কাঠুয়ায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে মৃত্যু ৭, ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন
সকাল সকাল ডেস্ক। কাশ্মীর ; জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় ফের মেঘভাঙা বৃষ্টি। রাতভর বৃষ্টিতে ভেসে যায় গ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেললাইন ও জাতীয় সড়ক। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তিন শিশু ও দুই মহিলা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে সেনা, আধাসেনা ও বেসামরিক প্রশাসন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিবারগুলিকে সাহায্য করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যপালের আশ্বাস: পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে
সকাল সকাল ডেস্ক।, ১৫ আগস্ট, ২০২৫ বারাকপুর: ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। শুক্রবার বারাকপুরের ঐতিহাসিক গান্ধী ঘাটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ও একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক। রাজ্যপাল সাংবাদিকদের জানান, ভিনরাজ্যে গিয়ে কাজ করা বাংলাভাষী শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরে আলোচিত হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান হবে এবং বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে প্রশাসন। তবে ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের উপর পুলিশের alleged অত্যাচারের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করা হয়নি। সাংসদ পার্থ ভৌমিক রাজ্যপালের মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে বাংলার অবদান অসামান্য। কিন্তু আজও বিজেপি শাসিত বহু রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, শুধুমাত্র তারা বাংলা ভাষায় কথা বলছে বলে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দামানের সেলুলার জেলের বন্দি তালিকা থেকে বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ ও উল্লাসকর দত্তের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। পার্থ ভৌমিকের মতে, স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরও বাংলা ভাষা ও বাঙালি পরিচয় রক্ষার জন্য লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি গান্ধী ঘাটের ঐতিহ্য এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার ভূমিকা স্মরণ করা হয়। রাজ্যপালের মুখে পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গ ওঠায় স্বাধীনতা দিবসের আড়ালে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও নতুন মাত্রা পেল। সাংসদ মন্তব্য করেন, রাজ্যপালের আশ্বাস দেখেই ভালো লাগছে, তবে যাদের উপর তিনি ভরসা করছেন, তাদের প্রতি বাংলার মানুষের আস্থা নেই।
বীরশা মুন্ডার পর আদিবাসীদের জন্য বড় ক্ষতি, শিবু সোরেন ছিলেন ‘দিশোম গুরু’: রাজনাথ সিংহ
সকাল সকাল ডেস্ক। ১৬ আগস্ট : রামগড় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ শনিবার স্বর্গীয় শিবু সোরেনের পৈতৃক গ্রামে পৌঁছে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার ফুল অর্পণ করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিবু সোরেনের মৃত্যুকে আদিবাসী সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রাজনাথ সিংহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বীরশা মুন্ডার পর আদিবাসী সমাজ শিবু সোরেনের মৃত্যুতে তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ যোদ্ধাকে হারিয়েছে। আমি শিবু সোরেনের সঙ্গে বহুবার সাক্ষাৎ করেছি, তাঁর সঙ্গে কথোপকথন করেছি। তাঁর সহজতা, সরলতা ও সংগ্রামমূলক মনোভাব আমাকে অত্যন্ত প্রভাবিত করেছিল। তাঁর মৃত্যুতে শুধু ঝাড়খণ্ডের মানুষই নয়, তাঁরা তাদের প্রিয় নেতা এবং অভিভাবককেও হারিয়েছেন।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও লিখেছেন, “আজ আমি তাঁর পুত্র এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমার সমবেদনা প্রকাশ করেছি। প্রভু যেন তাঁদের এই দুঃখ সহ্য করার শক্তি প্রদান করেন।” এই ভাষ্য আদিবাসী সমাজ এবং ঝাড়খণ্ডের মানুষের মধ্যে শিবু সোরেনের প্রভাব ও গুরুত্বকে প্রতিফলিত করছে।
পেপার ব্যালটে নির্বাচন করানোই ভালো, মন্তব্য অখিলেশের
(সকাল সকাল ডেস্ক) লখনউ, ১৬ আগস্ট : সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব শনিবার বলেন, ভোট গণনার ক্ষেত্রে ইভিএমের বদলে পেপার ব্যালট ব্যবহার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রায়শই প্রশ্ন উঠছে। সুপ্রিম কোর্টকেও বিরোধীদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে হয়েছে। অখিলেশ বলেন— “আমরা যখন কমিশনকে প্রশ্ন করেছিলাম, হলফনামাসহ বিস্তারিত জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমেরিকা, জাপান, জার্মানির মতো কাগজের ব্যালটে ভোট করালেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে।”
সন্দেহভাজন বাংলাদেশি ধরার অভিযানে স্থগিতাদেশে ‘না’ সুপ্রিম কোর্টের
