আরাবল্লী নিয়ে আগের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের, বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের প্রস্তাব
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : আরাবল্লী পাহাড় ও পর্বতমালার অভিন্ন সংজ্ঞা গ্রহণ করে গত ২০ নভেম্বর যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সোমবার সুপ্রিম কোর্ট নিজেই তা স্থগিত করেছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জে কে মাহেশ্বরী ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহর অবকাশকালীন বেঞ্চ বিষয়টির পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সামগ্রিক পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে এ কথা জানানো হয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কিছু বিষয় আরও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালত এই মামলায় কেন্দ্র এবং অন্যান্যদের নোটিশ জারি করেছে। পরবর্তী শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিনটি ধার্য করা হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর শীর্ষ আদালত আরাবল্লী পাহাড় এবং পর্বতশ্রেণীর একটি অভিন্ন সংজ্ঞা গ্রহণ করেছিল এবং বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং গুজরাট জুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে নতুন খনির ইজারা দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। একে স্বাগত জানিয়ে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ জানান, মোদী সরকারের আরাবল্লীর নতুন সংজ্ঞার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশকে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস স্বাগত জানায়। বিষয়টি এখন আরও বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। এ কথা মনে রাখা দরকার, বন সর্বেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টের কেন্দ্রীয় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিটি এবং খোদ আদালতবন্ধুই এই নতুন সংজ্ঞার বিরোধিতা করেছেন।
১২৯-তম ‘মন কি বাত’–এ মণিপুরের নারী উদ্যোক্তাদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
সকাল সকাল ডেস্ক ইমফল : আজ রবিবার তাঁর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ১২৯-তম ‘মন কি বাত’-এ মণিপুরের অনুপ্রেরণাদায়ক নারী উদ্যোক্তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদী বলেন, আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানকে যুক্ত করা গেলে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘মন কি বাত’ এমন এক মঞ্চ, যেখানে নিষ্ঠা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়িতকারীদের তুলে ধরা হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি চূড়াচাঁদপুর জেলার মার্গারেট রামথারসিয়েমের উদ্যোগকে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রদানমন্ত্রী বলেন, রামথারসিয়েম তাঁর যাত্রা শুরু করেছিলেন একজন হস্তশিল্প শিল্পী হিসেবে। কিন্তু তিনি মণিপুরের ঐতিহ্যবাহী পণ্য-হস্তশিল্প সহ বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি সামগ্রী নিয়ে আরও বৃহত্তর ভূমিকার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিস্তৃত এই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়েই তিনি তাঁর সমাজে পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। আজ তাঁর হস্তশিল্প ইউনিটে ৫০ জনেরও বেশি স্থানীয় কারিগর কাজ করছে। বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি তাঁর হস্তশিল্পের পণ্য সামগ্ৰী এখন দিল্লি সহ একাধিক রাজ্যে তাঁ সফল বাজার পেয়েছে। মোদী সেনাপতি জেলার চোকোনে ক্রিচেনার গল্পও শুনিয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী কৃষিকাজে গভীরভাবে যুক্ত একটি পরিবার থেকে ওঠে এসে ক্রিচেনা ফুলচাষে বৈচিত্র্য এনেছেন। তিনি তাঁর আগ্রহকে একটি টেকসই জীবিকাভিত্তিক উদ্যোগে রূপান্তরিত করেছেন, যা স্থানীয় উৎপাদনকে বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে যুক্ত করছে এবং অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়িত করছে। এই উদাহরণগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সহায়তায় ঐতিহ্যবাহী দক্ষতা ও জ্ঞান শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত হতে পারে। তিনি নাগরিকদের তাঁদের আশপাশের এমন আরও সাফল্যের গল্প ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্বীকৃতি ও ব্যাপক প্রচারের যোগ্য।
ঝাড়খণ্ড সফরে রাষ্ট্রপতি, তিনদিন নির্দিষ্ট এলাকায় নো-ফ্লাই জোন
President on Jharkhand visit, no-fly zone in certain areas for three days
