দুর্যোগে বিপর্যস্ত সিকিমে আটকে পড়া ৬৩ পর্যটককে উদ্ধার করল বায়ুসেনা
সকাল সকাল ডেস্ক। গ্যাংটক : উত্তর সিকিমে টানা ভারি বৃষ্টির জেরে ধস ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ৬৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করল ভারতীয় বায়ুসেনা। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু হতেই বিমানবন্দরে তাঁদের নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়। জানা গেছে, সকাল থেকেই এমআই-১৭ ও চিতা হেলিকপ্টার দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রথম দফায় ৩৯ জনকে এবং পরে আরও ২৪ জনকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়। তার মধ্যে ২ জন বিদেশিও রয়েছেন। পর্যটকদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার বাসের মাধ্যমে গ্যাংটক ও শিলিগুড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া বাগডোগরার উদ্দেশে আলাদা হেলিকপ্টার পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ দফতর জানিয়েছে, দুর্যোগকালীন সময়ে পর্যটকদের নিরাপত্তাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার।
ডিমা হাসাও জেলায় প্রায় ২৭০০ বছর আগের লৌহঘটিত পদার্থের সন্ধান
সকাল সকাল ডেস্ক। হাফলং (অসম) : ডিমা হাসাও জেলার অন্তর্গত দাওজালি হাডিং-এ প্রায় ২৭০০ বছর আগের প্রাচীন সামগ্রীর সন্ধান মিলেছে। অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের দাওজালি হাডিং-এ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ সাম্প্রতিককালে অনুসন্ধান চালিয়ে একটি চুল্লি এবং লোহার স্ল্যাগের ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছে। যা এই বিখ্যাত নবপ্রস্তর যুগের প্রাচীন ধাতুবিদ্যার কার্যকলাপের প্রথম স্পষ্ট প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুগান্তকারী এই গবেষণা-ভিত্তিক সৰ্বেক্ষণ উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের অধীনস্থ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ড. শ্রিংদাও লাংথাসা ও ভুবনজয় লাংথাসা এবং হাফলং জেলা মিউজিয়ামের আধিকারিক বিদিশা বরদলৈয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া গুয়াহাটি আইআইটির অধ্যাপক সুকন্যা শর্মা এবং শিলঙে অবস্থিত নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটি (নেহু)-র অধ্যাপক মার্কো মিত্রির নির্দেশনায় এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছিল। দাওজালি হাডিং, যা দীর্ঘকাল ধরে ২৭০০ বছর আগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নব প্রস্তরযুগীয় বসতি হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক লোহার কাজের নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে একটি নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে দাওজালি হাডিঙে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ দাওজালি হাডিঙে সমপ্রতি সমীক্ষা চালিয়ে যে সব প্রাচীন সামগ্রী আবিষ্কার করেছে তার মধ্যে রয়েছে কর্ড-চিহ্নিত মৃৎশিল্প, পালিশ করা ডাবল-শোল্ডারড সেল্ট, পিষে ফেলা পাথর, মর্টার এবং মস্তক লোহার স্ল্যাগ, ফেরুজিনাস উপকরণ এবং একটি চুল্লি। এই স্থানের জন্য প্রথম হাফটেড সেল্ট, ক্ষুদ্রাকৃতির অ্যাডজেস, অসমাপ্ত ফ্লেক্স কাঠ কয়লার নমুনা এবং প্রাথমিক ধাতববিদ্যার কার্যকলাপ। উল্লেখযোগ্যভাবে, ওই স্থান থেকে উদ্ধারকৃত লৌহঘটিত পদার্থগুলি উত্তর-পূর্ব ভারতে ধাতববিদ্যার কার্যকলাপের প্রাচীনতম প্রমাণ হতে পারে, যা আনুমানিক ২৭০০ বছর আগেকার। প্রাচীন এই সামগ্রী আবিষ্কার কেবল ডিমা হাসাও জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক আখ্যানকে সমৃদ্ধ করে না, বরং উদীয়মান প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে দাওজালি হাডিংকে একটি প্রধান প্রাগঐতিহাসিক বাসস্থান হিসাবেও স্থান করে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মাথায় বন্দুক তাক করা অবস্থায় কোনও আলোচনা হবে না : শশী থারুর
