ঝাড়খণ্ডে রবিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস, হলুদ সতর্কতা জারি বৃহস্পতিবার
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি : ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলায় আগামী রবিবার (১৭ আগস্ট) পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই রাজ্যের আবহাওয়া দফতরের সূত্রে জানা গেছে, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ড রাজ্যে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। বিগত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে গড়ওয়া জেলার বিষ্ণপুরে। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৫৮.৩ মিমি। ভাণ্ডারিয়ায় ৪৩ মিমি, বড়গড়ে ৪২ মিমি, মনোহরপুরে ৩৪ মিমি, গুমলা জেলার চেনপুরে ৩৩ মিমি এবং মৈথন ডিভিসিতে ২৬ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ঝাড়খণ্ড সফর নিয়ে প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে, মুখ্যসচিবের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা বৈঠক
রাঁচি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ৩১ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত দুইদিনের ঝাড়খণ্ড সফরে দেবঘর, রাঁচি এবং ধানবাদে পৌঁছাবেন। এই সময় তিনি দেবঘর AIIMS-এর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এবং ধানবাদে IIT (ISM)-এর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার মুখ্যসচিব আলকা তিওয়ারির সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মুখ্যসচিব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেন যে, সফরের প্রতিটি দিকের প্রস্তুতি সময়মতো এবং নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
করমা খনি দুর্ঘটনার বিষয়ে সরকারকে প্রতিটি প্রাণের হিসাব দিতে হবে: বাবুলাল মারান্ডি
বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলের নেতা বাবুলাল মারান্ডি বলেছেন যে, রামগড়ের করমা প্রকল্পে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর শুনে মন অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন যে, তাঁরা এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। এই মৃত্যুর ধারাবাহিকতা এবার বন্ধ হওয়া উচিত। এই সরকারকে প্রতিটি প্রাণের হিসাব দিতে হবে।
ঝাড়খণ্ডের ছয় জেলায় ৬ দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
আগামীকাল রবিবার ঝাড়খণ্ডের ছয় জেলার বেশ কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের যেসব জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পূর্ব সিংভূম, পশ্চিম সিংভূম, সরাইকেলা-খারসাওয়ান, সিমডেগা, লোহারদাগা এবং কোডারমা। আবহাওয়া দফতর এ বিষয়ে কমলা সতর্কতা জারি করেছে। একই সঙ্গে আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া ও বজ্রপাটের সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।
রাঁচিতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি, বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা
কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও রাজমার্গ মন্ত্রী নীতিন গড়করি বৃহস্পতিবার রাঁচিতে এসে পৌঁছলেন। রাঁচির বিরসা মুণ্ডা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাঁচির সাংসদ সঞ্জয় শেঠ এবং বিজেপির ঝাড়খণ্ড রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মারান্ডি। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।
রাজ্য শ্ৰাবণী মেলার প্রস্তুতি নিয়ে মুখ্যসচিবের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা
রাজ্য শ্ৰাবণী মেলার প্রস্তুতি নিয়ে বুধবার মুখ্যসচিব অলকা তিওয়ারি দেবঘর ও দুমকা জেলার জেলা শাসক, পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক করেন।
এই বছর শ্ৰাবণী মেলা ১১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়কালে প্রায় ৫০ লক্ষের বেশি ভক্তের বাবাধাম ও বাসুকিনাথধামে আগমনের সম্ভাবনা রয়েছে। এত বিশাল জনসমাগম নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে প্রশাসন জোরকদমে প্রস্তুতিতে নেমেছে।
জনতার দরবারে ৬৩ জনের অভিযোগ শুনলেন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিংহ
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচী, ২৪ জুন – কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত জনতার দরবারে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিংহ মোট ৬৩ জন মানুষের অভিযোগ শোনেন। কর্মী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা যেমন– বহুদিন ধরে একজায়গায় কর্মরত অফিসারদের বদলি, গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও চিকিৎসা পরিষেবার বিষয়ে তিনি আশ্বাস দেন। এই কর্মসূচিতে কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি কেশব মাহতো কমলেশ উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, প্রতি সোমবার কংগ্রেস অফিসে এই ধরনের দরবার আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সমস্যাগুলির সমাধান সংক্রান্ত রিপোর্টও কংগ্রেস সদর দফতরে পাঠানো হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, জরুরি সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং গুরুতর বিষয়গুলোতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের উচ্চপদস্থদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনতার দরবারকে তিনি কংগ্রেসের সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
হেমন্ত সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভ, কড়া হুঁশিয়ারি বাবুলাল মারান্ডির
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি — ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরেন সরকারের বিরুদ্ধে আজ ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজ্যের সমস্ত ২৬৪টি প্রখণ্ড/অঞ্চল কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করে। সরকারকে ছয় মাস সময় দেওয়ার পর এই আন্দোলনের সূচনা হল বলে বিজেপি জানিয়েছে। এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন রাজ্য সভাপতি ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কার্যকরী সভাপতি ডঃ রবিদ্র কুমার রাই, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ আদিত্য সাহু, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অমর কুমার বাউরি, বিধায়ক ও অন্যান্য রাজ্যস্তরের নেতা-কর্মীরা। গিরিডিহ জেলার তিসরি ও গাওয়ান প্রখণ্ডে নিজে উপস্থিত থেকে আন্দোলন পরিচালনা করেন বাবুলাল মারান্ডি। তিনি জনসভায় বলেন, “হেমন্ত সরকার আদিবাসী, দলিত, মহিলা, কৃষক ও যুব বিরোধী নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের নীতি ও মনোভাব আগের সরকারের মতোই রয়ে গেছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি।” তিনি অভিযোগ করেন, “আজ রাজ্যের খনিজ সম্পদ দালাল ও মাফিয়াদের হাতে লুট হচ্ছে, কিন্তু গ্রামের দরিদ্র মানুষ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ঘর নির্মাণের জন্য বালুও পাচ্ছেন না।” তিনি আরও বলেন, “একদিকে মাফিয়া নদী থেকে বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে গরিবের ট্রাক্টর পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে মামলা দিচ্ছে। আধিকারিকরা ঘর নির্মাণ প্রকল্পে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন, অথচ গরিবরা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না।” স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দুরবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, “প্রখণ্ড হাসপাতালে ডাক্তার নেই, অ্যাম্বুলেন্স নেই, ওষুধ নেই। দরিদ্রদের বাধ্য হয়ে রাঁচি বা জেলা সদর হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাজ্যের যুবসমাজ হতাশ। চাকরির জন্য বিজ্ঞপ্তি বেরোলেও, তা বাইরে থেকে লোক এনে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় যুবদের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে না।” শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নতুন শিক্ষানীতিতে ইন্টারমিডিয়েট পড়াশোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতার বাইরে চলে গেলেও রাজ্য সরকার গত পাঁচ বছরেও ইন্টার কলেজগুলির উন্নয়ন করেনি। ফলে লক্ষ লক্ষ ছাত্র দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।” আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, “অপরাধীরা আজ বেপরোয়া। খুন, লুট, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলি যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে ঘটে চলেছে।” কৃষকদের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, “ধানের প্রতি কুইন্টালে ৩২০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, সরকার মাত্র ২৪০০ টাকায় ধান কিনেছে। তাও টাকা এখনও কৃষকদের হাতে পৌঁছায়নি। এর মধ্যে রাজ্য সরকারের অবদান মাত্র ১০০ টাকা, বাকি ২৩২০ টাকা কেন্দ্রের।” শেষে মারান্ডি বলেন, “এই সরকার ভোট নিয়ে আবারও জনগণকে ঠকিয়েছে। আধিকারিকদের পদ বিক্রি হচ্ছে, তাই তারা কাজ না করে শুধু উপার্জনের দিকেই নজর দিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে বিজেপি বারবার আন্দোলনে নামবে।” তিনি বলেন, “আজকের প্রখণ্ড পর্যায়ের বিক্ষোভ কেবল শুরু মাত্র। ভবিষ্যতে থানা, জেলা সহ অন্যান্য দপ্তরেও বৃহত্তর আন্দোলন হবে, যদি সরকার এখনো না জাগে।”
