মেয়েদের শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৫ সেপ্টেম্বর : রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বৃহস্পতিবার নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে শিক্ষকদের জাতীয় পুরষ্কার প্রদান করছেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেছেন, কন্যাশিশুদের সর্বোত্তম শিক্ষা প্রদান করা নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নকে উৎসাহিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, মেয়েদের শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, কন্যাশিশুদের শিক্ষায় বিনিয়োগ পরিবার, সমাজ এবং দেশের উন্নয়নে একটি অমূল্য অবদান। রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উচ্চ শিক্ষায় মেয়েদের মোট ভর্তির অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষা ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন করে, দুর্বলতম পটভূমির শিশুদের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনে সক্ষম করে। তিনি বলেন, খাদ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয়ের মতোই, একজন ব্যক্তির মর্যাদা এবং নিরাপত্তার জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। রাষ্ট্রপতি মুর্মু উল্লেখ করেছেন, জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ স্কুল পর্যায়ে শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য এবং নিরবচ্ছিন্ন করার উপর বিশেষ জোর দেয়।
ত্রাণ শিবিরের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন কেজরিওয়াল
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৫ সেপ্টেম্বর : দিল্লির ত্রাণ শিবিরের ‘অব্যবস্থা’ নিয়ে সরব হলেন এএপি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং এএপি-র জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, “আমরা মানুষের অবস্থা জানতে একটি ত্রাণ শিবিরে (শাস্ত্রী পার্ক এলাকা) এসেছি। তারা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তারা সময়মতো খাবার পাচ্ছে না, মশার উপদ্রব আছে, কিন্তু তা কমানোর কোনও ব্যবস্থা নেই, পানীয় জলের সমস্যা আছে, আমাদের বলা হয়েছিল যে গতকালই তাঁবু স্থাপন করা হয়েছিল, যদিও ইতিমধ্যেই বৃষ্টি হচ্ছিল। আমরা বুঝতে পারি যে এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিন্তু মানুষের জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। আমরা সরকারকে ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষদের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।” কেজরিওয়াল বলেন, “দিল্লিতে সর্বত্র জল জমে রয়েছে, বেশ কয়েকটি এলাকায় এর মূল কারণ হল সময়মতো পলি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি, ড্রেনগুলি সময়মতো পরিষ্কার করা হয়নি এবং বেশ কয়েকটি এলাকায় নর্দমার প্রবাহ বন্ধ রয়েছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় পানীয় জল নেই। তাই, আমরা সরকারকে জনগণের জন্য যতটা সম্ভব সুবিধা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। সমগ্র উত্তর ভারত – জম্মু ও কাশ্মীর, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি এবং উত্তরাখণ্ড বন্যার কবলে পড়েছে। তাই, আমি কেন্দ্রকে যতটা সম্ভব মানুষকে ত্রাণ সরবরাহ করার জন্য অনুরোধ করছি।ভূমিকম্পের পর কেন্দ্র আফগানিস্তানে ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করেছে। এটা ভালো, কিন্তু কেন্দ্রের উচিত বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত সকল রাজ্যকে ত্রাণ সরবরাহ করা।”
জিএসটি সংস্কারে প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসা, ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বললেন রাজনাথ-শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর : জিএসটি-তে পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কারের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে মোদী লিখেছেন, যে সরকার জিএসটি হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সাধারণ মানুষ, কৃষক, এমএসএমই, মধ্যবিত্ত, মহিলা এবং যুবকদের জন্য উপকারী হবে। তিনি আরও লেখেন, সরকার জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্যের লক্ষ্যে বিস্তৃত ভিত্তিক জিএসটি হার যৌক্তিকীকরণ এবং প্রক্রিয়া সংস্কারের জন্য একটি বিশদ প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই সংস্কারগুলি সকলের জন্য, বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ী এবং ব্যবসার জন্য ব্যবসা করার সহজতা নিশ্চিত করবে। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে তিনি জিএসটিতে পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কার আনার সরকারের ইচ্ছার কথা বলেছিলেন। জিএসটি সংস্কারকে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আখ্যা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজনাথ উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বস্তি আনতে পরবর্তী প্রজন্মের জিএসটি সংস্কার ঘোষণা করেছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্রের উপর করের হার হ্রাস করার পাশাপাশি এই সংস্কার জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য আনবে, ব্যবসা করার সহজতা আরও জোরদার করবে, ছোট ব্যবসার ক্ষমতায়ন করবে এবং আত্মনির্ভর ভারতের অধীনে ভারতের স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি করবে। এই সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে ধন্যবাদ জানাই। অমিত শাহ এক্স-এ লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী যা বলেন তাই করেন। জিএসটি হার হ্রাস এবং প্রক্রিয়া সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য বিরাট স্বস্তি বয়ে আনবে, একই সঙ্গে কৃষক, এমএসএমই, মহিলা এবং যুবকদেরও সহায়তা করবে। ভারতের জন্য একটি সত্যিকারের রূপান্তরকারী সিদ্ধান্ত!
