সকাল সকাল ডেস্ক।
সরাইকেলা
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রবিবার সরাইকেলা জেলা অন্তর্গত জাম্বনী গ্রামে ঐতিহ্যশালী মাতাজী আশ্রমের (হাতা) পক্ষ থেকে অপুর পাঠশালা খোলা হলো। মাতাজী আশ্রমের ব্যবস্থাপনায় এটি ২১ তম এবং রাজ্যের ৩১ তম অপুর পাঠশালা রূপে স্বীকৃতি প্রাপ্ত। জাম্বনী অপুর পাঠশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিশুদের বাংলা শেখার অসীম উৎসাহ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শঙ্কর চন্দ্র গোপ ও জন্মজয় সর্দার মা সরস্বতীর পুষ্প অর্পণ, আরতি এবং মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলন করে পাঠশালার শুভ উদ্বোধন করেন এবং সুনীল কুমার দে সরস্বতী বন্দনা করেন।
পূজা মাহাতো আগুন্তক অতিথি ও ছাত্রদের স্বাগত করেন। সাহিত্যিক সুনীল কুমার দে রাজ্যের গ্রামে গ্রামে অপুর পাঠশালা শুরু করার উদ্যেশে আলোকপাত করেন এবং পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর এবং সমৃদ্ধ বাংলাভাষা শেখার জন্য শিশুদের উজীবিত করার জন্য মা – বাবা সহ অভিভাবকদের অনুরোধ করেন। শিক্ষাবিদ শঙ্কর চন্দ্র গোপ বাংলাভাষা রক্ষার্থে এগিয়ে শিশুদের বাংলাভাষা শিক্ষা দানের ব্যবস্থা করার জন্য জাম্বনীর অধিবাসীদের ধন্যবাদ দেন। গাজুর সংস্থার সর্বময় কর্তা জন্মজয় সর্দার মাতাজী আশ্রমের থেকে বাংলা শেখানোর অভিযানকে সীমাহীন প্রশংসা করন এবং শিশুদের শুধুমাত্র শিক্ষা গ্রহণে মনোনিবেশ করার প্রস্তাব দেন। কবি ভবতারিণী মন্ডল স্বরচিত কবিতা এবং গানের মাধ্যমে শিশুদের বাংলা পড়ার জন্য উৎসাহিত করেন। ডাঃ রবিকান্ত ভগত এই বাংলা শিক্ষা অভিযানকে সার্থক করার জন্য পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বিভীষণ মাহাতো আগামী প্রজন্মকে বাংলাভাষা শেখানোর জন্য মাতাজী আশ্রমের বিরল প্রচেষ্টার প্রশংসা করে। ভাষা সৈনিক মৃণাল পাল প্রত্যেক বঙ্গীয় সংস্থাদের এই মহান উদ্যোগে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। মাতাজী আশ্রমের (হাতা) পক্ষ থেকে বাংলা শিক্ষা গ্রহণের জন্য নিঃশুল্কে বর্ণ পরিচয় পুস্তক উপহার দেওয়া হয়। অঞ্চলের ৪০ টি শিশু পাঠশালায় প্রথম দিনেই নাম পঞ্জিকরন করেন।
No Comment! Be the first one.