সকাল সকাল ডেস্ক। ওয়াশিংটন : মাথায় বন্দুক তাক করা অবস্থায় কোনও আলোচনা হবে না। ওয়াশিংটনে এই বার্তা দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি বলেছেন, “আমি মনে করি আমেরিকা কিছুদিন ধরে বুঝতে পেরেছে, ভারতের খুব স্পষ্ট অবস্থান রয়েছে যে, আমাদের মাথার দিকে বন্দুক তাক করে কোনও আলোচনা হবে না। সমস্যা হল আমরা এমন মানুষের সঙ্গে মোকাবিলা করব না, যারা আমাদের মাথার দিকে বন্দুক তাক করছে।” কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের নেতৃত্বে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলের ৫ নম্বর গ্রুপ ওয়াশিংটনের জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি মতবিনিময় অধিবেশনে যোগ দেয়। সেখানে শশী বলছেন, “আমি সত্যি বলতে চাইছি, যদি আপনার প্রতিবেশী আপনার বাচ্চাদের কামড়ানোর জন্য এবং আপনার বাচ্চাদের সঙ্গে আরও খারাপ করার জন্য নিজস্ব খারাপ দিক প্রকাশ করে এবং তারপর বলে, চলো কথা বলি। যারা মন্দিরের দিকে বন্দুক তাক করছে তাদের সঙ্গে আপনি কথা বলবেন না। এমনটা হওয়ার নয়।”
বসুন্ধরাকে রক্ষার অঙ্গীকার জানিয়ে পরিবেশ দিবসের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ধরিত্রী মাতাকে রক্ষার অঙ্গীকার জানিয়ে বৃস্পতিবার বিশ্ব পরিবেশ দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন সকালে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, “এই বিশ্ব পরিবেশ দিবসে, আসুন আমরা আমাদের বসুন্ধরাকে রক্ষা করার এবং আমাদের মুখোমুখি চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা আরও দৃঢ় করি। আমাদের পরিবেশকে আরও সবুজ এবং উন্নত করার জন্য তৃণমূল স্তরে যারা কাজ করছেন তাদের সকলকে আমি অভিনন্দন জানাই।”
১৮ বছরের আক্ষেপ ঘুচলো কোহলির, বেঙ্গালুরু হল নতুন চ্যাম্পিয়ন
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : আইপিএলের প্রথম(২০০৮) আসর থেকেই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু এর আগে তিনবার ফাইনাল খেলেও বিরাট কোহলি শিরোপার স্বাদ পাননি।অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল। আহমেদাবাদে ৩ জুন রাতে আইপিএলের ফাইনালে পঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে কোহলির বেঙ্গালুরু। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রান করে বেঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ১৮৪ রানে থামে পঞ্জাব। রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পঞ্জাব। ওপেনিং জুটিতে প্রবসিমরান সিং এবং প্রিয়ন্স আর্য মিলে ৪৩ রান যোগ করেন। ১৯ বলে ২৪ রান করে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হন আর্য। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৫২ রান করে পঞ্জাব। অন্য ওপেনিং ব্যাটসম্যান প্রবসিমরান সিং ২২ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৭২ রানে আউট হন। এরপরেই পাঞ্জাব সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার আউট হওয়ায়। মাত্র ১ রান করে আউট হন অধিনায়ক। ১০ ওভারে পঞ্জাবের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮১ রান। দারুণ ফর্মে থাকা জশ ইংলিস শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৩ বলে করেন ৩৯ রান। নেহাল ওয়াধেরাও ১৮ বলে ১৫ রান করে দলকে বিপদে ফেলেছেন। মার্কাস স্টয়নিস ও বিপদের মুখে দাঁড়াতে পারেননি। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়েই তার ইনিংস শেষ হয়ে যায়। তখন জয়ের জন্য ২১ বলে ৪৯ দরকার পঞ্জাবের, হাতে ৫ উইকেট।