জনজীবনে ধর্মঘটের প্রভাব ঠেকাতে উদ্যোগী রাজ্য
রাত পোহালেই বুধবার কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা সর্বভারতীয় ধর্মঘট। এতে শামিল হচ্ছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। বামেরাও এই ধর্মঘট সফল করতে সক্রিয় হয়েছে। এর প্রভাব সাধারণ জনজীবনে যাতে না পড়ে, তার জন্য উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য।
মাঝরাতে ছেঁড়া হল মমতার পোস্টার, গড়ফা থানায় অভিযোগ দায়ের তৃণমূলের
রাতের অন্ধকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগানো একুশে জুলাইয়ের পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলল তৃণমূল। কলকাতার আনোয়ার শাহ কানেক্টরের উপর জনপ্রিয় বাজারের উল্টো দিকের ঘটনা।
কলকাতায় বিরল মশার হদিশ, বাড়ছে জিকা-ডেঙ্গির আশঙ্কা
দক্ষিণ আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে দেখা মিলত এতদিন, এবার সেই বিরল ও বিপজ্জনক মশা ধরা পড়ল খাস কলকাতায়। কলকাতা পুরসভার পতঙ্গবিদরা ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নিয়োগী রোডের একটি বাড়ির ফুলের টব থেকে উদ্ধার করেছেন এডিস ভিকটেটাস (Aedes vittatus) প্রজাতির মশার লার্ভা। যা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে প্রশাসন এবং বিশেষজ্ঞ মহলে।
কসবাকাণ্ডের পর হাইকোর্টের কড়া পদক্ষেপ: রাজ্যের সব কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে স্টুডেন্টস ইউনিয়ন রুম বন্ধের নির্দেশ
কসবা আইন কলেজের ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডের জেরে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দে’র ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবিলম্বে স্টুডেন্টস ইউনিয়ন রুম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।
কালীগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নাবালিকার মৃত্যু: গ্রেফতার আরও তিন, ধৃত মোট চার
সকাল সকাল ডেস্ক। নদিয়া, ২৪ জুন: নদিয়ার কালীগঞ্জে উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজয় মিছিল ঘিরে ঘটে যাওয়া বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছে এক ১০ বছর বয়সি শিশুকন্যা। ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শোক ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় আরও তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত চার জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কৃষ্ণনগর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গ্রেফতারকৃত চার অভিযুক্ত হল আদর শেখ, মানোয়ার শেখ, কালু শেখ ও আনোয়ার শেখ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মঙ্গলবারই তাদের আদালতে পেশ করা হবে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার, কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন। বিজয় মিছিল চলাকালীন অভিযোগ ওঠে, শাসক দলের কর্মীরা স্থানীয় এক সিপিএম কর্মীর বাড়ির দিকে বোমা নিক্ষেপ করে। সেই সময় বিস্ফোরণের শিকার হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না খাতুন। ঘটনাস্থল ছিল বড় চাঁদঘর পঞ্চায়েতের মোলান্দি গ্রাম। নিহত তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তাঁরা সিপিএম সমর্থক এবং যারা বোমা ছুড়েছে তারা তৃণমূল কর্মী বলেই চিহ্নিত করেছেন, যদিও নাম জানেন না। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে চরম চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি কড়া ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছে, “রক্তপাত ছাড়া তৃণমূল জিততে জানে না।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন। জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদও বলেন, “এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। যারা দোষী, তারা কোনোভাবেই রেহাই পাবে না।” পুলিশ সুপার অমরনাথ কে জানিয়েছেন, কালীগঞ্জ অঞ্চলে ২০২৩ সাল থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দ্বন্দ্ব ছিল, এই বিস্ফোরণ তারই বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। ফরেনসিক ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে জানান তিনি। এখন প্রশাসন বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করছে। নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবার চাইছে ন্যায়বিচার এবং কঠোর শাস্তি।
