আদর্শ শিক্ষকের পরিচয়
সকাল সকাল ডেস্ক। গুরুদেব শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর ভারতে গুরু-শিষ্য পরম্পরার সঙ্গে যুক্ত একটি অনন্য ধারণা রয়েছে। গুরু সবসময় শিষ্যের সাফল্যের কামনা করেন এবং শিষ্য গুরুর বিজয়ের কামনা করে। শিষ্য গুরুর বিজয়ের কামনা করে। এটি শুভ লক্ষণ, কারণ যদি শিষ্যের মনে হয় যে সে গুরুর চেয়ে বেশি জানে, তাহলে এর অর্থ তার শিক্ষা থেমে গেছে এবং তার অহংকার জ্ঞানকে নষ্ট করে দিয়েছে। শিষ্য জানে যে যদি তার ক্ষুদ্র মন জয়লাভও করে, তবু সে দুঃখই পাবে, কিন্তু যদি শিক্ষক জয়ী হন, তবে সেটি জ্ঞানের জয়, যা সবার জন্য শুধু মঙ্গল ও আনন্দ বয়ে আনবে।একজন মহান শিক্ষক বোঝেন যে শিষ্য কোথা থেকে আসছে এবং তাকে ধাপে ধাপে কীভাবে পথ দেখাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ একজন আশ্চর্যজনক শিক্ষক ছিলেন! তিনি অর্জুনকে জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্য সিঁড়ি-সিঁড়ি করে এগিয়ে নিয়েছিলেন। শুরুতে অর্জুন খুব বিভ্রান্ত ছিল। যখন একটি শিষ্য বিকাশ লাভ করতে থাকে, তখন সে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে, কারণ সে তার ধারণাগুলোকে ভেঙে পড়তে দেখে। একজন ছাত্র হিসেবে, প্রথমে তুমি শিখো যে সূর্য পূর্ব দিক থেকে উদয় হয়। পরে তাকে গ্রহ-নক্ষত্র এবং তাদের সূর্যের চারপাশে আবর্তনের কথা শেখানো হয়। এভাবে প্রতিটি ধাপে তার ধারণা ভাঙে এবং নতুন ধারণা গড়ে ওঠে। মহান শিক্ষকরা এই প্রক্রিয়াটি বোঝেন। তারা শিষ্যকে কোনো একটি মতবাদে আঁকড়ে থাকতে দেন না, কারণ প্রতিটি ধারণাই কেবল চূড়ান্ত লক্ষ্য অভিমুখে একটি ধাপ। আর সেই ধারণাগুলিকে ভেঙেই পরবর্তী ধাপে ওঠা সম্ভব। একজন ভালো শিক্ষক শিষ্যের বিভ্রান্তি দূর করতে সাহায্য করেন এবং কখনো কখনো প্রয়োজন হলে আরও বিভ্রান্তিও সৃষ্টি করেন। আমার মনে আছে ছোটবেলায়, আমাদের একজন সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষিকা ছিলেন, যিনি খুবই স্নেহশীলা ছিলেন এবং সবাই তাঁর পাঠে থাকতে ভালোবাসত, কিন্তু পরীক্ষায় ছাত্রদের খুব কম নম্বর আসত। এর বিপরীতে, আমাদের একজন খুব কঠোর পদার্থবিদ্যার শিক্ষক ছিলেন, যাকে দেখে ছাত্ররা ভয় পেত, কিন্তু তাঁর পাঠের সবাই পরীক্ষায় খুব ভালো ফল করত। মহান শিক্ষকরা জানেন কীভাবে স্নেহ আর কঠোরতার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য রাখতে হয়। কিছু শিশু বিদ্রোহী প্রকৃতির হয়। তাদের বেশি শারীরিক সান্নিধ্য, উৎসাহ আর পিঠ চাপড়ানোর প্রয়োজন হয়। তাদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে তারা ভালোবাসা ও যত্ন পাচ্ছে এবং তাদের আপন করে নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে, কখনো কখনো শিক্ষক ভীতু শিশুদের প্রতি কিছুটা কঠোর হতে পারেন। এর উদ্দেশ্য তাদেরকে খোলামেলা হতে সাহায্য করা। প্রায়ই এর উল্টোটাই হয়। শিক্ষকরা বিদ্রোহী শিশুদের সঙ্গে কঠোর হন আর ভীতু শিশুদের সঙ্গে নরম হন। ফলে এই আচরণ-পদ্ধতিগুলো থেকে যায়। শিক্ষকের আচরণে কঠোরতা এবং কোমলতা দুই-ই থাকা আবশ্যক; নইলে তারা ছাত্রকে সেই দিকটিতে নিয়ে যেতে পারবেন না, যেদিকে তারা নিয়ে যেতে চান। অবশেষে, শিক্ষার উদ্দেশ্য কেবল জ্ঞান প্রদান করা নয়, বরং ছাত্রদের দেহ ও মনের সামগ্রিক বিকাশ ঘটানো। শিশুদের মধ্যে ভাগাভাগি করা, যত্ন নেওয়া, অহিংসা ও আপনত্ববোধের মতো মূল্যবোধও গড়ে তুলতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে শিক্ষকদের সবসময় বিশাল ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের উচিত একসঙ্গে কাজ করে আমাদের দেশে শান্তি ও অগ্রগতি আনা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় পরিবর্তনের ঢেউ তুলেছিলেন শিক্ষকরাই। তাঁরা পুরো দেশকে অনুপ্রাণিত করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আজও শিক্ষকদের শিশুদের অনুপ্রাণিত করা উচিত। শিশুরা খালি স্বচ্ছ পাত্রের মতো; তুমি তাদের যা কিছু দেবে, তারা সেটিই প্রতিফলিত করবে এবং সেভাবেই আচরণ করবে। যদি তুমি তাদের মধ্যে ভয় আর ভুল ধারণা ভরাও, তবে তারা সেভাবেই আচরণ করবে। কিন্তু যখন তুমি তাদের ভালো আদর্শ ও উত্তম গুণ দেবে, তখন তারা বড় হয়ে আদর্শবান ও দায়িত্বশীল নাগরিক হবে। আমরা কাউকে আদর্শ কেবল তখনই দিতে পারি, যখন আমরা নিজেরাই সেই আদর্শ ও গুণাবলী আত্মস্থ করেছি এবং তা মেনে চলি। তাই, এটি খুবই জরুরি যে শিক্ষক তাঁর জীবনে যা বলেন, তা নিজেও আচার-আচরণে প্রয়োগ করেন।
इतिहास के पन्नों में 18 फरवरीः भक्तिकाल के समर्थ कवि चैतन्य महाप्रभु का जन्म, अन्य अहम घटनाएं
वैष्णव धर्म के भक्ति योग के परम प्रचारक एवं भक्तिकाल के प्रमुख कवियों में से एक चैतन्य महाप्रभु का जन्म 18 फरवरी 1486 में पश्चिम बंगाल के नवद्वीप (नादिया) नामक गांव में
प्रतीक बब्बर की पत्नी ने शादी में बब्बर परिवार को न बुलाने पर तोड़ी चुप्पी
अभिनेता प्रतीक बब्बर ने दूसरी शादी कर ली। उन्होंने अपनी दिवंगत मां स्मिता पाटिल के मुंबई स्थित घर पर अपनी प्रेमिका प्रिया बनर्जी के साथ विवाह बंधन में