সকাল সকাল ডেস্ক।
কলকাতা : আইপিএলের প্রথম(২০০৮) আসর থেকেই শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু এর আগে তিনবার ফাইনাল খেলেও বিরাট কোহলি শিরোপার স্বাদ পাননি।অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল।
আহমেদাবাদে ৩ জুন রাতে আইপিএলের ফাইনালে পঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে কোহলির বেঙ্গালুরু। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯০ রান করে বেঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ১৮৪ রানে থামে পঞ্জাব।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পঞ্জাব। ওপেনিং জুটিতে প্রবসিমরান সিং এবং প্রিয়ন্স আর্য মিলে ৪৩ রান যোগ করেন। ১৯ বলে ২৪ রান করে জশ হ্যাজেলউডের শিকার হন আর্য। পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৫২ রান করে পঞ্জাব। অন্য ওপেনিং ব্যাটসম্যান প্রবসিমরান সিং ২২ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৭২ রানে আউট হন। এরপরেই পাঞ্জাব সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার আউট হওয়ায়। মাত্র ১ রান করে আউট হন অধিনায়ক। ১০ ওভারে পঞ্জাবের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮১ রান।
দারুণ ফর্মে থাকা জশ ইংলিস শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৩ বলে করেন ৩৯ রান। নেহাল ওয়াধেরাও ১৮ বলে ১৫ রান করে দলকে বিপদে ফেলেছেন। মার্কাস স্টয়নিস ও বিপদের মুখে দাঁড়াতে পারেননি। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়েই তার ইনিংস শেষ হয়ে যায়। তখন জয়ের জন্য ২১ বলে ৪৯ দরকার পঞ্জাবের, হাতে ৫ উইকেট।শেষদিকে একাই চেষ্টা করেছেন শশাঙ্ক সিং। তবে ৩০ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে তার ৬১ রানের ইনিংস আক্ষেপই বাড়িয়েছে পঞ্জাবের।
বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ম্যাচ উইনিং বোলিং করেছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ২ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার।
আরসিবির হয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের ১৮ রানে বিধ্বংসী ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্ট আউট হন । দ্বিতীয় উইকেটে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন কোহলি। ১৮ বলে ২৪ রান করে আগারওয়ালের বিদায়ে ভাঙে জুটি। ৭ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান করে বেঙ্গালুরু। ফাইনালে কোহলির ব্যাট দ্রুত গতিতে চলেনি । এতে রানের চাপও বাড়ে । এরপর অধিনায়ক রজত পাতিদার ১৬ বলে ২৬ রান করে দলের ৯৬ রানের মাথায় আউট হলে আরসিবির বিপদ আরো বাড়ে।
এরপরই দ্রুত গতিতে রান তুলতে গিয়ে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে তিনি ফেরেন কোহলি। তিনি আউট হন আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে। কোহলির আউট হয়ে যাবার পর ব্যাটিংয়ে কিছুটা ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা। তাকে সঙ্গ দেন লিয়াম লিভিংস্টোন। তারা পঞ্চম উইকেটে ১২ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন।কিন্তু ১৭ ওভারে আউট হয়ে ফেরেন লিভিংস্টোন। তিনি ১৫ বলে ২৫ রান করে কাইল জেমিসনের বলে আউট হন। আর ১০ বলে ২৪ রান করে আউট হন জিতেশও। শেষ ৩ ওভারে বেঙ্গালুরু যে ২২ রান যোগ করেছে তা সম্ভব হয়েছে শেফার্ডের ৯ বলে ১৭ রানের ইনিংসের কল্যাণে। পঞ্জাবের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন আর্শদীপ সিং এবং কাইল জেমিসন।
No Comment! Be the first one.