শেষদিকে একাই চেষ্টা করেছেন শশাঙ্ক সিং। তবে ৩০ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে তার ৬১ রানের ইনিংস আক্ষেপই বাড়িয়েছে পঞ্জাবের। বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ম্যাচ উইনিং বোলিং করেছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। আরসিবির হয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের ১৮ রানে বিধ্বংসী ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট আউট হন । দ্বিতীয় উইকেটে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন কোহলি। ১৮ বলে ২৪ রান করে আগারওয়ালের বিদায়ে ভাঙে জুটি। ৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান করে বেঙ্গালুরু। ফাইনালে কোহলির ব্যাট দ্রুত গতিতে চলেনি । এতে রানের চাপও বাড়ে । এরপর অধিনায়ক রজত পাতিদার ১৬ বলে ২৬ রান করে দলের ৯৬ রানের মাথায় আউট হলে আরসিবির বিপদ আরো বাড়ে। এরপরই দ্রুত গতিতে রান তুলতে গিয়ে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে তিনি ফেরেন কোহলি। তিনি আউট হন আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে। কোহলির আউট হয়ে যাবার পর ব্যাটিংয়ে কিছুটা ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। তাকে সঙ্গ দেন লিয়াম লিভিংস্টোন। তারা পঞ্চম উইকেটে ১২ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন।কিন্তু ১৭ ওভারে আউট হয়ে ফেরেন লিভিংস্টোন। তিনি ১৫ বলে ২৫ রান করে কাইল জেমিসনের বলে আউট হন। আর ১০ বলে ২৪ রান করে আউট হন জিতেশও। শেষ ৩ ওভারে বেঙ্গালুরু যে ২২ রান যোগ করেছে তা সম্ভব হয়েছে শেফার্ডের ৯ বলে ১৭ রানের ইনিংসের কল্যাণে। পঞ্জাবের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন আর্শদীপ সিং এবং কাইল জেমিসন।
কাশ্মীরের ঘটনায় ভারতকে সমর্থন অস্ট্রেলিয়ার, ধন্যবাদ জ্ঞাপন রাজনাথের
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসকে বুধবার দিল্লির মানেকশ সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অফ অনারের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো হয়েছে। অভিবাদন জানানোর পর দিল্লির মানেকশ সেন্টারে অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস দিল্লিতে জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেসের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, “আমাদের গত বৈঠকের পর থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্জিত উল্লেখযোগ্য মাইলফলকগুলি লক্ষ্য করা আনন্দের। আমি আশা করি আগামী বছরগুলিতে আমরা নতুন গতিতে কাজ করব, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বৃদ্ধিতে কার্যকরভাবে অবদান রাখব। ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি এবং নেতৃত্বের কারণে, গত তিন বছরে, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আমাদের ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে।” রাজনাথ সিং আরও বলেছেন, “আমি আজ একটি ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য অপেক্ষা করছি এবং আশা করি এটি ভারত ও অস্ট্রেলিয়া প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার জন্য একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করবে। এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ভারত আমাদের পশ্চিম সীমান্তে চরম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আমরা কাশ্মীরে বর্বর ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পদক্ষেপ নিয়েছি। এই বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থনের জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমরা বৈঠকের পরে এই বিষয়ে আরও কথা বলব।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে বৈঠকের সময় অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেন, “আগামী তিন বছর ধরে আপনার সাথে আবার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ সত্যিই রোমাঞ্চকর। গত তিন বছরে আমাদের সম্পর্ক এবং আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি। পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সকলের জন্য ভারতের প্রতি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা জানাতে চাই। আমাদের চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া ভারত এবং সমস্ত দেশের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার বিষয়টি স্বীকার করি এবং স্বাগত জানাই। আমরা এটিকে ভারতীয় নেতৃত্বের পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। তবে আমরা সকল ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় ভারতের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।”