রাঁচিতে চার ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে ডুবল রাস্তাঘাট, নাকাল সাধারণ মানুষ
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি — সোমবার রাঁচিতে টানা চার ঘণ্টা ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে জনজীবন ব্যাহত হয়ে পড়ে। ভারী বৃষ্টিতে শহরের নদী-নালাগুলি উপচে পড়ে এবং রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে যায়। এর জেরে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। অপর বাজারের সেবা সদন হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা, পন্দ্রা, পঞ্চশীল নগর ও কোকরের একাধিক মহল্লা জলের নিচে চলে যায়। রাঁচি রেলস্টেশন চত্বরে জল জমে যাওয়ায় যাত্রীদের ব্যাপক সমস্যা পোহাতে হয়েছে। স্কুলগামী শিশু এবং কর্মজীবী মানুষও দিনের শুরুতে ভোগান্তির শিকার হন। টানা বৃষ্টির প্রভাবে তাপমাত্রাতেও উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে। রাঁচিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে নেমে ২২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবারও রাজ্যের একাধিক জায়গায় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
“রিমস পার্ট-২-এর স্বপ্ন দেখানো সরকার গরিবকে অ্যাম্বুল্যান্স দিতে ব্যর্থ” — রাফিয়া নাজের কড়া আক্রমণ রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঘটনা উঠে আসছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ঝাড়খণ্ড প্রদেশের রাফিয়া নাজ। তিনি বলেন, “যে সরকার রিমস পার্ট-২ (উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র) গড়ার কথা বলছে, সেই সরকারই গরিব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দিতে পারছে না।” রাফিয়া বলেন, সরকার একদিকে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ স্লোগান তোলে, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, জরুরি মুহূর্তে রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছেন না। এটা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। অ্যাম্বুল্যান্স দেরিতে আসায় মৃত্যু তিনি উদাহরণ দেন গড্ডা জেলার এক শিশু-কন্যার মৃত্যুর ঘটনা। রাফিয়া বলেন, “অ্যাম্বুল্যান্স সময়মতো না পৌঁছনোয় শিশুটির মৃত্যু হয়, যদিও তার পরিবার বারবার ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল।” একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে চতরা জেলাতেও, যেখানে সুকুল ভুঁইয়ার মৃত্যু হয় দেরিতে অ্যাম্বুল্যান্স আসায়। এই ঘটনাগুলিই প্রমাণ করে, রাজ্যে জরুরি চিকিৎসা পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে গেছে। ৩২% অ্যাম্বুল্যান্স বন্ধ, চালক নেই, বেতনও না! রাফিয়া জানান, বর্তমানে ঝাড়খণ্ডে ৩২ শতাংশ পরিষেবা-যোগ্য অ্যাম্বুল্যান্স অচল অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “জনগণের করের টাকায় যদি এই পরিষেবা চালানো হয়, তাহলে তার রক্ষণাবেক্ষণে এই চরম অবহেলা কেন?” অনেক জেলায় গোটা ব্লকের জন্য একটিমাত্র অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। চালক ও প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব রয়েছে বহু গাড়িতে, ফলে জরুরি পরিষেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাঁর আরও অভিযোগ, বহু অ্যাম্বুল্যান্স কর্মী মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না। “যারা নিজের জীবন বাজি রেখে পরিষেবা দেন, তাদের পারিশ্রমিক না দিয়ে কীভাবে সরকার তাদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত কাজ আশা করে?” — প্রশ্ন তুলেছেন রাফিয়া। তিনি বলেন, “এখন আর স্লোগান নয়, বাস্তবে কাজ চাই। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন রোধ করতে হবে এখনই। প্রতিটি ১০ হাজার জনসংখ্যার জন্য অন্তত একটি অ্যাম্বুল্যান্স নিশ্চিত করা হোক।” তিনি আরও দাবি করেন: রাফিয়া নাজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আর কোনও মৃত্যু নয়। এবার সময় এসেছে, সংস্কার চাই। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে আর ছেলেখেলা বরদাস্ত করা হবে না।”