জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণা! নার্সিংহোমের গাফিলতিতে চাঞ্চল্য বসিরহাটে
সকাল সকাল ডেস্ক উত্তর ২৪ পরগনা :- বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগরে নার্সিংহোমের চরম গাফিলতির অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জীবিত এক নবজাতক কন্যাকে মৃত ঘোষণা করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে স্বরূপনগর থানার গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব পোলতা গ্রামে।বৃহস্পতিবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ বছর বয়সী রুবিনা পারভিন প্রসব যন্ত্রণায় বুধবার বিকেলে বসিরহাটের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। সেখানে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ, কিছুক্ষণ পর নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানায়, নবজাতকটি মৃত। এরপর শিশুটিকে প্যাকেটবন্দি করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে, রাত দশটা নাগাদ পরিবার প্যাকেট খুলতেই দেখতে পায়, শিশুটি নড়াচড়া করছে। তড়িঘড়ি তাকে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি সিসিইউ-তে ভর্তি এবং চিকিৎসাধীন, তবে অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পরিবার। ইতিমধ্যে স্বরূপনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবার।
জোট রাজনীতির ধর্ম
অশোক গেহলটের এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায় যে, এখনও পর্যন্ত এমনটা না হওয়ার কারণ ছিল কংগ্রেসের অনিচ্ছা। এই অনিচ্ছা থেকে এটাই স্পষ্ট যে কংগ্রেসকে এখনও জোট রাজনীতির ধর্মের মর্ম জানতে হবে। শেষ পর্যন্ত সে এই সাধারণ কথাটি কেন বুঝতে পারল না যে বিহারে আরজেডিই প্রধান বিরোধী দল এবং তেজস্বী যাদব তার সর্বসম্মত নেতা। কংগ্রেসের মতে, তারা মহাজোটের ঐক্যবদ্ধতার জন্য এই ঘোষণা করেছে।
অতিবৃষ্টি যেন দুর্ভাগ্যের নয়, বরং জীবন ও সমৃদ্ধির উৎস হয়—এই সচেতনতা ও পদক্ষেপই সময়ের দাবি
আমাদের দেশ মূলত কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে বর্ষাকাল দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ক্রমশ এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে রূপ ধারন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই জলাশয় ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ এবং পরিবেশ ধ্বংসের ফলে অতিবৃষ্টি এখন নিয়মিত দুর্যোগে পরিণত হচ্ছে, যা দেশের জনজীবন, কৃষি, ও অবকাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
বিশ্বসংস্কৃতি, সাহিত্য ও টেলিভিশনের টানাপোড়েন
বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে টেলিভিশন যখন ভারতীয় ঘরে প্রবেশ করতে শুরু করল, তখন অনেকে ভেবেছিলেন—এ যেন নতুন দিগন্ত উন্মোচন। আড্ডার আসরে, রাতের খাবারের টেবিলে কিংবা গ্রামীণ হাটে–বাজারে, সাদা-কালো পর্দার আলো হয়ে উঠেছিল বিনোদনের প্রধান আকর্ষণ।