সকাল সকাল ডেস্ক নয়াদিল্লি : বাংলাদেশি সন্দেহে দেশ জুড়ে বহু সন্দেহভাজনকে আটক করা হচ্ছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ‘অতিসক্রিয়তা’র অভিযোগ তুলে আটক করা বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার এই আবেদনের ভিত্তিতে কোনও অন্তবর্তিকালীন নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছে বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। কেউ কেউ অভিযোগ তোলার চেষ্টা করছে, বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করছে পুলিশ। বাংলাদেশি সন্দেহে দিল্লিতে আটক করা হচ্ছে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের৷ এমনকি, তাঁদের পরিচয় পত্রও দেখা হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ বিষয়টি নিয়ে বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার৷ কলকাতা পুলিশের তরফেও পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন৷ তবে আদালত এ দিন স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি এ ক্ষেত্রে কোনও অন্তবর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে বৈধ নথি-সহ এ দেশে এসেছেন যাঁরা, তাঁদের সমস্যা হতে পারে। এই অভিযানের জেরে যাঁরা সত্যি সত্যি বেআইনি অনুপ্রবেশকারী, যাঁরা লুকিয়ে ভারতে ঢুকে সাধারণ ভারতীয়ের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে, তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা যাবে৷ তবে পাশাপাশি, সত্যিকারের ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিকদের চিহ্নিত করার উপর জোর দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ অন্তবর্তী নির্দেশ না-দিলেও মামলার শুনানিতে কোনও আপত্তি জানায়নি সুপ্রিম কোর্ট। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাহসিকতা ও সেবার জন্য পদক পাচ্ছেন বিভিন্ন সেবায় যুক্ত ১০৯০ জন
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : ২০২৫-এর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাহসিকতা ও সেবার জন্য পদক পাচ্ছেন পুলিশ, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স এবং সংশোধনাগার পরিষেবার ১০৯০ জন কর্মী। এই বিষয়ে জানিয়েছে ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)। পিআইবি-র তরফে জানানো হয়েছে, “২৩৩ জন পাচ্ছেন মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, ৯৯ জন পাচ্ছেন প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এবং ১৫৮ জন মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস। মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি প্রাপ্ত ২৩৩ জনের মধ্যে ২২৬ জন পুলিশ কর্মী, ৬ জন দমকল কর্মী এবং একজন হোমগার্ড এবং সিভিল ডিফেন্সের। রাষ্ট্রপতি সেবা পদক প্রাপক ৯৯ জনের মধ্যে ৮৯ জন পুলিশ, ৫ জন দমকল কর্মী, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড এবং ২ জন সংশোধনাগার পরিষেবা কর্মী। উল্লেখযোগ্য সেবা কাজের জন্য ৭৫৮ জন পদক প্রাপকদের মধ্যে ৬৩৫ জন পুলিশ, ৫১ জন দমকল, ৪১ জন সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড এবং ৩১ জন সংশোধনাগার পরিষেবা কর্মী।”
বীরভূমে অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে অভিযান জেলাশাসকের
সকাল সকাল ডেস্ক। নানুর : মঙ্গলবার গভীর রাতে বীরভূমের নানুরের পালিতপুর প্রতাপপুর চক এলাকায় অবৈধ বালি খাদানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে জেলাশাসক বিধান রায়। অভিযোগ, অজয় সেতু (লোচনদাস সেতু) সংলগ্ন নতুনহাট এলাকায় অজয় নদীর বাঁধ কেটে সাকশন পাইপ ব্যবহার করে বালি উত্তোলন করা হচ্ছিল। অভিযানে ১৫টিরও বেশি ডাম্পার, চারটি মাইনিং মেশিন এবং নৌকায় লাগানো দুটি সাকশন মেশিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অজয় নদীতে এই ধরণের অবৈধ বালি উত্তোলন সত্ত্বেও, নানুর থানা বা ব্লক প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এদিকে, মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলাশাসক নিজেই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে অবহেলার জন্য বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক আধিকারিককে তিরস্কার করেছেন জেলাশাসক।
পথকুকুর নিয়ে নির্দেশ খতিয়ে দেখব: বি আর গাভাই
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি : পথকুকুর নিয়ে শীর্ষ আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশ তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানালেন দেশের প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই। জাতীয় রাজধানী অঞ্চল থেকে কয়েক লক্ষ পথকুকুরকে অবিলম্বে সরানোর ওই নির্দেশটি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন পশুপ্রেমী সংগঠনের সদস্যেরা থেকে অনেক রাজনীতিক। বুধবার পথকুকুর সম্পর্কিত একটি মামলা জরুরি শুনানির তালিকায় সংযোজনের জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে তোলা হয়। সেখানে প্রধান বিচারপতি গাভাই প্রথমে বলেন, অন্য বেঞ্চ তো এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই নির্দেশ জারি করেছে। মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত না হলেও প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব। উল্লেখ্য, এর আগে এই নিয়ে বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, সমস্ত পথকুকুরকে রাস্তা থেকে সরিয়ে নির্দিষ্ট আশ্রয় কেন্দ্রে রাখতে হবে। তাদের নিয়মিত নির্বীজকরণ করতে হবে ও তাদের প্রতিষেধক দিতে হবে। যা ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় দেশজুড়ে। এই আবহে এবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলো।