ছাপড়ায় ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক সারান : বিহারের ছাপড়া শহরের ভগবান বাজার থানা এলাকার অম্বিকা কলোনিতে শুক্রবার রাতে আগুনের ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু ও তাদের ঠাকুমা রয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে পরিবারের সদস্যরা একটি বন্ধ ঘরে আগুন জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ ঘর বন্ধ থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি ও কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস জমে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে পরিবারের এক সদস্য জেগে ওঠার পর বিষয়টি নজরে আসে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তেজশ (৩), আধ্যায় (৪), সাত মাসের গুড়িয়া এবং কমলাবতী দেবী (৭০)। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন অমিত কুমার, আমিশা ও আরও একজন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছয়। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
কিছুটা উন্নতি, তবে ‘খারাপ’ পর্যায়েই দিল্লির বাতাস
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : সপ্তাহের শুরুতে খুব খারাপ থাকলেও শেষের দিকে কিছুটা উন্নত হলো দিল্লির বাতাসের গুণগত মান। শুক্রবার সকালে দিল্লির বাতাসের বাতাসের গড় গুণগত মান বা এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই) পৌঁছল ২৯২-তে। বেশ কিছু মনিটরিং স্টেশনের একিউআই ২০০-র তলায় নেমেছে। এদিন সকালে একিউআই এর মান: আয়া নগর – ২১২, মথুরা রোড – ২৬৫, ডাঃ কারনি সিং শুটিং রেঞ্জ – ২৯০, দ্বারকা সেক্টর ৮ – ২৩৮, আইআইটি – ২৩১, জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম – ২৫৩, আনন্দ বিহার – ৩৭৭, বাওয়ানা – ৩৫৩, জাহাঙ্গিরপুরি – ৩৭২, নারেলা – ৩৪৫, নেহরু নগর – ৩৪৬, বিবেক বিহার – ৩৬১ ছিল| উল্লেখ্য, বাতাসের গুণগত মান বা এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই) এর সূচক ০-৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘ভালো’, ৫১-১০০ একিউআই-কে ‘সন্তোষজনক’ হিসেবে গণ্য করা হয়, ১০১-২০০ একিউআই-কে ‘মাঝারি’ গুণমান হিসেবে ধার্য করা হয়, ২০১-৩০০ একিউআই-কে ‘খারাপ’ বলা হয়ে থাকে, ৩০১-৪০০ একিউআই-কে ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ভুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং ৪০১-৫০০ কে ‘গুরুতর’ বলে বিবেচনা করা হয়।
উত্তর প্রদেশে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ঝলসে মৃত্যু ৩ জনের, আহত ২৪
সকাল সকাল ডেস্ক বলরামপুর : ফের যাত্রিবাহী বাসে আগুন লেগে ঝলসে মৃত্যু। রাজস্থানের পরে এ বার উত্তর প্রদেশের বলরামপুরে। মঙ্গলবার ভোররাত ২.১৫ মিনিট নাগাদ নাগাদ ফুলওয়ারিয়া বাইপাসে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বেসরকারি বাসটি সোনাউলি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। বাসের বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন নেপালের বাসিন্দা। মালবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি ধাক্কায় আগুন ধরে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঝলসে মারা গিয়েছেন তিন যাত্রী। জখম হয়েছেন ২৪ জন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জখমদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বলরামপুরের জেলাশাসক বিপিন কুমার এবং পুলিশ সুপার বিকাশ কুমার তাঁদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, বাসটি ১০০ মিটার দূরে ছিটকে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। খুঁটিটি ভেঙে বাসের ওপর পড়ে যায়। বাসটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়, শর্টসার্কিটের পর বাসে আগুন ধরে যায়।
চেন্নাইয়ে মেট্রো বিভ্রাট; থমকে গেল সুড়ঙ্গে, দুর্ভোগে যাত্রীরা
সকাল সকাল ডেস্ক চেন্নাই : সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাট চেন্নাইয়ে। গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ঘটে গেল বিপত্তি। সাবওয়েতে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে থমকে গেল মেট্রো। যার ফলে হেঁটে হেঁটেই সাবওয়ে দিয়ে যাত্রীদের আসতে হল। মঙ্গলবার সকালে চেন্নাই মেট্রোর ব্লু লাইনে এমনই ঘটেছে বিপত্তি। চেন্নাইয়ের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উইমকো নগর ডিপো পর্যন্ত যায় ব্লু লাইন মেট্রো। চেন্নাই মেট্রোর খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। সেখানেই মঙ্গলবার সকালে ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ, যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে সেন্ট্রাল মেট্রো ও হাইকোর্ট স্টেশনের মাঝে আটকে পড়ে একটি রেক। বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোর ভিতরের বিদ্যুৎ সংযোগ, অভিযোগ যাত্রীদের। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলতে থাকে এই পরিস্থিতি। অন্ধকূপের মধ্যে আটকে দমবন্ধকর পরিস্থিতি হয় যাত্রীদের। দশ মিনিট পর মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি ঘোষণা করা হয়, সুড়ঙ্গ দিয়ে মেট্রো লাইন বরাবর ৫০০ মিটার হেঁটে নিকটবর্তী হাইকোর্ট স্টেশনে পৌঁছতে হবে। সেইমতো সাবওয়ে ধরে হাঁটতে থাকেন যাত্রীরা।
