বিমান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : বিমান দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সোমবার আহমেদাবাদে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. পি কে মিশ্র। মেঘনানী নগরে বিজে মেডিকেল কলেজের কাছে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। রাজ্য সরকার, বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো এবং ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্তারা তাঁকে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ সম্পর্কে জানান। আহমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে ড. মিশ্র শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখাও করেন এবং ডিএনএ নমুনা মেলানোর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি কর্মরত আধিকারিকদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সহজ এবং মানবিকভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। তিনি আহতদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং হাসপাতাল কোর্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যের প্রতি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলেন। গান্ধীনগরের ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে ড. মিশ্র ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করেন। আহমেদাবাদের সার্কিট হাউসে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করে ডঃ মিশ্র। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তরুণ কাপুর এবং পিএমও-র ডেপুটি সেক্রেটারি মঙ্গেশ ঘিলদিয়াল।
জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার জনগণনার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দিল কেন্দ্র। এর ফলে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ল। সোমবার ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং জনশুমারি কমিশনার (আরজিসিসিআই) মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণের তরফে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
কেদারনাথে হেলিকপ্টার ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের
সকাল সকাল ডেস্ক। দেরাদুন : কেদারনাথে ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার। রবিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ২৩ মাস বয়সী এক শিশু-সহ ৭ জন নিহত হয়। শিশুটি ছাড়াও নিহতদের মধ্যে আছেন রাজকুমার সুরেশ জয়সওয়াল (৪১), শ্রদ্ধা সুরেশ জয়সওয়াল (৩৫), বিক্রম সিং রাওয়াত (৪৬), পাইলট ক্যাপ্টেন রাজীব, বিনোদা দেবী (৬৬) এবং তুষ্টি সিং (১৯)। সমস্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। উদ্ধারকাজে নামে এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ। জানা গিয়েছে, গৌরিকুণ্ড ও ত্রিযুগীনারায়ণের মাঝে গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। মনে করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়েছে। জানা গিয়েছে, কেদারনাথ ধামের কাছেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুপ্তকাশী যাচ্ছিল কপ্টারটি। ভোর ৫টা নাগাদ ওড়ে কপ্টারটি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তা নীচে নামতে শুরু করে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাড়ে ৫টা নাগাদ গৌরিকুণ্ড ও ত্রিযুগীনারায়ণের মাঝে গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ে কপ্টারটি।
ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত বিজয় রূপাণীর দেহ
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা গেল গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীর দেহ। বিমান দুর্ঘটনার পর মৃতদের দেহ চিহ্নিত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ-ও সংগ্রহ করা হয়েছিল আগেই। রবিবার সেই পরীক্ষাতেই চিহ্নিত করা গিয়েছে বিজয় রূপানির দেহ। আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন বিজয় রূপাণীও। একাধিক যাত্রীর শরীর রীতিমতো ঝলসে গিয়েছিল আগুনে। তাঁদের চেনা যাচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহ শনাক্তকরণের পদ্ধতি নেওয়া হয়েছিল।
ভারত জাপান এবং ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে গেছে: বিজয় রঘুবংশী