দিল্লি আরও উন্নত ও বিশ্বমানের শহর হয়ে উঠবে : রেখা গুপ্তা
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : রাজধানী দিল্লি আরও উন্নত ও বিশ্বমানের হয়ে উঠবে। জোর দিয়ে বললেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বুধবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের মন্ত্রী নীতিন গড়করির সঙ্গে দেখা করেন। দিল্লির উপ-রাজ্যপাল বিনয় কুমার সাক্সেনাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেছেন, ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাওয়া আসন্ন প্রকল্পগুলির জন্য আমি এই প্রকল্পগুলির সঙ্গে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানাই। নীতিন গড়করি এবং নরেন্দ্র মোদীকে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধন্যবাদ, যাদের মাধ্যমে দিল্লি যানজট কমানো হচ্ছে, দূষণমুক্ত শহর হয়ে উঠছে এবং দিল্লির যানজট মসৃণ করা হচ্ছে।” মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আরও বলেছেন, “একইভাবে ইউইআর সড়কে ওভারব্রিজ এবং আন্ডারব্রিজ নির্মাণের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া আজ ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা অবিচল ছিল এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দিল্লি একটি উন্নত এবং বিশ্বমানের শহরে পরিণত হবে।”
দেশে মর্যাদার পরম্পরা আছে, কিন্তু বিরোধীরা তা ভাঙছে : শাহনওয়াজ হুসেন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন। বুধবার সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, “দেশে মর্যাদার একটি পরম্পরা আছে, কিন্তু বিরোধী দল তা ভাঙছে। জাতীয় ইস্যুতে সকলের এক সুরে কথা বলা উচিত। এটা কেবল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নয়, দেশের জন্যও অপমান।” আম আদমি পার্টিকে তুলোধনা করে সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেন বলেছেন, “আম আদমি পার্টি শেষ হয়ে গিয়েছে।”
কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার। বুধবার তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। কলকাতায় তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সী ও অরূপ বিশ্বাসের হাত ধরে দল বদল করেন শঙ্কর। দার্জিলিং কংগ্রেসের সভাপতি পদে ছিলেন মালাকার। সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ককে। যদিও শঙ্কর জানান, মঙ্গলবারই মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে তিনি চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠির প্রতিলিপিও তুলে ধরেন এ দিন। এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন শঙ্কর মালাকার। একই সঙ্গে তোপ দাগেন প্রদেশ কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও। স্পষ্ট বলেন, ‘এই প্রদেশ কংগ্রেস অযোগ্য। বাংলায় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের নেই।’ একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘এক দিকে কামতাপুরী রাজ্যের লোভ দেখানো হচ্ছে, এক দিকে গোর্খাল্যান্ডের লোভ দেখানো হচ্ছে। আবার নতুন রাজ্যের লোভও দেখাচ্ছে। উত্তরের সহজ সরল মানুষকে লোভ দেখিয়ে ছারখার করছে।’
ভারতে করোনার নতুন ঢেউ এবং চ্যালেঞ্জ
সকাল সকাল ডেস্ক। ডা. আনসার আহমেদ করোনা (কোভিড-১৯)-এর নতুন ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুতর পরীক্ষা। যদিও টিকাকরণ, পরীক্ষা এবং গণযোগাযোগের স্তরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, তবুও অবকাঠামোগত ঘাটতি, অসম প্রবেশাধিকার এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলি এখনও বিদ্যমান। যদি অতীত থেকে শেখা পাঠ গ্রহণ করে নিরন্তর বিনিয়োগ এবং সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করা হয়, তবে ভারত কেবল বর্তমান সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। সার্স-কোভ-২ ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বব্যাপী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে। মে ২০২৫ পর্যন্ত ভারতে ৪.