সাধ্যের মধ্যে স্ট্রোক চিকিৎসায় বিপ্লব আনবে দেশীয় প্রযুক্তি, দাবি বিশেষজ্ঞদের
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৫ সেপ্টেম্বর : মস্তিষ্কের বড় শিরাতে জমাট বাঁধা রক্ত অস্ত্রোপচারে এবার ব্যবহৃত হবে দেশের তৈরি ‘যন্ত্র’। দিল্লি এইমস-সহ দেশের মোট আটটি হাসপাতালে স্ট্রোকের চিকিৎসায় ওই যন্ত্রের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পরে তা ব্যবহারে ছাড়পত্র দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই জানালেন ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’-এ অংশ নেওয়া একবালপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা। প্রায় বছরখানেক ধরে ওই পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেশের পূর্বাঞ্চলে একমাত্র অংশ নিয়েছিল কলকাতার সিএমআরআই হাসপাতাল। সেখানকার স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ দীপ দাস জানান, মস্তিষ্কের ভিতরের বড় শিরাতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন রোগী। সাধারণত এক চতুর্থাংশ ক্ষেত্রে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে রোগীর মৃত্যু হয়। আর, তিন চতুর্থাংশ ক্ষেত্রে রোগী জীবিত থাকলেও জটিল পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন। তিনি আরও জানান, বড় শিরার ক্ষেত্রে রক্ত গলানোর (থ্রম্বলাইসিস) ওষুধে কাজ হয় না। তখন মেকানিক্যাল থ্রম্বেক্টমি করতে হয়। ডাঃ দীপ দাস বলেন, অস্ত্রোপচারে বিদেশি যে স্টেন্ট রিট্রিভার-ডিভাইস ব্যবহার করা হয়, তার দাম প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। দেশীয় যন্ত্রটিতে আমজনতার উপকার হবে। তিনি এও বলেন, প্রায় বছরখানেক যাবৎ ৮টি হাসপাতালের মোট ৪২ জন রোগীর অস্ত্রোপচারে ওই যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। যন্ত্রটির কার্যকারীতা ও সুরক্ষা বিষয়ক রিপোর্ট খতিয়ে দেখেছে কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটি। তারপরেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের ছাড়পত্র মিলছে। ডাঃ দীপ দাস বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, উক্ত প্রক্রিয়ায় নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোলজির প্রফেসর বিমান কান্তি রায়। পাশাপাশি গ্র্যাভিটি ইন্টারন্যাশনাল এর মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক ডঃ শাশ্বত দেশাই এর বড় ভূমিকা ছিল তৃণমূল স্তরে ট্রায়ালের ক্ষেত্রে। জানা যাচ্ছে, পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য যন্ত্রটি বিদেশে তৈরি হলেও, আগামী দু’মাসের মধ্যে ওই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় সংস্থা সেটি তৈরির কাজ শুরু করবে। তাতে দেশীয় বাজারে প্রায় ৫০ শতাংশ কম দামে যন্ত্রটি মিলবে।
যমুনার জলস্তর বিপদসীমার ওপর, দিল্লিতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : বৃষ্টিও থামছে না, যমুনার জলস্তরও কমছে না; উল্টে বাড়ছে। বুধবারও যমুনা নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী সংলগ্ন এলাকার কিছু অংশে যমুনা নদীর জল ঘরে ঢুকে পড়েছে। যমুনা নদীর জল উত্তাল হওয়ায় ওখলা ব্যারেজের সকল গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর জল নিগমবোধ ঘাটেও প্রবেশ করেছে। দিল্লির যমুনা বাজার এলাকাতেও জল ঢুকে গিয়েছে। উত্তর প্রদেশের মথুরাতেও যমুনা নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ইতিমধ্যেই নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসন মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট: নকশাল নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নেই – অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্টের সাফল্য উদযাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার সিআরপিএফ, ছত্তিশগড় পুলিশ, ডিআরজি ও কোবরা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সম্মাননা জানান। কারেগুত্তালু পাহাড়ে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সম্মান জানান অমিত শাহ। দিল্লিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমান্তের কুরাগুত্তালু পাহাড়ে নকশালবাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই বিশাল অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৩১ জন কুখ্যাত নকশালকে খতম করেছে। এই বছরের ২১ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত নকশাল-বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অমিত শাহ বলেন, অভিযানের সময় জওয়ানদের সাহসিকতা এবং বীরত্ব নকশাল-বিরোধী অভিযানের ইতিহাসে একটি স্বর্ণালী অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হবে। তিনি বলেন, দেশ নকশালমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত মোদী সরকার বিশ্রাম নেবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাপ, উচ্চতা এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আইইডির বিপদ সত্ত্বেও, নিরাপত্তা বাহিনী উচ্চ মনোবলের সঙ্গে অভিযান সফল করেছে এবং নকশালদের বেস ক্যাম্প ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, কারেগুত্তালু পাহাড়ে নির্মিত নকশালদের ঘাঁটি পুলিশ, সিআরপিএফ, জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং কোবরার জওয়ানরা বীরত্বের সঙ্গে ধ্বংস করেছে। অমিত শাহ আরও বলেন, নকশালপন্থীরা দেশের স্বল্পোন্নত অঞ্চলগুলিতে ব্যাপক ক্ষতি করেছে, স্কুল, হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে এবং সরকারি প্রকল্পগুলি জনগণের কাছে পৌঁছাতে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, নকশাল-বিরোধী অভিযানের কারণে পশুপতিনাথ থেকে তিরুপতি পর্যন্ত এলাকার ৬.৫ কোটি মানুষের জীবনে নতুন সূর্যোদয় ঘটেছে। শাহ বলেন, নকশাল-বিরোধী অভিযানে গুরুতর শারীরিক আঘাতপ্রাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবনযাত্রাকে মসৃণ করার জন্য মোদী সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সম্পত্তির দাম বৃদ্ধিতে বেঙ্গালুরু শীর্ষে, হাওড়া সর্বনিম্ন
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর : ভারতের উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে সম্পত্তির মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে বেঙ্গালুরু। আর একদম শেষে হাওড়া। স্পষ্ট করে বললে, হাওড়ায় সম্পত্তির দাম নিম্নমুখী। ন্যাশনাল হাউজিং ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি সর্বভারতীয় সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৫০টির মধ্যে ৪৫টি শহরে সম্পত্তির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বেঙ্গালুরু +৯.১% হারে এগিয়ে, যেখানে হাওড়ায় সবচেয়ে বেশি পতন (-৬.১%) দেখা গেছে। ওপর থেকে বেঙ্গালুরুর ঠিক পরে আছে চেন্নাই, আহমেদাবাদ ও কলকাতা। বৃদ্ধির হার যথাক্রমে +৭%, +৬.৮% ও +৬.৮%। এর পর তিনটি শহর যথাক্রমে পুণে, মুম্বই, হায়দরাবাদ +৬%, +৫.২% ও +২.৩%। পতনের দিক থেকে হাওড়ার ঠিক ওপরে আছে কোচি এবং তিরুবনন্তপুরম, পতনের শতাংশ যথাক্রমে -৫.৫% এবং -৪.৮%। ইংরেজিতে এই সমীক্ষা সামাজিক মাধ্যমে আসার পর ৭৮টি প্রতিক্রিয়া এসেছে, সবই ইংরেজিতে। আনন্দ শাহ লিখেছেন, “মমতা বেগমের রাজত্বে সম্পত্তির মূল্যহ্রাস!” শুভ মজুমদার লিখেছেন, “মোল্লা বেড়েছে, মূল্য কমেছে!” অনির্বান ঘোষ লিখেছেন, “এই প্রবণতা থেকে বোঝা যায় যে কমিউনিস্ট শাসিত রাজ্যগুলি এবং আগের কমিউনিস্ট রাজ্যগুলি সম্পত্তির মূল্যায়ন হ্রাস পাচ্ছে কারণ মানুষ এই শহরগুলিকে বসবাসের জন্য উপযুক্ত মনে করছে না।” অরুণ ম্যাকডোনাল্ড লিখেছেন, “যদি আপনি ভাবেন কেন সম্পত্তির দাম কমেছে, হাওড়াকে এশিয়ার দ্বিতীয় নোংরা শহর হিসাবেও চিহ্ণিত করা হয়েছে।”
বৃষ্টিতে বিরাম নেই, দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গে অব্যাহত বর্ষণ
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ৩০ আগস্ট : কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। তবে উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা রাজ্যের ওপর নেই, তবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হড়পা বান, রামবানে মৃত ৪, নিখোঁজ ১
সকাল সকাল ডেস্ক। রামবান, ৩০ আগস্ট : জম্মু ও কাশ্মীরের রামবান জেলায় মেঘভাঙা বৃষ্টির পর হড়পা বানে ৪ জন নিহত হয়েছেন, একজন নিখোঁজ রয়েছেন। রাজগড় তেহসিলে এই ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধার অভিযান চলছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হঠাৎ বন্যার ফলে সম্পত্তির ক্ষতি এবং এলাকায় স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছে, রামবান ডিসির সঙ্গে কথা হয়েছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
