সকাল সকাল ডেস্ক
শিলিগুড়ি : পর্যটন মরসুমের মাঝেই পাহাড় ও তরাই অঞ্চল থেকে এক বড় সুখবর সামনে এসেছে। পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক এবং বেঙ্গল সাফারিতে বেশ কিছু বিরল বন্যপ্রাণী শীঘ্রই জন্ম নিতে চলেছে, যা নিয়ে বন্যপ্রাণ প্রেমীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
দার্জিলিং চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এখানে সিলভার ফিজেন্ট এবং অত্যন্ত বিরল প্রজাতির মিশমি টাকিন অন্তঃসত্ত্বা। বিশেষত, মিশমি টাকিনের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির সফল প্রজননকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দিশায় এক বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই চিড়িয়াখানায় ৭টি মিশমি টাকিন এবং ২৩টি সিলভার ফিজেন্ট রয়েছে। এই প্রাণীদের জন্য বিশেষ ডায়েট চার্ট তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তাদের ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হচ্ছে।
চিড়িয়াখানা প্রশাসন অন্তঃসত্ত্বা প্রাণীদের জন্য অত্যন্ত শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তাদের প্রতিটি গতিবিধির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। কোনো প্রকার সমস্যা এড়াতে পশুচিকিৎসকরা প্রতিদিন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারিতেও ভালো খবর পাওয়া গেছে। এখানকার একটি স্ত্রী হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার বা কালো ভাল্লুক অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। সাফারির অধিকর্তার মতে, ভাল্লুকের গর্ভাবস্থা সাধারণত আট থেকে নয় মাস হয়, তবে জন্ম না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরিস্থিতি নিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, যদি এই প্রজনন সফল হয় তবে এটি কেবল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেই বড় সাফল্য হবে না, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটনকেও এক নতুন গতি প্রদান করবে।
No Comment! Be the first one.