খিদিরপুরে অগ্নিকাণ্ড ‘ম্যান মেড’, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে শুভেন্দু
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা, ১৭ জুন:খিদিরপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আশ্বাস দেন, যেকোনো সহায়তায় তিনি এবং তাঁর দল পাশে থাকবেন। শুভেন্দুর দাবি, এই অগ্নিকাণ্ড কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং একটি ‘ম্যান-মেড’ ষড়যন্ত্র। তাঁর কথায়, “এটা কোনও স্বাভাবিক আগুন নয়, পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।” রবিবার গভীর রাতে খিদিরপুরের অরফ্যানগঞ্জ বাজারের একাধিক দোকানে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকল বাহিনী। অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আগুনের কারণ অস্পষ্ট হলেও বেশ কিছু দোকানে দাহ্য বস্তু মজুত ছিল, যা আগুন ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। শুভেন্দুর দাবি, প্রশাসনের গাফিলতি এবং গভীর ষড়যন্ত্র এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে, যার তদন্ত হওয়া জরুরি।
বার্লিনে বিয়ে করলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : নিঃশব্দে বিয়ে সারলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। পাত্র বিজু জনতা দলের প্রাক্তন সাংসদ পিনাকী মিশ্র। জার্মানির বার্লিনে পুরীর প্রাক্তন সাংসদ পিনাকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মহুয়া। সূত্রের খবর, ৩ মে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন মহুয়া ও পিনাকি। জার্মানিতে বিয়ে হয়েছে তাঁদের। তবে সেকথা এতদিন ঘুণাক্ষরেও টের পাওয়া যায়নি। এমনকি দলের অনেকেই জানতেন না বলে খবর। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই কৌতূহল তৈরি হয় নেটনাগরিকদের মধ্যে। প্রকাশ্যে আসে বিয়ের ছবিও। একেবারে ছিমছাম সাজে মহুয়া। শাড়ির সঙ্গে মানানসই গয়না। মুখে চওড়া হাসি। মহুয়া-পিনাকী দু’জনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ড্যানিশ ফিনান্সার লার্স ব্রর্সনের সঙ্গে বিয়ে করেন মহুয়া। যদিও সেই বিয়েতে ছেদ পড়ে। অন্য দিকে পিনাকীর প্রথম স্ত্রী সঙ্গীতা মিশ্র। তাঁদের একটি ছেলে ও মেয়েও আছে। পিনাকীরও সেই বিয়েতে ছেদ পড়েছে অনেক দিন আগেই। এ বার জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন তাঁরা। বছর খানেক আগে যখন ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বিতর্ক সামনে আসে, তখনই জানা গিয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল মহুয়া মৈত্রের। জয় অনন্ত তাঁর বিরুদ্ধে যখন ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনেন, তখন মহুয়া তাঁকে ‘জিল্টেড এক্স’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। কালীগঞ্জে উপনির্বাচন। ভোট হলে দাপিয়ে প্রচার করেন মহুয়া। তবে নিজের এলাকার ভোটে একদিনও দেখা যায়নি তাঁকে। তাঁর অনুগামীরা জানিয়েছিলেন, মহুয়া বিদেশে আছেন ব্যক্তিগত কাজে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সামনে আসে তাঁর বিয়ের খবর।
অবশেষে জামিন পেলেন শর্মিষ্ঠা পানোলি
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর আবহে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ধৃত শর্মিষ্ঠা পানোলির জামিন মঞ্জুর। ধৃত আইনের ছাত্রীর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। গুড়গাঁও থেকে গ্রেফতার হওয়া শর্মিষ্ঠা পানোলির অন্তর্বর্তী জামিনের এই আবেদন মঞ্জুর হয়। ১০ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করল আদালত। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছে, ১) ‘আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না শর্মিষ্ঠা’। ২) শিক্ষাগত কারণে দেশের বাইরে যেতে হলে নিম্ন আদালতকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। ৩) শর্মিষ্ঠাকে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে, নির্দেশ আদালতের। ৪) হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। আদালত জানিয়েছে, ‘যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল সেটা যান্ত্রিকভাবে করা হয়েছিল। সেখানে শুধুমাত্র গ্রেফতার করার অধিকার দেওয়া হয়েছিল, গ্রেফতার করতে হবে বলা হয়নি’। ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার ছিল, মন্তব্য বিচারপতির। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, নির্দিষ্টভাবে কী মন্তব্য করেছিলেন শর্মিষ্ঠা সেটা অভিযোগপত্রে বলা নেই। যখন নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল তখন শর্মিষ্ঠা কলকাতায় ছিলেন না।
