সেবকের কাছে বড়সড় ধস, ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক স্তব্ধ
সকাল সকাল ডেস্ক। শিলিগুড়ি, ৩০ আগস্ট : সিকিম-বাংলা সংযোগকারী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে আবারও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে কালিঝোরা ও সেবকের মাঝামাঝি এলাকায় বড়সড় ধস নামে। ধসের কারণে জাতীয় সড়কে সম্পূর্ণভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, রাস্তায় পড়ে থাকা বড় পাথর সরিয়ে এবং ধস মেরামত করতে কিছুটা সময় লাগবে। এই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় কালিম্পং জেলা প্রশাসন বিকল্প রাস্তা হিসাবে লাভা এবং গরুবাথান হয়ে সিকিম যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর রাতে সেবক করোনেশন সেতু থেকে কালিঝোরা যাওয়ার পথে উপরের পাহাড় থেকে একটি বিশাল বোল্ডার নেমে আসে। এটি দিনের বেলা ঘটত হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা ছিল। প্রশাসনের অনুমান, গত কয়েকদিন পাহাড়ে প্রবল বর্ষণের কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটেছে। পূর্বের কয়েকদিনে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং রাস্তার বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা গেছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ধস মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
কাঠুয়া–মাধোপুর লাইনে ট্র্যাক বিপর্যয়, জম্মু ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল
সকাল সকাল ডেস্ক। জম্মু, ৩০ আগস্ট : কাঠুয়া–মাধোপুর ডাউন লাইনের ব্রিজ নম্বর ১৭-এ ট্র্যাকের মিসঅ্যালাইনমেন্টের কারণে রেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জম্মু ডিভিশন থেকে ছাড়ার ও আসার একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে, কিছু ট্রেন স্বল্পপথে শেষ করা হয়েছে অথবা স্বল্পপথ থেকে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার (৩১ আগস্ট) জম্মু তাওয়াই ও মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্টেশন থেকে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এতে রয়েছে জেলম এক্সপ্রেস (জম্মু–পুণে), হিমগিরি এক্সপ্রেস (জম্মু–হাওড়া), অর্চনা এক্সপ্রেস (জম্মু–পাটনা), জম্মু–আজমের এক্সপ্রেস, জম্মু–নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, উত্তর সমপর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, শ্রীশক্তি এক্সপ্রেস এবং দু’টি বন্দে ভারত ট্রেন। এছাড়া কাটরা থেকে চলা মালবা এক্সপ্রেস, জামনগর এক্সপ্রেস, কোটা এক্সপ্রেস, জম্মু মেল এবং উদমপুর থেকে ছাড়ার দিল্লি এসি এক্সপ্রেসসহ একাধিক স্থানীয় ডিএমইউ পরিষেবা প্রভাবিত হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ট্র্যাকের মেরামতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে। যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, যাত্রা করার আগে তাদের ট্রেনের বর্তমান অবস্থা নিশ্চিতভাবে যাচাই করার জন্য।
উৎসব মরশুমে পাঁচ জোড়া স্পেশাল ট্রেন চালাবে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে
