লেবাননের প্রধানমন্ত্রী বললেন– ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি স্থাপিত হলেই সম্ভব অর্থনৈতিক সহযোগিতা

সকাল সকাল ডেস্ক

বৈরুত। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বুধবার বলেছেন, লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যদি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, তবেই দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর পথ খুলতে পারে। তবে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্য এখনও অনেক দূরে বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।

ইসরাইল লেবাননের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করায় তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী সালাম বলেন, “অর্থনৈতিক আলোচনাই স্বাভাবিকীকরণের অংশ, আর স্বাভাবিকীকরণ সম্ভব হবে কেবল শান্তির পর। তার আগে নয়। আমরা সেই পর্যায় থেকে এখনো অনেক দূরে আছি।”

লেবানন ও ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। ইসরাইল একাধিকবার দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় এক বছর সীমান্ত উত্তেজনা চলার পর ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে যুদ্ধবিরতি হয়। তবুও ইসরাইলি সেনা এখনও দক্ষিণ লেবাননের বহু এলাকায় মোতায়েন রয়েছে এবং হিজবুল্লাহ নতুন করে অস্ত্র জোগাড় করছে ও হামলার পরিকল্পনা করছে— এমন অভিযোগের মধ্যে ইসরাইলের বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে।

সালাম বলেন, যে কোনও রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপে যাওয়ার আগে ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে— ইসরাইলকে তার সেনা ফিরিয়ে নিতে হবে এবং হামলা বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহকে পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণসহ তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, “হিজবুল্লাহকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই হবে।” যদিও হিজবুল্লাহ সম্পূর্ণ অস্ত্রসমর্পণ করতে রাজি নয়, তবে তারা সেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নিয়েছে, যা শুধু রাষ্ট্রকেই অস্ত্র রাখার অধিকার দেয়।

প্রধানমন্ত্রী সালামের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হবে কেবল তখনই, যখন উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতি চুক্তির সমস্ত শর্ত পূর্ণভাবে কার্যকর করবে।

Read More News

টাটা–বক্সার–টাটা হোলি স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল কর্তৃপক্ষ, যাত্রীদের মিলবে অতিরিক্ত স্বস্তি

সকাল সকাল ডেস্ক পূর্ব সিংভূম : হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের বাড়তি ভিড় সামাল দিতে ঝাড়খণ্ডের...

Read More