চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছেন ঋজু-রাজু এবং কৃত্তিকা। সকলের নৃত্যশৈলী বিচারকদের মন জয় করেছে। চূড়ান্ত পর্বে উপস্থিত ছিলেন দেবশ্রী রায়, টোটা রায়চৌধুরী, সৌরসেনী মৈত্র, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ইমন চক্রবর্তী, সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও আবির চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র অভিনেতারা সোমরাজ মাইতি, মৈনাক ঢোল, সাইনা চট্টোপাধ্যায় এবং নন্দিনী। ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমার প্রোমোশনও এই মঞ্চে সম্পন্ন হয়। পর্বে দর্শকদের নস্ট্যালজিয়ায় ভাসিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী এবং দেবশ্রী রায়ের ‘পিয়া তু অব তো আজা’ গান এবং জমকালো ডান্স পারফরম্যান্স। টোটা ‘আই অ্যাম আ ডিস্কো ডান্সার’ গান নেচেছেন। আদিত্যর হনুমানবেশী পারফরম্যান্স দেখে দেবশ্রী রায় চোখে জল ধরে রাখতে পারেননি। হাম্পটি এবং পরীর পারফরম্যান্সও মিঠুন চক্রবর্তীর চোখে জল আনে। পর্বের শেষদিকে ঘোষণা করা হয়, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ‘সারেগামাপা’শনি ও রবিবার রাত ৯.৩০ টায় সম্প্রচারিত হবে। আবির চট্টোপাধ্যায় থাকবেন সঞ্চালকের ভূমিকায়। সিজনের বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞ নতুন সংযোজন ছিলেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। যিশু সেনগুপ্ত বহুদিন পর বিচারকের আসনে ফিরেছেন। শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় আগের মতো বিচারক হিসেবে ছিলেন। অঙ্কুশ হাজরা সঞ্চালকের ভূমিকা থেকে বিচারকের ভূমিকায় উঠে আসেন। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ আভা দিয়েছে।