সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও প্যারাগুয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : নতুন দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মিলিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতি সান্তিয়াগো পেনা প্যালাসিওস। সোমবার হায়দরাবাদ হাউসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতি সান্তিয়াগো পেনা প্যালাসিওস। প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতি সান্তিয়াগো পেনা প্যালাসিওসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও প্যারাগুয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ এবং মাদক পাচারের মতো সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতার অপরিসীম সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত ও প্যারাগুয়ে গ্লোবাল সাউথের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের আশা, আকাঙ্ক্ষা এবং চ্যালেঞ্জ একই রকম, তাই আমরা একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কার্যকরভাবে এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করতে পারি। আমরা সন্তুষ্ট যে কোভিড মহামারীর সময়, আমরা ভারতে তৈরি ভ্যাকসিন প্যারাগুয়ের জনগণের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরেছি।” প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেছেন, “আমি নিশ্চিত যে, আপনার সফর পারস্পরিক আস্থা, বাণিজ্য এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার স্তম্ভগুলিকে নতুন শক্তি যোগাবে। এটি ভারত-ল্যাটিন আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যোগ করবে। গত বছর, আমি গায়ানায় কারিকম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলাম, যেখানে আমরা অনেক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমরা প্যারাগুয়ে এবং সমস্ত ল্যাটিন আমেরিকার দেশের সঙ্গে এই সমস্ত ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে পারি।” ২ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতি সান্তিয়াগো পেনা প্যালাসিওস। এই সফরে সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আপনার ভারত সফর ঐতিহাসিক। এটি প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতির দ্বিতীয় ভারত সফর। আপনি কেবল দিল্লিই নয়, মুম্বইও সফর করছেন। এটি পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতি আপনার প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। আমি বিশ্বাস করি যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা ভাগ করে নেওয়া সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করব। ডিজিটাল প্রযুক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, শক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, রেলপথ এবং মহাকাশের মতো ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার নতুন সুযোগ রয়েছে।”
অসমে বন্যা, মুখ্যমন্ত্রীকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের
সকাল সকাল ডেস্ক। গুয়াহাটি : অসমের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। আজ রবিবার নিজের অফিশিয়াল সোশাল মিডিয়া এক্স-এ মুখ্যমন্ত্রী এ খবর জানিয়ে লিখেছেন, অসম বন্যা-পরিস্থিতির খোঁজ নিতে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ জি কিছুক্ষণ আগে অসমের বন্যা পরিস্থিতির খোঁজখবর নিতে আমাকে ফোন করেছিলেন। আমি তাঁকে রাজ্য সরকার কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেছি। তিনি চলমান দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা তাঁর উদ্বেগ এবং সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।’
মমতাকে তোপ অমিত শাহের, বললেন গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত “বিজয় সংকল্প কার্যকর্তা সম্মেলন”-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না, যদি ক্ষমতা থাকে হিংসার ছাড়া নির্বাচন জিতিয়ে দেখাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেছেন, এই ভূমি বছরের পর বছর সারা দেশকে পথ দেখিয়েছে, নেতৃত্ব দিয়েছে। এই বাংলায় অনেক বছর ধরে কমিউনিস্ট শাসন ছিল, তারপর মা মাটি মানুষের স্লোগানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসনে এলেন। আর এখন এই ভূমি বোমা বিস্ফোরণ, নারী অত্যাচার, দুর্নীতি এবং হিন্দুদের নিপীড়ণের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। মমতাকে আক্রমণ করে অমিত শাহ এও বলেন, “মমতা দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে এসেছে, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। তৃণমূলের সরকার সমাপ্ত হলেই বিজেপি কার্যকর্তাদের যারা হত্যা করেছে তারা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকলেও তাদের খুঁড়ে বার করা হবে।” অমিত শাহ আরও বলেন, “বাংলার পর্যটক যখন সেখানে মারা গেছিল তখনও একটা কথাও বলেনি, অথচ যখন অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে বাংলায় এসে মোদীজি কথা বলেছেন তখন তাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গুলির জবাব গোলার মাধ্যমে দিয়েছে মোদী সরকার।” অমিত শাহ বলেছেন, “মোদী জি শুধুমাত্র বাংলার উন্নয়নের জন্য প্রকল্প শুরু করেনি, বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও কাজ করেছেন। তার জন্যই মোদীজি বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মান দিয়েছেন।”
রাঁচিতে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চালকের