বিচারকদের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। শনিবার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং অর্জুন রাম মেঘওয়াল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারকদের কাজের ধরণ খুবই চাপপূর্ণ। সকল বিচারকের উচিত বিনোদনমূলক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করা এবং এটিকে অভ্যাসে পরিণত করা। প্রায় ৭৫ জন হাইকোর্টের বিচারক এখানে অংশগ্রহণ করতে এসেছেন। এটি দেখায় যে বিচারকরা তাঁদের মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা সম্পর্কে সচেতন।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, “শুধু ব্যাডমিন্টন নয়, সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের জন্য আরও এই ধরণের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের অনেক বিচারক এখানে এসেছেন, যা পরিবেশকে অত্যন্ত আনন্দিত করে তুলেছে। বহু বছর ধরে অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, “আইন ও বিচার মন্ত্রক অল ইন্ডিয়া জাজেস ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের অনুমতি দিয়েছে, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এতে সম্মতি দিয়েছেন। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বিচারকরা সকলকে ফিটনেসের একটি ভালো বার্তা দিচ্ছেন।”
তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ; নিহত ৬, আহত অন্তত ৩০
সকালে সকালে ডেস্ক মাদুরাই : তামিলনাড়ুতে দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন ৬ জন। আহতের সংখ্যা ৩০ এর বেশি। সোমবার সকালে একটি বেসরকারি বাস মাদুরাই থেকে সেনকোট্টাই যাচ্ছিল। আরেকটি বাস আসছিল তেনকাসি থেকে কোভিলপট্টির উদ্দেশে। তেনকাসির কাছেই বেসরকারি বাসটি অন্য বাসটিকে ধাক্কা মারে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পৌঁছয় দমকলকর্মীরাও। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অনেকের হাত, পা এবং মাথা ফেটেছে। দুর্ঘটনার সময় দুটি বাসে কমপক্ষে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন।সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, বাস দুটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়।
চলে গেলেন কিংবদন্তি: ৯০ ছোঁয়ার আগেই থেমে গেল ধর্মেন্দ্রর জীবনের আলো
সকালে সকালে ডেস্ক মুম্বই বলিউডে নেমে এসেছে শোকের কালো মেঘ। এবার আর অলৌকিক প্রত্যাবর্তন ঘটল না। ঠিক ১১ নভেম্বরই হঠাৎ গুজব ছড়িয়েছিল ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর, কিন্তু ভক্তদের প্রার্থনায় সেইবার মৃত্যুকে হার মানিয়ে আবার ফিরেছিলেন তিনি। কিন্তু সোমবার আর সেই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হল না। দুপুর গড়াতেই গোটা দেশ জেনে যায়—চলে গেলেন বলিউডের প্রিয় ‘হি-ম্যান’। থেমে গেল এক উজ্জ্বল অধ্যায়। এক জীবনে ২৪৭টি ছবি, চূড়ান্ত জনপ্রিয়তার স্বাদ, ‘জয়-ভিরু’ আইকনিক জুটি—সেইসব গল্প আজ ইতিহাস। বহুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন ধর্মেন্দ্র। শেষ সময়টা কাটছিল তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গেই। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছিলেন বলেই পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগেই তাঁকে ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়—আপাতত রুটিন চেকআপের জন্য, এমনটাই জানা গিয়েছিল। হাসপাতালের দোরগোড়ায় লড়াই, শেষ পর্যন্ত হার মানলেন হি-ম্যান সোমবার সকালে হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে যায়। জানা যায়, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে; দেওয়া হয়েছে ভেন্টিলেশন। চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়, ঘণ্টায় ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ চলছিল। দুপুর হতেই খবর আসে—সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন কিংবদন্তি। ডিসেম্বরে ৯০—ঠিক তার আগেই থেমে গেল দীপ্তিময় পথচলা ডিসেম্বরে ৯০-এ পা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। বয়স ৮৯ হলেও তিনি থামেননি একদিনও। এখনও বলিউডে সমান দাপটে কাজ করে যাচ্ছিলেন। জয়া বচ্চন ও শাবানা আজমির সঙ্গে করণ জোহরের ‘রকি ঔর রানি কি প্রেম কাহানি’-তে তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবার সেই পুরনো ধর্মেন্দ্রকে মনে করিয়ে দিয়েছিল। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁর পরবর্তী ছবির প্রথম ঝলকও। কিন্তু সেই ছবি আর তাঁর জীবনে মুক্তির আলো দেখল না। শেষ দেখা দেখতে ছুটলেন হেমা মালিনী—ভারত প্রার্থনায়, তবুও রক্ষা হল না সোমবার বিকেলে হাসপাতাল চত্বরে নেমে আসে তৎপরতা। তাড়াহুড়ো করে পৌঁছন হেমা মালিনীও। দেশজুড়ে তখন প্রার্থনা একটাই—ধর্মেন্দ্র দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রার্থনা অধরাই রইল। চলে গেলেন রূপোলি পর্দার এক অদম্য নায়ক, এক অমলিন স্মৃতি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের আকাশ থেকে খসে পড়ল এক দীপ্ত নক্ষত্র।