সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ২৬ আগস্ট: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সংক্রান্ত মামলার শুনানি। সাংবিধানিক বেঞ্চে বিচারাধীন অন্য একটি মামলায় ব্যস্ত থাকায় রাজ্যের আইনজীবীরা শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল। বিচারপতি সঞ্জয় কারোলের বেঞ্চে আইটেম নম্বর ৪ ছিল পশ্চিমবঙ্গের ডিএ মামলা। সেই মতো আদালতের কার্যক্রমও শুরু হয়। কিন্তু রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, আজ যে ‘কম্বিনেশনে’ আদালত বসেছে, তাতে ডিএ মামলার শুনানি হতে পারে না। আদালতকে মামলাটি ১০ সেপ্টেম্বরের পর শোনার আর্জি জানিয়েছিলেন তাঁরা। শীর্ষ আদালত সেই আর্জি মঞ্জুর করেছে। তবে সেপ্টেম্বরের কবে ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে, তা এখনও জানায়নি সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের যুক্তি ছিল, মহার্ঘ ভাতা বাধ্যতামূলক নয়। ডিএ কর্মীদের মৌলিক অধিকার নয়। তা ছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্যের আর্থিক পরিকাঠামো ভিন্ন। কেন্দ্র যে হারে ডিএ দেয় তার সঙ্গে রাজ্যের তুলনা চলে না। অন্য দিকে, মামলাকারী পক্ষের যুক্তি, নির্দিষ্ট সময়মতো ডিএ দেওয়া সরকারের নীতির মধ্যে পড়ে। খেয়ালখুশি মতো ডিএ দেওয়া যায় না। তাদের দাবি, বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডিএ দিতে হবে। প্রয়োজনে বকেয়া ডিএ কিস্তিতে দেওয়া হোক। সেই মামলারই শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এই আবহে আগস্টে পর পর দু’দিন পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি।
কৃষি ভারতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড, কৃষকরা হল আত্মা : শিবরাজ চৌহান
সকাল সকাল ডেস্ক। গোয়ালিয়র, ২৬ আগস্ট: ফের একবার কৃষকদের প্রগতির প্রতি জোর দিলেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁর কথায়, কৃষি ভারতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড, কৃষকরা হল প্রাণ। মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, “কৃষি হল ভারতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড এবং কৃষকরা হলেন আত্মা। কৃষকদের সেবা করা আমাদের কাছে ঈশ্বরের উপাসনার মতো। কৃষি বিভাগ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খরচ কমানো, কৃষকদের তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ প্রদান, কৃষিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং জমি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “গম আমাদের প্রধান ফসল, গম নানা ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে, গমের উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে, গত ১০ বছরে, ফসলের উৎপাদন প্রায় ৪৪% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমরা গম উৎপাদনেও নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছি। সামনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য, আমরা এমন জাত উদ্ভাবনের জন্য কাজ করছি যা গমের উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। আমরা ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং সীমিত জলের পরিস্থিতিতেও গমের উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা করছি। ১৪ এবং ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আয়োজিত রবি সম্মেলনের লক্ষ্য হল ফসল বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করা। আমরা ৩ অক্টোবর ‘বিকশিত কৃষি সংকল্প’ অভিযান শুরু করব।”
ই-ভিটারা’-র শুভ সূচনা, আহমেদাবাদে প্রদর্শনীও পর্যবেক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ, ২৬ আগস্ট গুজরাট সফরের দ্বিতীয় দিনে আহমেদাবাদের হনসলপুর প্ল্যান্ট থেকে সুজুকির ‘ই-ভিটারা’-র সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার সুজুকি মোটর প্ল্যান্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সুজুকি মোটর কর্পোরেশনের সভাপতি ও প্রতিনিধি পরিচালক তোশিহিরো সুজুকি সংস্থার প্রথম বৈশ্বিক কৌশলগত ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক যান ‘ই-ভিটারা’-র সূচনা করেন। উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলও। ‘ই-ভিটারা’ উদ্বোধনের পর ব্যাটারিচালিত এই যানের প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং প্রযুক্তিগত দিকগুলি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে এদিন একটি উদ্ভিদ উপহারও দেওয়া হয়, যা পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং বৈদ্যুতিক গতিশীলতার ভবিষ্যতের প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের প্রতীক।
নাগপুরে সংঘের বিজয়াদশমী উৎসবের প্রধান অতিথি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ
সকাল সকাল ডেস্ক। নাগপুর : রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) বার্ষিক বিজয়াদশমী উৎসবের জন্য এ বছরও একজন বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ২ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের নাগপুরের রেশিমবাগ ময়দানে অনুষ্ঠিতব্য সংঘের বিজয়াদশমী উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শুক্রবার সংঘের প্রচার বিভাগ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সংঘের প্রচার বিভাগ জানিয়েছে যে, সত্যের জয় এবং শক্তির উপাসনার প্রতীক হিসেবে বিজয়াদশমী (দশেরা) উৎসব আরএসএসের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। শুধু তাই নয়, ১৯২৫ সালে এই শুভ তিথি উপলক্ষে ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই দিনটি কেবল সংঘের জন্য একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এর প্রতিষ্ঠা দিবসও, যা প্রতি বছর অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করা হয়। প্রচার বিভাগ জানিয়েছে যে এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে আরএসএস-এর সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত দেশ ও সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সমসাময়িক বিষয়গুলিতে তাঁর বক্তব্য রাখবেন। সঙ্ঘের এই উৎসব অনুষ্ঠানে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের উপস্থিতিকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ তিনি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার স্বয়ংসেবক ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সংঘের শাখা পদ্ধতি প্রদর্শন করবেন। এর পাশাপাশি, সঙ্ঘের বিচারাধারার অনুসারী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপস্থাপন করা হবে। এই প্রসঙ্গে সঙ্ঘের প্রচার বিভাগ জানিয়েছে, দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি যে এই অনুষ্ঠান জাতীয় চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে। বিগত কয়েক বছরে রামনাথ কোবিন্দ হবেন দ্বিতীয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি যিনি সঙ্ঘের মঞ্চে উপস্থিত হবেন। এর আগে, ২০১৮ সালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিও সঙ্ঘের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