কাঠুয়া–মাধোপুর লাইনে ট্র্যাক বিপর্যয়, জম্মু ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল
সকাল সকাল ডেস্ক। জম্মু, ৩০ আগস্ট : কাঠুয়া–মাধোপুর ডাউন লাইনের ব্রিজ নম্বর ১৭-এ ট্র্যাকের মিসঅ্যালাইনমেন্টের কারণে রেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জম্মু ডিভিশন থেকে ছাড়ার ও আসার একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে, কিছু ট্রেন স্বল্পপথে শেষ করা হয়েছে অথবা স্বল্পপথ থেকে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার (৩১ আগস্ট) জম্মু তাওয়াই ও মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্টেশন থেকে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এতে রয়েছে জেলম এক্সপ্রেস (জম্মু–পুণে), হিমগিরি এক্সপ্রেস (জম্মু–হাওড়া), অর্চনা এক্সপ্রেস (জম্মু–পাটনা), জম্মু–আজমের এক্সপ্রেস, জম্মু–নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, উত্তর সমপর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, শ্রীশক্তি এক্সপ্রেস এবং দু’টি বন্দে ভারত ট্রেন। এছাড়া কাটরা থেকে চলা মালবা এক্সপ্রেস, জামনগর এক্সপ্রেস, কোটা এক্সপ্রেস, জম্মু মেল এবং উদমপুর থেকে ছাড়ার দিল্লি এসি এক্সপ্রেসসহ একাধিক স্থানীয় ডিএমইউ পরিষেবা প্রভাবিত হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ট্র্যাকের মেরামতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে। যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, যাত্রা করার আগে তাদের ট্রেনের বর্তমান অবস্থা নিশ্চিতভাবে যাচাই করার জন্য।
জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক বন্ধ, জখেনি-চেনানি এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির কারণে যাত্রা বারণ
সকাল সকাল ডেস্ক। জম্মু, ২৯ আগস্ট : জখেনি এবং চেনানির মাঝে ব্যাপক ক্ষতির কারণে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক শুক্রবার পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের এক আধিকারিক জানান, মেরামতির কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সড়কে যাত্রীদের না চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, মানুষ যেন কোনও গুজবে কান না দেন। এদিকে মুঘল রোড ও শ্রীনগর-সোনমার্গ-গুমরি রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সিন্থান রোড আপাতত শুধুমাত্র হালকা যান চলাচলের জন্য খোলা হয়েছে। প্রশাসন যাত্রীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ওভারটেক এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশে কোভিডে মৃত্যু বেড়ে ৩৭, ভয় ধরাচ্ছে নতুন সংক্রমণ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৭। অন্যদিকে, মঙ্গলবার গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,০২৬। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন। তবে একদিনে একসঙ্গে একাধিক কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু ভয় ধরাচ্ছে। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে গুজরাটে। সেখানে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ জন। অন্যদিকে, কেবল গুজরাটে বর্তমানে কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩৭২। এর পরেই একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর সন্ধান মিলেছে। তবে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থানে কেরল। সে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১৬ জন। এর পরই স্থান মহারাষ্ট্রের। মঙ্গলবার সে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হিসেবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট, চতুর্থ দিল্লি। সেখানে যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত বেশ কয়েক জন রোগী সেরে ওঠায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৯৩।
संविधान दिवस पर वाराणसी आईजी जोन ने पुलिस कर्मियों को दिलाई शपथ
वाराणसी,26 नवम्बर (हि.स.)। भारतीय संविधान की 75वीं वर्षगांठ पर मंगलवार को वाराणसी परिक्षेत्र के पुलिस महानिरीक्षक मोहित गुप्ता ने परिक्षेत्रीय कार्यालय पर पुलिस कर्मियों को राष्ट्र की एकता और अखंडता को बनाए रखने की शपथ दिलाई।