চারলাপল্লি এবং নাহরলগুনের মধ্যে অব্যাহত স্পেশাল ট্রেন চলাচল সকাল সকাল ডেস্ক। গুয়াহাটি, ২৯ আগস্ট: যাত্রীদের অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে আসন্ন উৎসব মরশুমে পাঁচ জোড়া উৎসব বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উৎসব বিশেষ ট্রেনগুলি যথাক্ৰমে ট্রেন নম্বর ০৬৫৫৯/০৬৫৬০ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-নারেঙ্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু ২ সেপ্টেম্বর ২৯ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ১৩টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৪/০৫৭৪৩ কাটিহার-সোনপুর-কাটিহার ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ২৫টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৭৫৪১/০৭৫৪২ কাটিহার-দৌরাম মাধেপুরা-কাটিহার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ নভেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৪৬টি ট্রিপের জন্য চলবে; ট্রেন নম্বর ০৭৫৪০/০৭৫৩৯ কাটিহার-মণিহারি-কাটিহার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর (২০২৫)পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৪৬টি ট্রিপের জন্য চলবে এবং ট্রেন নম্বর ০৭৬৪০/০৭৬৩৯ আগরতলা-ধর্মনগর-আগরতলা ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ অক্টোবর (২০২৫) পর্যন্ত উভয় দিক থেকে ৩৩টি ট্রিপের জন্য চলবে। আজ বৃহস্পতিবার এক প্রেস বার্তায় এ খবর দিয়ে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা আরও জানান, ট্রেন নম্বর ০৬৫৫৯ এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-নারেঙ্গি স্পেশাল প্রত্যেক মঙ্গলবার এসএমভিটি বেঙ্গালুরু থেকে ২৩:৪০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে শুক্রবার ০৫:০০ ঘণ্টায় নারেঙ্গি পৌঁছাবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৬৫৬০ নারেঙ্গি-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু স্পেশাল প্রত্যেক শনিবার নারেঙ্গি থেকে ০৫:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে সোমবার ০৯:৪৫ ঘণ্টায় এসএমভিটি বেঙ্গালুরু পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৪ কাটিহার-সোনপুর স্পেশাল প্রত্যেক বৃহস্পতি, রবি এবং সোমবার কাটিহার থেকে ১৮:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ০১:০০ ঘণ্টায় সোনপুর পৌঁছাবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৫৭৪৩ সোনপুর-কাটিহার স্পেশাল প্রত্যেক শুক্র, সোম এবং মঙ্গলবার সোনপুর থেকে ০৩:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ১২:০০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৫৪১ কাটিহার-দৌরাম মাধেপুরা স্পেশাল কাটিহার থেকে প্রত্যেকদিন ১৯:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ২২:০০ ঘণ্টায় দৌরাম মাধেপুরা পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৫৪২ দৌরাম মাধেপুরা-কাটিহার স্পেশাল দৌরাম মাধেপুরা থেকে প্রত্যেকদিন ২২:৪৫ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে পরের দিন ২:৩০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৫৪০ কাটিহার-মনিহারি স্পেশাল কাটিহার থেকে প্রত্যেকদিন ২০:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ২১:৩০ ঘণ্টায় মনিহারি পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৫৩৯ মনিহারি-কাটিহার স্পেশাল মনিহারি থেকে প্রত্যেকদিন ০৫:০০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ০৬:০০ ঘণ্টায় কাটিহার পৌঁছবে। ট্রেন নম্বর ০৭৬৪০ আগরতলা-ধর্মনগর স্পেশাল আগরতলা থেকে প্রত্যেক দিন ০৫:১৫ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ০৮:৪৫ ঘণ্টায় ধর্মনগর পৌঁছবে। ফেরত যাত্রায় ট্রেন নম্বর ০৭৬৩৯ ধর্মনগর-আগরতলা স্পেশাল ধর্মনগর থেকে প্রত্যেক দিন ০৯:৩০ ঘণ্টায় রওয়ানা দিয়ে একই দিনে ১৩:২০ ঘণ্টায় আগরতলা পৌঁছবে। তাছাড়া, ট্রেন নম্বর ০৭০৪৬/০৭০৪৭ চারলাপল্লি-নাহরলগুন-চারলাপল্লি উৎসব স্পেশাল-এর পরিষেবা বিদ্যমান স্টপেজ, সময়সূচি এবং পরিষেবার দিন অনুসারে ৩০ আগস্ট থেকে ২ ডিসেম্বর (২০২৫) পর্যন্ত আরও ১৪টি ট্রিপের জন্য অব্যাহত থাকবে। এই ট্রেনগুলির স্টপেজ ও সময়সূচির বিশদ বিবরণ আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে এবং বিভিন্ন সংবাদপত্র ও সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেও অধিসূচিত করা হচ্ছে। যাত্রা করার আগে বিশদ বিবরণগুলি দেখে নেওয়ার জন্য এক প্রেস বার্তায় যাত্রীদের অনুরোধ জানিয়েছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা।
