রাঁচিতে চার ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে ডুবল রাস্তাঘাট, নাকাল সাধারণ মানুষ
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি — সোমবার রাঁচিতে টানা চার ঘণ্টা ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে জনজীবন ব্যাহত হয়ে পড়ে। ভারী বৃষ্টিতে শহরের নদী-নালাগুলি উপচে পড়ে এবং রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে যায়। এর জেরে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। অপর বাজারের সেবা সদন হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা, পন্দ্রা, পঞ্চশীল নগর ও কোকরের একাধিক মহল্লা জলের নিচে চলে যায়। রাঁচি রেলস্টেশন চত্বরে জল জমে যাওয়ায় যাত্রীদের ব্যাপক সমস্যা পোহাতে হয়েছে। স্কুলগামী শিশু এবং কর্মজীবী মানুষও দিনের শুরুতে ভোগান্তির শিকার হন। টানা বৃষ্টির প্রভাবে তাপমাত্রাতেও উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে। রাঁচিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে নেমে ২২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারও রাজ্যের একাধিক জায়গায় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজ্যপালের নেতারহাট বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন
শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রশংসা করলেন সকাল সকাল ডেস্ক। লাতেহারঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার সোমবার লাতেহার জেলার নেতারহাট আবাসিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম, গ্রন্থাগার, পরীক্ষাগার ও বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুবিধাসমূহ সম্পর্কে অবহিত হন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রাজ্যপালকে শিক্ষাগত সাফল্য, শৃঙ্খলা, পাঠদানের পদ্ধতি ও ছাত্রদের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য গৃহীত নানা উদ্যোগ সম্পর্কে জানান। রাজ্যপাল বিদ্যালয়ের সুসংগঠিত পরিবেশ, ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নেতারহাট বিদ্যালয় শুধু ঝাড়খণ্ড নয়, গোটা দেশের শিক্ষা মর্যাদার প্রতীক। এখানকার প্রাক্তনীরা দেশ-বিদেশে বিদ্যালয় ও রাজ্যের গৌরব বৃদ্ধি করেছেন। এরপর রাজ্যপাল নেতারহাটের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসা পরিষেবা ও ওষুধ সরবরাহ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের জন্য কী ধরনের পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে, তা-ও তিনি জানেন। পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে তিনি নেতারহাটের প্রায় ১০০ একরজুড়ে বিস্তৃত নাশপাতির বাগান ঘুরে দেখেন। তাঁকে জানানো হয়, এখানে ‘নাট’ প্রজাতির নাশপাতি চাষ হয়, যা স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য পরিচিত।
মোদীর শাসনে দেশ নিরাপদ, জঙ্গি হুমকিতে সংবেদনশীল ঝাড়খণ্ড : বাবুলাল মারান্ডি
সকাল সকাল ডেস্ক। দুমকাপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১১ বছরের নেতৃত্বে দেশ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ সমান সুযোগ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপির ঝাড়খণ্ড রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামেগঞ্জে রাস্তা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প পৌঁছে দিচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। সোমবার দুমকার পরিসদন ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মারান্ডি রাজ্যের হেমন্ত সোরেন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি অভিযোগ করেন, ঝাড়খণ্ডে স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন না, এবং যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা হয়েছে, তাদেরও অর্থ প্রদান করা হয়নি। রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মারান্ডি বলেন, ঝাড়খণ্ড এখন সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বহু জঙ্গি গোষ্ঠীর হদিস এই রাজ্য থেকেই পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু জঙ্গিকে এখান থেকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবুও, গত দুই মাস ধরে রাজ্যে কোনও স্থায়ী ডিজিপি নেই। বর্তমান ডিজিপির কার্যকাল ৩০ এপ্রিলেই শেষ হয়ে গিয়েছে, তবু তিনিই এডিজি, সিআইডি এবং এসিবির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একে বেআইনি ও প্রশাসনিক গাফিলতি বলে কটাক্ষ করেন। বাবুলাল মারান্ডি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে রাজ্যকে কিস্তিতে অর্থ প্রদান করে, তবে তার জন্য রাজ্য সরকারকে ইউটিলিটি সার্টিফিকেট পাঠাতে হয়। ঝাড়খণ্ড সরকার সময়মতো এই সার্টিফিকেট না দেওয়ার ফলে কেন্দ্র থেকে নতুন কিস্তি আটকে রয়েছে। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এখন আর লুটপাটের জন্য টাকা পাওয়া যাবে না।”