অন্যের জন্য বেঁচে থাকাই প্রকৃত জীবন : শিবরাজ চৌহান
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি অন্যের জন্য বেঁচে থাকায় প্রকৃত জীবন। এমনটাই অভিমত কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের। তাঁর কথায়, “সবাই নিজের জন্য বাঁচে, এমনকি পোকামাকড় এবং প্রাণীরাও। কিন্তু কেবল নিজের জন্য বাঁচতে হলে, এমন জীবনের অর্থ কী? প্রকৃত জীবন তখনই হয়, যখন আপনি অন্যদের জন্য, সমাজের জন্য, দেশের জন্য, বিশ্বের জন্য বাঁচেন। প্রয়াত ডঃ এম. এস. স্বামীনাথনের ব্যক্তিত্বও এমনই ছিল।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বৃহস্পতিবার সকালে নতুন দিল্লিতে এম.এস. স্বামীনাথন শতবর্ষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। অনুষ্ঠানে শিবরাজ বলেছেন, “১৯৪২-৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের সময়, যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারের দ্বারপ্রান্তে ছিল, তখন তাঁর হৃদয় গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। তখনই তিনি কৃষিকাজ, কৃষকদের সেবা এবং ক্ষুধা দূরীকরণের লক্ষ্যে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।” শিবরাজ সিং চৌহান আরও বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ আমাদের মাঝে আছেন এবং তাঁর প্রতিটি কথা আমাদের কাছে মন্ত্রের মতো। তাঁর কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে, কেবল একটি নয়, বরং বেশ কিছু উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল কৃষি চৌপাল এবং বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান। এর অংশ হিসেবে, বিজ্ঞানীদের ২,১৭০টি দল ৬৪,০০০-এরও বেশি গ্রামে পৌঁছেছেন এবং এক কোটিরও বেশি কৃষকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন।” শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আমরা সয়াবিন, চিনাবাদাম, তিল, সরিষা, ছানা, কালো মসুর ডাল, লাল মসুর ডাল, অড়হরের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা ন্যাশনাল মিশন অন ন্যাচারাল ফার্মিংয়ের জন্য দ্রুত কাজ করছি এবং আমরা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যাব, যাতে জমি আগামী প্রজন্মের জন্যও উর্বর থাকে।”
কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত বিবেচনা করে আমাদের সরকার : প্রধানমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। নয়াদিল্লি কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত হিসেবে বিবেচনা করে আমাদের সরকার। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আমাদের কাছে, আমাদের কৃষকদের কল্যাণই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ভারত কখনও কৃষক, পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করবে না।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বৃহস্পতিবার সকালে নতুন দিল্লিতে এম.এস. স্বামীনাথন শতবর্ষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “কিছু ব্যক্তিত্ব আছেন যাদের অবদান কোনও একটি নির্দিষ্ট সময়কাল অথবা কোনও একটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। অধ্যাপক এম.এস. স্বামীনাথন ছিলেন এমনই একজন মহান বিজ্ঞানী, ভারতমাতার সন্তান। তিনি বিজ্ঞানকে জনসেবার মাধ্যম করে তুলেছিলেন। তিনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে নিজের জীবনের লক্ষ্য করে তুলেছিলেন। তিনি সেই চেতনা জাগ্রত করেছিলেন যা আগামী শতাব্দী ধরে ভারতের নীতি এবং অগ্রাধিকারগুলিকে পরিচালিত করবে।” প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “এখন ভারত বিশ্বের এক নম্বর দুধ, ডাল এবং পাট উৎপাদনকারী দেশ। চাল, গম এবং তুলা উৎপাদনেও ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ। গত বছর, ভারত সর্বোচ্চ খাদ্যশস্য উৎপাদন রেকর্ড করেছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “আমরা কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, কৃষিকাজে ব্যয় হ্রাস এবং আয়ের নতুন উৎস তৈরির লক্ষ্যে ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তিকে দেশের অগ্রগতির ভীত হিসেবে বিবেচনা করেছে। সেই কারণেই বিগত বছরগুলিতে প্রণীত নীতিগুলি কেবল সাহায্যের জন্য ছিল না, বরং কৃষকদের আস্থা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাও ছিল।”