ভূমিধসে বন্ধ জম্মু-রাজৌরি জাতীয় সড়ক, আটকে বহু গাড়ি
সকাল সকাল ডেস্ক। রাজৌরি, ৪ সেপ্টেম্বর : জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় টানা বৃষ্টিপাতের জেরে ভূমিধসের ঘটনা ঘটছে। ভূমিধসের কারণেই বৃহস্পতিবার জম্মু-রাজৌরি জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আটকে পড়েছে বহু গাড়ি। রাজৌরির ট্রাফিক পুলিশ বোধ রাজ বলেন, “রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে, আমরা সমস্ত যানবাহন বন্ধ করে দিয়েছি। উপর থেকে নির্দেশ পেলে, আমরা সেই অনুযায়ী এখান থেকে যানবাহন ছেড়ে দেব। ঘন ঘন ভূমিধসের কারণে আমরা গতকাল থেকে এই যানবাহনগুলি বন্ধ করে দিয়েছি। জনগণের কাছে আমাদের আবেদন, যতক্ষণ না রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে, ততক্ষণ তারা তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।”
অশ্লীল মন্তব্যের প্রতিবাদে বিহারে বনধ, বিজেপির পাশাপাশি নারীরাও রাস্তায়
সকাল সকাল ডেস্ক। পাটনা, ৪ সেপ্টেম্বর : প্রধানমন্ত্রীর মায়ের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্যের অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিহারে বনধ পালন করলো বিজেপি। পাটনা ছাড়াও গয়া, দানাপুরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। মহিলারাও রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। বিজেপির পাশাপাশি এনডিএ সমর্থকরাও বিক্ষোভ দেখান। কংগ্রেস ও আরজেডি-র তীব্র সমালোচনা করা হয়। বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেছেন, “মাকে সম্মান করা ভারতের সংস্কৃতি। আমাদের দলের কেউ যদি এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করত, আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিতাম এবং ক্ষমা চাইতাম। বিহারের জনগণ রাহুল গান্ধী এবং তেজস্বী যাদবকে উপযুক্ত জবাব দেবে।” তিনি আরও বলেন, “কিছু দিন আগে, ইন্ডি জোটের মঞ্চ থেকে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রয়াত মাকে গালিগালাজ করা হয়েছিল। আজ, এনডিএ প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে পাঁচ ঘণ্টার বিহার বনধ পালন করছে। রাহুল গান্ধী এবং তেজস্বী যাদবের দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।”
অযোগ্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর, : কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না দাগি অযোগ্যরা। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর পরীক্ষায় বসতে চেয়ে তাঁদের করা আবেদন খারিজ করে আরও এক বার তা স্পষ্ট করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ জানায়, একই ধরনের কোনও মামলা আর গ্রহণ করা হবে না। বিচারপতি কুমার সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “দাগিদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা সিবিআইয়ের। তার কী হল?” রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে দাগিদের করা মামলার শুনানিতে কেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) হাই কোর্টে উপস্থিত হচ্ছেন? দুই বিচারপতির বেঞ্চের প্রশ্ন, রায় ঘোষণার পরেও আইনজীবীরা দাগিদের হয়ে কী ভাবে আদালতে আবেদন করছেন? বিচারপতি কুমার বলেন, “বার বার বলেছি দাগিরা কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। তার পরেও একই আবেদন নিয়ে এত মামলা কেন? যা বলার রায়ে আমরা তা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি।” একই সঙ্গে বিচারপতির সংযোজন, “এই অযোগ্যদের জন্য অনেকের জীবন নষ্ট হয়েছে।” শনিবার অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ৭ ও ১৪ তারিখ যে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা রয়েছে তাতে প্রকাশিত তালিকা, এমনকি প্রকাশিত তালিকার বাইরেও যদি অযোগ্য কেউ থাকেন, তাঁরা কোনওভাবেই বসতে পারবেন না। পশ্চিমঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। কিন্তু তারপরও অন্তত পরীক্ষায় বসতে চেয়ে আবেদন করেন অযোগ্যদের একাংশ। সেই পদক্ষেপ নিয়েই ভর্ৎসনা করা হয় বৃহস্পতিবার।
দিল্লিতে জন শুনানি শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, কড়া নিরাপত্তা
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : ফের জন শুনানি শুরু করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। বুধবার কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জন শুনানির দায়িত্ব পালন শুরু করেন। শোনেন মানুষের অভাব ও অভিযোগের কথা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বুধবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁর ক্যাম্প অফিসে জন শুনানির দায়িত্ব পালন শুরু করেন। কয়েকদিন আগে জন শুনানি অনুষ্ঠানের সময় এক ব্যক্তির মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলা চালায়। তারপর জন শুনানি বন্ধ ছিল, অবশেষে হামলার দুই সপ্তাহ পর ফের এই দায়িত্ব পালন শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।