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি : দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকা হাইভার সংঘর্ষে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে রাঁচি-টাটা জাতীয় সড়কের নামকুম থানার অন্তর্গত রামপুর মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত চালকের নাম পাপ্পু যাদব। ওই পিকআপ ভ্যানটি জামশেদপুর থেকে রাঁচি ফিরছিল। রামপুর মোড়ে পৌঁছনোর পর রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে চালকের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ইতিমধ্যেই উভয় গাড়িকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনার জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতল পাকিস্তান
সকাল সকাল ডেস্ক। লাহোর : সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৫৭ রানে হারল বাংলাদেশ। শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের দেওয়া ২০২ তাড়া করতে নেমে ১৪৪ রানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশ। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান সেই সঙ্গে তারা জিতে নিল সিরিজও। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২০১ রান করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের হয়ে সাহিবজাদা ফারহান খেলেন ৪৭ বলের ঝোড়ো ইনিংস, ১৮০ স্ট্রাইকরেটে করেন ৭৪ রান। তার এই রানের ওপর ভর করেই বড় সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। আর হাসান নাওয়াজ করেন ৫১, মহম্মদ হারিস ৪১ ও সালমান আগা ১৯ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সাহিবজাদা ফারহান। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশ থেমে যায় ১৪৪ রানে। বাংলাদেশের হয়ে উল্লেখযোগ্য রান করেন তানজিদ হাসান ৩৩। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন আবরার আহমেদ। ৪ ওভারে ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। এছাড়া হাসান আলী, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ, সাদাব খান, খুশদিল শাহ ও সাইম আয়ুব পেয়েছেন একটি করে উইকেট। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছিল পাকিস্তান। সেবারও পাকিস্তান করেছিল ২০১ রান। সেই রানের জবাব দিতে গিয়ে বাংলাদেশ করেছিল ১৬৪ রান। ফলে টানা দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল পাকিস্তান।
সামাজে মূল্যবোধের অবক্ষয়ের জন্য অনেকাংশে দায়ী সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
উজ্জ্বল কুমার দত্ত। কুমারডুবি, ঝাড়খন্ড। চলে যাই। আমরা হয়তো ‘রিঅ্যাক্ট’ করি, কিন্তু বাস্তব জীবনে পাশে দাঁড়াতে পারি না। দিন-দিন আমরা কম মানবিক হয়ে যাচ্ছি এই প্রযুক্তির স্রোতে ভেসে। আমরা যে বিষয়টিকে অবজ্ঞা করি, সেটাই আজকের সমস্যার মূল। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো মনোযোগকে দেখে পণ্য হিসেবে। যার কনটেন্ট যত বেশি বিতর্কিত, চমকপ্রদ বা অশ্লীল, সেটাই বেশি ভিউ পায়, বেশি ছড়ায়।এর ফল ভয়াবহ। মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যস্ত হচ্ছে, শিশু-কিশোররা ভুল আদর্শ শিখছে এবং সামগ্রিকভাবে সমাজের মূল্যবোধ ক্ষয়ে যাচ্ছে। ফলোয়ার পাওয়ার জন্য আমরা সংস্কৃতি ও নীতিকে বিসর্জন দিচ্ছি। অনেকে বলেন, ‘আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।’ অবশ্যই, মত প্রকাশের অধিকার আছে, কিন্তু সেটি অপরকে আঘাত করার অধিকার নয়। অনেকেই আজ ছদ্মনামে বা পেজ খুলে মানুষকে অপমান করছে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, নারী বিদ্বেষী বা জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করছে। এক সময়ের সুস্থ বিতর্ক এখন রূপ নিয়েছে ডিজিটাল যুদ্ধে। স্বাধীনতা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি জরুরি দায়িত্ববোধ। না হলে এটি সমাজের জন্য ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতে পারে। আমরা কেবল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের দোষ দিয়ে দায় এড়াতে পারি না। দর্শক হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। আপনি যা দেখেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সিগন্যাল’ হিসেবে কাজ করে। আপনার প্রতিটি ভিউ, শেয়ার, লাইক প্ল্যাটফর্মকে জানায় যে, আপনি সেই বিষয় পছন্দ করছেন। তাই যদি আমরা ভদ্রতা, জ্ঞানমূলক কনটেন্ট, কিংবা মানবিক বার্তা বেশি দেখতাম, তবে সোশ্যাল মিডিয়াও সেগুলোই ছড়াত বেশি। আমরা সক্রিয়ভাবে সংস্কৃতির রূপ নির্ধারণ করছি। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। (মতামত ব্যক্তিগত)
নারীকেন্দ্রিক উন্নয়নকে শাসনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। ভোপাল : নারীকেন্দ্রিক উন্নয়নকে শাসনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করছে সরকার। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ভোপালের জাম্বুরি ময়দানে ‘লোকমাতা দেবী অহল্যাবাই মহিলা সশক্তিকরণ মহাসম্মেলন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভারত কোনও ধরণের প্রক্সি যুদ্ধ সহ্য করবে না এবং এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দৃঢ় জবাব দিতে ভারত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেছেন, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের স্পষ্ট বার্তা হলো, এখন বুলেটের জবাব গোলা দিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এখন আমরা সন্ত্রাসীদের ঘরে ঢুকে হত্যা করব এবং যারা তাদের সাহায্য করবে তাদেরও এর মূল্য চোকাতে হবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী লোকমাতা দেবী অহল্যাবাঈ হোলকরের আদর্শে অনুপ্রাণিত জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির উপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, সরকার শাসনব্যবস্থায় “নাগরিক দেবো ভব” মন্ত্র অনুসরণ করছে এবং নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি করে তুলেছে। তিনি বলেন, প্রতিটি বড় সরকারি উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নারীরা।