তুলোর ওপর আমদানি শুল্ক ছাড় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি, ২৯ আগস্ট : তুলোর ওপর আমদানি শুল্ক ছাড় চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। এই বিষয়ে জানিয়েছে ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)। পিআইবি-র তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় বস্ত্র ক্ষেত্রে তুলোর সহজলভ্যতা বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার সাময়িকভাবে তুলোর ওপর আমদানি শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ ১৯ আগস্ট, ২০২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আগেই বাড়িয়েছিল। রপ্তানিকারকদের বাড়তি সাহায্যার্থে কেন্দ্রীয় সরকার এইচএস ৫২০১ গ্রেডের তুলোর ওপর আমদানি শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: নতুন লিগ পর্বের ড্র ও প্রতিপক্ষ দল ঘোষণা
সকাল সকাল ডেস্ক। মোনাকো, ২৯ আগস্ট : মোনাকোয় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩৬ দলের ২০২৫-২৬ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বের ড্র। প্রাথমিক র্যাঙ্কিং অনুযায়ী চারটি পটের প্রতিটিতে রাখা হয় ৯টি করে দল। ড্রয়ে প্রতিটি পট থেকে একটি দলের দুটি করে প্রতিপক্ষ নির্বাচন করা হবে। রাউন্ড রবিন লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম আটটি দল সরাসরি জায়গা করে নেবে শেষ ষোলোয়। আর টেবিলের ৯ থেকে ২৪ নম্বরে থাকা দলগুলোর মধ্যে হোম-অ্যাওয়ে দুই লেগের প্লে-অফ লড়াই শেষে আটটি দল পাবে শেষ ষোলোর বাকি আটটি টিকিট। লিগ পর্বে পট ১-এর প্রতিপক্ষ দলের তালিকা: পিএসজি: বায়ার্ন মিউনিখ (হোম), বার্সিলোনা (অ্যাওয়ে), আতালান্তা (হোম), বায়ার লেভারকুজেন (অ্যাওয়ে), টটেনহ্যাম হটস্পার (হোম), স্পোর্তিং সিপি (অ্যাওয়ে), নিউক্যাসল ইউনাইটেড (হোম), আথলেতিক বিলবাও (অ্যাওয়ে) রিয়াল মাদ্রিদ: ম্যানচেস্টার সিটি (হোম), লিভারপুল (অ্যাওয়ে), ইউভেন্তুস (হোম), বেনফিকা (অ্যাওয়ে), মার্সেই (হোম), অলিম্পিয়াকোস (অ্যাওয়ে), মোনাকো (হোম) কাইরাত আলমাহতি (অ্যাওয়ে) ম্যানচেস্টার সিটি: বরুশিয়া ডর্টমুন্ড (হোম), রিয়াল মাদ্রিদ (অ্যাওয়ে), বায়ার লেভারকুজেন (হোম), ভিয়ারিয়াল (অ্যাওয়ে), নাপোলি (হোম), বুদে/গ্লিম্ট (অ্যাওয়ে), গালাতাসারাই (হোম), মোনাকো (অ্যাওয়ে) বায়ার্ন মিউনিখ: চেলসি (হোম), পিএসজি (অ্যাওয়ে), ক্লাব ব্রুজ (হোম), আর্সেনাল (অ্যাওয়ে), স্পোর্তিং সিপি (হোম), পিএসভি আইন্দহোভেন (অ্যাওয়ে), ইউনিয়ঁ সাঁ জিলোয়াজ (হোম), পাফোস (অ্যাওয়ে) লিভারপুল: রিয়াল মাদ্রিদ (হোম), ইন্টার মিলান (অ্যাওয়ে), আতলেতিকো মাদ্রিদ (হোম), আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট (অ্যাওয়ে), পিএসভি আইন্দহোভেন (হোম), মার্সেই (অ্যাওয়ে), কারাবাগ (হোম), গালাতাসারাই (অ্যাওয়ে) ইন্টার মিলান: লিভারপুল (হোম), বরুশিয়া ডর্টমুন্ড (অ্যাওয়ে), আর্সেনাল (হোম), আতলেতিকো মাদ্রিদ (অ্যাওয়ে), স্লাভিয়া প্রাহা (হোম), আয়াক্স (অ্যাওয়ে), কাইরাত আলমাহতি (হোম), ইউনিয়ঁ সাঁ জিলোয়াজ (অ্যাওয়ে) চেলসি: বার্সিলোনা (হোম), বায়ার্ন মিউনিখ (অ্যাওয়ে), বেনফিকা (হোম), আতালান্তা (অ্যাওয়ে), আয়াক্স (হোম), নাপোলি (অ্যাওয়ে), পাফোস (হোম), কারাবাগ (অ্যাওয়ে) বরুশিয়া ডর্টমুন্ড: ইন্টার মিলান (হোম), ম্যানচেস্টার সিটি (অ্যাওয়ে), ভিয়ারিয়াল (হোম), ইউভেন্তুস (অ্যাওয়ে), বুদে/গ্লিম্ট (হোম), টটেনহ্যাম হটস্পার (অ্যাওয়ে), আথলেতিক বিলবাও (হোম), কোপেনহেগেন (অ্যাওয়ে) বার্সিলোনা: পিএসজি (হোম), চেলসি (অ্যাওয়ে), আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট (হোম), ক্লাব ব্রুজ (অ্যাওয়ে), অলিম্পিয়াকোস (হোম), স্লাভিয়া প্রাহা (অ্যাওয়ে), কোপেনহেগেন (হোম), নিউক্যাসল ইউনাইটেড (অ্যাওয়ে)
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের জন্য আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা
সকাল সকাল ডেস্ক। বুয়েনস আইরিশ-কলকাতা, ২৯ আগস্ট : দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডর ম্যাচকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার রাতে ২৯ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করলেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি।দলে জায়গা হয়নি ফাকুন্দো মেদিনা ও আনহেল কোরেয়ার। সুযোগ পেয়েছেন ক্লদিও এচেভেরি, অ্যারান ভারেলা ও হোসে ম্যানুয়েল লোপেজরা। কলম্বিয়া ম্যাচে লাল কার্ড দেখে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় থাকায় স্কোয়াডে নেই এনজো ফার্নান্দেজ। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় দলে ফেরেননি লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।লাতিন অঞ্চল থেকে সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের মধ্যে শীর্ষে আছে তারা। তাই শেষ দুই ম্যাচ তাদের জন্য নিয়মরক্ষার। তাই নতুনদের যাচাই করে নেওয়ার সুযোগ থাকছে কোচ স্ক্যালোনির।আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে ভেনেজুয়েলাকে আতিথেয়তা দেওয়ার পর ১০ সেপ্টেম্বর ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ বাছাই শেষ করবে আলবিসেলেস্তেরা।আর্জেন্টিনার স্কোয়াড: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ওয়াল্টার বেনিতেজ, জেরোনিমো রুল্লি, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালে মন্টিয়েল, লিওনার্দো বালের্দি, হুয়ান ফয়থ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস অ্যাকুনা, হুলিও সোলার, অ্যালেক্সিস ম্যাকঅ্যালিস্টার, এক্সেকুয়েল প্যালাসিওস, অ্যালান ভারেলা, লিয়ান্দ্রোপারেদেস, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, রদ্রিগো ডি পল, জিওভানি লো সেলসো, ক্লওদিও এচেভেরি, ফ্রাঙ্কো মাস্তাতুওনো, ভ্যালেন্তিন কারবোনি, জিউলিয়ানো সিমেওনে, হুলিয়ান আলভারেজ, লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ ও হোসেন ম্যানুয়েল লোপেজ।
ডায়মন্ড লিগ ফাইনালে নীরজ চোপড়ার দ্বিতীয় স্থান
সকাল সকাল ডেস্ক। জুরিখ, ২৯ আগস্ট : জুরিখে বৃহস্পতিবার জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া টানা তৃতীয়বারের মতো ডায়মন্ড লিগ ফাইনালে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন, যখন জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার দুটি ৯০ মিটারের বেশি থ্রো করে তার প্রথম ট্রফি তুলেছেন। ৮৪.৩৫ মিটারের প্রথম থ্রো করার পর নীরজ পঞ্চম রাউন্ড পর্যন্ত তৃতীয় স্থানে ছিলেন। এরপর ৮৫.০১ মিটারের শেষ প্রচেষ্টায় তিনি দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকের স্বর্ণজয়ী ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কেশর্ন ওয়ালকট ৮৪.