কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বর্ষীয়ান নেতা শঙ্কর মালাকার। বুধবার তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। কলকাতায় তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সী ও অরূপ বিশ্বাসের হাত ধরে দল বদল করেন শঙ্কর। দার্জিলিং কংগ্রেসের সভাপতি পদে ছিলেন মালাকার। সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ককে। যদিও শঙ্কর জানান, মঙ্গলবারই মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে তিনি চিঠি দিয়ে পদত্যাগের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠির প্রতিলিপিও তুলে ধরেন এ দিন। এ দিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন শঙ্কর মালাকার। একই সঙ্গে তোপ দাগেন প্রদেশ কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও। স্পষ্ট বলেন, ‘এই প্রদেশ কংগ্রেস অযোগ্য। বাংলায় কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের নেই।’ একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরবঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘এক দিকে কামতাপুরী রাজ্যের লোভ দেখানো হচ্ছে, এক দিকে গোর্খাল্যান্ডের লোভ দেখানো হচ্ছে। আবার নতুন রাজ্যের লোভও দেখাচ্ছে। উত্তরের সহজ সরল মানুষকে লোভ দেখিয়ে ছারখার করছে।’
ভারতে করোনার নতুন ঢেউ এবং চ্যালেঞ্জ
সকাল সকাল ডেস্ক। ডা. আনসার আহমেদ করোনা (কোভিড-১৯)-এর নতুন ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুতর পরীক্ষা। যদিও টিকাকরণ, পরীক্ষা এবং গণযোগাযোগের স্তরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, তবুও অবকাঠামোগত ঘাটতি, অসম প্রবেশাধিকার এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলি এখনও বিদ্যমান। যদি অতীত থেকে শেখা পাঠ গ্রহণ করে নিরন্তর বিনিয়োগ এবং সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করা হয়, তবে ভারত কেবল বর্তমান সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। সার্স-কোভ-২ ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বব্যাপী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে। মে ২০২৫ পর্যন্ত ভারতে ৪.৫ কোটিরও বেশি নিশ্চিত কেস এবং ৫.৩৩ লক্ষেরও বেশি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত মৃত্যু হয়েছে। এখন নতুন ভেরিয়েন্টগুলির সাথে কোভিড-১৯-এর একটি নতুন ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আবারও গুরুতর চাপে ফেলেছে। ভারতে কোভিড-১৯-এর প্রথম রোগী ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি শনাক্ত হয়েছিল। উহান (চীন) থেকে ফিরে আসা তিনজন মেডিকেল ছাত্রের ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট, যেমন বি.১.৬১৭ (ডেল্টা) এবং বি.১.১.৭ (আলফা) বিশেষ করে ২০২১ সালের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছিল। মে ২০২৫-এ সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্ট এবং সরকারি সতর্কতা অনুসারে, জেএন.১-এর মতো নতুন ভেরিয়েন্টগুলির উপস্থিতি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আবারও সতর্ক করে দিয়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ এবং ভারতীয় সার্স-কোভ-২ জিনোমিক্স কনসোর্টিয়াম (আইএনএসএসিওজি) জিনোমিক নজরদারি জোরদার করেছে। হাসপাতালগুলিতে গুরুতর শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং ফ্লু-এর মতো লক্ষণযুক্ত রোগীদের উপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। যদিও এই ঢেউয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম, তবুও মাস্ক পরার পরামর্শ এবং সতর্ক নজরদারি এই ভাইরাসের ক্রমাগত হুমকির প্রমাণ দেয়। এই ঢেউয়ের উত্থানের প্রধান কারণগুলির মধ্যে ভেরিয়েন্টগুলির জেনেটিক পরিবর্তনশীলতা অন্যতম। সার্স-কোভ-২-এর ক্রমাগত মিউটেশনের ক্ষমতা বিদ্যমান ভ্যাকসিন এবং চিকিৎসার কার্যকারিতা হ্রাস করেছে। আইএনএসএসিওজি ক্রমাগত নতুন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করতে কাজ করছে, কিন্তু ১.৩ বিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে সামগ্রিক জিনোমিক নজরদারি একটি জটিল চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, টিকাকরণের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভারত এ পর্যন্ত বিলিয়ন বিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজ বিতরণ করেছে, কিন্তু বুস্টার ডোজের কম হার এবং গ্রামীণ এলাকায় সীমিত প্রবেশাধিকার প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে। এর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কারণও রয়েছে। পূর্ববর্তী ঢেউ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, বেকারত্ব এবং অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুবিধা জনগণের দুর্বলতা আরও বাড়িয়েছে, যার ফলে নতুন স্বাস্থ্য উদ্যোগের সাফল্য সীমিত হচ্ছে। ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অবকাঠামোর উপর ক্রমবর্ধমান বোঝা অন্যতম। ২০২১ সালের দ্বিতীয় ঢেউ ভারতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা উন্মোচন করেছে। অক্সিজেন, আইসিইউ বেড এবং ভেন্টিলেটরের ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। সরকার ৬০০-এরও বেশি বিশেষ কোভিড-১৯ কেন্দ্র স্থাপন করেছে এবং রেলওয়ে কোচকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করেছে, তবুও গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবা আজও অপর্যাপ্ত। ভারতে ডাক্তার থেকে রোগীর অনুপাত ১:১৭০০ এবং অনেক গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কর্মীর ব্যাপক অভাব রয়েছে। পরীক্ষা এবং নজরদারির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ২০২০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভারতে প্রায় ৪৯ লক্ষ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল, কিন্তু রাজ্যগুলির মধ্যে পরীক্ষা সক্ষমতায় অসমতা রয়ে গেছে। বিহারের মতো রাজ্যগুলিতে পরীক্ষার হার দিল্লির তুলনায় অনেক কম ছিল। জিনোমিক নজরদারি সত্ত্বেও, দ্রুত নির্ণয় এবং একত্রিত পরীক্ষার মতো কৌশলগুলির প্রয়োজনীয়তা রয়ে গেছে যাতে সংক্রমণ সময়মতো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা এবং ক্লান্তি সম্পর্কে সবাই অবগত। স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড-১৯-এর সবচেয়ে অগ্রভাগে রয়েছেন। বৈশ্বিক তথ্য অনুসারে, মোট মামলার মধ্যে ৪-১২ শতাংশ মামলা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে এবং ২০২০ সাল পর্যন্ত ভারতে ৯০ জনেরও বেশি ডাক্তার তাদের জীবন হারিয়েছেন। যদিও প্রতিদিন ছয় লক্ষ পিপিই কিট উৎপাদন শুরু হয়েছিল, তবুও গুণমান এবং বিতরণ সংক্রান্ত সমস্যা রয়ে গেছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের শারীরিক এবং মানসিক ক্লান্তি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা ক্ষমতার জন্য হুমকি। সামাজিক এবং আচরণগত বাধার সমস্যাগুলি আলাদা। শহুরে এলাকার ঘনবসতি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন করে তোলে। ২০২০ সালের লকডাউন অভিবাসন, বেকারত্ব,এবং খাদ্য সংকটের কারণ হয়েছিল। ভুল তথ্য এবং সামাজিক কলঙ্ক মানুষকে পরীক্ষা বা চিকিৎসা থেকে নিরুৎসাহিত করেছিল। সচেতনতা অভিযান শুরু করা হয়েছিল, কিন্তু আচরণগত পরিবর্তন ধীর এবং অসম ছিল। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযান চালিয়েছিল, যেখানে সিরাম ইনস্টিটিউট দ্বারা নির্মিত কোভিশিল্ড প্রধান ছিল। যদিও বুস্টার ডোজের কম হার এবং গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছানোর সমস্যা আজও বিদ্যমান। আইসিএমআর আরটি-পিসিআর কিটকে অনুমোদন দিয়েছে এবং র্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট শুরু করেছে। সংগৃহীত পরীক্ষা এবং স্ব-পরীক্ষা কিটের মতো ব্যবস্থা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সহায়ক হতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং পোস্ট-কোভিড যত্নের উপর জোর দিয়েছে। সাম্প্রতিক নির্দেশিকাগুলিতে সতর্কতা এবং ভারসাম্যের কৌশলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 2021 সালের বাজেটে ওয়ান হেলথ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছিল, যা মানুষ, পশু এবং পরিবেশের সম্মিলিত স্বাস্থ্য দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব দেয়। এর জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যানিমাল বায়োটেকনোলজি একটি বিশেষ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি এখনও বিদ্যমান। যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি 2017-এ জুনোটিক মহামারীর আশঙ্কাকে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। টিবি নিয়ন্ত্রণ এবং টিকাকরণ কর্মসূচিতে প্রভাব পড়েছিল, যেমন 2019 থেকে 2020 সালের মধ্যে টিবি-র ক্ষেত্রে 24 শতাংশের পতন এসেছিল। করোনা মহামারী লিঙ্গ বৈষম্যকে আরও গভীর করেছিল। মহিলাদের চাকরি হারাতে হয়েছিল এবং যত্নের বোঝাও বেশি পড়েছিল। শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের পথ স্বাস্থ্য বাজেটকে জিডিপি-র ন্যূনতম 2.5 শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সময়ের দাবি। ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং বিকেন্দ্রীভূত মডেল গ্রহণ করে প্রতিক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা যেতে পারে। উচ্চ মানের পিপিই, পর্যাপ্ত স্টাফিং এবং মানসিক স্বাস্থ্য সুবিধা দেওয়া উচিত। স্বচ্ছ বার্তা এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে অভিযানগুলি ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে পারে। আয়ুর্বেদ এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিগুলিকে প্রতিরোধে অন্তর্ভুক্ত করে সম্প্রদায়গত প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করা যেতে পারে। ভ্যাকসিন বিতরণ এবং ভেরিয়েন্ট নজরদারিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ভারতের প্রস্তুতিকে সুদৃঢ় করতে পারে।
সংসদের বিশেষ অধিবেশন চাইছেন বিরোধীরা, ইন্ডি জোটের বৈঠকে ঐক্যমত্য
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : সংসদের বিশেষ অধিবেশন চাইছেন বিরোধীরা, ইন্ডি জোটের বৈঠকে এ বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছেন বিরোধী দলের সাংসদরা। মঙ্গলবার ইন্ডি জোটের বৈঠকের পর তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন বলেছেন, “১৬টি দল প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের দাবিতে চিঠি লিখেছে। চিঠিতে পুঞ্চ, উরি, রাজৌরি এবং সংসদে অবাধ আলোচনার কথা বলা হয়েছে। সরকার সংসদের কাছে দায়ী; সংসদ জনগণের কাছে দায়ী। সেই কারণেই আমরা সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখা দলগুলি হল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, এআইটিসি, ডিএমকে, শিবসেনা (ইউবিটি), আরজেডি, জম্মু ও কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স, সিপিআই (এম), আইইউএমএল, সিপিআই, আরএসপি, জেএমএম, ভিসিকে, কেরালা কংগ্রেস, এমডিএমকে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) লিবারেশন। এএপি আগামীকাল সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখবে।” ইন্ডি জোটের বৈঠকের পর, সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাম গোপাল যাদব বলেন, “আমরা জানতে চাই কোন কোন দেশ আমাদের সমর্থন করেছে। ভারতের সমর্থনে একটিও দেশ এগিয়ে আসেনি। এটা উদ্বেগজনক। আমরা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। জনসাধারণ মনে করছে, আমাদের যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর সারা বিশ্বে দেশের সম্মান কমে গেছে।”
ভাষা বিতর্কে অস্বস্তিতে কমল হাসান, অভিনেতাকে ভর্ৎসনা আদালতের
সকাল সকাল ডেস্ক। বেঙ্গালুরু : ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’ অভিনেতা কমল হাসানকে তীব্র ভর্ৎসনা করল কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, তিনি অভিনেতা হতে পারেন, কিন্তু কারও ভাবাবেগে আঘাত করার অধিকার নেই। সম্প্রতি তামিল থেকে কন্নড় ভাষার জন্ম বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন অভিনেতা। তারপরই কর্নাটকে তাঁর ছবি নিষিদ্ধ করা হয়। পাল্টা আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই শুনতে হল এই কথা। কর্নাটক হাইকোর্ট অভিনেতাকে তিরস্কার করে বলেছে, ‘আপনি ইতিহাসবিদ?’।
দেশে কোভিডে মৃত্যু বেড়ে ৩৭, ভয় ধরাচ্ছে নতুন সংক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭। অন্যদিকে, মঙ্গলবার গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,০২৬। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন। তবে একদিনে একসঙ্গে একাধিক কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু ভয় ধরাচ্ছে। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে গুজরাটে। সেখানে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ জন। অন্যদিকে, কেবল গুজরাটে বর্তমানে কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩৭২। এর পরেই একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর সন্ধান মিলেছে। তবে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থানে কেরল। সে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১৬ জন। এর পরই স্থান মহারাষ্ট্রের। মঙ্গলবার সে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট, চতুর্থ দিল্লি। সেখানে যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত বেশ কয়েক জন রোগী সেরে ওঠায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩।
লিগার বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার পেলেন ফ্লিক