৫ কোটিরও বেশি নিশ্চিত কেস এবং ৫.৩৩ লক্ষেরও বেশি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত মৃত্যু হয়েছে। এখন নতুন ভেরিয়েন্টগুলির সাথে কোভিড-১৯-এর একটি নতুন ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আবারও গুরুতর চাপে ফেলেছে। ভারতে কোভিড-১৯-এর প্রথম রোগী ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি শনাক্ত হয়েছিল। উহান (চীন) থেকে ফিরে আসা তিনজন মেডিকেল ছাত্রের ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট, যেমন বি.১.৬১৭ (ডেল্টা) এবং বি.১.১.৭ (আলফা) বিশেষ করে ২০২১ সালের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছিল। মে ২০২৫-এ সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্ট এবং সরকারি সতর্কতা অনুসারে, জেএন.১-এর মতো নতুন ভেরিয়েন্টগুলির উপস্থিতি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আবারও সতর্ক করে দিয়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ এবং ভারতীয় সার্স-কোভ-২ জিনোমিক্স কনসোর্টিয়াম (আইএনএসএসিওজি) জিনোমিক নজরদারি জোরদার করেছে। হাসপাতালগুলিতে গুরুতর শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং ফ্লু-এর মতো লক্ষণযুক্ত রোগীদের উপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। যদিও এই ঢেউয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম, তবুও মাস্ক পরার পরামর্শ এবং সতর্ক নজরদারি এই ভাইরাসের ক্রমাগত হুমকির প্রমাণ দেয়। এই ঢেউয়ের উত্থানের প্রধান কারণগুলির মধ্যে ভেরিয়েন্টগুলির জেনেটিক পরিবর্তনশীলতা অন্যতম। সার্স-কোভ-২-এর ক্রমাগত মিউটেশনের ক্ষমতা বিদ্যমান ভ্যাকসিন এবং চিকিৎসার কার্যকারিতা হ্রাস করেছে। আইএনএসএসিওজি ক্রমাগত নতুন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করতে কাজ করছে, কিন্তু ১.৩ বিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে সামগ্রিক জিনোমিক নজরদারি একটি জটিল চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, টিকাকরণের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভারত এ পর্যন্ত বিলিয়ন বিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজ বিতরণ করেছে, কিন্তু বুস্টার ডোজের কম হার এবং গ্রামীণ এলাকায় সীমিত প্রবেশাধিকার প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে। এর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কারণও রয়েছে। পূর্ববর্তী ঢেউ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, বেকারত্ব এবং অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুবিধা জনগণের দুর্বলতা আরও বাড়িয়েছে, যার ফলে নতুন স্বাস্থ্য উদ্যোগের সাফল্য সীমিত হচ্ছে। ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অবকাঠামোর উপর ক্রমবর্ধমান বোঝা অন্যতম। ২০২১ সালের দ্বিতীয় ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা উন্মোচন করেছে। অক্সিজেন, আইসিইউ বেড এবং ভেন্টিলেটরের ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। সরকার ৬০০-এরও বেশি বিশেষ কোভিড-১৯ কেন্দ্র স্থাপন করেছে এবং রেলওয়ে কোচকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করেছে, তবুও গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবা আজও অপর্যাপ্ত। ভারতে ডাক্তার থেকে রোগীর অনুপাত ১:১৭০০ এবং অনেক গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কর্মীর ব্যাপক অভাব রয়েছে। পরীক্ষা এবং নজরদারির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ২০২০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভারতে প্রায় ৪৯ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল, কিন্তু রাজ্যগুলির মধ্যে পরীক্ষা সক্ষমতায় অসমতা রয়ে গেছে। বিহারের মতো রাজ্যগুলিতে পরীক্ষার হার দিল্লির