গভীর সমুদ্রে পরপর ট্রলারডুবি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২৭ মৎস্যজীবী
সকাল সকাল ডেস্ক। নামখানা: ফের গভীর সমুদ্রে বিপর্যয়। শুক্রবার রাত ও শনিবার সকালে নামখানা উপকূলের কাছে পরপর দুটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে দুই ট্রলারেই থাকা মোট ২৭ জন মৎস্যজীবী সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন। এই ঘটনায় মৎস্যজীবীদের মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও বড় রকমের দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলেই স্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ঘটনায়, শনিবার সকালে ‘এফবি সাকিলা’ নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার নামখানার ১০ মাইল খেয়াঘাট থেকে সমুদ্রে রওনা দেয়। জম্বুদ্বীপের আশপাশে গভীর সমুদ্রে পৌঁছনোর পরই ট্রলারটির সি-কক পাইপ ফেটে যায়। ফলে ইঞ্জিনঘরে জল ঢুকে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ওই ট্রলারে থাকা ১১ জন মৎস্যজীবী তখন বিপদে পড়েন। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য ট্রলারগুলির সাহায্যে তাঁদের উদ্ধার করে নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে তার আগের দিন, শুক্রবার রাতে। ‘এফবি মা দুর্গা’ নামে আরেকটি ট্রলার ১৬ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। কেঁদুয়া দ্বীপের কাছে পৌঁছতেই ট্রলারটির নিচের কাঠের অংশ খুলে যায় এবং জল ঢুকতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রলারটির অধিকাংশ অংশ ডুবে যায়। আর্তনাদ শুনে আশপাশের ট্রলারগুলি দ্রুত ছুটে এসে সবাইকে উদ্ধার করে। সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানিয়েছেন, “খারাপ আবহাওয়া কাটতেই ট্রলারগুলি ফের সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। মরশুমের শুরুতেই পরপর দুটি ট্রলার ডুবে যাওয়া যথেষ্ট উদ্বেগের। তবে সব মৎস্যজীবী সুস্থভাবে ফিরে এসেছেন, এটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়।” তিনি আরও জানান, ট্রলারগুলির কাঠামোগত ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি কিংবা নিরাপত্তা পরীক্ষার অভাব—এই সব কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সমুদ্রে রওনা হওয়ার আগে প্রতিটি ট্রলারের প্রযুক্তিগত যাচাই নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মুর্শিদাবাদে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ট্রেকার-ডাম্পার সংঘর্ষে মৃত ৫, জখম ১০
সকাল সকাল ডেস্ক। কান্দি: রবিবার সকালে মুর্শিদাবাদের কান্দি-বহরমপুর রাজ্য সড়কে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা। গোকর্ণ পাওয়ার হাউস মোড়ে যাত্রীবোঝাই একটি ট্রেকার ও একটি ডাম্পারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের, আহত অন্তত ১০। গুরুতর জখম অবস্থায় তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, সকাল ১১টা নাগাদ বীরভূমের বেলে এলাকা থেকে একটি ট্রেকার ২০ জন যাত্রী নিয়ে মুর্শিদাবাদে ফিরছিল। প্রত্যেকেই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। গোকর্ণ মোড়ের কাছে হঠাৎই একটি দ্রুতগামী ডাম্পার সজোরে ধাক্কা মারে ট্রেকারটিকে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ট্রেকারটি রাস্তায় উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চালক-সহ পাঁচ জন, যাঁদের মধ্যে তিন জন মহিলা। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগান। পরে পুলিশ ও অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছে আহতদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। কয়েক জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও গুরুতর জখমদের হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ট্রেকারটি ধীরগতিতে চলছিল, কিন্তু ডাম্পারটি আচমকাই এসে ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় সাময়িকভাবে রাজ্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়, তৈরি হয় যানজট। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ফের স্বাভাবিক করে চলাচল। মৃত ও আহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের হাসপাতালে ডাকা হয়েছে। পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখছে—ডাম্পার চালকের অসাবধানতা, নিয়ন্ত্রণ হারানো না কি অন্য কোনো কারণ ছিল, সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। ডাম্পার চালক ও মালিকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ফের একবার প্রশ্ন উঠেছে গ্রামীণ রাস্তায় অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই যান ও বেপরোয়া ডাম্পার চলাচল নিয়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু দিন ধরেই ওই মোড়ে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাঁরা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সুপারি পাচারচক্রের মূল চক্রী ধীরজ ঘোষ অবশেষে গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক।শিলিগুড়ি : অবশেষে সুপারি পাচারকারী চক্রের প্রধান চক্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত অভিযুক্তের নাম ধীরজ ঘোষ। শনিবার গভীর রাতে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ সুপারি পাচারকারী ধীরজ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর নকশালবাড়ি ও ঘোষপুকুরে সুপারি বোঝাই মোট পাঁচটি ট্রাক আটক করেছিল পুলিশ। এই ঘটনায় কোনও বৈধ নথি না পাওয়ায় পুলিশ সুপারি পাচারের এই মামলায় মোট দশজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ধীরজ ঘোষের নাম উঠে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারবার নোটিশ দেওয়ার পরেও তিনি পুলিশের কাছে হাজির হচ্ছিলেন না। গত রাতে নকশালবাড়ি থেকে ধীরজ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়।
মন্ত্রী শিল্পি তির্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ইউনেস্কোর কো-চেয়ারপার্সন
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচিইউনেস্কোর কো-চেয়ারপারসন এবং সিদো-কানহু মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়, দুমকা-র প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জ মঙ্গলবার কৃষিমন্ত্রী শিল্পি নেহা তির্কির বাসভবনে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের সময় ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সমাজ, ভাষা-সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যবাহী সম্পদের প্রসঙ্গে বিস্তৃত ও গঠনমূলক আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী শিল্পি নেহা তির্কি বলেন, “ডঃ মিন্জ-এর ইউনেস্কো-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থায় কো-চেয়ারপারসনের পদে মনোনীত হওয়া শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ড নয়, গোটা আদিবাসী সমাজের গর্বের বিষয়।” তিনি আরও বলেন, “ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জের সামাজিক সচেতনতা, দক্ষ নেতৃত্ব ও আদিবাসী সমাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদের একটি শক্তিশালী পরিচয় গড়ে তুলবে।” মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, “এই নতুন ভূমিকায় ডঃ মিন্জ ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন, যা রাজ্যকে এক নতুন দিশা দেখাবে।” তিনি বলেন, “ইউনেস্কোর উদ্দেশ্য হল শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও যোগাযোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রচার। আমি নিশ্চিত, ডঃ সোনাঝারিয়া মিন্জ এই দায়িত্ব অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে পালন করবেন।”
রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচিমঙ্গলবার রাজভবনে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় সেঠ। এই উপলক্ষে দু’জনের মধ্যে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজভবনের তরফে এই সাক্ষাৎকে একটি শিষ্টাচারমূলক সাক্ষাৎ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
বড়াজামদায় লক্ষাধিক টাকার চুরির পর্দাফাঁস, সোনা-রুপোর গয়নাসহ তিনজন গ্রেফতার
সকাল সকাল ডেস্ক। পশ্চিম সিংভূমবড়াজামদা থানার সামনে ফোরেস্ট কোয়ার্টারে বসবাসকারী শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তির বাসভবনে দরজা ভেঙে চুরি যাওয়া লক্ষাধিক টাকার গয়নার ঘটনায় পুলিশ বড় সাফল্য অর্জন করেছে। চুরি ও চোরাই গয়না কেনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার চাইবাসা আদালতে হাজির করা হয়, যেখান থেকে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা হলেন গুয়া শক্তিনগরের করণ গোপ, বড়াজামদার রাধা জুয়েলার্সের মালিক মুকেশ কুমার স্বর্ণকার এবং বড়াজামদা ট্যাঙ্কি সাইডের সুরজ কুমার দাস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নগদ ₹২২,৫০০, একটি সোনার মঙ্গলসূত্র এবং দুটি রুপোর পায়েল উদ্ধার করেছে। এর আগে, ১৩ জুন ওড়িশার বারবিল থেকে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজন নাবালককে গ্রেফতার করা হয়, যাদের চাইবাসা বালসংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তাদের তথ্যে গয়না কেনার অভিযোগে গুভার সন্নি প্রসাদকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার বাড়ি থেকে ₹৪৫০ নগদ সহ বহু সোনা ও রুপোর গয়না—যেমন সোনার কানের দুল, মঙ্গলসূত্র, লকেট, চেন, রুপোর পায়েল, ব্রেসলেট, সিঁদুর দানি, চাবির রিং ও কোমরবন্ধ (কমরধনী) উদ্ধার করা হয়েছে। কিরিবুরু এসডিপিও অজয় কেরকেট্টা মঙ্গলবার বড়াজামদা থানায় সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১১ জুন শিক্ষিকা সন্ধ্যা রানি তান্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন (মামলা নম্বর–২৭/২০২৫)। এরপর এসপির নির্দেশে দ্রুত তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করে অভিযান চালানো হয়। তদন্তকারী টিমে ছিলেন কিরিবুরু ইন্সপেক্টর বম্বম কুমার, বড়াজামদা থানার ওসি বিকাশ কুমার, এসআই লালু প্রসাদ, এএসআই বিনোদ প্রসাদ, এএসআই সুখদেব প্রসাদ ও হাবিলদার জলহা উরাঁও।