“রিমস পার্ট-২-এর স্বপ্ন দেখানো সরকার গরিবকে অ্যাম্বুল্যান্স দিতে ব্যর্থ” — রাফিয়া নাজের কড়া আক্রমণ রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঘটনা উঠে আসছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ঝাড়খণ্ড প্রদেশের রাফিয়া নাজ। তিনি বলেন, “যে সরকার রিমস পার্ট-২ (উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র) গড়ার কথা বলছে, সেই সরকারই গরিব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দিতে পারছে না।” রাফিয়া বলেন, সরকার একদিকে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ স্লোগান তোলে, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, জরুরি মুহূর্তে রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছেন না। এটা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। অ্যাম্বুল্যান্স দেরিতে আসায় মৃত্যু তিনি উদাহরণ দেন গড্ডা জেলার এক শিশু-কন্যার মৃত্যুর ঘটনা। রাফিয়া বলেন, “অ্যাম্বুল্যান্স সময়মতো না পৌঁছনোয় শিশুটির মৃত্যু হয়, যদিও তার পরিবার বারবার ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল।” একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে চতরা জেলাতেও, যেখানে সুকুল ভুঁইয়ার মৃত্যু হয় দেরিতে অ্যাম্বুল্যান্স আসায়। এই ঘটনাগুলিই প্রমাণ করে, রাজ্যে জরুরি চিকিৎসা পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে গেছে। ৩২% অ্যাম্বুল্যান্স বন্ধ, চালক নেই, বেতনও না! রাফিয়া জানান, বর্তমানে ঝাড়খণ্ডে ৩২ শতাংশ পরিষেবা-যোগ্য অ্যাম্বুল্যান্স অচল অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “জনগণের করের টাকায় যদি এই পরিষেবা চালানো হয়, তাহলে তার রক্ষণাবেক্ষণে এই চরম অবহেলা কেন?” অনেক জেলায় গোটা ব্লকের জন্য একটিমাত্র অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। চালক ও প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব রয়েছে বহু গাড়িতে, ফলে জরুরি পরিষেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ, বহু অ্যাম্বুল্যান্স কর্মী মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না। “যারা নিজের জীবন বাজি রেখে পরিষেবা দেন, তাদের পারিশ্রমিক না দিয়ে কীভাবে সরকার তাদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত কাজ আশা করে?” — প্রশ্ন তুলেছেন রাফিয়া। তিনি বলেন, “এখন আর স্লোগান নয়, বাস্তবে কাজ চাই। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন রোধ করতে হবে এখনই। প্রতিটি ১০ হাজার জনসংখ্যার জন্য অন্তত একটি অ্যাম্বুল্যান্স নিশ্চিত করা হোক।” তিনি আরও দাবি করেন: রাফিয়া নাজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আর কোনও মৃত্যু নয়। এবার সময় এসেছে, সংস্কার চাই। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে আর ছেলেখেলা বরদাস্ত করা হবে না।”
“শিক্ষা ও সংস্কারের সমন্বয়েই গড়ে উঠবে শক্তিশালী সমাজ” — রাজ্যপাল
সকাল সকাল ডেস্ক। গুমলা (ঝাড়খণ্ড): “শিক্ষা যদি সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত না থাকে, তবে তা সমাজ গঠনে যথার্থ ভূমিকা রাখতে পারে না। শিক্ষা ও সংস্কারের সমন্বয়েই একটি উন্নত ও সুসংগঠিত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।” — এ কথা বললেন মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী সান্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার। শনিবার গুমলা জেলার রায়ডিহ প্রখণ্ডের অন্তর্গত ভালমণ্ডা গ্রামের বিনদেশ্বরী লাল সাহু সরস্বতী শিশু বিদ্যা মন্দিরে নবনির্মিত বালিকা ছাত্রাবাস (সরস্বতীধাম)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। আদিবাসী কন্যাশিক্ষায় নতুন দিশা রাজ্যপাল বলেন, “এই আবাসন শুধু একটি ভবন নয়, বরং এটি আদিবাসী ও গ্রামীণ অঞ্চলের মেয়েদের স্বনির্ভরতা, আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ গড়ার মঞ্চ হয়ে উঠবে।”