তুলনায় অনেক কম ছিল। জিনোমিক নজরদারি সত্ত্বেও, দ্রুত নির্ণয় এবং একত্রিত পরীক্ষার মতো কৌশলগুলির প্রয়োজনীয়তা রয়ে গেছে যাতে সংক্রমণ সময়মতো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা এবং ক্লান্তি সম্পর্কে সবাই অবগত। স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড-১৯-এর সবচেয়ে অগ্রভাগে রয়েছেন। বৈশ্বিক তথ্য অনুসারে, মোট মামলার মধ্যে ৪-১২ শতাংশ মামলা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে এবং ২০২০ সাল পর্যন্ত ভারতে ৯০ জনেরও বেশি ডাক্তার তাদের জীবন হারিয়েছেন। যদিও প্রতিদিন ছয় লক্ষ পিপিই কিট উৎপাদন শুরু হয়েছিল, তবুও গুণমান এবং বিতরণ সংক্রান্ত সমস্যা রয়ে গেছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের শারীরিক এবং মানসিক ক্লান্তি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা ক্ষমতার জন্য হুমকি। সামাজিক এবং আচরণগত বাধার সমস্যাগুলি আলাদা। শহুরে এলাকার ঘনবসতি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন করে তোলে। ২০২০ সালের লকডাউন অভিবাসন, বেকারত্ব,এবং খাদ্য সংকটের কারণ হয়েছিল। ভুল তথ্য এবং সামাজিক কলঙ্ক মানুষকে পরীক্ষা বা চিকিৎসা থেকে নিরুৎসাহিত করেছিল। সচেতনতা অভিযান শুরু করা হয়েছিল, কিন্তু আচরণগত পরিবর্তন ধীর এবং অসম ছিল। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযান চালিয়েছিল, যেখানে সিরাম ইনস্টিটিউট দ্বারা নির্মিত কোভিশিল্ড প্রধান ছিল। যদিও বুস্টার ডোজের কম হার এবং গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছানোর সমস্যা আজও বিদ্যমান। আইসিএমআর আরটি-পিসিআর কিটকে অনুমোদন দিয়েছে এবং র্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট শুরু করেছে। সংগৃহীত পরীক্ষা এবং স্ব-পরীক্ষা কিটের মতো ব্যবস্থা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সহায়ক হতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং পোস্ট-কোভিড যত্নের উপর জোর দিয়েছে। সাম্প্রতিক নির্দেশিকাগুলিতে সতর্কতা এবং ভারসাম্যের কৌশলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 2021 সালের বাজেটে ওয়ান হেলথ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছিল, যা মানুষ, পশু এবং পরিবেশের সম্মিলিত স্বাস্থ্য দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব দেয়। এর জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানিমাল বায়োটেকনোলজি একটি বিশেষ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি এখনও বিদ্যমান। যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি 2017-এ জুনোটিক মহামারীর আশঙ্কাকে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। টিবি নিয়ন্ত্রণ এবং টিকাকরণ কর্মসূচিতে প্রভাব পড়েছিল, যেমন 2019 থেকে 2020 সালের মধ্যে টিবি-র ক্ষেত্রে 24 শতাংশের পতন এসেছিল। করোনা মহামারী লিঙ্গ বৈষম্যকে আরও গভীর করেছিল। মহিলাদের চাকরি হারাতে হয়েছিল এবং যত্নের বোঝাও বেশি পড়েছিল। শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের পথ স্বাস্থ্য বাজেটকে জিডিপি-র ন্যূনতম 2.5 শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সময়ের দাবি। ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং বিকেন্দ্রীভূত মডেল গ্রহণ করে প্রতিক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা যেতে পারে। উচ্চ মানের পিপিই, পর্যাপ্ত স্টাফিং এবং মানসিক স্বাস্থ্য সুবিধা দেওয়া উচিত। স্বচ্ছ বার্তা এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে অভিযানগুলি ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে পারে। আয়ুর্বেদ এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিগুলিকে প্রতিরোধে অন্তর্ভুক্ত করে সম্প্রদায়গত প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করা যেতে পারে। ভ্যাকসিন বিতরণ এবং ভেরিয়েন্ট নজরদারিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ভারতের প্রস্তুতিকে সুদৃঢ় করতে পারে।