৯৫ মিটার নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন। ওয়েবার তার দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ৯১.৫৭ মিটারের বিশ্বসেরা থ্রো অর্জন করেন, যা তার ব্যক্তিগত সেরা। তিনি ৯১.৩৭ মিটার প্রচেষ্টা দিয়ে শুরু করেছিলেন এবং এরপর এটি ছিল সাতজন খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে এক-পুরুষের প্রদর্শনী। ওয়েবারের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বীই তাঁর লক্ষ্যের ধারেকাছেও যেতে পারেনি, কারণ দিনের সেরা প্রচেষ্টা ছিল নীরজের চেয়ে ৬ মিটার বেশি। দ্বিতীয় থ্রোয়ের পর জার্মান খেলোয়াড় ৮৩.৬৬ মিটার, ৮৬.৪৫ মিটার এবং ৮৮.৬৬ মিটার ফাউল করেছিলেন। স্পষ্টতই, মরশুমের ডায়মন্ড লিগের গ্র্যান্ড ফাইনালে নীরজ তাঁর সেরা ফর্মে ছিলেন না। ছয়টি প্রচেষ্টার মধ্যে তিনটি থ্রো করেছিলেন তিনি। ৮৮ মিটারের বেশি থ্রো করার ক্ষেত্রে তার ধারাবাহিকতার জন্য পরিচিত, এটি ছিল ২৭ বছর বয়সী ভারতীয় তারকার ৮৫ মিটারের মাইলফলক স্পর্শ করার একটি বিরল উদাহরণ। তিনি ২০২২ সালে জয়ী ট্রফিটি ফিরে পাওয়ার আশা করেছিলেন, কিন্তু ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের পর তৃতীয়বারের মতো দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গ্রেনাডার অ্যান্ডারসন পিটার্স ৮২.০৬ মিটার নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। নীরজ ৮৪.৩৫ মিটার দিয়ে শুরু করেছিলেন এবং তারপরে ৮২ মিটার এবং একটি ফাউল করেছিলেন। হাফওয়ে পর্যায়ে তিনি তৃতীয় স্থানে ছিলেন এবং তার চতুর্থ এবং পঞ্চম প্রচেষ্টায় ফাউল করেছিলেন এবং তাঁর শেষ থ্রোতে ৮৫.০১ মিটার প্রচেষ্টা করেছিলেন। ওয়েবারের এই প্রচেষ্টাটি ছিল তাঁর কেরিয়ারের তৃতীয় ৯০ মিটারের বেশি থ্রো। ১৬ মে দোহা ডায়মন্ড লিগের শিরোপা জয়ের সময় তিনি ৯১.০৬ মিটার থ্রো করে কাঙ্ক্ষিত ৯০ মিটারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিলেন। দোহায় নীরজ প্রথমবারের মতো ৯০.২৩ মিটার থ্রো করে ৯০ মিটারের মাইলফলক অতিক্রম করেন কিন্তু ওয়েবারের পরে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। ভারতীয় এখন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আগামী মাসে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য টোকিও যাবেন।
টোকিওতে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাক্ষাৎ
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি ও টোকিও, ২৯ আগস্ট : জাপানে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফরে উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারত-জাপানের পারস্পরিক আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী হবে। শুক্রবার তিনি টোকিওতে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি জানান, টোকিওতে ভারতীয় সম্প্রদায়ের উষ্ণতা এবং স্নেহ গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। জাপানি সমাজে অর্থপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি আমাদের সাংস্কৃতিক শিকড় সংরক্ষণে তাদের প্রতিশ্রুতি সত্যিই প্রশংসনীয়।
‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে ১ কোটিরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ২৯ আগস্ট : ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন ১ কোটি মানুষ। সামাজিক মাধ্যমে এই সাফল্যের কথা তুলে ধরে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লেখেন, “আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলার প্রতিটি মানুষকে, যাঁরা আমাদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন।” তিনি লেখেন, “অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, মাত্র ২৬ দিনে বাংলার ১ কোটিরও বেশি মানুষ রাজ্যজুড়ে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’-এর প্রায় ১৪ হাজার ৫০০টি শিবিরে এসে তাঁদের এলাকার সমস্যার নিরসনের লক্ষ্যে অংশগ্রহণ করেছেন। কোটির রেখা অতিক্রমে সকলকে অভিনন্দন। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকদের ধন্যবাদ।” মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “বাংলার প্রতিটি মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাশাপাশি, আমাদের মা- মাটি-মানুষের সরকার আপনাদের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও সুনিশ্চিত করতে এবং আপনাদের সমস্যার আশু সমাধানে সবসময় আপনাদের পাশে আছে ও আগামী দিনেও থাকবে। কথা দিলাম।” প্রসঙ্গত, গত মাসে নাগরিক সমস্যা সমাধানে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ প্রকল্পের ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আজ থেকে ২৬ দিন আগে শুরু হয় কাজ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি আধিকারিক এলাকায় পৌঁছে মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা অনুযায়ী সমধানের পথ বার করছেন। শুক্রবার সকালে এই কর্মসূচির সাফল্যের কথাই তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দুর কটাক্ষ মমতার ‘শ্রমশ্রী’ প্রকল্পকে
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ২৯ আগস্ট, : “আপনার ঢপের ‘শ্রমশ্রী’ প্রকল্পকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে ওরা পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বাইরের রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে মাসে পাঁচ হাজারের থেকে অনেক বেশি টাকা আয় করার জন্য।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে এক্সবার্তায় এ কথা লিখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুবাবু শুক্রবার লিখেছেন, “মাননীয়া শুভনন্দন ! আমার প্রিয় জেলা পুরুলিয়ার চিত্র তুলে ধরলাম। চিত্রটি পুরুলিয়া রেল স্টেশনের। এলাকার শ’য়ে শ’য়ে যুবকরা ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে কাজের জন্য। এই চিত্র দেখলে দুটো ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়; প্রথমত আপনার শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গের কর্মসংস্থানের এমন বেহাল দশা যে বাঙালিদের বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে হয় কাজের খোঁজে, দ্বিতীয়ত ভারতবর্ষের কোনো প্রান্তেই কোথাও কোন বাংলাভাষীদের হেনস্থা করা হচ্ছে না কিংবা বাঙালি অস্মিতা আক্রান্ত নয়। সবটাই আপনার মনগড়া, ভোট রাজনীতির পরিকল্পনা। পশ্চিমবঙ্গের সকল সচেতন নাগরিক তা ভালো ভাবে বুঝেছেন। এই শ্রমিকদের যদি নিজের রাজ্যে রেখে দিতে চান, আগামী বছরের নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সৃষ্ট প্রকল্প ‘শ্রমশ্রী’ না চালু করে কর্মসংস্থানের সুযোগের ‘শ্রীবৃদ্ধি’ ঘটানোর চেষ্টা করুন। তবে আপনি সক্ষম নন এটা করতে, হলে আগেই তা করে দেখাতেন, নির্বাচনের পূর্বে এক বছরের জন্যে ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে, পরিযায়ী দের ভোট নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদের ফেরত আনার চেষ্টা করতেন না। আগামী বছর বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থানের ‘শ্রীবৃদ্ধি’ হবে। এবং এই সকল যুবকদের বাইরের রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে যেতে হবে না। নিজের রাজ্যে কর্মসংস্থান পাবে। সেই দিন বেশি দুরে নয়।”