নীতীশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর জন্য বিহারে ষড়যন্ত্র চলছে : গিরিরাজ সিং
মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর জন্য বিহারে ষড়যন্ত্র চলছে, এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং।
করমা খনি দুর্ঘটনার বিষয়ে সরকারকে প্রতিটি প্রাণের হিসাব দিতে হবে: বাবুলাল মারান্ডি
বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলের নেতা বাবুলাল মারান্ডি বলেছেন যে, রামগড়ের করমা প্রকল্পে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর শুনে মন অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন যে, তাঁরা এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। এই মৃত্যুর ধারাবাহিকতা এবার বন্ধ হওয়া উচিত। এই সরকারকে প্রতিটি প্রাণের হিসাব দিতে হবে।
করমা খনি দুর্ঘটনা: ৪ শ্রমিকের মৃত্যুর তদন্ত হবে, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা – ডিসি
ঝাড়খণ্ডের রামগড়ের সি সি এল কুজু অঞ্চলের করমা প্রকল্পের খনিতে শনিবার সকালে ধস নেমে চার শ্রমিকের মৃত্যুর পর জেলা প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। রামগড়ের ডিসি ফৈজ আক আহমদ মুমতাজ বলেছেন যে, এই দুর্ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে এবং এর জন্য দায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন।
রামগড়ে সি সি এল-এর লিজ এলাকায় অবৈধ খনন, ধসে মৃত ৪
রামগড় জেলার সি সি এল কুজু অঞ্চলের কার্মা প্রকল্পে শনিবার এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সি সি এল-এর লিজ এলাকায় অবৈধ কয়লা খনন চলাকালীন ধস নেমে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ঝাড়খণ্ডের ছয় জেলায় ৬ দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
আগামীকাল রবিবার ঝাড়খণ্ডের ছয় জেলার বেশ কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের যেসব জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পূর্ব সিংভূম, পশ্চিম সিংভূম, সরাইকেলা-খারসাওয়ান, সিমডেগা, লোহারদাগা এবং কোডারমা। আবহাওয়া দফতর এ বিষয়ে কমলা সতর্কতা জারি করেছে। একই সঙ্গে আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া ও বজ্রপাটের সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।
“চাষি শুধু অন্নদাতা নয়, এবার হবে শক্তিদাতাও” – নীতিন গডকরি
ঝাড়খণ্ডের গড়বায় বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি দুটি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস এবং একটি বাইপাস সড়কের উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পগুলির মোট ব্যয় ২,৪৬০ কোটি টাকা। শিলান্যাস করা হয়েছে টোরি-চান্দওয়া ও গড়বা-অম্বিকাপুর ফোরলেন সড়কের, এবং উদ্বোধন হয়েছে গড়বা বাইপাস রোড-এর।
ঝাড়খণ্ডে বড়সড় রেল দুর্ঘটনা: সাহিবগঞ্জে পাথরবোঝাই মালগাড়ির ১৮টি বগি লাইনচ্যুত
ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটে গেল বড়সড় রেল দুর্ঘটনা। মালদা রেল বিভাগের অন্তর্গত বরহরওয়া লোডিং পয়েন্টে পাথর বোঝাই একটি মালগাড়ির ১৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে যায় লাইনের পাশেই। তবে আশ্চর্যজনকভাবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।
রাঁচিতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি, বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা
কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও রাজমার্গ মন্ত্রী নীতিন গড়করি বৃহস্পতিবার রাঁচিতে এসে পৌঁছলেন। রাঁচির বিরসা মুণ্ডা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাঁচির সাংসদ সঞ্জয় শেঠ এবং বিজেপির ঝাড়খণ্ড রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
জনতার দরবারে ৬৩ জনের অভিযোগ শুনলেন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিংহ
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচী, ২৪ জুন – কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত জনতার দরবারে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিংহ মোট ৬৩ জন মানুষের অভিযোগ শোনেন। কর্মী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা যেমন– বহুদিন ধরে একজায়গায় কর্মরত অফিসারদের বদলি, গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও চিকিৎসা পরিষেবার বিষয়ে তিনি আশ্বাস দেন। এই কর্মসূচিতে কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি কেশব মাহতো কমলেশ উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, প্রতি সোমবার কংগ্রেস অফিসে এই ধরনের দরবার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সমস্যাগুলির সমাধান সংক্রান্ত রিপোর্টও কংগ্রেস সদর দফতরে পাঠানো হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, জরুরি সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং গুরুতর বিষয়গুলোতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের উচ্চপদস্থদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনতার দরবারকে তিনি কংগ্রেসের সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হেমন্ত সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভ, কড়া হুঁশিয়ারি বাবুলাল মারান্ডির
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি — ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরেন সরকারের বিরুদ্ধে আজ ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজ্যের সমস্ত ২৬৪টি প্রখণ্ড/অঞ্চল কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করে। সরকারকে ছয় মাস সময় দেওয়ার পর এই আন্দোলনের সূচনা হল বলে বিজেপি জানিয়েছে। এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন রাজ্য সভাপতি ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কার্যকরী সভাপতি ডঃ রবিদ্র কুমার রাই, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ আদিত্য সাহু, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অমর কুমার বাউরি, বিধায়ক ও অন্যান্য রাজ্যস্তরের নেতা-কর্মীরা। গিরিডিহ জেলার তিসরি ও গাওয়ান প্রখণ্ডে নিজে উপস্থিত থেকে আন্দোলন পরিচালনা করেন বাবুলাল মারান্ডি। তিনি জনসভায় বলেন, “হেমন্ত সরকার আদিবাসী, দলিত, মহিলা, কৃষক ও যুব বিরোধী নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের নীতি ও মনোভাব আগের সরকারের মতোই রয়ে গেছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি।” তিনি অভিযোগ করেন, “আজ রাজ্যের খনিজ সম্পদ দালাল ও মাফিয়াদের হাতে লুট হচ্ছে, কিন্তু গ্রামের দরিদ্র মানুষ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ঘর নির্মাণের জন্য বালুও পাচ্ছেন না।” তিনি আরও বলেন, “একদিকে মাফিয়া নদী থেকে বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে গরিবের ট্রাক্টর পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে মামলা দিচ্ছে। আধিকারিকরা ঘর নির্মাণ প্রকল্পে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন, অথচ গরিবরা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না।” স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দুরবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, “প্রখণ্ড হাসপাতালে ডাক্তার নেই, অ্যাম্বুলেন্স নেই, ওষুধ নেই। দরিদ্রদের বাধ্য হয়ে রাঁচি বা জেলা সদর হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাজ্যের যুবসমাজ হতাশ। চাকরির জন্য বিজ্ঞপ্তি বেরোলেও, তা বাইরে থেকে লোক এনে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় যুবদের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে না।” শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নতুন শিক্ষানীতিতে ইন্টারমিডিয়েট পড়াশোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতার বাইরে চলে গেলেও রাজ্য সরকার গত পাঁচ বছরেও ইন্টার কলেজগুলির উন্নয়ন করেনি। ফলে লক্ষ লক্ষ ছাত্র দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।” আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, “অপরাধীরা আজ বেপরোয়া। খুন, লুট, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলি যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে ঘটে চলেছে।” কৃষকদের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, “ধানের প্রতি কুইন্টালে ৩২০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, সরকার মাত্র ২৪০০ টাকায় ধান কিনেছে। তাও টাকা এখনও কৃষকদের হাতে পৌঁছায়নি। এর মধ্যে রাজ্য সরকারের অবদান মাত্র ১০০ টাকা, বাকি ২৩২০ টাকা কেন্দ্রের।” শেষে মারান্ডি বলেন, “এই সরকার ভোট নিয়ে আবারও জনগণকে ঠকিয়েছে। আধিকারিকদের পদ বিক্রি হচ্ছে, তাই তারা কাজ না করে শুধু উপার্জনের দিকেই নজর দিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে বিজেপি বারবার আন্দোলনে নামবে।” তিনি বলেন, “আজকের প্রখণ্ড পর্যায়ের বিক্ষোভ কেবল শুরু মাত্র। ভবিষ্যতে থানা, জেলা সহ অন্যান্য দপ্তরেও বৃহত্তর আন্দোলন হবে, যদি সরকার এখনো না জাগে।”