যমুনার জলস্তর বিপদসীমার ওপর, দিল্লিতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : বৃষ্টিও থামছে না, যমুনার জলস্তরও কমছে না; উল্টে বাড়ছে। বুধবারও যমুনা নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী সংলগ্ন এলাকার কিছু অংশে যমুনা নদীর জল ঘরে ঢুকে পড়েছে। যমুনা নদীর জল উত্তাল হওয়ায় ওখলা ব্যারেজের সকল গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর জল নিগমবোধ ঘাটেও প্রবেশ করেছে। দিল্লির যমুনা বাজার এলাকাতেও জল ঢুকে গিয়েছে। উত্তর প্রদেশের মথুরাতেও যমুনা নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ইতিমধ্যেই নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসন মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট: নকশাল নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নেই – অমিত শাহ
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্টের সাফল্য উদযাপন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ বুধবার সিআরপিএফ, ছত্তিশগড় পুলিশ, ডিআরজি ও কোবরা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সম্মাননা জানান। কারেগুত্তালু পাহাড়ে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সম্মান জানান অমিত শাহ। দিল্লিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমান্তের কুরাগুত্তালু পাহাড়ে নকশালবাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এই বিশাল অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ৩১ জন কুখ্যাত নকশালকে খতম করেছে। এই বছরের ২১ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত নকশাল-বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অমিত শাহ বলেন, অভিযানের সময় জওয়ানদের সাহসিকতা এবং বীরত্ব নকশাল-বিরোধী অভিযানের ইতিহাসে একটি স্বর্ণালী অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হবে। তিনি বলেন, দেশ নকশালমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত মোদী সরকার বিশ্রাম নেবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাপ, উচ্চতা এবং প্রতিটি পদক্ষেপে আইইডির বিপদ সত্ত্বেও, নিরাপত্তা বাহিনী উচ্চ মনোবলের সঙ্গে অভিযান সফল করেছে এবং নকশালদের বেস ক্যাম্প ধ্বংস করেছে। তিনি বলেন, কারেগুত্তালু পাহাড়ে নির্মিত নকশালদের ঘাঁটি পুলিশ, সিআরপিএফ, জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং কোবরার জওয়ানরা বীরত্বের সঙ্গে ধ্বংস করেছে। অমিত শাহ আরও বলেন, নকশালপন্থীরা দেশের স্বল্পোন্নত অঞ্চলগুলিতে ব্যাপক ক্ষতি করেছে, স্কুল, হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে এবং সরকারি প্রকল্পগুলি জনগণের কাছে পৌঁছাতে দিচ্ছে না। তিনি বলেন, নকশাল-বিরোধী অভিযানের কারণে পশুপতিনাথ থেকে তিরুপতি পর্যন্ত এলাকার ৬.৫ কোটি মানুষের জীবনে নতুন সূর্যোদয় ঘটেছে। শাহ বলেন, নকশাল-বিরোধী অভিযানে গুরুতর শারীরিক আঘাতপ্রাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জীবনযাত্রাকে মসৃণ করার জন্য মোদী সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
জম্মু-কাটরা রেলপথে ৬৮টি ট্রেন বাতিল, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বন্দে ভারত চালু
সকাল সকাল ডেস্ক।নয়াদিল্লি, ৩ সেপ্টেম্বর : উত্তর রেল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাটরা স্টেশন থেকে ৬৮টি আগত ও বহির্গামী ট্রেন বাতিল ঘোষণা করেছে। এছাড়াও ২৪টি ট্রেন পুনরায় চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত এবং হড়পা বানে পাঠানকোট-জম্মু সেকশনের একাধিক স্থানে ক্ষয়ক্ষতি ও ফাটলের কারণে গত আট দিন ধরে জম্মু রেল বিভাগে রেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। ২৬ আগস্ট থেকে জম্মু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে অসংখ্য মানুষ, বিশেষ করে তীর্থযাত্রীরা আটকে পড়েছিলেন, যার ফলে রেল ও সড়ক পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। জম্মু অঞ্চলে ১৯১০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, এ পর্যন্ত ৩৮০ মিলিমিটার। আটকে পড়া যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে জম্মু তাওয়াই-শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা শাটল পরিষেবা, জম্মু তাওয়াই-কলকাতা এবং শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী কাটরা-নয়াদিল্লি ট্রেন চালানো হচ্ছে। জম্মু-কাটরা সেকশনে ১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি ট্রেন চালু করা হয়েছে। সম্পর্ক ক্রান্তি এবং শিয়ালদহ এক্সপ্রেস ট্রেন, কান্ত্রি এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত, ত্রিবান্দ্রম এক্সপ্রেস এবং শাটল পরিষেবা পুনরায় চালু করেছে রেল। জম্মু ও কাটরার মধ্যে স্থানীয় এবং আটকে পড়া যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে দুই জোড়া ট্রেন চালু করে শাটল পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। জম্মু-কলকাতা এবং বৈষ্ণোদেবী-নয়াদিল্লি ট্রেনও চালু রয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বন্দে ভারত ট্রেন পুনরায় চালু হবে।