অরুণাচলে ১৩ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস, খাদে যাত্রীবাহী গাড়ি, মৃত্যু দুই শিশু, দুই মহিলা সহ সাতজনের
সকাল সকাল ডেস্ক। ইটানগর : অবিরাম বর্ষার বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট এক ভয়াবহ ঘটনায় অরুণাচল প্ৰদেশে পাহাড় ধসে গভীর খাদে পড়েছে যাত্রীবাহী গাড়ি। এ ঘটনায় দুই শিশু, দুই মহিলা সহ মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বাও রয়েছেন। আজ শনিবার প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ, গতকাল (শুক্রবার) রাতে পূর্ব কামেং জেলার বানা-সেপ্পা ১৩ নম্বর জাতীয় সড়কে লাগোয়া পাহাড় থেকে এক বড়সড় ভূমিধস সংঘটিত হয়। সে সময় ওই সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল চার চাকার একটি মারুতি ফ্রঁক্স (Maruti Fronx) যাত্রীবাহী গাড়ি। ধসের কবলে পড়ে গাড়িটি পাশে গভীর খাদে পড়ে গেলে দুটি পরিবারের দুটি ছোট শিশু, দুই মহিলা সহ সাতজনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এসডিআরএফ-এর দল নিয়ে জেলার সাধারণ ও পুলিশ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা অকুস্থলে ছুটে যান। উদ্ধারকারী দল নিশ্চিত করেছে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলেই গাড়ির সাত যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার দরুন উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসনিক সূত্রটি। আধিকারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের শংকর আকা ওরফে সঞ্জু বদি (৩২), তাঁর স্ত্রী তাসুম বদি এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান কাচুং (৫) এবং নিচা (২)। সূত্রের খবর, ধসে অপর পরিবারের জনৈক সিচি ইয়ামের সন্তান-সম্ভবা স্ত্রী এবং দুই শিশুও মারা গেছে। এদিকে একই ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়ে একই প্রান্ত দিয়ে যাতায়াতকারী একটি টাটা সুমোর চালক ঠিক সময় সড়কে ধস পড়া প্রান্তের কাছে গাড়ি থামিয়ে দেওয়ায় রক্ষা পেয়েছে। সুমোর কোনও যাত্রী আহত হননি, জানা গেছে আধিকারিক সূত্রে। ভয়াবহ, মৰ্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের গৃহমন্ত্রী এবং সেপ্পা পশ্চিমের বিধায়ক মামা নাটুং। গৃহমন্ত্রী মামা নাতুং সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘এই মর্মান্তিক খবর শুনে আমি খুবই মর্মাহত… শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই। নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করি। ওম শান্তি শান্তি।’ তিনি ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারীদের সতর্ক থাকা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার সময়, বিশেষ করে জাতীয় সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ভ্রমণ এড়াতে অনুরোধ করেছেন। প্ৰসঙ্গত, বানা-সেপ্পা রুট বৰ্ষার মরশুমে অরুণাচল প্রদেশের সবচেয়ে ভূমিধস-প্রবণ এলাকার মধ্যে একটি বলে বিবেচিত হয়। ভঙ্গুর ঢাল, অপর্যাপ্ত নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলি এই অপরিহার্য জীবনরেখাটিকে একটি মৌসুমী মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে।
বড় নেতারা না ডাকলে আমি যাই না, অভিমানী সুর দিলীপের কন্ঠে
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ারে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় দেখা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। এবার বঙ্গে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সাম্প্রতিক কিছু দিন ধরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাশে দেখা যাচ্ছে না দিলীপ ঘোষকে। এ বিষয়ে শনিবার দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, “বড় নেতারা না ডাকলে আমি যাই না। বড় নেতাদের মান-সম্মান আছে। তাঁরা যাদের ডাকেন, তারা যায়। আমি প্রয়োজনে যাই। আমার প্রয়োজন হয় না। নিজে সংগঠনের কাজ করি। প্রয়োজন পড়লে তাঁরা ডাকেন, কী করতে হবে বলেন। আমরা তা পালন করি মাত্র।” দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “আমাদের দলের একটা শৃঙ্খলা আছে। যে বৈঠকে-অনুষ্ঠানে যেতে বলা হয়। সেখানেই যায় কর্মীরা। নেতারা কোথায় থাকবেন, দল ঠিক করে। আমরা সেটাই মেনে চলি, ওটাকেই শৃঙ্খলা বলি।”
আইপিএল এলিমিনেটর প্রিভিউ: গুরুত্বপূর্ণ তারকাদের ছাড়াই লড়াইয়ে নামছে গুজরাট টাইটানস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
শুক্রবার আইপিএলের ১৮তম আসরে গুজরাট টাইটানস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মুল্লানপুরের মহারাজা যাদবীন্দ্র সিং স্টেডিয়ামে এলিমিনেটরে খেলতে নামছে।
টাইটানস ইতিমধ্যে দুটি ফাইনালে উঠেছে, ২০২২ সালে শিরোপা জিতেছে এবং পরের বছর রানার্স–আপ হয়েছে। এদিকে, এমআই আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে একটি – তারা পাঁচটি শিরোপা চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।