কেদারনাথে হেলিকপ্টার ভেঙে মৃত্যু ৭ জনের
সকাল সকাল ডেস্ক। দেরাদুন : কেদারনাথে ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার। রবিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ২৩ মাস বয়সী এক শিশু-সহ ৭ জন নিহত হয়। শিশুটি ছাড়াও নিহতদের মধ্যে আছেন রাজকুমার সুরেশ জয়সওয়াল (৪১), শ্রদ্ধা সুরেশ জয়সওয়াল (৩৫), বিক্রম সিং রাওয়াত (৪৬), পাইলট ক্যাপ্টেন রাজীব, বিনোদা দেবী (৬৬) এবং তুষ্টি সিং (১৯)। সমস্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। উদ্ধারকাজে নামে এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ। জানা গিয়েছে, গৌরিকুণ্ড ও ত্রিযুগীনারায়ণের মাঝে গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। মনে করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়েছে। জানা গিয়েছে, কেদারনাথ ধামের কাছেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুপ্তকাশী যাচ্ছিল কপ্টারটি। ভোর ৫টা নাগাদ ওড়ে কপ্টারটি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তা নীচে নামতে শুরু করে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাড়ে ৫টা নাগাদ গৌরিকুণ্ড ও ত্রিযুগীনারায়ণের মাঝে গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ে কপ্টারটি।
পিতৃ দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন
সকাল সকাল ডেস্ক। রাঁচি : পিতৃ দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বাবার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, পিতা এক বিশাল বটবৃক্ষ, যাঁর ছায়ায় আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয় এবং জীবন হয় অর্থপূর্ণ। নিজের বাবা, গুরুজি-কে স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আমার গুরু, আমার পথপ্রদর্শক আমার বাবা। পিতৃ দিবসে সকলকে তিনি শুভেচ্ছা জানান।
ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত বিজয় রূপাণীর দেহ
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা গেল গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীর দেহ। বিমান দুর্ঘটনার পর মৃতদের দেহ চিহ্নিত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ-ও সংগ্রহ করা হয়েছিল আগেই। রবিবার সেই পরীক্ষাতেই চিহ্নিত করা গিয়েছে বিজয় রূপানির দেহ। আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন বিজয় রূপাণীও। একাধিক যাত্রীর শরীর রীতিমতো ঝলসে গিয়েছিল আগুনে। তাঁদের চেনা যাচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দেহ শনাক্তকরণের পদ্ধতি নেওয়া হয়েছিল।
আহমেদাবাদ দুর্ঘটনা: বিমানের পেছনদিক থেকে বিমানসেবিকার দেহ উদ্ধার, ৪ মেডিকেল পড়ুয়ার মৃত্যু
সকাল সকাল ডেস্ক। আহমেদাবাদ : দুর্ঘটনার তৃতীয় দিন শনিবার সকালে বিধ্বস্ত বিমানের পেছন অংশ থেকে এক বিমানসেবিকার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় হোস্টেলে উপস্থিত ৪ এমবিবিএস ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মৃতদেহ শনাক্তকরণের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা নেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হয়েছে। বিমান দুর্ঘটনাস্থলে তৃতীয় দিনেও ত্রাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। এজন্য বিপুল সংখ্যক উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, শনিবার সকালে আহমেদাবাদ দমকল বাহিনীর একটি দল উদ্ধার সরঞ্জামের সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের পেছনের ধ্বংসাবশেষ কেটে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করে, তাকে একজন বিমানসেবিকা বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের অংশ হোস্টেলের ছাদে পড়ে যাওয়ার কারণে সেই সময় সেখানে উপস্থিত ৪ জন মেডিকেল পড়ুয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মৃতদেহ শনাক্তকরণ এবং তাদের স্বজনদের হাতে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২৭০ জনের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ৮ জনের মৃতদেহ শনাক্ত করার পর তাদের পরিবারের কাছে দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে শববাহী যান, অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়েছে। হাসপাতালে ১৯২টি অ্যাম্বুলেন্স এবং শববাহী যান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।