গয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, ১৩-হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস
গয়া: বিহারের গয়ায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। শুক্রবার গয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে ১৩-হাজার কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন রাম মানঝি ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।
জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারায় ভূমিকম্প, কম্পাঙ্ক ৩.৫
২১ আগস্ট (sokal sokal desk) শ্রীনগর, : জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলা বৃহস্পতিবার হালকা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল। দুপুর ১.৪১ মিনিটে ৩.৫ মাত্রার এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, এটি কার্গিল থেকে ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিম ও কাশ্মীরের কাটরা থেকে ১৯৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ছিল। তীব্রতা কম হওয়ায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বর্ধমান সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ১১ জন তীর্থযাত্রীর মরদেহ ফিরল বিহারে
সকাল সকাল ডেস্ক। পূর্ব বর্ধমানের নালা ফেরিঘাটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো বিহারের পূর্ব চম্পারণ জেলার ১১ জন তীর্থযাত্রীর মরদেহ শনিবার গভীর রাতে নিজ গ্রামে পৌঁছল। একে একে সাতটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার ও গ্রামবাসী। তীর্থযাত্রীরা দেবঘর ও বাসুকিনাথ দর্শন সেরে গঙ্গাসাগর থেকে ফিরছিলেন। ফেরার পথে এনএইচ-১৯-এ দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে তাঁদের বাস উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১১ জনের, আহত হন অন্তত ৩৫ জন। আহতদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা চলছে। মৃতদের মরদেহ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহায়তায় মোতিহারিতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন। রবিবার সরকারি সহায়তায় সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য।
কাঠুয়ায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে মৃত্যু ৭, ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন
সকাল সকাল ডেস্ক। কাশ্মীর ; জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় ফের মেঘভাঙা বৃষ্টি। রাতভর বৃষ্টিতে ভেসে যায় গ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেললাইন ও জাতীয় সড়ক। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তিন শিশু ও দুই মহিলা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে সেনা, আধাসেনা ও বেসামরিক প্রশাসন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবারগুলিকে সাহায্য করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যপালের আশ্বাস: পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে
সকাল সকাল ডেস্ক।, ১৫ আগস্ট, ২০২৫ বারাকপুর: ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। শুক্রবার বারাকপুরের ঐতিহাসিক গান্ধী ঘাটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ও একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক। রাজ্যপাল সাংবাদিকদের জানান, ভিনরাজ্যে গিয়ে কাজ করা বাংলাভাষী শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরে আলোচিত হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান হবে এবং বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে প্রশাসন। তবে ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের উপর পুলিশের alleged অত্যাচারের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করা হয়নি। সাংসদ পার্থ ভৌমিক রাজ্যপালের মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে বাংলার অবদান অসামান্য। কিন্তু আজও বিজেপি শাসিত বহু রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, শুধুমাত্র তারা বাংলা ভাষায় কথা বলছে বলে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দামানের সেলুলার জেলের বন্দি তালিকা থেকে বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ও উল্লাসকর দত্তের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। পার্থ ভৌমিকের মতে, স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরও বাংলা ভাষা ও বাঙালি পরিচয় রক্ষার জন্য লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি গান্ধী ঘাটের ঐতিহ্য এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার ভূমিকা স্মরণ করা হয়। রাজ্যপালের মুখে পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গ ওঠায় স্বাধীনতা দিবসের আড়ালে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও নতুন মাত্রা পেল। সাংসদ মন্তব্য করেন, রাজ্যপালের আশ্বাস দেখেই ভালো লাগছে, তবে যাদের উপর তিনি ভরসা করছেন, তাদের প্রতি বাংলার মানুষের আস্থা নেই।
বীরশা মুন্ডার পর আদিবাসীদের জন্য বড় ক্ষতি, শিবু সোরেন ছিলেন ‘দিশোম গুরু’: রাজনাথ সিংহ
সকাল সকাল ডেস্ক। ১৬ আগস্ট : রামগড় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ শনিবার স্বর্গীয় শিবু সোরেনের পৈতৃক গ্রামে পৌঁছে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার ফুল অর্পণ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিবু সোরেনের মৃত্যুকে আদিবাসী সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রাজনাথ সিংহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বীরশা মুন্ডার পর আদিবাসী সমাজ শিবু সোরেনের মৃত্যুতে তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ যোদ্ধাকে হারিয়েছে। আমি শিবু সোরেনের সঙ্গে বহুবার সাক্ষাৎ করেছি, তাঁর সঙ্গে কথোপকথন করেছি। তাঁর সহজতা, সরলতা ও সংগ্রামমূলক মনোভাব আমাকে অত্যন্ত প্রভাবিত করেছিল। তাঁর মৃত্যুতে শুধু ঝাড়খণ্ডের মানুষই নয়, তাঁরা তাদের প্রিয় নেতা এবং অভিভাবককেও হারিয়েছেন।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও লিখেছেন, “আজ আমি তাঁর পুত্র এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমার সমবেদনা প্রকাশ করেছি। প্রভু যেন তাঁদের এই দুঃখ সহ্য করার শক্তি প্রদান করেন।” এই ভাষ্য আদিবাসী সমাজ এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষের মধ্যে শিবু সোরেনের প্রভাব ও গুরুত্বকে প্রতিফলিত করছে।