এই ২৩৬তম সরস্বতীধাম নির্মাণে সহায়তাকারী গুজরাটের সুরতের মাতুশ্রী কাশীবা হরিভাই গোটী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-কে তিনি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান। আলবার্ট এক্কার স্মরণ রাজ্যপাল তাঁর ভাষণে ভারতের বীর সন্তান পরমবীর চক্র প্রাপ্ত শহীদ ল্যান্সনায়েক আলবার্ট এক্কা-কে শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডের মাটির সন্তান আলবার্ট এক্কার আত্মবলিদান আমাদের গর্বিত করে, তাঁকে আমরা কুর্নিশ জানাই।” সমাজ গড়তে শিক্ষার সঙ্গে প্রয়াসের প্রয়োজন রাজ্যপাল উল্লেখ করেন, বিদ্যা বিকাশ সমিতি, ঝাড়খণ্ড-এর ভূমিকাও। রাজ্যের দূরবর্তী ও আদিবাসী অঞ্চলে বহু বছর ধরে এই সংগঠন শিক্ষা, সংস্কার ও সামাজিক সচেতনতার প্রসারে নিরলস কাজ করে চলেছে। সম্প্রতি তিনি নগড়ি কুডলুঙ্গে সংগঠনের একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের কাজ কাছ থেকে দেখেছেন বলেও জানান। “বেটি পড়ে, দেশ এগোয়” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর “বেটি পড়ে, দেশ এগোয়” দর্শনের উল্লেখ করে রাজ্যপাল বলেন, “ঝাড়খণ্ডে একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা আদিবাসী মেধার বিকাশে সহায়ক হবে।” সহযোগিতার দৃষ্টান্ত মুম্বইয়ের সুমন রমেশ তুলসিয়ানি ট্রাস্ট ছাত্রদের জন্য দু’টি বাস উপহার দিয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। রাজ্যপাল বলেন, “শিক্ষাক্ষেত্রে সামাজিক সংগঠনগুলির এমন ভূমিকা ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণার।” চূড়ান্ত বার্তা অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে রাজ্যপাল বলেন, “যে শিক্ষা মূল্যবোধ শেখায় এবং যে সংস্কার সমাজকে দিশা দেখায়— তাই সত্যিকারের শিক্ষা। এই ছাত্রাবাস সেই চিন্তার প্রতিফলন। এটি শুধু একটি আবাসিক ভবন নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশ, আত্মনির্ভরতা ও জাতি গঠনের কেন্দ্র হয়ে উঠুক— এটাই কামনা।” অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, বিদ্যা বিকাশ সমিতির সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবক, সমাজকর্মী ও গ্রামবাসীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
মন্ত্রী শিল্পি তির্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ইউনেস্কোর কো-চেয়ারপার্সন
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচিইউনেস্কোর কো-চেয়ারপারসন এবং সিদো-কানহু মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়, দুমকা-র প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জ মঙ্গলবার কৃষিমন্ত্রী শিল্পি নেহা তির্কির বাসভবনে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের সময় ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সমাজ, ভাষা-সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যবাহী সম্পদের প্রসঙ্গে বিস্তৃত ও গঠনমূলক আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী শিল্পি নেহা তির্কি বলেন, “ডঃ মিন্জ-এর ইউনেস্কো-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় কো-চেয়ারপারসনের পদে মনোনীত হওয়া শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ড নয়, গোটা আদিবাসী সমাজের গর্বের বিষয়।” তিনি আরও বলেন, “ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জের সামাজিক সচেতনতা, দক্ষ নেতৃত্ব ও আদিবাসী সমাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদের একটি শক্তিশালী পরিচয় গড়ে তুলবে।” মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, “এই নতুন ভূমিকায় ডঃ মিন্জ ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন, যা রাজ্যকে এক নতুন দিশা দেখাবে।” তিনি বলেন, “ইউনেস্কোর উদ্দেশ্য হল শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও যোগাযোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রচার। আমি নিশ্চিত, ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জ এই দায়িত্ব অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে পালন করবেন।”
রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচিমঙ্গলবার রাজভবনে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় সেঠ। এই উপলক্ষে দু’জনের মধ্যে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজভবনের তরফে এই সাক্ষাৎকে একটি শিষ্টাচারমূলক সাক্ষাৎ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
বড়াজামদায় লক্ষাধিক টাকার চুরির পর্দাফাঁস, সোনা-রুপোর গয়নাসহ তিনজন গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। পশ্চিম সিংভূমবড়াজামদা থানার সামনে ফোরেস্ট কোয়ার্টারে বসবাসকারী শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তির বাসভবনে দরজা ভেঙে চুরি যাওয়া লক্ষাধিক টাকার গয়নার ঘটনায় পুলিশ বড় সাফল্য অর্জন করেছে। চুরি ও চোরাই গয়না কেনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার চাইবাসা আদালতে হাজির করা হয়, যেখান থেকে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা হলেন গুয়া শক্তিনগরের করণ গোপ, বড়াজামদার রাধা জুয়েলার্সের মালিক মুকেশ কুমার স্বর্ণকার এবং বড়াজামদা ট্যাঙ্কি সাইডের সুরজ কুমার দাস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নগদ ₹২২,৫০০, একটি সোনার মঙ্গলসূত্র এবং দুটি রুপোর পায়েল উদ্ধার করেছে। এর আগে, ১৩ জুন ওড়িশার বারবিল থেকে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজন নাবালককে গ্রেফতার করা হয়, যাদের চাইবাসা বালসংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তাদের তথ্যে গয়না কেনার অভিযোগে গুভার সন্নি প্রসাদকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার বাড়ি থেকে ₹৪৫০ নগদ সহ বহু সোনা ও রুপোর গয়না—যেমন সোনার কানের দুল, মঙ্গলসূত্র, লকেট, চেন, রুপোর পায়েল, ব্রেসলেট, সিঁদুর দানি, চাবির রিং ও কোমরবন্ধ (কমরধনী) উদ্ধার করা হয়েছে। কিরিবুরু এসডিপিও অজয় কেরকেট্টা মঙ্গলবার বড়াজামদা থানায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১১ জুন শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন (মামলা নম্বর–২৭/২০২৫)। এরপর এসপির নির্দেশে দ্রুত তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারী টিমে ছিলেন কিরিবুরু ইন্সপেক্টর বম্বম কুমার, বড়াজামদা থানার ওসি বিকাশ কুমার, এসআই লালু প্রসাদ, এএসআই বিনোদ প্রসাদ, এএসআই সুখদেব প্রসাদ ও হাবিলদার জলহা উরাঁও।
পিতৃ দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি : পিতৃ দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বাবার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, পিতা এক বিশাল বটবৃক্ষ, যাঁর ছায়ায় আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয় এবং জীবন হয় অর্থপূর্ণ। নিজের বাবা, গুরুজি-কে স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আমার গুরু, আমার পথপ্রদর্শক আমার বাবা। পিতৃ দিবসে সকলকে তিনি শুভেচ্ছা জানান।
ঝাড়খণ্ডে বরযাত্রী বোঝাই বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ১০ জন
সকাল সকাল ডেস্ক। লাতেহার : ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলাতে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে,রবিবার গভীর রাতে বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছিলেন সবাই, হঠাৎই মুখোমুখি ট্রাক এসে সজোরে ধাক্কা মারে বরযাত্রীদের বাসে। ঘটনাটি ঘটেছে ,মনিকা প্রখণ্ড সদর এলাকায়। এই ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন বরযাত্রী আহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারবাইয়া গ্রামে এক বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা। অনুষ্ঠান শেষে একটি বাসে করে সবাই বাড়ি ফিরছিলেন। পথেই, বন বিভাগের চেকপোস্টের কাছে সামনের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের বাসে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় , প্রাথমিক চিকিৎসার পর ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লাতেহার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে সকলের অবস্থা স্থিতিশীল। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দুর্ঘটনার পর বাস ও ট্রাক উভয় গাড়িকেই আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।