মমতাকে তোপ অমিত শাহের, বললেন গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না
সকাল সকাল ডেস্ক। কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত “বিজয় সংকল্প কার্যকর্তা সম্মেলন”-এ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, গণতন্ত্রের মধ্যে হিংসা শোভা পায় না, যদি ক্ষমতা থাকে হিংসার ছাড়া নির্বাচন জিতিয়ে দেখাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অমিত শাহ বলেছেন, এই ভূমি বছরের পর বছর সারা দেশকে পথ দেখিয়েছে, নেতৃত্ব দিয়েছে। এই বাংলায় অনেক বছর ধরে কমিউনিস্ট শাসন ছিল, তারপর মা মাটি মানুষের স্লোগানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসনে এলেন। আর এখন এই ভূমি বোমা বিস্ফোরণ, নারী অত্যাচার, দুর্নীতি এবং হিন্দুদের নিপীড়ণের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। মমতাকে আক্রমণ করে অমিত শাহ এও বলেন, “মমতা দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে এসেছে, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। তৃণমূলের সরকার সমাপ্ত হলেই বিজেপি কার্যকর্তাদের যারা হত্যা করেছে তারা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকলেও তাদের খুঁড়ে বার করা হবে।” অমিত শাহ আরও বলেন, “বাংলার পর্যটক যখন সেখানে মারা গেছিল তখনও একটা কথাও বলেনি, অথচ যখন অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে বাংলায় এসে মোদীজি কথা বলেছেন তখন তাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গুলির জবাব গোলার মাধ্যমে দিয়েছে মোদী সরকার।” অমিত শাহ বলেছেন, “মোদী জি শুধুমাত্র বাংলার উন্নয়নের জন্য প্রকল্প শুরু করেনি, বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও কাজ করেছেন। তার জন্যই মোদীজি বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মান দিয়েছেন।”
সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের, বৌদির মুন্ডচ্ছেদ করল দেওর, কাটা মুন্ডু নিয়ে খোলা রাস্তায় ঘোরাঘুরি
সকাল সকাল ডেস্ক। বাসন্তী : বৌদির মাথা কেটে খুন দেওরের। কাটা মুন্ডু নিয়ে রাস্তা দিয়ে থানায় রওনা অভিযুক্ত যুবক বিমল মন্ডলের। দক্ষিন ২৪ পরগনার বাসন্তীর ৬ নম্বর ভরতগড়ের ঘটনা। শনিবার সকালের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে। কী কারণে এই খুন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জেরেই বৌদিকে খুন করেছে অভিযুক্ত যুবক বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। নিহত মহিলার নাম সতী মন্ডল(৫৫)। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি নিয়ে গিরীন মন্ডলের পরিবারের সঙ্গে বিবাদ ছিল ভাই বিমল মন্ডলের পরিবারের। মাস চারেক আগে মারা যায় গিরিন। দাদা মারা গেলেও বিবাদ মেটেনি বিমলের পরিবারের সঙ্গে। বৌদি সতী মণ্ডলকে ভিটে ছাড়া করার জন্য সর্বদা উদগ্রীব হয়ে ছিল বিমল ও তার পরিবার। নানা অছিলায় অশান্তি করত সতী ও তার পরিবারের সঙ্গে। শনিবার সকালেও শুরু হয় অশান্তি। এদিন সকালে গাছের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি শুরু হয়। সতী প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানাতে গেলে বিমল ঘর থেকে ধারালো অস্ত্র এনে সরাসরি বৌদির গলায় কোপ বসায়। গলা কেটে মাথা আলাদা করে দেয় দেহ থেকে। এরপর সেই নর মুন্ডু নিয়ে দিনে দুপুরে খোলা রাস্তায় এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে অভিযুক্ত। এরপর সেই মুন্ডু নিয়ে বাসন্তী থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে। এরমধ্যেই এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। ভয়াবহ দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন এলাকার মানুষজন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেখে বাসন্তী থানার পুলিশ রাস্তা থেকে বিমলকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করে কাটা মুন্ডু। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে সতীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সঠিক কী কারণে এই ঘটনা তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এই ঘটনায়।