সকাল সকাল ডেস্ক। সুলতানপুর : অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিক থেকে ভারত জাপান এবং ব্রিটেনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। ১১ বছরের সেবা, সুশাসন, দরিদ্রদের কল্যাণ উন্নয়ন এবং উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। রবিবার লাম্বুয়ায় আয়োজিত বিকাশিত ভারত সংকল্প সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় বিজেপির বিজয় সিং রঘুবংশী একথা বলেন। তিনি অপারেশন সিঁদুরকে নতুন ভারতের বৈশ্বিক শক্তির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। লাম্বুয়া মণ্ডলের সভাপতি শের বাহাদুর সিং, প্রাক্তন রাজ্য কার্যকরী কমিটির সদস্য শিবকান্ত মিশ্রের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা কেন্দ্রে মোদী সরকারের সমস্ত অর্জন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ভারত উন্নয়ন এবং সুশাসনের একটি নতুন কাহিনী রচনা করেছে। ২০১৪ সালের আগে দেশ খারাপ অবস্থায় ছিল। কংগ্রেস সরকারের আমলে কোনও উন্নয়ন হয়নি, দুর্নীতির খবর সংবাদপত্রে শিরোনামে থাকত। তিনি ২০৪৭ সালে ভারতকে বিকশিত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প পূরণে কর্মীদের অবদান রাখার আহ্বান জানান। জেলা সাধারণ সম্পাদক বিজয় ত্রিপাঠী, মণ্ডল ইনচার্জ গোবিন্দ তিওয়ারি তাদাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
আহমেদাবাদ দুর্ঘটনা: বিমানের পেছনদিক থেকে বিমানসেবিকার দেহ উদ্ধার, ৪ মেডিকেল পড়ুয়ার মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : দুর্ঘটনার তৃতীয় দিন শনিবার সকালে বিধ্বস্ত বিমানের পেছন অংশ থেকে এক বিমানসেবিকার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় হোস্টেলে উপস্থিত ৪ এমবিবিএস ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মৃতদেহ শনাক্তকরণের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা নেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হয়েছে। বিমান দুর্ঘটনাস্থলে তৃতীয় দিনেও ত্রাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। এজন্য বিপুল সংখ্যক উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, শনিবার সকালে আহমেদাবাদ দমকল বাহিনীর একটি দল উদ্ধার সরঞ্জামের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের পেছনের ধ্বংসাবশেষ কেটে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করে, তাকে একজন বিমানসেবিকা বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের অংশ হোস্টেলের ছাদে পড়ে যাওয়ার কারণে সেই সময় সেখানে উপস্থিত ৪ জন মেডিকেল পড়ুয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মৃতদেহ শনাক্তকরণ এবং তাদের স্বজনদের হাতে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২৭০ জনের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ৮ জনের মৃতদেহ শনাক্ত করার পর তাদের পরিবারের কাছে দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে শববাহী যান, অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছে। হাসপাতালে ১৯২টি অ্যাম্বুলেন্স এবং শববাহী যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের বারো ঘণ্টার মধ্যে ধুবড়িতে ধৃত গো-মাংস এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ৩৮ জন অপরাধী
সকাল সকাল ডেস্ক। ধুবড়ি (অসম) : মৌলবাদী শক্তিকে মাথা তুলতে দেবেন না, গো-মাংস মামলায় ধুবড়ির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে গতকাল শুক্ৰবার ধুবড়ি এসে হুংকার দিয়ে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। গতকালই গো-মাংসভিত্তিক অশান্তি সৃষ্টিকারী সন্দেহজনক দুষ্কৃতীদের ‘দেখামাত্র গুলি’ এবং জেলার সমস্ত ‘দাগি অপরাধীদের’ অবিলম্বে গ্রেফতারের কড়া নির্দেশ দিয়েছিলন ড. শর্মা। নির্দেশের পর গতকাল গোটা রাত এবং আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত ধুবড়ি জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গো-মাংস সম্পৰ্কিত ৩৮ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধুবড়িতে ক্ৰিমিন্যাল পাকড়াও অভিযান তীব্ৰ করেছে পুলিশ। আজ নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্ৰী ড. হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা জানান, গতকাল রাত থেকে ধুবড়ির গো-মাংসকেন্দ্ৰিক মামলায় ৩৮ জনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। ধুবড়িতে সংগঠিত এই কুকৰ্মকে নিয়ে তিনি অতি চিন্তিত, বলেছেন সোশাল মিডিয়া এক্স-এ। নিম্ন অসমের ধুবড়িতে সদ্যসমাপ্ত বকরি ঈদের পর একটি দুষ্টচক্র হনুমান মন্দিরে পর পর দুদিন গরুর কাটা মাথা এবং বিভিন্ন এলাকায় গরুর অঙ্গপ্রত্যক্ষ ফেলে সাম্প্রদায়িক সম্প্ৰীতি ক্ষুণ্ণ করতে উঠে-পড়ে লেগেছে। ধুবড়ি জেলায় পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া সহ যে কোনও অপ্ৰীতিকর কার্যকলাপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পুলিশকে খোলাহাত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাতে কাউকে সন্দেহজনক মনে করলে পুলিশকে ‘দেখামাত্র গুলি’ করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের মৌলবাদী শক্তির টাৰ্গেট ধুবড়ি। আমি কখনও মৌলবাদীদের দাপাদাপি চলতে দেব না।’ মুখ্যমন্ত্রী প্রদত্ত নির্দেশের বারো ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন মুডে ময়দানে নেমেছে ধুবড়ি জেলা পুলিশ। পুরনো মামলা এবং নতুন অপরাধের সঙ্গে জড়িত আটটি থানা এলাকা থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা ধুবড়ি সদর থানা এলাকার চার, গৌরীপুর থানা এলাকার সাত, গোলকগঞ্জ থানা এলাকার পাঁচ, আগমণি থানা এলাকার এক, তামারহাট থানা এলাকার পাঁচ, বিলাসীপাড়া থানা এলাকার এক, চাপর থেকে তিন, সাপটগ্ৰাম থানা এলাকা থেকে পাঁচ এবং আরও সাতজন। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর নিৰ্দেশে ধুবড়ি জেলা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, সংবেদনশীল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আধাসামরিক বাহিনী এবং রেপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ, রেফ) মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল রাত থেকে আইজিপি (আইন-শৃঙ্খলা) অখিলেশ কুমার সিঙের নেতৃত্বে ব্যাপক টহল অভিযান চলে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের শান্ত থাকতে এবং উস্কানির শিকার না হয়ে সজাগ থাকার আবেদন জানানো হয়েছে।
“কীভাবে বেঁচে গেলাম জানিনা”, মোদীকে অভিশপ্ত বিমানের একমাত্র জীবিত যাত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : “উড়ানের ঠিক ৩০ সেকেন্ড পরই সব শেষ! কীভাবে ওখান থেকে বেরিয়ে এলাম জানি না।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই আতঙ্কের সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাসকুমার রমেশ। রাখে হরি মারে কে। আহমেদাবাদের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনায় অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গিয়েছেন বিশ্বাসকুমার। বৃহস্পতিবার তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর শুক্রবার সকাল সকাল তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে যান। জানা গিয়েছে, ৪৫ বছর বয়সি বিশ্বাসকুমার ১১এ সিটটিতে বসেছিলেন। যাত্রী এবং ক্রু মেম্বার মিলিয়ে মোট ২৪২ জনের মধ্যে সম্ভবত তিনিই একমাত্র জীবিত। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর সহযাত্রী তথা ভাই অজয় কুমার রমেশের। তিনি বসেছিলেন অন্য রোয়ে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হেঁটে হেঁটেই ধ্বংসপ্রাপ্ত বিমান থেকে বেরিয়ে আসছেন তিনি। তিনি জানান, “টেক অফের ঠিক ৩০ সেকেন্ড পরই বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। তারপরই বিমানটা ভেঙে পড়ল। ভীষণ দ্রুত সবকিছু ঘটে গেল। আমি কীভাবে ওখান থেকে বেরিয়ে এলাম জানি না।” হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বুকে চোট পেয়েছেন বিশ্বাসকুমার। তবে এর মধ্যেও ধ্বংসস্তূপ থেকে নিজের ভাইকে খুঁজে বের করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা, চালু দুটি আপৎকালীন নম্বর
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়েছে একটি বিমান। ঘটনাটি দুপুর ১টা থকে ২টোর মধ্যে হয়েছে। দুর্ঘটনায় বহুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, গুজরাট সরকার একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে এবং দুটি আপৎকালীন নম্বর (০৭৯-২৩২-৫১৯০০ এবং ৯৯৭৮৪০৫৩০৪) চালু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে আহমেদাবাদের মেঘানিনগরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরের খুব কাছেই উড়ানটি ভেঙে পড়েছে। লন্ডনগামী উড়ানে ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন, জানিয়েছে গুজরাট পুলিশ।
আহমেদাবাদে ভাঙল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়েছে একটি বিমান। ঘটনাটি দুপুর ১টা থকে ২টোর মধ্যে হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স। বিমান বন্দর থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে আহমেদাবাদের মেঘানিনগরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ে। লন্ডনগামী উড়ানে দুর্ঘটনায় অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরের খুব কাছেই উড়ানটি ভেঙে পড়েছে। ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন বিমানটিতে, জানিয়েছে গুজরাট পুলিশ। আপাতত ঘটনাস্থলে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল। ই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। তিনি জানিয়েছেন, আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার ও ত্রাণকার্য করার জন্য আমি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছি এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আহত যাত্রীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য গ্রিন করিডোরের ব্যবস্থা করার এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাসপাতালে সমস্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। এই বিমান দুর্ঘটনায় উদ্ধার ও ত্রাণকার্যে এনডিআরএফ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।