সকাল সকাল ডেস্ক। বার্সেলোনা : কাতালান ক্লাবটিকে শিরোপা জিতিয়ে লা লিগার বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার পেলেন হান্সি ফ্লিক। ফ্লিকের কোচিংয়ে এবার ঘরোয়া ফুটবলে দুর্দান্ত এক মরসুম কাটাল বার্সেলোনা। স্পেনের শীর্ষ লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে তারা। রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে দুই রাউন্ড বাকি থাকতে থাকতেই শিরোপার নিশ্চিত করেছে তারা। আসরে ৩৮ ম্যাচে দলটি করেছে ১০২ গোল। ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগে এবারের মরসুমে যা হয়েছে সর্বোচ্চ। চলতি মরসুমে ৩ বার মাস সেরা কোচের পুরস্কার জেতেন ফ্লিক। কার্লো আনচেলত্তি, দিয়েগো সিমেওনেদের মতো অভিজ্ঞ ও খ্যাতিমান কোচদের পেছনে ফেলে বার্সেলোনায় নিজের প্রথম মরসুমেই জিতে নিলেন বর্ষসেরার পুরস্কার।
ডিআরআই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শক্তিশালী স্তম্ভ : নির্মলা সীতারমন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন মঙ্গলবার দিল্লিতে ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) সদর দফতরের নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল অভিভাবক। চোরাচালান, মাদক পাচার অথবা অবৈধ বাণিজ্যের মতো ঝুঁকি থেকে দেশকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে ডিআরআই-এর ভূমিকা তুলে ধরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সীতারমন বলেন, ডিআরআই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি শক্তিশালী স্তম্ভ।
দেশে ফিরলো কানিমোঝির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : দেশে ফিরে এল ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। অপারেশন সিঁদুরের উপর বিশ্বব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে রাশিয়া, স্লোভেনিয়া, গ্রীস, লাতভিয়া এবং স্পেন সফর শেষে ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝির নেতৃত্বে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার দেশে ফিরেছে। ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝির নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলের মধ্যে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাজীব রাই, বিজেপি সাংসদ ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ চৌতা (অবসরপ্রাপ্ত), এএপি সাংসদ অশোক কুমার মিত্তল, আরজেডি সাংসদ প্রেম চাঁদ গুপ্ত এবং রাষ্ট্রদূত মঞ্জীব এস পুরি।
‘সনাতনী শর্মিষ্ঠা’র মুক্তির প্রচারের মাত্রা বাড়ানোর আর্জি সুকান্তর
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : “আপনাদের সামাজিক মাধ্যম জুড়ে চলুক সংগঠিত মিলিত আওয়াজ, ‘সনাতনী শর্মিষ্ঠার মুক্তি চাই।’ সোমবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার। তিনি লিখেছেন, “১৩ জুন হাইকোর্টে সনাতনী হিন্দু বোন শর্মিষ্ঠার মামলার শুনানি হবে। ৩০ শতাংশকে হারাতে হবে, ৩০ শতাংশকে বোঝাতে হবে সনাতনী হিন্দুদের ক্ষমতা।” প্রসঙ্গত, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করেছেন পুণের আইন পড়ুয়া শর্মিষ্ঠা পানোলি। এমনই অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। এই নিয়ে মুখ খুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, তথাগত রায়, অগ্নিমিত্রা পাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রতি কটাক্ষ ছুড়ে বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গকে উত্তর কোরিয়া বানানোর চেষ্টা করবেন না।’
বিহারে এনডিএ সরকার গঠন করবে, আশাবাদী শিবরাজ
সকাল সকাল ডেস্ক। পূর্ব চম্পারণ : বিহারে ২০২৬ সালের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার গঠন করবে, এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহান। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ২০২৬ সালে, এনডিএ সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সরকার গঠন করবে বিহারে। আগামী বছরই বিহারে নির্বাচন। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, “বিহারে এনডিএ সরকার গঠন করবে। ২০২৬ সালে, এনডিএ সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সরকার গঠন করবে।” অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেছেন, “আমাদের বাহিনীর বীরত্ব এবং নেতৃত্বের কৌশলকে আমি কুর্নিশ জানাই। সমগ্র দেশ গর্বিত। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও রাজনৈতিক দল থাকা উচিত নয়। দুর্ভাগ্যবশত, কংগ্রেস এবং অন্যান্য কিছু রাজনৈতিক দল অপারেশন সিঁদুর নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তাঁরা পাকিস্তানের ভাষা বলছে… রাজনৈতিক লাভের জন্য, তারা প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরোধিতা করার সময় দেশের বিরোধিতা শুরু করেছে… দেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না।”