বাংলাদেশে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, বর-কনেসহ ১৪ জনের মৃত্যু, বিএনপি নেতার বাড়িতে শোকের ছায়া

সকাল সকাল ডেস্ক

ঢাকা : বাংলাদেশে মংলা-খুলনা মহাসড়কে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস এবং একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বর-কনে এবং একই পরিবারের একাধিক সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টার সময় বেলাই সেতুর কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মিনিবাসটিতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে একই পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। বিপরীত দিক থেকে আসা নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মিনিবাসটির সংঘর্ষ হতেই চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়।

বাংলাদেশের সরকারি সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সাতজনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে আহতদের মধ্যে আরও কয়েকজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন মংলা উপজেলায় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুর রজ্জাক, তাঁর ছেলে ও বর সাব্বির, কনে মারজিয়া আখতার মিতু, মিতুর দাদি আনোয়ারা বেগম, রজ্জাকের স্ত্রী আঞ্জুমারা বেগম, তাঁদের কন্যা লামিয়া ও আইশি, আইশির স্বামী সামিউল, পুত্রবধূ পুতুল, পুতুলের ছেলে আলিফ, ইরান, মিনিবাসের চালক নাঈম, ইব্রাহিম সানি এবং আরও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি।

কাটাখালি হাইওয়ে পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ জানান, কয়রা থেকে মংলার দিকে যাওয়া মিনিবাসটির সঙ্গে নৌবাহিনীর বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে মিনিবাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মাহনাজ মোশাররফ জানান, একই পরিবারের একাধিক আহতকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে।

রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক রাজেশ জানান, চারটি মরদেহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, আব্দুর রজ্জাক তাঁর ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ে কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামের মারজিয়া আখতার মিতুর সঙ্গে সম্পন্ন করে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Read More News

Read More